আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

শুক্রাণু-ডিম্বাণু ছাড়াই মানুষের ভ্রূণ তৈরি করলেন ইসরায়েলের বিজ্ঞানীরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মানুষের শুক্রাণু-ডিম্বাণু এবং মাতৃগর্ভ ছাড়াই এমন একটি বস্তু তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা যা অনেকটাই মানুষের ভ্রূণের মতোই, তবে হুবহু নয়। ইসরায়েলের ওয়াইজম্যান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের একদল গবেষক ভ্রূণসদৃশ বস্তুটি তৈরি করেছেন। কৃত্রিম ভ্রূণটি দেখতে ১৪ দিন বয়সী মানুষের ভ্রূণের মতোই। এটি এমন সব হরমোন নিঃসরণ করে যা সাধারণত কোনো নারী গর্ভবতী হলে নিঃসৃত হয়ে থাকে। বিজ্ঞানীদের দাবি, আমাদের জীবনের প্রাথমিক অবস্থা বোঝাপড়ায় এই ভ্রূণসৃদশ বস্তুটি সহায়তা করবে।

ওয়াইজম্যান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের গবেষক অধ্যাপক জ্যাকব হানা বলেছেন, শুক্রাণু দিয়ে ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার পরের এক সপ্তাহ ডিম্বাণুটি নাটকীয় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। এরপর প্রায় অস্পষ্ট কোষগুলো নিজেদের আকার পরিবর্তন করে পর্যবেক্ষণযোগ্য মানবশিশুর আকৃতি পায়। মূলত এই গুরুত্বপূর্ণ সময়েই গর্ভপাত এবং বিকলাঙ্গ শিশুর গঠনের মতো ঘটনা ঘটে। কিন্তু বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না।

অধ্যাপক জ্যাকব হানা আরও বলেন, এই সময়টি আমাদের কাছ বেশ দুর্বোধ্য এবং আমাদের জ্ঞান এখানে সীমিত।

সাধারণত ভ্রূণ গবেষণা আইন, নৈতিকতা এবং প্রযুক্তিগত সবদিক থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ। তারপরও কৃত্রিমভাবে প্রাকৃতিক ভ্রূণ তৈরির গবেষণা এগিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞান সাময়িকী নেচারে প্রকাশিত এক নিবন্ধে ওয়াইজম্যান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের গবেষকেরা বলছেন, একটি প্রাকৃতিক ভ্রূণের সব গাঠনিক উপাদানই রয়েছে তাদের তৈরি ভ্রূণের গঠনে।

জ্যাকব হানা জানিয়েছেন, তাঁরা ভ্রূণটি তৈরি করতে শুক্রাণু এবং ডিম্বাণুর বদলে প্রাথমিক পর্যায়ের এমন কিছু স্টেম সেল ব্যবহার করেছেন যা মানুষের শরীরের যেকোনো টিস্যুতে পরিণত হওয়ার সক্ষমতা রাখে। পরে মডেলটিতে এমন সব রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে যা মানুষের ভ্রূণের প্রাথমিক পর্যায়ের চারটি কোষের গঠনকে নিশ্চিত করেছে।

আরও পড়ুন>> মৃত্যুর খুব কাছাকাছি যাওয়ার অনুভূতি কেমন, জানালেন মার্কিন চিকিৎসক

চার ধরনের কোষগুলো হলো১. এপিব্লাস্ট কোষ; যেগুলো থেকে পরিপূর্ণ ভ্রূণ গঠিত হয় ২. ট্রপোব্লাস্ট কোষ; যেগুলো থেকে অমরা গঠিত হয় ৩. হাইপোব্লাস্ট সেল; যেগুলো থেকে ডিম্ব থলি গঠিত হয় এবং ৪. এক্সট্রাএমব্রায়োনিক মেসোডার্ম কোষ। সব মিলিয়ে ১২০টি এমন ধরনের কোষ একসঙ্গে নির্দিষ্ট উপাদানে মিশ্রিত করা হয়েছে। এরপর বিজ্ঞানীরা মিশ্রণটিকে পর্যবেক্ষণের জন্য রেখে দেন।

প্রাথমিকভাবে মিশ্রণের মাত্র ১ শতাংশ স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ শুরু করে। সেই কোষগুলো পরে নিজেদের মধ্যে সংগঠিত হতে শুরু করে। মিশ্রণটি এমন একটি কাঠামো তৈরি করে যা মানুষের ভ্রূণের সঙ্গে মিলে যায় কিন্তু হুবহু মানুষের ভ্রূণের মতো নয়।

গবেষকেরা বলছেন, ভ্রূণের এই মডেল মানুষের বিভিন্ন ধরনের কোষ কীভাবে গঠিত হয়, কীভাবে মানুষের প্রাথমিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গঠিত হয় সে বিষয়ে জানার এক নতুন দ্বার খুলে দেবে। পাশাপাশি বিভিন্ন বংশগতি রোগের উৎপত্তি ও বিকাশ সম্পর্কেও জানার সুযোগ দেবে। এরই মধ্যে এই গবেষণা থেকে জানা গেছে যে, যদি ভ্রূণের চারপাশ ঘিরে অমরা বা প্লাসেন্টা কোষের আস্তরণ না থাকে তবে ভ্রূণ বিকশিত হতে পারে না। বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন এই গবেষণা ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশনের (আইভিএফ) সাফল্যের হারও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখাতে পারে।

এই গবেষণা নিয়ে বেশ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন লন্ডনের ফ্রান্সিস ক্রিক ইনস্টিটিউটের গবেষক অধ্যাপক রবিন লভেল বাজ। তিনি বলেন, আমি মনে করি, এটি দারুণ একটি অর্জন। তাঁরা খুব ভালো কাজ করেছে। এটি আমাদের জন্য ইতিবাচক পথ দেখাবে এবং আমি এতে বেশ আশাবাদী। তবে রবিনের মতে, এই গবেষণায় আরও অনেক উন্নতির অবকাশ রয়েছে। তাঁর মতে, যে ৯৯ শতাংশ মিশ্রণ কাজ করেনি সেগুলোকেও কাজ করাতে হবে। তবে তিনি আশাবাদী যে, খুব শিগগিরই সেই সাফল্যও অর্জিত হবে।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমাল: চট্টগ্রামে দেয়াল ধসে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানাধীন চন্দ্রনগর বাজার রোডে অবস্থিত নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে সাইফুল ইসলাম হৃদয় (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ গ্রামের বাবুল হোসেনের সন্তান।

সোমবার (২৭ মে) সকাল ৮টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামী থানা সংলগ্ন টেক্সটাইল আবাসিক এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের সীমানার প্রাচীর ধসে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বায়েজিদ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কামরুজ্জামান জানান, সোমবার সকাল ৮টার দিকে বায়েজিদ থানাধীন নির্মাণাধীন ভবনের দেওয়াল ধসে এক যুবক মারা যান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা কয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়। পরবর্তীতে ঝুঁকিপূর্ণ দেয়ালের অপর অংশগুলোও ভেঙ্গে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় রেমাল প্রভাবে ভারী বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। নগরের বেশিরভাগ এলাকা ডুবে গেছে। চকবাজার, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, বাদুড়তলা, শুলকবহর, মোহাম্মদপুর, কাপাসগোলা, আগ্রাবাদ, চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ, কালারপোল, বড়পোল, হালিশহরসহ বিভিন্ন এলাকা এলাকায় রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে পানিতে। ভোগান্তিতে পড়েছে নগরবাসী।


আরও খবর



লিফটের ভেতরে খোলামেলা পোশাকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বলিউড ও হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। নিজের ফ্যাশন সেন্স দিয়ে বরাবরই ভক্তদের নজর কেড়েছেন তিনি। সম্প্রতি ইতালির ফ্যাশন হাউজ বুলগারির জন্য ফটোশুট করেছেন প্রিয়াঙ্কা। যেখানে খোলামেলা পোশাকে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন অভিনেত্রী।

প্রিয়াঙ্কাকে এদিন দেখা গেছে কালো স্কিনটাইট, নেকলাইন পকেটযুক্ত পোশাকে। যে পোশাকটি একটু অতিরিক্তই খোলামেলা বলে মনে করছেন নেটিজেনরা।

পোশাকের সঙ্গে বুলগারি ব্র্যান্ডের হীরার নেকলেস পরেছেন নায়িকা। যেই নেকলেসের দাম প্রায় ৪৩ মিলিয়ন ডলার। দামী এই নেকলেসের সঙ্গে হীরা দিয়ে তৈরি ব্রেসলেটও হাতে পরেছেন প্রিয়াঙ্কা।

পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে প্রিয়াঙ্কার নিজস্ব গ্ল্যামার, স্মোকি আই মেকআপ, গোলাপী ঠোঁটে আরও উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল। তার উপর লিফটের মধ্যে অভিনেত্রীর আবেদনময়ী পোজ বেশি করে নজর কেড়েছে ভক্তদের।

সম্প্রতি প্রিয়াঙ্কা রোমে অনুষ্ঠিত বুলগারির ১৪৯তম বার্ষিকী উপলক্ষে গালা ডিনারের অংশ নিছিলেন। এই বিশেষ ইভেন্টে বিনোদন জগতের বড় তারকারা উপস্থিত ছিলেন। যাদের মধ্যে ছিলেন অ্যান হ্যাথাওয়ে, শুকি এবং লিউ ইয়েফেই।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য অভিনেত্রীদের উপস্থিতি থাকলেও প্রিয়াঙ্কার সাজ নজর কেড়েছে সকলের। বিশেষ করে অভিনেত্রীর গলায় ১৪০ ক্যারাটের হিরের নেকলেস।

জানা গেছে, এই নেকলেসটি তৈরি করতে সময় লেগেছে প্রায় ২৮০০ ঘণ্টা। যেখানে সেভেন পিয়ার শেপ কাটের হীরা ব্যবহার করা হয়েছে। নেকলেসটির বেস তৈরি হয়েছে প্ল্যাটিনাম দিয়ে।

পুরো নেকলেসটি তৈরি করতে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৬৯৮টি হীরা ব্যবহার করা হয়েছে। নেকলেসটির মূল্য ৪৩ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে চারশ কোটি টাকা। প্রিয়াঙ্কা আকাশছোঁয়া মূল্যর নেকলেসটি গলায় দিয়ে ফটোশুট করেছেন।


আরও খবর



সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী: রিভিউ শুনানি ১১ জুলাই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

বহুল আলোচিত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ শুনানি জন্য আগামী ১১ জুলাই দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) কার্যতালিকার ২৭ নম্বর ক্রমিকে থাকা এই আইটেমটি শুনানির জন্য সকালে আপিল বিভাগে মেনশন করেন রিটকারি পক্ষের আইনজীবী মনজিল মোরশেদ।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান আজ বেঞ্চে না থাকায় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ বিষয়টি শুনানির জন্য আগামী ১১ জুলাই দিন ধার্য করেন। এ সময় আদালতে রাষ্ট্র পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস করা হয়। ওই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তা গেজেট আকারে প্রকাশ হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ন্যস্ত করে আনা সংবিধানের এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে একটি রিট করেন।

সে রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।

হাইকোর্টের দেয়া ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। সে আপিলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ৩ জুলাই তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ করে রায় ঘোষণা করেন। বহুল আলোচিত ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে, দেশের গণতন্ত্র, রাজনীতি, সামরিক শাসন, নির্বাচন কমিশন, সুশাসন, দুর্নীতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। তবে আপিল বিভাগের দেয়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।


আরও খবর



পাথরঘাটায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর ওপর হামলার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অলিউল্লাহ্ ইমরান, বরগুনা

Image

বরগুনার পাথরঘাটায় উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এনামুল হোসাইনের (দোয়াত-কলম মার্কা) ওপর হামলা হয়েছে। এরপর তার পক্ষে প্রেসক্লাবে সাংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার (১ জুন) বরগুনা প্রেসক্লাব হলরুমে বিকেল ৫টায় এনামুল হোসেনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তার ফুফাতো ভাই মো. নিজাম উদ্দিন খান (পান্না) এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

এ সময়ে এনামুলের ফুফাতো ভাই সাংবাদিকদের বলেন, ৩০ মে রাতে দোয়াত-কলম মার্কার প্রার্থী জনাব এনামুল হোসাইন তার নির্বাচনী গণসংযোগ চলানোর সময় কাপ-পিরিচ মার্কার সমর্থকরা কাকাচিড়া এলাকায় ঢুকতে দিবে না বলে বাধার সৃষ্টি করে এবং অতর্কিতভাবে এনামুল ও তার সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এ সময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে কাপ-পিরিচ মার্কার সন্ত্রাসীরা এনামুল হোসাইনের মাথায় কোপ দিয়ে গুরুতর জখম করে ও সন্ত্রাসীদের লাঠির আঘাতে তার ডান হাতের কবজির ওপর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

মো. নিজাম উদ্দিন খান (পান্না) জানান, বর্তমানে দোয়াত কলম মার্কার প্রার্থী এনামুল হোসাইন মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এছাড়া সন্ত্রাসী হা্মলায় আহত এনামুলের ১৫-১৬ জন নেতা-কর্মী মারাত্বকভাবে আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য জাতির প্রতি যে অঙ্গীকার করেছেন তার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে একতরফা নির্বাচন করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। আমরা এ বর্বরোচিত হামলার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।


আরও খবর



কোন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ কত টাকা পেলো

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। সেখানে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর জন্য আলাদা আলাদা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ৩৩, জাতীয় সংসদ ৩৪৭, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ৪ হাজার ৬০০, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১২২, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ২৪৮, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ১ হাজার ২৩০, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৫ হাজার ৩৭৭, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ১৬৬, অর্থ বিভাগ ২ লাখ ৪৮ হাজার ২০৫, বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ২৯০, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ৩ হাজার ২১৭, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ৩ হাজার ৪১৮, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ২১ হাজার ৩০৮, পরিকল্পনা বিভাগ ৬ হাজার ৪৯২, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ ১৯৫, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ ৬৬২, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ৯৩২, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১ হাজার ৭২৬, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ৪২ হাজার ৩১৫, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ ৪৬, আইন ও বিচার বিভাগ ২ হাজার ২২, জননিরাপত্তা বিভাগ ২৬ হাজার ৮৭৭, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ ৪৫, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ৩৮ হাজার ৮১৯, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ৪৪ হাজার ১০৮, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ১৩ হাজার ৫৭৩, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ৩০ হাজার ১২৫, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ২ হাজার ৮৭২, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ১২ হাজার ৮৬৯, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৫ হাজার ২২২, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ৪৬৩ কোটি টাকা বরাদ্দ পাচ্ছে।

অন্যদিকে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ৬ হাজার ৯২৯, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ১ হাজার ১০৮, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৭৭৯, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২ হাজার ৬০২, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ২ হাজার ২১২, স্থানীয় সরকার বিভাগ ৪৫ হাজার ২০৬, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ ১ হাজার ৩৪৬, শিল্প মন্ত্রণালয় ২ হাজার ৫১০, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ১ হাজার ২১৭, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় ৫৭৪, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ১ হাজার ৮৭, কৃষি মন্ত্রণালয় ২৭ হাজার ২১৪, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ৪ হাজার ২৮৮, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ২ হাজার ১৩০, ভূমি মন্ত্রণালয় ২ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ পাচ্ছে।

এ ছাড়া, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ১১ হাজার ১৯৪, খাদ্য মন্ত্রণালয় ৬ হাজার ৭৫৭, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ১১ হাজার ৩, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ৩৮ হাজার ১৪৩, রেলপথ মন্ত্রণালয় ১৮ হাজার ৭২, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ১১ হাজার ২৭০, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ৫ হাজার ৬৯৫, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ২ হাজার ৪২০, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১ হাজার ৪০০, বিদ্যুৎ বিভাগ ২৯ হাজার ২৩০, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৭ হাজার ৪৭৪, দুর্নীতি দমন কমিশন ১৯১, সেতু বিভাগ ৭ হাজার ৩১৮, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ ১১ হাজার ৭৮৩, সুরক্ষা সেবা বিভাগ ৪ হাজার ১৩৭ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগকে ১১ হাজার ২৮২ কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে সরকার।

প্রসঙ্গত, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। এবার বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ কমছে। চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় আগামী অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি কম ধরা হয়েছে পাঁচ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। অনুদান ছাড়া বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে দুই লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। তবে, অনুদানসহ সামগ্রিক ঘাটতি দাঁড়াবে দুই লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগামী অর্থবছর চার হাজার ৪০০ কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ ২৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হবে ৩৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এতে নিট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়াবে ৯০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ঋণ নেওয়া হবে এক লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে এক লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা; যার ৭২ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা দীর্ঘমেয়াদি ঋণ এবং ৬৪ হাজার ৮১৮ কোটি টাকা স্বল্পমেয়াদি। ব্যাংকবহির্ভূত ঋণ নেওয়া হবে ২৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ ৯৩ হাজার কোটি টাকা। আর বৈদেশিক ঋণের সুদ ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা চার লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত কর ধরা হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। করব্যতীত প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৬ হাজার কোটি টাকা।

দেশের ১৮তম অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবারই প্রথম বাজেট পেশ করেছেন। এটি দেশের ৫৩তম বাজেট।


আরও খবর