আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

সড়কে প্রতিদিন গড়ে ১৭ মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ অক্টোবর ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে গত এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় গড়ে প্রতিদিন ১৭ জনের প্রাণহানি হয়েছে। গত ১০ বছরে সড়কে প্রতিদিন গড়ে মারা গেছেন ১৪ জন।

সড়ক দুর্ঘটনার এক বার্ষিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত এক বছরে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে পাঁচ হাজার ৩৭১টি। এতে আহত হয়েছেন ৭ হাজার ৪৬৮ জন, শারীরিকভাবে অক্ষম হয়েছেন ১২ হাজার ৫০০ জন এবং মারা গেছেন ৬ হাজার ২৮৪ জন।

শুক্রবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইনিশিয়েটিভ, সেবক ও ড্রাইভার্স ট্রেনিং সেন্টার আয়োজিত সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সংলাপে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন গবেষক কাজী আবুল আল আতাহিয়া।

তিনি বলেন, ইচ্ছাশক্তি থাকলে আমরা যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলা করতে পারি। যার প্রমাণ করোনা মহামারি মোকাবিলা। কিন্তু আমরা সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কাজ করছি না। এ বিষয়ে নজর দেওয়া দরকার। এজন্য চালকদের নিরাপদ গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং তাদের সুষ্ঠু-সুন্দর জীবনের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। এক্ষেত্রে প্রশিক্ষক হিসেবে নারীদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কারণ, নারীরা সমাজের অর্ধেক। এজন্য সরকারি-বেসরকারি ও ব্যক্তিগত পৃষ্ঠপোষকতা দরকার।

সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. শামছুল হক বলেন, দুর্ঘটনাগুলো আমাদের হাতেই তৈরি। তাই এগুলোকে দুর্ঘটনা বলা যায় না। এটা ক্র্যাশ। চালক প্রশিক্ষিত ও দক্ষ না হলে দুর্ঘটনা আরও বাড়বে। চালকদের দক্ষ বানাতে হবে। শুধু দক্ষই নয়, চালকদের নিরাপদও বানাতে হবে। যেন যে কোনো পরিস্থিতিতে তারা সামাল দিতে পারেন। দেশে নিরাপদ চালক তৈরি করা খুব জরুরি।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) দায়িত্ব অনেক উল্লেখ করে তিনি বলেন, চালককে আগে ভালোভাবে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এরপর তাকে চালকের লাইসেন্স দিতে হবে। গাড়ির ফিটনেস প্রক্রিয়া ও চালককে লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে বিআরটিএকে আরও সচেতন হতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে খান মোহাম্মদ বাবুল বলেন, ডোপ টেস্টের নামে চালকরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিছু মাদকসেবী চালকের জন্য কেন সব চালককে এ হয়রানি ভোগ করতে হবে। রাস্তায় এলইডি লাইটের কারণে চালকরা গাড়ি চালাতে পারেন না। সরকারকে বলবো- এলইডি লাইট আমদানি বন্ধ করুন, তাহলে সড়কে দুর্ঘটনা কমবে।

সংলাপে সেবকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান মোহাম্মদ বাবুলের সভাপতিত্ব ও পার্থ সারথি দাসের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন- ড্রাইভার্স ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক নুরুন্নবী শিমুল, রোড সেফটি এলায়েন্সের প্রতিনিধি আবদুল ওয়াহেদ, মোটর ড্রাইভিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল বাশার, শাহীন হোসেন মোল্লা ও সোনিয়া শিব্রা প্রমুখ।


আরও খবর



বগুড়ায় রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ৫

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বগুড়া প্রতিনিধি

Image

বগুড়ায় রথযাত্রার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হ‌য়ে ৫ জ‌নের মৃত্যু হ‌য়ে‌ছে। এ সময় আহত হ‌য়ে‌ছে অন্তত ২৫ থে‌কে ৩০ জন। রবিবার বিকাল সোয়া পাঁচটায় বগুড়া শহ‌রের সেউজগাড়ী আমতলা মো‌ড়ে এ ঘটনা ঘ‌টে।

বিষয়টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন বগুড়া সদর থানা‌র অফিসার ইনচার্জ সাইহান ওয়ালিউল্লাহ।

নিহতরা হ‌লেন, অলোক, আতশী রানী, র‌ঞ্জিতা, নরেশ মোহন্ত এবং অজ্ঞাত এক নারী।

বিকাল ৫টায় সেউজগাড়ী ইসকন ম‌ন্দির থেকে রথযাত্রা‌টি‌ বের হয়। পথিম‌ধ্যে সেউজগাড়ী আমতলা মোড় এলাকায় র‌থের চূড়া‌টি রাস্তার উপর থাকা হাইভোল্টে‌জের বৈদ্যুতিক তা‌রের সংস্প‌র্শে আসে। র‌থের চূড়া স্টি‌লের হওয়ায় বৈদ্যুতিক তা‌রের সংস্প‌র্শে আসার সঙ্গে সঙ্গে তা‌রে আগুন লে‌গে যায়। এ সময় র‌থে থাকা এবং আশপাশের অন্তত ২৫ থে‌কে ৩০ জন আহত হন।

প‌রে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান‌ মে‌ডি‌কেল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে নি‌য়ে আসার পর ৪ জন মারা যান। অন্যদিকে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে মারা যান একজন।

বগুড়া সদর থানা‌র অফিসার ইনচার্জ সাইহান ওয়ালিউল্লাহ ব‌লেন, রথযাত্রার সময় র‌থের চূড়া‌টি বিদ্যুতের তা‌রের সংস্প‌র্শে এলে এ ঘটনা ঘ‌টে।


আরও খবর



আজ সকাল-সন্ধ্যা বাংলা ব্লকেড, তীব্র যানজটের শঙ্কা

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ঘোষিত এক দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একদিন বিরতি দিয়ে আবারও আজ (বুধবার) সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি পালন করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

অন্যদিকে, রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কটূক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, প্রজন্ম ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির সব সংগঠন।

এর ফলে আজ রাজধানী ঢাকা তীব্র যানজটের কবলে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যানজটের কবলে পড়তে পারে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোও। এতে দুর্ভোগে পড়তে পারেন অফিস-আদালত ও কর্মস্থলগামী মানুষ, শিক্ষার্থীসহ সকল পথচারীকে।

এর আগে গতকাল (মঙ্গলবার) সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, সর্বাত্মক বাংলা ব্লকেড অনুযায়ী বুধবার সারাদিন দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ স্থান অবরোধ করা হবে। পাশাপাশি হাইওয়ে এবং রেলপথও এ ব্লকেডের আওতায় থাকবে।

তিনি বলেন, নিয়মতান্ত্রিকভাবে চলছে আন্দোলন। তবে জনসাধারণের ভোগান্তি হচ্ছে। কিন্তু এর দায়ভার সরকারকে বহন করতে হবে। কারণ, দাবি মানার আগ পর্যন্ত এ আন্দোলন চলতে থাকবে।

এদিকে কোটা বহাল রাখা নিয়ে আদালতের দেওয়া আদেশের স্থগিতাদেশ চেয়ে করা আপিলের শুনানিও হবে আজ।

রাজধানী ঢাকায় শাহবাগ, কারওয়ান বাজার, ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, ফার্মগেট, চানখারপুল মোড়, চানখারপুল ফ্লাইওভারে ওঠার মোড়, বঙ্গবাজার, শিক্ষা চত্বর, মৎস্য ভবন, জিপিও, গুলিস্তান, সায়েন্সল্যাব, নীলক্ষেত, রামপুরা ব্রিজ, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, মহাখালী, বাংলামোটর, আগারগাঁওয়ে পালিত হচ্ছে এ কর্মসূচি।

এ ছাড়া ঢাকার বাইরে রাজশাহীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রুয়েট ও রাজশাহী কলেজ; সিলেট-সুনামগঞ্জ রোডে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া বটতলা চত্বরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর মডার্ন মোড়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, দেওয়ান হাটে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর অধিভুক্ত কলেজগুলো, খুলনার নতুন রাস্তায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, গাজীপুরে আওয়ালে বদরে আলম সরকারি কলেজ, নোয়াখালী প্রেসক্লাব এলাকায় নোয়াখালী জেলার শিক্ষার্থীরা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সামনে, ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-দিনাজপুর রোডে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বিএম কলেজ কর্মসূচি পালন করবে।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




ফ্রান্সে পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফায় ম্যাক্রোঁর ভরাডুবি

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফ্রান্সে রোববার (৩০ জুন) অনুষ্ঠিত আগাম পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফায় জয় পেয়েছেন মেরিন লে পেনের নেতৃত্বাধীন কট্টর ডানপন্থি দল ন্যাশনাল র‍্যালি (আরএন)। অন্যদিকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর জোট রয়েছে তৃতীয় স্থানে। অবশ্য আরএন এবার প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছে বলে আগেই বিভিন্ন জনমত জরিপে আভাস দেওয়া হয়েছিল।

বার্তাসংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে সোমবার (১ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মধ্যপন্থি জোট তৃতীয় স্থানে রয়েছে। রোববার ফ্রান্সের সংসদীয় নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডে জয়ী হয়ে ডানপন্থিরা সরকার গঠন এবং প্রধানমন্ত্রীর পদ গ্রহণের ঐতিহাসিক সুযোগের সম্ভাবনা দেখছে।

তবে মেরিন লে পেন-এর উগ্র ডানপন্থি আরএন দল আগামী ৭ জুলাই দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোটের পর ফরাসি জাতীয় অ্যাসেম্বলিতে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তাদের নিরঙ্কুশ সংখ্যগরিষ্ঠতা প্রয়োজন।

মূলত, গত জুন মাসের ৬-৯ তারিখের ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট নির্বাচনে আরএন-এর হাতে ম্যাক্রোঁর মধ্যপন্থি জোটের ভরাডুবি হলে, ম্যাক্রোঁ বেশ আকস্মিকভাবেই জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেন। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিজের কিছু ঘনিষ্ঠ মিত্রদেরও হতবাক করে দেন ম্যাখোঁ।

কিন্তু তার এই সিদ্ধান্তকে অনেকে বাজি ধরার সাথে তুলনা করেছেন, যা এখন উল্টো ফল দিতে যাচ্ছে। ম্যাক্রোঁর জোট এখন পার্লামেন্টে আগের চেয়ে ছোট আকার ধারণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ম্যাক্রোঁর ক্ষমতা তার মেয়াদের বাকি তিন বছরে অনেকটা খর্ব হয়ে যাবে।

ফ্রান্সের শীর্ষস্থানীয় পোলিং সংস্থাগুলোর হিসেব অনুযায়ী, রোববারের নির্বাচনে আরএন পেয়েছে ৩৪.৫ শতাংশ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বামপন্থি নিউ পপুলার ফ্রন্ট অ্যালায়েন্স ২৮.৫ থেকে ২৯.১ শতাংশ ভোট পেয়েছে। আর ম্যাক্রোঁর জোট পেয়েছে ২০.৫ শতাংশ থেকে ২১.৫ শতাংশ ভোট।

পোলিং সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী, ৫৭৭ আসনের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাবে আরএন। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডের পর তারা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ২৮৯ আসন পাবে কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়।

সংস্থাগুলোর হিসেবে অবশ্য ভিন্নতা আছে। ইপসস-এর প্রজেকশন অনুযায়ী, আরএন পাবে ২৩০ থেকে ২৮০ আসন; ইফপ-এর হিসাব হচ্ছে- তারা ২০৪ থেকে ২৭০টি আসন পাবে; এবং এলাব একমাত্র সংস্থা যারা এরএন-এর আসন সংখ্যা ২৬০ থেকে ৩১০টির মধ্যে থাকবে বলে অনুমান করেছে।

প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ এক বিবৃতিতে যেসব এলাকায় কোনও প্রার্থী প্রথম রাউন্ডে জয় পাননি এবং যেখানে দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে, সেসব জায়গায় উগ্র ডানপন্থিদের বিরুদ্ধে বড় জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।

ডানপন্থি ন্যাশনাল র‍্যালি দলের নেতা ২৮ বছর বয়সী জর্ডান বারদেল্লার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বামপন্থি জোট এবং প্রেসিডেন্টের দল আশা করছে, দ্বিতীয় রাউন্ডে জায়গা বুঝে একে-অপরের প্রার্থীকে ভোট দিলে আরএন নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবে না। রাফায়েল গ্লুক্সমান নামে বামপন্থি জোটের এক প্রভাবশালী নেতা বলেন, ফ্রান্সেকে বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য আমাদের হাতে সাত দিন সময় আছে।

ফ্রান্সের অসাধারণ গুরুত্ববহনকারী এবং মেরুকরণের এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এলাব সংস্থার হিসেবে ভোটের হার ছিল ৬৭.৫ শতাংশ। নিয়মিত সংসদীয় নির্বাচনে ১৯৮১ সালের পর এটাই ফ্রান্সে সবচেয়ে বেশি ভোটের হার।

দুই বছর আগে ২০২২ সালে ভোটার উপস্থিতি ছিল মাত্র ৪৭.৫ শতাংশ। ম্যাক্রোঁ বলেন, ভোটদানের এই উচ্চ হার দেখিয়ে দিয়েছে, আমাদের দেশবাসীর জন্য এই নির্বাচন কত গুরুত্বপূর্ণ।


আরও খবর



রাবি উপাচার্যকে আটকে রেখেছেন আন্দোলনকারীরা

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আসিক আদনান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Image

পাঁচ দফা দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর ২টা ৪৫ মিনিট থেকে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কয়েকশ শিক্ষার্থী প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার উপাচার্যকে আটকে রাখেন।

শিক্ষার্থীদের অন্যান্য দাবি হলো: হল খালি করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার, বিশ্ববিদ্যালয়কে রাজনীতিমুক্ত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা, সব ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাস ও অস্ত্রমুক্ত করা।

অনির্দিষ্টকালের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হলে ক্যাম্পাস ছাড়তে রাজি নয় শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর
যে কারণে চাকরি ছাড়লেন জাবি শিক্ষক

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




কোটাবিরোধীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যুতে আদালতের আদেশ না মেনে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে শক্ত হাতে দমনের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর হোসাইনী দালান ইমামবাড়ায় পবিত্র আশুরা উদযাপন ও তাজিয়া মিছিল উপলক্ষে ডিএমপির গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, চলমান কোটা আন্দোলনের বিষয়টি আদালতের বিষয়। আদালত যে আদেশ দিবে সেটিকে শ্রদ্ধা ও মানা নাগরিকের দায়িত্ব। আমরা আদালতের নিয়ম মানতে বাধ্য। পুলিশ যেসকল নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে সেটি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই করবে। যদি কেউ আইনশৃঙ্খলা ভেঙে কোনো ধরনের অপতৎপরতা চালায়, সে যেই হোক না কেনো শক্ত হাতে মোকাবেলা করা হবে।

এর আগে গত বুধবার হাইকোর্ট চার সপ্তাহের জন্য কোটার স্থিতাবস্থা জারি করেন। এরপর থেকে এ আন্দোলনের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।

পুলিশের একাধিক সূত্র বলছে, কোটা আন্দোলনকারীরা আদালতের নির্দেশ অমান্য ও সড়ক অবরোধ করে প্রচলিত আইনে অপরাধ করছেন। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গেও অশোভন আচরণ করছেন। পুলিশ বাহিনী এ আন্দোলনের শুরু থেকেই ছাত্রদের নিরাপত্তাসহ আন্দোলনে যেন কোনও দুষ্কৃতকারী প্রবেশ করতে পারে, সেদিকেও সতর্ক রয়েছে।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪