আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন: ৫৭ ধারা কী?

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ জুন 20২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারাটি নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। বিশেষ করে সাংবাদিক প্রবীর সিকদারকে এই আইনে গ্রেপ্তারের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ধারাটির অপব্যবহার বন্ধ ও বাতিলের দাবিতে সরব মুক্তমনারা। তাঁদের মতে, এ ধারা বিতর্কিত। আইনটি এমনভাবে করা হয়েছে, অনলাইনে যেকোনো তথ্য আদান-প্রদানকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে পারবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে যা অন্তরায়। অনেকেই আলোচনা সমালোচনায় শরীক হলেও বাস্তবে ৫৭ ধারায় কি আছে তারা জানেন না। অনেকেরই জিজ্ঞাসা ৫৭ ধারা কি? তাই সবার জ্ঞাতার্থে নিম্নে হুবহু এই ৫৭ ধারা তুলে ধরা হলঃ

তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬

ইলেক্ট্রনিক ফরমে মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দণ্ড

ধারা- ৫৭

১/কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন  হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি প্রদান করা হয়, তাহা ইহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

২/কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক চৌদ্দ বৎসর এবং অন্যূন সাত বৎসর কারাদণ্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷

উল্লেখ্য ২০০৬ সালের আইনে শাস্তির বিধান "অনধিক দশ বৎসর কারাদণ্ডে" থাকলেও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৪২ নং আইন) এর ৪ ধারা বলে শাস্তির বিধান বাড়িয়ে "অনধিক চৌদ্দ বৎসর এবং অন্যূন সাত বৎসর কারাদণ্ড" করা হয়।

শুরুতে এই আইনটিকে অনেকে স্বাগত জানালেও কালক্রমে ব্যাপকহারে এটির স্বেচ্ছাচারীমূলক অপপ্রয়োগের অভিযোগ বাড়তে থাকায় এটি বাতিলের দাবি প্রবল হয়ে উঠেছে।

ব্যারিস্টার জোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, এই আইনটিকে অনেক বিষয় একসঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনোটাই সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি। যে কারণে আইনের এ ধারা দিয়ে হয়রানির যথেষ্ট সুযোগ রয়ে গেছে। বিশেষ করে, ভিন্নমত দমনের জন্য এটা একটা পারফেক্ট টুলস। কিছু পরস্পরবিরোধী বিষয়ও এখানে যুক্ত আছে।

২০০৬ সালের বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময় এ আইনটি প্রণয়ন করা হয়। ২০০৬ সালে এই আইন পাস হওয়ার পর থেকে এর প্রয়োগ কিংবা ব্যবহার নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা হয়নি। ২০১৩ সালে ২১ আগস্ট এই আইনে সংশোধনী আনা হয় উল্লেখ করে ব্যারিস্টার জোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, এই আইনে সংশোধনী আনা হয় যাতে এই ধারাটিতে পরিবর্তন এনে কারাদণ্ডের মেয়াদ বৃদ্ধি করে অন্যূন সাত বছর এবং অনধিক ১৪ বছর করা হয়। ধারাটি প্রথম থেকেই ছিল অজামিনযোগ্য কিন্তু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ এর সকল ধারাই ছিল অআমলযোগ্য। যার অর্থ দাঁড়ায়- পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের লিখিত অনুমতি ছাড়া এই আইনে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারবে না। নতুন সংশোধনীতে এই আইনকে আমলযোগ্য করায় পুলিশের ওপর আর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকল না। পুলিশ চাইলেই যেকোনো সময় যেকাউকে এই ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে গ্রেপ্তার করতে পারবে। এই আইনে দোষীকে অনধিক ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা জরিমানা করা যাবে।

নিউজ ট্যাগ: ৫৭ ধারা

আরও খবর



নাম-ঠিকানার মিলে ১১ ঘণ্টা হাজতবাস

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ জুন ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নাম ও ঠিকানার মিল থাকায় অপরাধী না হয়েও প্রায় ১১ ঘণ্টা হাজতবাস করেছেন আবদুর রাজ্জাক সরদার (৫৩) নামের ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার (২ জুন) দিনগত রাতে তাকে গ্রেফতার করে রাজশাহীর বাগমারা থানা-পুলিশ। পরে গ্রাম পুলিশের এক সদস্য মামলার প্রকৃত আসামিকে ধরিয়ে দিলে মুক্তি মেলে নকল আসামি রাজ্জাক সরদারের।

বাগমারা থানা পুলিশ আবদুর রাজ্জাক সরদারকে গ্রেফতার করেন নারী নির্যাতনের একটি মামলায়। রাজ্জাক সরদারের স্বজনরা জানিয়েছেন, এ মামলার প্রকৃত আসামি পাশের গনিপুর ইউনিয়নের বাজেকোলা গ্রামের আবদুর রাজ্জাক। মামলায় ইউনিয়নের নাম উল্লেখ ছিল না। আসামি, বাবার নাম ও গ্রামের নামে মিল থাকায় পুলিশ আবদুর রাজ্জাক সরদারকে গ্রেফতার করে। তিনি উপজেলার যোগিপাড়া ইউনিয়নের বাজেকোলা গ্রামের গরিবুল্যা সরদারের ছেলে ও পেশায় রাজমিস্ত্রি।

আবদুর রাজ্জাক সরদারের স্ত্রী জিন্নাতুন নেসা বলেন, বৃহস্পতিবার রাতের খাবার খেয়ে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত একটার দিকে পুলিশ পরিচয়ে তার বাড়িতে দরজা খোলার জন্য বলা হয়। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি দরজা খুলে দিলে স্থানীয় ভাগনদী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম তার স্বামীর খোঁজ করেন।

জিন্নাতুন নেসা জানান, গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকার কথা বলে পুলিশ তার স্বামীকে ঘুম থেকে জাগিয়ে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যায়। এসময় ভুল হচ্ছে বলে জানালেও পুলিশ তার কোনো কথা শোনেনি। রাতে স্থানীয় তদন্তকেন্দ্রের হাজতখানায় রাখার পর আজ শুক্রবার সকালে বাগমারা থানাহাজতে রাখা হয়।

শুক্রবার সকালে আবদুর রাজ্জাকের স্বজনরা মামলার নথিপত্র ঘেঁটে জানতে পারেন ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি গনিপুর ইউনিয়নের বাজেকোলা গ্রামের রিনা নামের এক নারী মামলাটি করেন। মামলায় রিনার সাবেক স্বামী আবদুর রাজ্জাককে আসামি করা হয়েছে। ওই রাজ্জাকের বাবার নামও গরিবুল্যাহ।

আবদুর রাজ্জাক সরদারের ভাই রেজাউল করিম বলেন, মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া তৎকালীন উপ-পরিদর্শক, গনিপুর ইউপি চেয়ারম্যান, মামলার বাদীসহ স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে তদের সহযোগিতা চান। সবাই আসল আসামির পরিচয় ও অবস্থান নিশ্চিত করার পর পুলিশ কর্মকর্তাকেও বিষয়টি জানান। এরপর গ্রাম পুলিশের সহায়তায় আসল আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গনিপুর ইউপির চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান বলেন, মামলাটির প্রকৃত আসামি তার এলাকার। তবে প্রথমে ধরা পড়েছিলেন ১৭ কিলোমিটার দূরের আরেক ইউনিয়নের আবদুর রাজ্জাক। ওই ব্যক্তির পরিবারের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর প্রকৃত আসামির সন্ধান দেন তিনি। নির্যাতনের বিষয় নিয়ে এর আগে সালিস হওয়ার কারণে আসল আসামিকে সহজে শনাক্ত করা গেছে।

ভাগনদী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম বলেন, নিজের, বাবার ও গ্রামের নাম মিল থাকায় ভুলবশত অন্য একজনকে ধরা হয়েছিল। সব মিল থাকায় ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছিল। পরে আসল আসামিকে শনাক্ত করেন চেয়ারম্যান। এরপর নকল আসামিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: হাজতবাস

আরও খবর



সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালী-লাকসাম মহাসড়কে নিহত-২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নোয়াখালী-লাকসাম মহাসড়কে যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বেগমগঞ্জের কেবি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকসহ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আরও এক শিক্ষক আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে নোয়াখালী-লাকসাম মহাসড়কের পলাইয়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ২ জনের মধ্যে ১ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি হলেন বেগমগঞ্জ উপজেলার জিরতলী ইউনিয়নের বড় হোসেনপুর গ্রামের আখন্দ বাড়ির মৃত হারিছ মিয়ার ছেলে জামাল উদ্দিন (৫২)। তিনি বেগমগঞ্জ উপজেলার কে বি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। অপর নিহতের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

এদিকে হাইওয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। আহত প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেনকে লাকসাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

কে বি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হারুনুর রশিদ সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার সকালে প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন ও সহকারী শিক্ষক জামাল উদ্দিন স্কুলের অফিসের কাজে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে যাচ্ছিলেন। পথে নোয়াখালী-লাকসাম মহাসড়কে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে লাকসাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির জন্য নিয়ে গেলে জামালকে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

লাকসাম হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাইয়ুম উদ্দিন চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

 

নিউজ ট্যাগ: সড়ক দুর্ঘটনা

আরও খবর



চালের দাম বৃদ্ধি নিয়ে অ্যাকশনে যাওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | ৫৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভরা মৌসুমে বাড়ছে চালের দাম। এক মাসের ব্যবধানে মান ভেদে প্রতি কেজি চালের দাম ৫-১৫ টাকা বেড়েছে। এ অবস্থায় চালের দাম বৃদ্ধি নিয়ে অ্যাকশনে যেতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কেউ অবৈধভাবে চাল মজুত করলে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৩০ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ নির্দেশ দেন তিনি । বৈঠক শেষে বিকেল সাড়ে ৩টায় সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, চাল ও তেল নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। মার্কেট সার্ভে করে দ্রুত অ্যাকশনে যেতে বলা হয়েছে। তেলের মতো চাল ইস্যুতেও অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। মজুত করলে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বাণিজ্য, খাদ্য এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং সচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত রোববার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় চালের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারও।

ওই দিন তিনি বলেছিলেন, ধান কিনে মজুত করার অসুস্থ প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে। সবাই প্রতিযোগিতা করে ধান কিনছে, ভাবছে ধান কিনলেই লাভ। এ অসুস্থ প্রতিযোগিতা ভালো পরিণতি আনবে না। অধিকাংশ মিল মালিক বাজার থেকে ধান কিনলেও তারা উৎপাদনে যাচ্ছেন না। বাজারে নতুন চাল এখনও আসছে না। এখন বাজারে যে চাল পাওয়া যাচ্ছে তা গত বছরের পুরোনো। তাহলে নতুন ধান যাচ্ছে কোথায়?

এ অবস্থা চলতে দেওয়া হবে না। কে কত পরিমাণ ধান কিনছেন এবং কে কত পরিমাণ চাল ক্রাশিং করে বাজারে ছাড়ছেন তা খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের রিপোর্ট আকারে পাঠানোর কথা বলেন মন্ত্রী।


আরও খবর



পশুর যেসব সমস্যা থাকলে কোরবানি হবে না

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোরবানি দিবেন মুসলমানরা। তবে কোরবানি দেবার কিছু নিয়ম আছে। চাইলেই যে কোনো পশু বা যে কোনো বয়সের পশু কোরবানি দেয়া যায় না।

জিলহজ মাসের দশম দিন ঈদের নামাজ পড়ার পর থেকে জিলহজের বারো তারিখ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত কোরবানি করা যাবে। তবে ঈদের নামাজের পূর্বে কোরবানি করা যাবে না। ঈদের নামাজ পড়ে এসে কোরবানি করতে হবে।

কোরবানির জন্তু—উট, গরু, মহিষ, দুম্বা, ভেড়া ও ছাগল দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ। অন্য জন্তু দ্বারা কোরবানি নাজায়েজ। ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা কমপক্ষে এক বছর পূর্ণ হতে হবে, গরু-মহিষ দুই বছর পূর্ণ হতে হবে, উট পাঁচ বছর পূর্ণ হতে হবে। (হিদায়া, খ-৪, পৃ. ১০৩)

কোরবানির পশু হতে হবে দোষ-ত্রুটিমুক্ত। পশুর মধ্যে যেসব ত্রুটি থাকলে কোরবানি দেওয়া যাবে না  সেগুলো হলো

১. দৃষ্টিশক্তি না থাকা।

২. শ্রবণশক্তি না থাকা।

৩. অত্যন্ত দুর্বল, জীর্ণশীর্ণ হওয়া।

৪. এই পরিমাণ লেংড়া যে জবাই করার স্থান পর্যন্ত হেঁটে যেতে অক্ষম।

৫. লেজের বেশির ভাগ কাটা।

৬. জন্মগতভাবে কান না থাকা।

৭. কানের বেশির ভাগ কাটা।

৮. গোড়াসহ শিং উপড়ে যাওয়া।

৯. পাগল হওয়ার কারণে ঘাস-পানি ঠিকমতো না খাওয়া ।

১০.  বেশির ভাগ দাঁত না থাকা।

১১. রোগের কারণে স্তনের দুধ শুকিয়ে যাওয়া।

১২. ছাগলের দুটি দুধের যেকোনো একটি কাটা।

১৩. গরু বা মহিষের চারটি দুধের যেকোনো দুটি কাটা।

মোটকথা, কোরবানির পশু বড় ধরনের দোষ-ত্রুটি থেকে মুক্ত হবে। হাদিসে এসেছে, চার ধরনের পশু দিয়ে কোরবানি হবে না। অন্ধ, যার অন্ধত্ব স্পষ্ট; রোগাক্রান্ত, যার রোগ স্পষ্ট; পঙ্গু, যার পঙ্গুত্ব স্পষ্ট ও আহত, যার কোনো অঙ্গ ভেঙে গেছে।’ ( ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩১৪৪)


আরও খবর



৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি দলে যুক্ত হচ্ছেন মিরাজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | ২৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইনজুরির কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর শেষ হয়ে ইয়াসির আলী রাব্বির। তার বদলে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি দলে যুক্ত হচ্ছেন টেস্ট ও ওয়ানডে দলে থাকা অল-রাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ।

দলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, মিরাজ ছাড়াও ওয়ানডে দলে যুক্ত করা হচ্ছে টেস্ট দলে থাকা পেসার এবাদত হোসেনকে। উইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে দলে ডাক পাচ্ছেন এই পেসার।

টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্য এবাদত হোসেন। গতি দিয়েই মূলত জায়গা করে নেয়া দলে। উইন্ডিজ সফরে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টেও দেখিয়েছেন গতির ঝলক। খেলার কথা রয়েছে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টও।

তবে এবাদতকে রাখা হচ্ছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের পর শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এরপর ১০ জুলাই থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।

এ নিয়ে দ্বিতীয় বার ওয়ানডে দলে ডাক পেতে যাচ্ছেন এই পেসার। এর আগে চলতি বছর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছিলেন এবাদত হোসেন। যদিও খেলানো হয়নি তাকে। এদিকে ইনজুরির কারণে উইন্ডিজ সফর শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেছে পেস অল-রাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের।


আরও খবর