আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

যশোর জেলা যুবদলের সহসভাপতিকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ জুলাই ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যশোর জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি বদিউজ্জামান ধোনিকে (৫২) প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১২ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যশোর শহরের শংকরপুর আকবারের মোড় এলাকায় তাকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত বদিউজ্জামান যশোর শহরের বেজপাড়া চোপদারপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

জানা গেছে, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বদিউজ্জামান বাড়ির সামনের দোকানে বসেছিলেন। এ সময় রিকশায় করে কয়েকজন সেখানে গিয়ে জামার কলার ধরে টেনেহিঁচড়ে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে বদিউজ্জামানকে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। এর কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাইফুর রহমান জানান, মারামারির ঘটনায় আহত ওই রোগীকে ভর্তির কিছুক্ষণ পরই ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির সাংবাদিকদের জানান, দুর্বৃত্তদের ছুরির আঘাতে যুবদল নেতা বদিউজ্জামানের মৃত্যু হয়েছে। তবে কারা কী কারণে তাকে হত্যা করেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে বলা যাচ্ছে না। দুর্বৃত্তদের আটকের জন্য পুলিশের কয়েকটি দল মাঠে রয়েছে।

যশোর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক রানা বলেন, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে মারা গেছেন বদিউজ্জামান ধোনী। তার খুনের কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি। পুলিশ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই।


আরও খবর



বেইলি রোডে আগুনে নিহতদের পরিবার পাবে ২৫ হাজার টাকা: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান। শুক্রবার (০১ মার্চ) সকাল সোয়া ১০টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে তিনি অনুদানের এ ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগুনের ঘটনা সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে প্রাথমিকভাবে অনুদান দেওয়া হবে। এছাড়া চিকিৎসার জন্য যেখানে যে ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন সরকারের পক্ষ থেকে তা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আগুনের ঘটনার পরপরই সরকারের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।


আরও খবর



মাদক-কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ‘অলআউট অ্যাকশন’ : র‌্যাব ডিজি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

মাদক ও কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ হচ্ছে মাদকের একটি ট্রানজিট রোড। এর থেকে যদি বাঁচতে হয়, তবে আমাদের সম্মিলিতভাবে মাদকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়া মাদক-কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অল-আউট অ্যাকশন-এ যাবে র‌্যাব।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় শহীদ মিনারে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের নিরাপত্তা সংক্রান্ত মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈনের লেখা মাদকের সাতসতেরো: বাংলাদেশের বাস্তবতা ও সমাধানসূত্র এবং 'কিশোর গ্যাং: কীভাবে এলো, কীভাবে রুখব শীর্ষক দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন র‌্যাব ডিজি।

এম খুরশীদ হোসেন বলেন, আমাদের মূল কাজ হচ্ছে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। মানুষ যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে। সমাজ ব্যবস্থা যেন সুন্দরভাবে পরিচালনা হতে পারে, সমাজের মানুষ যেন কোনো প্রকার হুমকির মধ্যে না থাকেন সেটি নিশ্চিত করা। আপনারা জানেন রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও মিরপুরে এই কিশোর গ্যাং এর বিস্তার খুব বেড়ে গিয়েছিল, যেখানে র‌্যাব অভিযান পরিচালনা করে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, এসব কিশোর গ্যাং এর কেউ না কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দাতা আছেন। এরা সব সময় থাকে, অতীতেও ছিল এখনও আছে ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা চেষ্টা করছি কিশোর গ্যাং সমূলে কিভাবে বিনাশ করা যায়, পাশাপাশি যারা এদের পরিচালনা করছে আমরা তাদেরকেও আইনের আওতায় আনবো।

এম খুরশীদ বলেন, মাদকের বিষয়ে কিছু দিন আগেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মিটিং হয়েছে। সেখানে গোয়েন্দা সংস্থা থেকে শুরু করে সকল বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। মাদকের বিষয়টি এমন হয়েছে যে শুধু পুলিশ-র‌্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর দিয়ে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো মাদক নিয়ন্ত্রণে অনেক বেআইনি পদক্ষেপও নিয়েছে। কিন্তু আমরা সেই পথে যাচ্ছি না, আইনের মধ্যে থেকেই মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি।

র‌্যাব প্রধান বলেন, দেশে যখন জঙ্গী উত্থান হয়েছিল, আমরা তখন দল মত নির্বিশেষে সামাজিকভাবে এর মোকাবিলা করলাম তখন কিন্তু জঙ্গি নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। সেভাবে মাদকও নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এক সময় বাংলাদেশে মাদক আসতো স্থল পথে। তখন বেশি প্রচলন ছিল ফেনসিডিল ও হেরোইনের। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে যখন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হলো তারপরে কিন্তু বাংলাদেশে ফেনসিডিল আসা বন্ধ হয়েছে। কারণ তখন ভারতের বর্ডার এলাকাগুলোতে ফেনসিডিলের কারখানা ছিল। এরপরেই বাংলাদেশ ফেনসিডিলের চাহিদা অনেকটাই কমে গেছে। স্থল পথে রাজশাহীর চারঘাট, বাগমারা এলাকা দিয়ে গোদাগাড়ীর ওদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুর কুমিল্লা বিভিন্ন জায়গা দিয়ে মাদকগুলো আসতো। এখন শুধুমাত্র ফেনসিডিল নয় অনেক বিপজ্জনক মাদক বাংলাদেশে আসছে বিভিন্ন স্থলপথ- বর্ডার এলাকা দিয়ে, জলপথ ও আকাশপথেও আসছে।

কিশোর গ্যাং ও মাদক প্রতিরোধের বিষয়ে লেখা দুটি নিয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি এ ধরনের বই কিশোরদের কাছে পৌঁছে দেওয়া যেতে পারে। পাঠ্য বইয়ে মাদকের কুফল, কিশোর গ্যাং এর কুফলের বিষয়গুলো তুলে ধরা হলে অপরাধ কমে যাবে।

তিনি বলেন, আমরা যদি জাপানের দিকে দেখি, সেখানে শিশুদের প্রথম দুই বছর কোনো পাঠ্য বইয়ের শিক্ষা পড়ানো হয় না। তাদেরকে সেখানে শিখানো হয় ম্যানার (আচার-আচরণ)। দুই বছর পর তাদের পাঠ্য বইয়ে পড়াগুলোকে শেখানো হয়। যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গিয়ে মাদকের কুফল কিশোর গ্যাং এর কুফল নিয়ে আলোচনা করা হয়, বা ক্লাস নেওয়া হয়, তাহলে যথেষ্ট সাড়া পাওয়া যাবে। অতীতেও আমি এ বিষয়গুলো দেখেছি। তাই সর্বোপরি সবাই সব জায়গা থেকে মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।


আরও খবর



পহেলা ফাল্গুন আজ

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শীতের রিক্ততা ভুলিয়ে আবহমান বাংলার প্রকৃতিতে এসেছে ফাগুনের ছোঁয়া, আগুনরাঙা বসন্তের সুর। গাছে গাছে ফুটছে লাল পলাশ ফুল। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, গাছের ডালে ডালে যেন লেগেছে আগুন। দখিনা বাতাস আর নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার মধ্যে ঋতুরাজ বসন্তের আগমন ঘটল আজ বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি)।

বসন্তকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বসন্ত বরণের বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। ২২৫ জন নৃত্যশিল্পীর পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বসন্ত বরণের আয়োজন করেছে সংস্থাটি।

রাজধানীর রমনায় এদিন বিকেল সাড়ে ৩টায় শতায়ু অঙ্গনের পাশে মঞ্চে পরিবেশিত হবে শিশু-নৃত্যদল এবং শিশু সঙ্গীত দলের এই পরিবেশনা। অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিকেল সাড়ে ৪টায় বসন্তের রঙিন শোভাযাত্রা শুরু হবে। শোভাযাত্রাটি রমনা পার্ক থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সমবেত হবে। বিকেল সাড়ে ৫টায় একাডেমির উন্মুক্ত মঞ্চে আয়োজন করা হচ্ছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

শিল্পকলার বসন্তবরণের এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন সংস্কৃতি সচিব খলিল আহমদ। স্বাগত বক্তৃতা করবেন একাডেমির সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ।

উন্মুক্ত মঞ্চের এ আয়োজনে শুরুতেই পরিবেশিত হবে দলীয় ঢাক নৃত্য। পরিবেশন করবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যদল। পরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি নৃত্যদল পরিবেশন করবে দলীয় নৃত্য শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। এরপর দলীয় সংগীত আনন্দ লোকে পরিবেশন করবে শিল্পকলা একাডেমি শিশু সংগীত দল। দ্বৈত আবৃত্তি রুমঝুম কে বাজায় পরিবেশন করবেন ডালিয়া আহমেদ ও জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। একক সংগীত যেথা রামধনু উঠে হেসে পরিবেশন করবেন মেহরিন মাহমুদ।

এরপর দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করবেন নওশিন তাবাসসুম স্মরণ ও মোমিন বিশ্বাস। ধারাবাহিক পরিবেশনায় দলীয় নৃত্য সুন্দরের অতন্দ্র প্রহরী পরিবেশন করবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি শিশু নৃত্য দল। এরপর দ্বৈত নৃত্য আজি দক্ষিণ পবনে পরিবেশন করবে আবু নাইম ও আনন্দিতা খান। দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করবেন শারমিন সাথী ইসলাম ও বুলবুল ইসলাম। এরপর আবার দলীয় সংগীত মন শুধু মন ছুয়েছে পরিবেশন করবে ঢাকা সাংস্কৃতিক দল। দ্বৈত আবৃত্তি করবেন তামান্না তিথি ও মাহিদূল ইসলাম। দলীয় নৃত্য বসন্ত মুখর আজিনীল দিগন্তে পরিবেশন করবে রেওয়াজ পারফর্মার্স স্কুল। নৃত্য পরিচালনা করেছেন মুনমুন আহমেদ। দ্বৈত নৃত্য বিশ্ববীণা রবে ও আজ সখি পরিবেশন করবেন সামিনা হোসেন ও মাহতাব মেহেদী। এরপর একক সংগীত চেনা চেনা লাগে পরিবেশন করবেন মো. ইউসুফ আহমেদ খান। দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করবেন কিরণ চন্দ্র রায় ও চন্দনা মজুমদার। দ্বৈত নৃত্য ফাগুন লেগেছে শাখে শাখে পরিবেশন করবেন জুয়েইরিয়াহ মৌলি ও মারিয়া ফারিহ উপমা। এরপর দলীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নৃত্য পরিবেশন করবে তপস্যা নৃত্যদল। পরিচালনা করেছেন নৃত্য পরিচালক ফিফা চাকমা। এরপর দ্বৈত আবৃত্তি করবেন শিমুল মোস্তফা ও রূপা চক্রবর্তী। দ্বৈত নৃত্য একটুকু ছোঁয়া লাগে পরিবেশন করবেন অনিক বোস ও কস্তুরী মুখার্জী। এরপর দলীয় নৃত্য অবাক চোখে পরিবেশন করবে কত্থক নৃত্য সম্প্রদায়। নৃত্য পরিচালনা করেছেন নৃত্য পরিচালক সাজু আহমেদ। পরে, পরিবেশিত হবে দ্বৈত নৃত্য বাগিচায় বুলবুলি, পরিবেশন করবেন আরোহী ইসলাম (আরিফুল ইসলাম অর্ণব) ও হেনা হোসেন। সবশেষে শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যদলের অংশগ্রহণে পরিবেশিত হবে ফ্যাশন ডান্স প্যারেড।

ঢাকা রির্পোটার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) এ বছর বসন্তবরণ উৎসব ও ভালোবাসা দিবস উদযাপন উপলক্ষে ভালোবাসার দিনে বসন্ত উৎসব শিরোনামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। দুপুর ১২টায় ডিআরইউ বাগানে বাউল গানের আসর অনুষ্ঠিত হবে। ফকির লালন সাঁই, বাউলসাধক শাহ আব্দুল করিমসহ বাংলার লোককবিদের বাউল গান শোনাবেন শিল্পকলা একাডেমির বাউলদল।


আরও খবর



‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’র শুটিংয়ে ঢাকায় এসেছেন কৌশানি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ঢাকায় এসেছেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কৌশানি মুখার্জি। ডার্ক ওয়ার্ল্ড ছবির শুটিংয়ে অংশ নিতে বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশে এসেছেন এই অভিনেত্রী। সিনেমাটি নির্মাণ করছেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। এতে নায়িকার বিপরীতে জুটি বেঁধেছেন প্রযোজক ও অভিনেতা মুন্না খান।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে সিনেমাটির শুটিং। এই সিনেমায় পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে দেখা যাবে কৌশানীকে।

ডার্ক ওয়ার্ল্ড সিনেমার অভিনেত্রী ছিলেন মাহিয়া মাহি। গত বছর শুরু হয়েছিলো সিনেমার শুটিং। ডার্ক ওয়ার্ল্ড ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর ৯ অক্টোবর শুটিংও শুরু করেছিলেন মাহিয়া মাহি। কিন্তু একদিনের শুটিং করে সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ান মাহি।

এই সিনেমা দিয়েই মাতৃত্বকালীন বিরতির পর ফিরেছিলেন মাহি। কিন্তু একদিন শুটিং করেই মুন্নার বিপরীতে কাজ করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

শেষমেশ বন্ধ হয়ে যায় শুটিং। সেসময় জানা যায়, মুন্না খানের এক বক্তব্যের জন্যই সিনেমা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে এ ছবিতে পরী মণিকে নায়িকা হিসেবে পাওয়ার ইচ্ছে পোষণ করেছিলেন নায়ক। তাতেই বাঁধে বিপত্তি।

প্রসঙ্গত, কৌশানী অভিনীত প্রথম বাংলাদেশি ছবি প্রিয়া রে। তবে আজও এটি আলোর মুখ দেখেনি। শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত সিনেমাটি আদৌ মুক্তি পাবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। ২০২১ সালে ঢালিউড সিনেমায় নাম লেখিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন এই অভিনেত্রী। টালিউডে শেষ তাকে দর্শক দেখেছিল ডাল বাটি চুরমা সিনেমায়।


আরও খবর



৩০ ঘণ্টা পরেও অসম্পূর্ণ পাকিস্তানের নির্বাচনের ফল

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভোট গ্রহণের ৩০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সম্পূর্ণ ঘোষণা করা হয়নি পাকিস্তানের ১৬তম সাধারণ নির্বাচনের ফল। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২৬৫ আসনের মধ্যে ২৩৬ আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে আনুষ্ঠানিকভাবে।

পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২৩৬ আসনের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৯৬টি আসন। স্বতন্ত্রদের অধিকাংশই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সমর্থিত। আর নওয়াজ শরিফের পিএমএন-এল পেয়েছে ৬৬টি আসন।

অপরদিকে, বিলাওয়াল ভূট্টোর পিপিপি পেয়েছে ৫১টি আসন ও এমকিউএম দল পেয়েছে ১৪টি আসন। বাকি দলগুলো পেয়েছে মোট ৯টি আসন। এখন পর্যন্ত ২৯টি আসনের ফল ঘোষণা বাকি। আরেকটি আসনের প্রার্থী ভোটের আগেরদিন নিহত হওয়ায় ওই কেন্দ্রের ভোট স্থগিত রেখেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।

এদিকে ফল ঘোষণা সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন নওয়াজ শরিফ। বিজয়ী ভাষণে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের স্বাগত জানানোর পাশাপাশি তাদের সঙ্গে জোট গঠন করার বিষয়ে আলোচনার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

এর আগে ফল ঘোষণায় বিলম্ব হওয়ার কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় এবার ভোট গণনায় ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যোগাযোগে গোলযোগের কারণে ভোট গণনায় দেরি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনের দিন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভোটগ্রহণ শুরুর মাত্র ১০ মিনিট আগে মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল পাকিস্তানে। কল ও ডেটা সেবা, কোনটিই সচল ছিল না সেদিন।

গত বুধবার, অর্থাৎ সাতই ফেব্রুয়ারির হামলার ঘটনা মোবাইল পরিষেবা বন্ধের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেদিন পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে প্রার্থীদের কার্যালয়ে দুটি পৃথক বোমা হামলায় কমপক্ষে ২৮ জন নিহত হয়।

কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইল পরিষেবা বন্ধ থাকায় এখন নির্বাচনি ফলাফল আসতে দেরি হচ্ছে। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন স্থানীয় কর্মকর্তাদের প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করতে বলেছে। তবে, ইমরান খানের দলের দাবি, ফল ঘোষণায় এমন বিলম্ব ভোট কারচুপির লক্ষণ।


আরও খবর
আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪