আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেওয়া মানুষটাকেই ভুলতে পারছেন না ফারিয়া

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ছোট পর্দার পরিচিত মুখ শবনম ফারিয়া। আগের মতো অভিনয়ে নিয়মিত নন এই অভিনেত্রী। মাঝেমধ্যে ওয়েব কনটেন্টে দেখা যায় তাকে। তবে এই অভিনেত্রী বেশ সরব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত নানা বিষয় প্রায়ই শেয়ার করেন এই মাধ্যমে।

তারই ধারাবাহিকতায় এবার অভিনেত্রী লিখলেন, যেই মানুষটা সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ইনজাস্টিস করেছে আমার সঙ্গে। আমি ভাবতাম, তাকে ভুলে যাওয়া সবচেয়ে সহজ! কিন্তু কি জানি এক অদ্ভুত কারণে, সেই মানুষটাকেই চেষ্টা করেও ভুলা যাচ্ছে না! দুনিয়ার সব লজিক, সব ডিবেট এই এক জায়গায় ভুল প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে!

তবে কথাগুলো কাকে ইঙ্গিত করে ফারিয়া লিখেছেন, তা স্পষ্ট করেননি। কারও কারও ধারণা- সাবেক স্বামী হারুনুর রশীদ অপুকে উদ্দেশ্য করে পোস্টটি দিয়েছেন তিনি।

ফারিয়ার পোস্টের মন্তব্যে একজন লিখেছেন, ক্ষতটা এত বেশি গভীরে যে চাইলেও দাগ মুছবে না। তাই ভুলতেও পারবে না।’

উত্তরে অভিনেত্রী লিখেছেন, আপু, না অত বেশি না! অল্প সময়ের ক্ষত, ঠিক না হইলেও এইটা নিয়ে জীবন পার করে দেওয়া যাবে! আরও বেশি সময় থাকলে পার করাটাও কঠিন হয়ে যেত!

এদিকে, কিছুদিন আগে মুক্তি পেয়েছে শবনম ফারিয়া অভিনীত ওয়েব সিরিজ মোবারকনামা’। যেখানে মোশাররফ করিমের বিপরীতে অভিনয় করেছেন তিনি। পর্দায় এই জুটির রসায়ন দর্শকমহলে বেশ প্রশংসিত।


আরও খবর



আন্তঃদেশীয় মৈত্রী-বন্ধন এক্সপ্রেস চলাচল বন্ধ শুক্রবার থেকে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আসন্ন ঈদুল আজহায় ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখা এবং শিডিউল বিপর্যয় নিরসনে আন্তঃদেশীয় মৈত্রী এক্সপ্রেস ও বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদযাত্রার সময় ঢাকা ও খুলনা থেকে ভারতের কলকাতাগামী এই ট্রেন দুটি বন্ধ থাকবে।

সম্প্রতি ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ের নেওয়া কর্মপরিকল্পনা থেকে এ তথ্য জানা যায়।

কর্মপরিকল্পনায় বলা হয়, আন্তঃদেশীয় মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন ১৪ জুন থেকে ২২ জুন (৯ দিন) এবং বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন ১৪ জুন থেকে ২০ জুন (৫ দিন) পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এর আগে গত ১২ জুন থেকে ৯ দিনের জন্য চলাচল বন্ধ হয়েছে আন্তঃদেশীয় মিতালী এক্সপ্রেসের।

আরও বলা হয়, ঈদুল আজহার দিন বিশেষ ব্যবস্থাপনায় কয়েকটি মেইল এক্সপ্রেস বা বিশেষ ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। তবে কোনো আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করবে না। ১৪ জুন রাত ১২টার পর থেকে ঈদের পরের দিন সন্ধ্য ৬টা পর্যন্ত কনটেইনার ও জ্বালানি তেলবাহী ট্রেন ছাড়া অন্যান্য সব গুডস ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হবে।


আরও খবর



জবিতে ইমামকে অব্যাহতি: প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলে প্রশাসনের বাধা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমামকে অব্যাহতির প্রতিবাদে বুধবার (২৯ মে) জোহরের নামাজের পর ক্যাম্পাসে মানববন্ধন ও মিছিলের চেষ্টা করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় পুলিশ, প্রক্টরিয়াল বডি ও শিক্ষকদের বাধার মুখে পন্ড হতে যায় মিছিলটি।

জানা যায়, বিক্ষোভ মিছিলের খবর পেয়ে ইমামকে অব্যাহতির ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্য এ এন এম আসাদুজ্জামান ফকির সেখানে হাজির হন। তিনি মানববন্ধন ও মিছিল করতে নিষেধ করেন বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এ এন এম আসাদুজ্জামান ফকির বলেন, আমরা আসলে শৃঙ্খলার বিষয়ে সেখানে গিয়েছি। শিক্ষার্থীদের বুঝিয়েছি, এখন এ বিষয়ে মানববন্ধন হলে ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা হতে পারে। এছাড়া দেখা গেছে ইমামের পক্ষে থাকতে গিয়ে হিতে বিপরীত হয়ে ইমামের আরও ক্ষতি হতে পারে।

শিক্ষার্থীরা দাবী করেন, বিক্ষোভ শুরু করার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এসে তাদের বিক্ষোভ করতে নিষেধ করে। পরবর্তীতে একাধিক শিক্ষক এসে তাদের বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যেতে বলেন। এতে তারা সাময়িকভাবে বিক্ষোভ মিছিলটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রক্টর জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মসজিদ একটা সেনসিটিভ ইস্যু। এখানে আমরা মেয়েলি কোনো ইস্যু খুঁজিনি। কিন্তু অবান্তর ঘটনা ঘটে যেতে পারতো। আমি বিশ্বাস করি, মেয়েটা অসুস্থ ছিল, ইবাদত করতে গেছে। কিন্তু একটা মেয়ে রাত ১১টা পর্যন্ত মসজিদে ঘুমাবে কেন? সেটা ইমাম জানবে না?

এদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, আমি শুনেছি একটা মেয়ে মসজিদে ঘুমিয়ে গেছে। আমার তো অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব আছে। সে ঘুমিয়ে গেছে, লাইট জ্বালানো ছিল, পরে সেটা অফ হয়ে গেছে বলে শুনেছি।

ইমামের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে বলে ছাত্রী গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছেন। এ ব্যাপারে উপাচার্য বলেন, মেয়ে যে ভাষ্য দিয়েছে হয়তো সে ভয় পেয়ে এমন কিছু বলছে।

উল্লেখ্য গত ১৮ মে রাতে শারীরিক অসুস্থতা থাকায় ভুলবশত এশার নামাজ আদায় শেষে ওই ছাত্রী জবির কেন্দ্রীয় মসজিদের মেয়েদের রুমে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে মসজিদের পাহারাদার তালা লাগাতে গেলে ওই মেয়েকে দেখতে পান। এসময় মসজিদের ওই পাহারাদারের স্ত্রী তাকে বের করে নিয়ে আসেন। তবে ইমাম বা পাহারাদার কেউই ভেতরে প্রবেশ করেননি। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ইমামকে অব্যাহতি দেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


আরও খবর



চট্টগ্রাম বন্দরের পিসিটি টার্মিনালে কন্টেইনার জাহাজ বার্থিং দিয়ে পুরোদমে চালু হচ্ছে

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনাল (পিসিটি) টার্মিনালে কন্টেনার জাহাজ বার্থিং দিয়ে খালাস কার্যক্রম মাধ্যমে আগামী ৮ জুন থেকে পুরোদমে চালু হচ্ছে। সৌদি আরবের রেড সী গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি)  বাংলাদেশ লিমিটেডকে পিসিটিতে জাহাজ বার্থিং দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। প্রথম দিন এমভি মার্কস ডাবো জাহাজ বার্থিং দেওয়া হবে। শুরুতে শুধুমাত্র ক্রেন আছে এমন গিয়ার ভ্যাসেলই এখানে হ্যান্ডলিং করা হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ৮টি শর্তে দেওয়া এই অনুমোদনপত্র পর আগামী শনিবার থেকে এখানে জাহাজ বার্থিং থেকে শুরু করে আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্ট যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে। 

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে রাজস্ব বোর্ড পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনালের অপারেশনাল কার্যক্রম চালু করার সাময়িক অনুমতি প্রদান করেছে। পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনালের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রেড সী গেটওয়ে বাংলাদেশ লিমিটেডের সাথে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় রেড সী গেটওয়ে বাংলাদেশ লিমিটেড উক্ত টার্মিনালে বার্থিং নেওয়া জাহাজ থেকে লোডিং,  আনলোডিং,  ট্রান্সপোর্টিং, হ্যান্ডলিং, ইন্টারন্যাশনাল মুভমেন্ট, কন্টেনার খালাস ও ডেলিভারি, শেড ও ওয়্যারহাউজ থেকে পণ্য স্টাফিং এবং আনস্টাফিংসহ সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ আগামী ৬ জুন থেকে পিসিটিতে জাহাজের বার্থিং, আমদানিরপ্তানি ও ডেলিভারি সংক্রান্ত অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এনবিআর ৬ জুন থেকে জাহাজ বার্থিংয়ের অনুমোদন দিলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ ৮ জুন থেকে জাহাজ বার্থিং দেওয়া শুরু করবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, আগামী ৮ জুন থেকে পিসিটি চালু হবে। রেড সী গেটওয়ে বাংলাদেশ লিমিটেড প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করে এই টার্মিনাল পরিচালনা করবে। টার্মিনালটি পরিচালনায় রেড সী গেটওয়ে বিভিন্ন ধরনের ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করবে।

টার্মিনালটি পুরোদমে চালু করতে ৪টি কী গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি), ৮টি রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি (আরটিজি), ৪টি স্ট্রাডেল ক্যারিয়ার, ৪টি রিচ স্ট্যাকার, ১টি রেল মাউন্টেড গ্যান্ট্রি ক্রেন (আরএমজি), ৪টি লো-মাস্ট ফর্ক লিফট, ২টি ফায়ার ট্রাক, ১টি ফায়ার কার, ৩টি নিরাপত্তা পেট্রোল কার, ১টি অ্যাম্বুলেন্স, ৫০ টনের দুটি টাগ বোট, ২টি পাইলট বোট, ২টি ফার্স্ট স্পিড বোটসহ অন্তত ৮শ কোটি টাকার ইকুইপমেন্ট লাগবে। চুক্তি অনুযায়ী পিসিটির প্রয়োজনীয় সব ইকুইপমেন্ট বিদেশি অপারেটর ক্রয় করবে। দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট ২২ বছর এই টার্মিনাল পরিচালনা করবে। এরপর ইকুইপমেন্টসহ বন্দরটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

 জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক প্রাইভেট পোর্ট অপারেটরদের বিষয়ে নীতিমালা বা বিধিমালা চূড়ান্ত হলে তার আওতায় আরএসজিটি বাংলাদেশ লিমিটেডকে অবিলম্বে লাইসেন্স বা অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

 রাজস্ব বোর্ড এই টার্মিনালে কার্যক্রম পরিচালনা করার ক্ষেত্রে আটটি শর্তগুলো হলো- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে রেড সী গেটওয়ে বাংলাদেশ লিমিটেডের অর্থায়নে পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনালে এসাইকোডা কানেক্টিভিটি স্থাপনের জন্য যাবতীয় আইটি ইকুইপমেন্ট, এঙেসরিজ, কম্পিউটার, রাউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, ফটোস্ট্যাট মেশিন, ইন্টারনেট কানেকশনসহ কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দাপ্তরিক কার্যক্রম, এঙামিনেশন ও আনস্টাফিং কার্যক্রম পরিচালনা এবং কাস্টমস কর্মকর্তাদের অফিস কক্ষ, যানবাহন ও নিরাপত্তা সামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় সকল লজিস্টিকস অপারেশনাল কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে।

বন্দরে অবতরণীয় পণ্য চালানের বিল অফ ল্যাডিংয়ের (বিএল) কন্টেনার সেগমেন্টে পিসিটির জন্য বরাদ্দকৃত কন্টেনার লোকেশন কোড ব্যবহার করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ওয়ান স্টপ সলিউশন সেন্টারের মাধ্যমে পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনাল হতে পণ্য খালাসকালে নোট ইস্যু করতে হবে। শুল্ক-কর পরিশোধ ও কাস্টমস আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পণ্য চালান পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনাল থেকে সাউথ কন্টেনার ইয়ার্ডে প্রেরণ করা যাবে না। পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনালে স্ক্যানার স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত অন্তবর্তীকালীন অফডক ও ইপিজেডে গমনকারী কন্টেনারসমূহ কায়িক পরীক্ষণ সাপেক্ষে নিশ্চিত হয়ে প্রেরণ করতে হবে।

পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনাল হতে খালাসতব্য এলসিএল কার্গো বোঝাই কন্টেনারসমূহ শতভাগ কায়িক পরীক্ষণ করতে হবে এবং এফসিএল কার্গো বোঝাই কন্টেনারসমূহ কাস্টমস ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার আওতায় নির্ধারিত পদ্ধতিতে কায়িক পরীক্ষণ করতে হবে। পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনালে সকল পণ্য চালানের ক্ষেত্রে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার আওতায় কায়িক পরীক্ষণ ও এসব সবকিছুতে রেড সী গেটওয়েকে সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।

উল্লেখ্য,  বিমানবন্দর সড়কের উদ্ধার করা নদীপাড়ের ৩২ একর জায়গায় ২০১৭ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পিসিটি নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। পরে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্মাণকাজ শুরু হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ১ হাজার ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে পিসিটি নির্মাণ করে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নকশা অনুযায়ী সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের তত্ত্বাবধানে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ইইঞ্জিনিয়ারিং এটির নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। পরে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের আওতায় সৌদি আরবের রেড সী গেটওয়ে লিমিটেডের সাথে গত ডিসেম্বরে চুক্তি সম্পাদনের পর তাদেরকে এই টার্মিনালটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এই চ্যানেলে কোনো বাঁক না থাকায় পিসিটি বড় জাহাজ ভিড়ানোর সুবিধা পাবে। এই টার্মিনালে বছরে প্রায় ৫ লাখ টিইইউএস কন্টেনার হ্যান্ডলিং করা যাবে। টার্মিনালটিতে ১৬ একর ইয়ার্ড ও ৫৮৪ মিটার দীর্ঘ জেটি রয়েছে। জেটি এলাকায় ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভিড়ানো যাবে। এই টার্মিনালে ১৯০ মিটার লম্বা ও ১০ মিটার ড্রাফটের ৩টি কন্টেনার জাহাজ একসাথে এবং ২২০ মিটার দীর্ঘ ডলফিন জেটিতে ১টি ভোজ্যতেলবাহী জাহাজ ভিড়ানো যাবে। এতে ১ লাখ ১২ হাজার বর্গমিটারের আরসিসি পেভমেন্ট (অভ্যন্তরীণ ইয়ার্ড ও সড়ক), ২ হাজার ১২৮ বর্গমিটার কন্টেনার ফ্রেইট স্টেশন (সিএফএস) শেড, ৬ মিটার উঁচু ১ হাজার ৭৫০ মিটার কাস্টমস বন্ডেড ওয়াল, ৫ হাজার ৫৮০ বর্গফুটের পোর্ট অফিস ভবন, ১ হাজার ২০০ বর্গমিটারের যান্ত্রিক ও মেরামত কারখানাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।


আরও খবর



বাবার রহস্যজনক মৃত্যুর আধাঘণ্টা পর মেয়ের আত্মহত্যা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় বাবার মৃত্যুর আধাঘণ্টা পর গলায় ফাঁস দিয়ে মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুরের দিকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে নোয়াখালীর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উকিল পাড়ার নরেশ চন্দ্র দে’র বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন, নোয়াখালীর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উকিল পাড়ার নরেশ চন্দ্র দে (৫০) ও তার মেয়ে তিশা দে (১৯)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নরেশ চন্দ্রের মেয়ে তিশা ফেনীর একটি কলেজে পড়ত। সেখানে একটি মুসলিম ছেলেকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করে। বিষয়টি তার বাবা জানতে পেরে তাকে ফেনী থেকে নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীর নিজবাড়িতে নিয়ে আসে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ নিয়ে মেয়েকে বোঝানোর অনেক চেষ্টা করেন বাবা। সে যেন তার স্বামীর সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে। কিন্তু মেয়ে তার স্বামীর পক্ষে অনড় ছিল।

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নরেশের ছোট ছেলে স্কুলে যাওয়ার সময় টাকার জন্য বাবার কাছে গেলে দেখে তার নিথর দেহ কক্ষে পড়ে আছে। আশেপাশে রক্ত। ডায়ালাইসিসের ফিস্টুলার স্থান থেকে রক্ত বের হচ্ছে। পরে তার চিৎকার শুনে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে আসে। তিশা বাবার এ অবস্থা দেখে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে আলাদা একটা কক্ষ গিয়ে দরজা বন্ধ করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করে।

এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, নরেশ কিডনি রোগী ছিলেন। তিনি বাসায় ডায়ালাইসিস করতেন। তার মেয়ে ফেনী মেডিকেলে পড়ত। সেখানে একজন মুসলিম ছেলেকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করে। বিষয়টি নরেশ ভালোভাবে নেননি। এ জন্য মেয়েকে ফেনী থেকে নিয়ে আসেন।

তিনি বলেন, মেয়েকে সারারাত বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু মেয়ে নাছোড় বান্দা। এ নিয়ে চিল্লাচিল্লি করে তিনি স্ট্রোক করে মারা যান। পরে মেয়ে ভাবল সে কাজটি ঠিক করেনি। তাই বাবার মৃত্যুর আধাঘণ্টা পর মেয়ে গিয়ে আত্মহত্যা করে। বুধবার বিকেল ৪টার দিকে দুটি মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।


আরও খবর



দুপুর গড়াতেই রাজধানীর অধিকাংশ পশুর হাট ফাঁকা

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র একদিন বাকি। ঈদকে কেন্দ্র করে শেষ মুহূর্তে সরগরম হয়ে উঠলেও শেষ দিনে ফাঁকা হতে শুরু করেছে রাজধানীর অধিকাংশ পশুর হাট। রোববার (১৬ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

হাট সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাঝারি ও ছোট সাইজের গরুর চাহিদা সর্বোচ্চ। ফলে বড় গরু ছাড়া মোটামুটি সবই বিক্রি হয়ে গেছে। যা আছে তা-ও সন্ধ্যার মধ্যে চলে যাবে বলে আশা তদের।

এতদিন রাজধানীর হাটগুলোতে কোরবানির পশুর কেনাবেচা তেমন একটা না হলেও শুক্র ও শনিবার একেবারেই ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। অনেকেই তাদের পছন্দের পশু কিনে বাড়ি ফিরেছেন। কেনাবেচা বেশি হওয়ায় খুশি বিক্রেতারাও।

গত দুদিনে তেজগাঁও হাটের জন্য নির্ধারিত মাঠ ছাড়া আশপাশের সড়ক ও গলিতে গরুর উপস্থিতি দেখা গেছে। তবে আজ ফাঁকা হতে শুরু করেছে পশুর হাটটি। দুপুর ২টার মধ্যে প্রায় ফাঁকা হয়ে গেছে কলোনি বাজার হাট। সড়ক থেকে মাঠ, গুটি কয়েক গরু ছাড়া তেমন পশু চোখে পড়েনি। যা রয়েছে তা-ও বড় সাইজের গরু।

রৌমারি থেকে ১৬টি গরু নিয়ে এসেছিলেন আলী হোসেন। তার সব গরুই সকালের মধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মোট ১৬টা গরু নিয়ে এসেছিলাম। সবগুলোই মাঝারি ও ছোট সাইজের গরু। আজকে সকালে সর্বশেষটা বিক্রি হয়েছে। বাজারে মাঝারি ও ছোট সাইজের গরুর চাহিদাই বেশি।

তবে এ সাইজের অবিক্রিত গরুও রয়েছে। ভালুকা থেকে মোট ৯টি মাঝারি সাইজের গরু নিয়ে এসেছিলেন জয়নাল মিয়া। তিনি বলেন, ৯টা গরু এনেছিলাম। এই মুহূর্তে ৪টা রয়েছে। দামে মিলছে না, তাই দামাদামি হলেও ছাড়িনি। বিকেল পর্যন্ত দেখব। এরপর যা আছে কপালে।

রাজধানীর মেরাদিয়া হাটের নির্ধারিত স্থান ছাড়াও আশপাশের অলিগলিতে পর্যাপ্ত পশুর দেখা মিললেও এখন অনেকটাই ফাঁকা। এই হাটে গরু কিনতে এসে মিজানুর রহমান নামে এক ক্রেতা জানান, এবার এ হাটে প্রচুর কোরবানির পশু এসেছে। ছোট, বড়, মাঝারি সব প্রজাতির গরু-ছাগল এসেছে। শেষ দিনে এতটা ফাঁকা হয়ে যাবে ভাবতে পারিনি।

নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা এক ব্যবসায়ী জানান, তিনি মোট ৬টা বড় সাইজের গরু নিয়ে এসেছিলেন এর মধ্যে ৪টা বিক্রি হয়েছে। সবথেকে বড় দুইটা রয়ে গেছে।


আরও খবর