আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

দুবাই বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছালো এমভি আবদুল্লাহ

প্রকাশিত:রবিবার ২১ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

জিম্মিদশা থেকে মুক্ত বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ দুবাইয়ের আল হামরিয়া বন্দরে পৌঁছেছে। জাহাজের অবস্থান নির্ণয়কারী বৈশ্বিক সংস্থা মেরিন ট্রফিক এ তথ্য জানিয়েছে।

মেরিন ট্রফিক ডটকম সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে এমভি আবদুল্লাহ ওমান সাগর পাড়ি দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে। অবস্থান ও গতিবেগ অনুযায়ী বাংলাদেশ সময় রোববার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় জাহাজটি দুবাইয়ের আল হামরিয়া বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছায়।

এমভি আবদুল্লাহর ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আবদুর রশিদ জানান, জাহাজের ২৩ নাবিকের সবাই সুস্থ আছেন। দুবাই পৌঁছানোর পর নাবিকদের দুজন ফ্লাইটে বাংলাদেশে ফিরবেন। বাকি ২১ জন কয়লা খালাসের পর মে মাসের প্রথম সপ্তাহে জাহাজ নিয়ে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সোমালিয় দস্যুরা গত ১২ মার্চ বাংলাদেশি ২৩ নাবিকসহ এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি জিম্মি করে। দেশটির উপকূল থেকে ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে ভারত মহাসাগরে জাহাজটি জিম্মি করা হয়। এর ৩২ দিন পর গত ১৪ এপ্রিল জাহাজটি মুক্ত করে দেয় জলদস্যুরা। এরপরই সেটি সোমালিয়া উপকূল থেকে আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। জাহাজটি ৫৫ হাজার মেট্রিক টন কয়লা পরিবহন করছে।

আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার পথে ভারত মহাসাগরে চট্টগ্রামভিত্তিক কেএসআরএম গ্রুপের মালিকানাধীন এমভি আবদুল্লাহ নামের জাহাজটি জিম্মি করা হয়েছিল। এতে জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হন জাহাজের ২৩ জন বাংলাদেশি নাবিক ও ক্রু।


আরও খবর



গাজায় নিহতদের ৫৬ শতাংশ নারী ও শিশু: জাতিসংঘ

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। টানা সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে চালানো এই হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার ফিলিস্তিনি। নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

জাতিসংঘ বলছে, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহত ফিলিস্তিনিদের অন্তত ৫৬ শতাংশই নারী ও শিশু। বুধবার (১৫ মে) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

জাতিসংঘ বলছে, গাজা যুদ্ধে নিহত হাজার হাজার মানুষের মধ্যে অন্তত ৫৬ শতাংশ নারী ও শিশু। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে চলা ইসরায়েলের নিরলস আগ্রাসনে অন্তত ৩৫ হাজার ১৭৩ জন নিহত হয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, গত ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত গাজায় নিহতদের মধ্যে প্রায় ২৫ হাজার জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৪০ শতাংশ পুরুষ, ২০ শতাংশ নারী এবং ৩২ শতাংশ শিশু এবং ৮ শতাংশ বয়স্ক মানুষ রয়েছেন।

মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মুখপাত্র ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডমেয়ার বলেছেন, নতুন এই পরিসংখ্যাটি এখন পর্যন্ত সরবরাহ করা তথ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ব্যাপক’।

তিনি জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, অজ্ঞাত পরিচয়ের ক্ষেত্রে একই অনুপাত প্রয়োগ করলে এবং নিহত বয়স্ক নাগরিকদের অর্ধেক নারী হলে এটা আশা করা যেতেই পারে যে, নিহত ৩৫ হাজারেরও বেশি মানুষের মধ্যে অন্তত ৫৬ শতাংশ নারী ও শিশু’ রয়েছে।

এদিকে জাতিসংঘের শিশু নিরাপত্তা ও অধিকার বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের প্রধান বলেছেন, গত বছরের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় ১৯০ জনেরও বেশি জাতিসংঘ কর্মী নিহত হয়েছেন।

ক্যাথরিন রাসেল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, সেবা করার সময় মানবতাবাদীদের অবশ্যই সবসময় সুরক্ষিত রাখতে হবে।’


আরও খবর



কৈলাশটিলায় ফের এলপি গ্যাস উৎপাদন শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতায় কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টে পুনরায় উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পেট্রোবাংলা এ তথ্য জানিয়েছে।

পেট্রোবাংলা জানায়, পেট্রোবাংলার মালিকানাধীন সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতায় পরিচালিত কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডের অপরিশোধিত গ্যাস, এলপিজির কাঁচামাল এনজিএল (ন্যাচারাল গ্যাস লিকুইড) সমৃদ্ধ। ১৯৯৫ সালে এই ফিল্ড থেকে উৎপাদিত গ্যাস থেকে এনজিএল আহরণের জন্য দেশের একমাত্র মলিকুলার সীভ টার্বো-এক্সপান্ডার (এমএসটিই) প্রসেস প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়।

ওই প্ল্যান্টে উৎপাদিত এনজিএল পেট্রোবাংলার অপর কোম্পানি রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টে ফ্র্যাকশনেশন করে এলপিজি ও পেট্রোল (অকটেন নম্বর ৮১) উৎপাদন করা হতো এবং বিপিসির মাধ্যমে বাজারজাত করা হতো।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিএসটিআই কর্তৃক বাজারজাত পেট্রোলের অকটেন নম্বর ৮৯ নির্ধারণ করায় এবং বিপিসি কর্তৃক এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোল উত্তোলন না করায় প্ল্যান্টটি বন্ধ রাখতে হয়। আরপিজিসিএল কর্তৃক বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেও পেট্রোলের অকটেন নম্বর বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়নি।

এলপিজি প্ল্যান্ট না চালানোর কারণে এমএসটিই প্ল্যান্টটি ভিন্ন মোডে পরিচালনা করে এনজিএল-এর পরিবর্তে কনডেনসেট উৎপাদন করতে হতো। এজন্য এলপিজির উপাদানগুলো ফ্লেয়ার করতে হতো। ফলে একদিকে যেমন প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় হতো তেমনি অন্যদিকে পরিবেশের ক্ষতি হতো।

গত ৩০ মে কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টটি এসজিএফএলের নিকট হস্তান্তর করা হয়। প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ শেষে এসজিএফএল কর্তৃক ২ জুন এলপিজি প্লান্টটি চালু করা সম্ভব হয়। এই প্ল্যান্টে উৎপাদিত এলপিজি কৈলাশটিলায় অবস্থিত বিপিসির একটি প্রতিষ্ঠান এলপি গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের বটলিং প্লান্টে সরবরাহ করা হবে।

মৌলভীবাজার জেলার বাহুবল উপজেলার রশিদপুরে এসজিএফএলেএর দুটি কনডেনসেট ফ্র্যাকশনেশন প্ল্যান্ট এবং একটি অকটেন উৎপাদনকারী ক্যাটালাইটিক রিফরমিং ইউনিট (সিআরইউ) রয়েছে। এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোল (অকটেন নম্বর ৮১)-কে এসজিএফএল-এর ফ্র্যাকশনেশন প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোলের সঙ্গে মিশ্রণ করে অতঃপর সিআরইউ-এর মাধ্যমে অকটেন নম্বর বৃদ্ধি করে বিপিসির মাধ্যমে বাজারজাত করা হবে।

এতে এলপিজি উৎপাদন যেমন নিশ্চিত হবে তেমনি কৈলাশটিলা এমএসটিই প্ল্যান্ট স্বাভাবিকভাবে চালানোর ফলে প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় ও পরিবেশের ক্ষতি রোধ হবে। এছাড়া প্রতি বছর এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত ৪০০০ মেট্রিক টন এলপিজি দেশের জ্বালানি খাতে যোগ হবে বলেও জানানো হয়।


আরও খবর



কলকাতায় নেওয়া হচ্ছে এমপি আনারের মেয়ে-ভাইকে

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের দেহাংশ নিশ্চিত করতে তার মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন ও তার ভাইকে কলকাতার ডাকা হয়েছে। কলকাতার নিউটাউনের সঞ্জিভা গার্ডেনের সেই ফ্ল্যাটের টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে প্রায় চার কেজি মাংস উদ্ধার হয়েছে। এবারে এই খন্ডিত মাংসগুলো এমপি আনারের দেহাংশ কি না তা নিশ্চিত করতে তার মেয়ে ডরিনকে কলকাতায় ডাকা হয়েছে। সঙ্গে যাচ্ছেন এমপি আনারের ভাই।

মঙ্গলবার (২৮ মে) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিবি) গোয়েন্দা শাখার প্রধান হারুন অর রশিদ এমনটা জানান। বর্তমানে তার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের তিন সদস্যের একটি গোয়েন্দা দল কলকাতায় অবস্থান করছে।

ডিবি প্রধান বলেন, এমপি আনারের পরিবারের কাউকে কলকাতায় নিয়ে আসা ছাড়া দ্রুততম সময়ে লাশ শনাক্তকরণ সম্ভব নয়। তাই তার মেয়ে ডরিনকে ইতোমধ্যে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আশা করছি, দু-একদিনের মধ্যে ডরিন এবং এমপির ভাই কলকাতায় আসতে পারেন।

তিনি বলেন, উদ্ধার হওয়া ওই মাংসগুলো এমপি আনারের কিনা তা দেখতে ফরেনসিক ল্যাবে নেওয়া হবে। মাংসের টুকরোগুলো সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে সেটা ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হবে এবং ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। এরপরই নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি এমপি আনারের লাশ কি না।

হারুন আর রশিদ বলেন, ঘাতকের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী আমরা কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছি। এমনকি ধৃতের বয়ান অনুযায়ি খালেও মাংসের টুকরো উদ্ধার অভিযান চলবে বলেও জানান তিনি।

ডিবি প্রধান আরও বলেন, একটা মামলা করতে গেলে পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য যেমন দরকার তেমন শরীরের পুরো অংশ না হলেও খণ্ডিত কিছু অংশ প্রয়োজন হয়। সেজন্য আমাদের অনুরোধে সিআইডি সেপটিক ট্যাংকে তল্লাশি চালিয়ে কিছু মাংস উদ্ধার করেছে। মাংসের সঙ্গে চুল উদ্ধার হয়েছে।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার। তিনি পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে ওঠেন। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপরই নিখোঁজ হন তিনি।


আরও খবর



অরিত্রীর আত্মহত্যা: ফের পেছাল মামলার রায়

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

বিচারক ছুটিতে থাকায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলার রায় আবারও পিছিয়ে যাচ্ছে। মামলার দুই আসামি হলেন- ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকা নাজনীন ফেরদৌস ও জিনাত আক্তার। তারা জামিনে আছেন।

আজ সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ১২-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে বিচারক ছুটিতে থাকায় আজ রায় ঘোষণা হচ্ছে না।

ভারপ্রাপ্ত বিচারক রায়ের নতুন তারিখ ধার্য করবেন বলে সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাহিমুল করিম আকন্দ জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. হিমেল বলেন, স্যার (বিচারক) ছুটিতে থাকায় আজ রায় হচ্ছে না। তবে ভারপ্রাপ্ত বিচারক রায়ের নতুন তারিখ নির্ধারণ করবেন।

গত ২১ জানুয়ারি মামলাটি রায়ের জন্য ছিল। এরপর গত ৮ ফেব্রুয়ারি, ৩ মার্চ ও ৯ এপ্রিলও রায় প্রস্তুত না হওয়ায় তা ঘোষণা হয়নি। গত বছরের ২৭ নভেম্বর একই আদালত রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে এ মামলায় রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন।

এর আগে ২০১৮ সালে ৩ ডিসেম্বর শান্তিনগরের বাসায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী (১৫)। তার আগের দিন পরীক্ষায় নকল করার অভিযোগে তাকে পরীক্ষা হল থেকে বের করে দিয়েছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, অরিত্রী পরীক্ষায় মোবাইল ফোনে নকল নিয়ে টেবিলে রেখে লিখছিল। অন্যদিকে স্বজনদের দাবি, নকল করেনি অরিত্রী।

এরপর অরিত্রীর বাবা-মাকে ডেকে নেওয়া হয় স্কুলে। তখন অরিত্রীর সামনে তার বাবা-মাকে অপমান করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। ওই দিনই আত্মহত্যা করেন অরিত্রী। আত্মহত্যার পর তার সহপাঠীরা বিক্ষোভে নামে। ৪ ডিসেম্বর তার বাবা দিলীপ অধিকারী আত্মহননে প্ররোচনার অভিযোগ এনে মামলা করেন। ওই মামলায় অরিত্রীর শিক্ষকদের পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও পরে তারা জামিন পান।

মামলার এজাহারে অরিত্রীর বাবা লেখেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ মেয়ের সামনে তাদের অপমান করে। ওই অপমান এবং পরীক্ষা দিতে না পারার মানসিক আঘাত সইতে না পেরে অরিত্রী আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

নিউজ ট্যাগ: অরিত্রী অধিকারী

আরও খবর



মেরিন ড্রাইভে পর্যটকসহ নিহত দুই

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজার-টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কে ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে পর্যটকসহ দুজন নিহত হয়েছেন।

রোববার (১৯ মে) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরা মেরিন ড্রাইভ সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিখোলা গ্রামের লাতাইঅং চাকমার ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগের ৪ নাম্বার ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি বারিক্কা ওরফে কিরণ চাকমা (৪০) এবং রাজধানীর ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টারের বাসিন্দা জাহিদ (২৭)।

বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক সামি উদ্দিন বলেন, মেরিন ড্রাইভ সড়কের জাহাজপুরা অংশে ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহতদের হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত জাহিদের স্বজনরা বলেন, ১৬ মে ঢাকা থেকে কক্সবাজার বেড়াতে আসেন তারা। ১৮ মে চলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জাহিদ নববধূ নিয়ে আসায় অতিরিক্ত একদিন বেড়ানোর কথা বলে আজ রোববার কক্সবাজারে থেকে গেল। এরইমধ্যে জাহিদ ও তার স্ত্রী রেন্ট এ বাইক থেকে মোটরসাইকেল ভাড়া নিয়ে ঘুরতে চলে যান মেরিন ড্রাইভ সড়কে। সেখানে দুর্ঘটনার শিকার হন। হাসপাতালে আনা হলে জাহিদকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। তার স্ত্রী গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


আরও খবর