আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

শেরপুর ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৬ আগস্ট ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
মো. নাজমুল হোসাইন, শেরপুর

Image

শেরপুরের নকলায় শেরপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-এর উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক শুভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আমরা সবাই দায়িত্ব নিব, ডেঙ্গু মুক্ত দেশ গড়বো-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে রবিবার (৬ আগষ্ট) সকালে সকল ইনস্ট্রাক্টর, প্রশিক্ষণার্থী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে বর্ণাঢ্য শুভাযাত্রা বের করা হয়।

শেরপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-এর অধ্যক্ষ মির্জা ফিরোজ হাসানের নেতৃত্বে টিটিসি প্রাঙ্গন থেকে শুভাযাত্রা শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে টিটিসি মিলনায়তনে টিটিসি-এর অধ্যক্ষ মির্জা ফিরোজ হাসানের সভাপতিত্বে এক সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

সচেতনতা মূলক শুভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে সকল ইনস্ট্রাক্টর রবিউল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন, নিরমল বাশার, এ.কে.এম শাহজাহান, তমাল চন্দ্র স্যানাল, আরিফুর রহমান, আব্দুল হাই, হেলাল উদ্দিন, শফিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, মাসুদ, ফিরোজ, খোকন, হান্নান, মুক্তার, বাবুল শেখসহ অন্যান্য টিটিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ, প্রশিক্ষণার্থী ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করেন।

নিজেদের সুস্থ্যতার স্বার্থেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে শেরপুর টিটিসির অফিস প্রাঙ্গন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাসহ প্রতিষ্ঠানটির ক্যাম্পাসে অবাঞ্চিত ঝোপঝাড় ও ময়লা আবর্জনা মুক্ত করার লক্ষ্যে এই সচেতনতা মূলক কর্মসূচি পালন করা হয়। এই কর্মসূচিতে শেরপুর টিটিসি কর্তৃপক্ষের আহবান- ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা শেরপুর টিটিসি, সাথে চাই সচেতন প্রতিবেশী।

টিটিসির অধ্যক্ষ মির্জা ফিরোজ হাসান বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু নিজেরা সচেতন হলেই চলবে না। আশেপাশের তথা প্রতিবেশীকে সচেতন করা অতিব জরুরি। নতুবা ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা অসম্ভব। তাই আমরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক শুভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছি। এছাড়া টিটিসির অফিস প্রাঙ্গন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাসহ টিটিসির ক্যাম্পাসে অবাঞ্চিত ঝোপঝাড় ও ময়লা আবর্জনা মুক্ত করতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন বলে অধ্যক্ষ মির্জা ফিরোজ হাসান জানান।


আরও খবর



চারঘাটে নির্মিত হচ্ছে মুজিব কিল্লা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

পদ্মা-বড়াল বিধৌত রাজশাহীর চারঘাটে নির্মিত হচ্ছে মুজিব কিল্লা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রাণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উপজেলার চারঘাট ইউনিয়নের রাওথা কলেজ প্রাঙ্গনে নির্মিত হচ্ছে তিন তলা বিশিষ্ট মুল ভবন ও একতলা বিশিষ্ট একটি ক্যাটেল শেড। দুর্যোগ পূর্ববর্তী, দুর্যোগকালীন বা দুর্যোগ পরবর্তী অস্থায়ী সেবা কেন্দ্র হিসেবে সেবা নিতে পারবে উপজেলা প্রায় কয়েক হাজার মানুষ ও গৃহপালিত পশু।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মুজিব কিল্লার প্রায় ৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭হাজার ৬শত স্কয়ারফুট একটি ক্যাটলশেড ও ১৩ হাজার স্কয়ারফুট তিন তলা বিশিষ্ট একটি মুল ভবন নির্মান কাজ চলমান রয়েছে, যার নির্মান কাজ সম্পন্ন হবে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে। নির্মান কাজ পরিচালনা করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কুষ্টিয়ার মেসার্স রুমানা এন্টারপ্রাইজ। নদী তীরবর্তী এলাকাবসীরা জানান, বন্যা অথবা নদী ভাঙ্গন হলে অন্ততপক্ষে এই মুজিব কিল্লায় আশ্রয় নিতে পারবো।

উপজেলার পদ্মা বিধৌত নদী তীরবর্তী এলাকার বন্যা কবলিত এলাকা পিরোজপুর, চন্দনশহর, গোপালপুর, রাওথা, বাখরাবাদ, মোক্তারপুর, শ্যামপুর, ইউসুফপুর, টাঙ্গন এর বন্যাকবলিত এলাকার লোকজন, গবাদিপশু পাখি সহ নির্মানাধীন মুজিব কিল্লা শতভাগ ব্যবহার করবে। এছাড়াও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও জনগণের সমন্বয়ে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনে ব্যবহার করতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এ এস এম শামীম আহম্মেদ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদা খানম বলেন, চলমান মুজিব কিল্লার কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। উপজেলাবাসীদের দুর্যোগ থেকে জীবন বাঁচাতে ও গৃহপালিত পশু-পাখির আশ্রয়স্থল হিসেবে ভরসা পাবে নির্মানাধীন এই মুজিব কিল্লা।

উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদুল হাসান (মামুন) বলেন, পদ্মা ও বড়াল পাড়ের বন্যাকবলিত মানুষদের কথা বিবেচনা করে সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় এমপি শাহারিয়ার আলম এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই উপজেলায় মুজিব কিল্লা নির্মানে বরাদ্দ দিয়েছেন। মুজিব কিল্লার নির্মান কাজ শেষ হলে বন্যা কবলিত এলাকাবাসীর পাশাপাশি অত্র কলেজের শিক্ষার্থীরাও শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ পাবে বলে তিনি জানিয়েছেন।


আরও খবর



কোটা সংস্কারের দাবিতে জাবি শিক্ষার্থীদের ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ বহাল রাখাসহ চার দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা। এতে সড়কের উভয় লেনে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (৮ জুলাই) বিকাল তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক (ডেইরি গেইট) সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনর ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে প্রধান ফটক সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গিয়ে শেষ হয়।

তাদের অন্য দাবিগুলো হলো- ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিতে (সকল গ্রেডে) অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেওয়া এবং সংবিধান অনুযায়ী কেবল অনগ্রসর ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করা; সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দিতে হবে; দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আহসান লাবিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন অযৌক্তিক। তবে আন্দোলন অযৌক্তিক না, বরং সরকারি চাকরিতে কোটা থাকা অযৌক্তিক যা মেধাবীদের বঞ্চিত করে। সংবিধানে সমতা প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও কোটাপ্রথা মূলত বৈষম্য তৈরি করছে। তাই আমরা কোটার প্রথার সংস্কার চাচ্ছি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জাবি শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদ সিয়াম বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটাপ্রথা বাতিল সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি। আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তবে একটি কুচক্রীমহল বারবার বলার চেষ্টা করছে বা অপপ্রচার চালাচ্ছে, আন্দোলনকারীদের মধ্যে নাকি জামায়াত-বিএনপি ভর করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোহাম্মদ আলমগীর কবির বলেন, শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধের বিষয়টি জেনেছি। তবে যেহেতু দেশব্যাপী আন্দোলন চলছে। সেহেতু আমরা নৈতিকভাবে শিক্ষার্থীদের বাধা দিতে পারি না। আমরা শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের জন্য বলেছি।


আরও খবর
যে কারণে চাকরি ছাড়লেন জাবি শিক্ষক

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




বেনজীর দম্পতির আরও সম্পত্তির তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের নির্দেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী জীশান মীর্জার নামে থাকা ঢাকায় আটটি ফ্ল্যাট, উত্তরা আবাসিক এলাকায় তিন কাঠার একটি প্লট, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ছয় কাঠা করে চারটি প্লট ও বান্দরবানে ২৫ একর জমির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রিসিভার নিয়োগের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানকারী টিমের প্রধান উপ-পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম এ সম্পত্তিতে রিসিভার নিয়োগের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। দুদকের প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, রিসিভার নিয়োগ হওয়া সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে, বেনজীরের স্ত্রী জীশান মীর্জার নামে আদাবর পিসি কালচার হাউজিংয়ে থাকা ছয়টি ফ্ল্যাট, বাড্ডায় ১৪ তলা বিশিষ্ট রূপায়ন মিলেনিয়াম স্কয়ার বিল্ডিংয়ে কার পার্কিংসহ দুটি অফিস স্পেস, উত্তরা আবাসিক এলাকায় তিন কাঠার একটি প্লট, রূপগঞ্জের সাভানা ইকো রিসোর্টে ছয় কাঠা করে চারটি প্লট এবং বান্দরবান সদরে ২৫ একর জমি। এর আগে ১২ জুন এসব সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেন আদালত।

এর আগে দুই দফায় ২৩ ও ২৬ মে দুই দফায় বেনজীর, তার স্ত্রী ও তিন কন্যার নামে থাকা প্রায় ৬১২ বিঘা সম্পত্তি ও গুলশানের চারটি ফ্ল্যাট ক্রোক ও বেশ কিছু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করার আদেশ দেন আদালত। ৬ জুন এসব সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রিসিভার নিয়োগের আদেশ দেন আদালত। 


আরও খবর
আন্দালিব রহমান পার্থ ৫ দিনের রিমান্ডে

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪

কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রোববার

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




৩ ঘণ্টায় ঢাকায় ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা রাজধানীজুড়ে ঝুম বৃষ্টি হয়েছে। এই তিন ঘণ্টায় ঢাকায় ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এখনো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।

টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর মগবাজার ওয়্যারলেস গেট, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মৌচাক, মালিবাগ মোড়, শান্তিনগর মোড়ে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এসব এলাকার অলিগলিতে হাঁটুসমান পানি।

শান্তিনগর, মৌচাক এলাকার প্রধান সড়কে রয়েছে কোমরসমান পানি। ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষজন।

আজ সাপ্তাহিক সরকারি ছুটির দিন হলেও বেসরকারি চাকরিজীবী কিংবা খেটে খাওয়া মানুষ যারা জীবিকার টানে ঘরের বাইরে বের হয়েছেন তারা পড়েছেন সবচেয়ে বিপাকে। বৃষ্টির কারণে সড়কে যানবাহন কমই দেখা গেছে।

রাজধানীর ওয়ারলেস গেটের বাসিন্দা মুজাহিদ বলেন, হাঁটুসমান পানির ওপর দিয়ে মেইন রোডে এসেছি বাচ্চার জন্য ওষুধ নিতে। রাস্তায় ভয়াবহ অবস্থা। এই পানি কখন নামবে জানি না। নোংরা পানিতে পা চুলকাচ্ছে।

রিকশাচালক শাহেদ হাসান বলেন, কোমরসমান পানি থেকে রিকশাটা নিয়ে কোনোমতে মগবাজার এসেছি। ওইদিকে ভাড়া নিয়ে যাওয়া যায় না। বৃষ্টিতে মানুষ নেই, দু-একটা ভাড়া পেলেও হাঁটুপানি দিয়ে রিকশা চালাতে পারি না। শরীর আর পা চলে না।

ওয়ারলেস রেলগেট মোড়ের চা দোকানি আসেম মাহমুদ বলেন, আমরা নিম্নআয়ের মানুষ, কোনোমতে ছাউনির ভেতর বসে আছি। দুই ঘণ্টা ধরে পানি ছিল, এখন কিছুটা কমেছে। সকাল থেকে কাস্টমার নেই। বেচাবিক্রি নেই।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় এখন সারাদেশে যে কোনো মুহূর্তে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার ভারী বর্ষণের সতর্কবাণী দিয়েছিল আবহাওয়া অফিস। দেশের পাঁচ বিভাগে ভারী বর্ষণের সঙ্গে দুই বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের শঙ্কার কথা জানায় সংস্থাটি।


আরও খবর



৬ষ্ঠ দিনের মত কর্মবিরতি পালন করছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মচারীরা

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

সারা দেশের মত বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা কর্মচারীরা ৬ষ্ঠ দিনের মত কর্মবিরতি পালন করছে। শনিবার (৬ জুলাই) তারা পোলঘাট এলাকার বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন।

এ সময় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম শহিদুল ইসলাম, এজিএম সিফাতুল্লাহ, পারভেজ আলম, মোঃ রিপন বিশ্বাস, আরিফুর রহমান, লাইন টেকনিশয়ান রাজীব রায়, রাজু আহম্মেদ, শারমিন কেয়া, প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বৈষম্য দূরীকরণ ও অভিন্ন সার্ভিস কোড সময়ের দাবী। গতকাল শুক্রবার বিদ্যুৎ ভবনে তাদের সাথে বসে বিষয়টি সমাধান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই বৈঠকে তাদের কথা ঠিকমত শোনা হয়নি। তাই তারা আন্দোলন অব্যহত রেখেছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান আন্দোলনরতরা।

বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রধান কার্যালয়সহ ১০টি জোনাল ও একটি সাব-জোনাল অফিসের কয়েকশ কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মবিরতিতে যোগ দেন।

উল্লেখ, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে একীভূত করে অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়ন ও চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের নিয়মিতকরণের দুই দফা দাবিতে গত ১ জুলাই থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই দাবিতে গত মে মাসেও তারা কর্মবিরতিতে যান।


আরও খবর