আজঃ রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

পরকীয়ার জেরে গৃহবধূকে হত্যা, ২ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

পরকীয়া সম্পর্কের জেরে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় গৃহবধূ হত্যার দায়ে দুই যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারী) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মোঃ নাজির এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- উল্লাপাড়ার এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের নুর ইসলাম (৪৩), একই গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৪৩)। মামলার পরিচালনাকারী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের (পিপি) আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নিহত গৃহবধূ উল্লাপাড়ার ঘাটিনা মধ্যপাড়া গ্রামের মোঃ সাইফুল ইসলামের মেয়ে সেতু খাতুন (২০) এর সাথে এনায়েতপুর গ্রামের রেজাউলের বিয়ে হয়। বিয়ের পরে বিচ্ছেদ হয়। ঘটনার দুই মাস পর সেতু খাতুনের উপজেলার বেতকান্দি গ্রামের বাক প্রতিবন্ধী মো. শিপন কারীর সাথে ২য় বিয়ে হয়। বিয়ের আগে থেকেই আসামী নুর ইসলাম ও শফিকুল ইসলামের সাথে সেতু খাতুনের পরকীয়া ও অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই একপর্যায়ে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আসামী নুর ইসলামকে সিএনজিতে নিয়ে তার স্বামীর বাড়ীতে আসতে বলে সেতু খাতুন।

নুর ইসলাম ও শফিকুল ইসলাম মধ্যরাতে সেতু খাতুনের স্বামীর বাড়ীতে গিয়ে সেতু খাতুনকে নিয়ে উল্লাপাড়ার ঘাটিনা ব্রীজের পশ্চিম পাশে যান। সেখানে শফিকুল ও নুর ইসলাম তার সাথে অবৈধ মেলামেশা করতে চাইলে সেতু খাতুন তাদেরকে বলেন তাদের একজনকে তাকে বিয়ে করতে হবে। বিয়ে না করলে সেতু খাতুন তাদের বাড়ীতে গিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করার হুমকি দেয়।

এতে নুর ইসলাম ও শফিকুল ইসলাম তাদের অবৈধ কর্ম ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে সেতু খাতুনকে হত্যার পরিকল্পনা করে। হত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সেতু খাতুনকে ব্রীজের পশ্চিম পার্শ্বে ধুইঞ্চা ক্ষেতে নিয়ে তাকে ওড়না গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে উল্লাপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। ১৩ জন সাক্ষীর স্বাক্ষগ্রহণে  অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জেলা ও দায়রা জজ আজ আসামী নুর ইসলাম ও শফিকুল ইসলামের উপস্থিতে এ রায় ঘোষণা করে। বর্তমানে তাদেরকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: গৃহবধূকে হত্যা

আরও খবর



গাজীপুরে উচ্ছেদ মহাযজ্ঞ, একদিনে সাড়ে ৩ হাজার স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

প্রশাসন ও সড়ক জনপথ বিভাগ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল নয়টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত গাজীপুরের শ্রীপুরে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে।

মহাসড়কের এমসি, নয়নপুর ও জৈনাবাজর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মহাসড়কের পাশে গড়ে ওঠা বাজার, দোকানসহ প্রায় সাড়ের তিন হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। গুড়িয়ে দেওয়া হয় সকল অবৈধ স্থাপনা। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইএনও) শামীমা ইয়াসমীন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল মামুন ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো.সোহেল মিয়া।

জানা যায়, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্নস্থানে হাজার হাজার অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল নয়টা থেকে উপজেলার এমসি বাজার এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে উপজেলা প্রশাসন। পরে দুপুর আড়াইটায় জৈনাবাজার এলাকায় এসে শেষ হয় এই অভিযান। উচ্ছেদের খবর পেয়ে কেউ স্বেচ্ছায় তাদের মালামাল সরিয়ে নেয়। অনেকে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। বন্ধ থাকা স্থাপনাগুলো গুড়িয়ে দেওয়া হয়। কিছু স্থায়ী স্থাপনাও ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সোহেল মিয়া বলেন, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের শ্রীপুর অংশের ৩টি স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সব স্থানের অবৈধ বাজার উচ্ছেদ করা হয়। মহাসড়কের সকল অংশে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম ইয়ামিন বলেন, সকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারীদের নিয়ে জয়দেবপুর- ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সড়কের পাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা প্রায় সাড়ে তিন হাজার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। পরে যাতে মহাসড়কে পাশে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে সে জন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।


আরও খবর



বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন হলেও কাজ শুরু হয়নি অদ্যাবধি

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বগুড়া প্রতিনিধি

Image

বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন হলেও অদ্যাবধি কাজ শুরু হয়নি। স্থান নির্বাচন, প্রকল্প পরিচালক বা ভিসি নিয়োগসহ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে কোন দৃশ্যমান অবকাঠামো না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে বগুড়ার আপামোর জনগণ ও শিক্ষা সংশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

জানা যায় চার বছরেরও বেশি সময় আগে দ্বিতীয় দফায় বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০২০ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন করা হয়েছিল।

বিশ বছরের ব্যবধানে চার বছর আগে ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি বগুড়ায় বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনকল্পে আইন প্রণয়ন করা হয়। দ্বিতীয় দফা এই আইন করার পরও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উদাসীনতায় বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের অগ্রগতি নেই বলে মনে করছেন বগুড়াবাসী।

প্রায় ২৪ বছর আগে ২০০১ সালের ১৫ জুলাই প্রকাশিত গেজেটে বলা হয়েছে, যেহেতু বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর বর্তমান প্রাগ্রাসর বিশ্বের সাথে সঙ্গতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চ শিক্ষা ও আধুনিক জ্ঞানচর্চা, বিশেষ করিয়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যথাযথ গুরুত্ব প্রদানসহ পঠন-পাঠন ও গবেষণার সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি ও সম্প্রসারণ কল্পে বৃহত্তর বগুড়া জেলার জামালপুর নামক স্থানেবগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্বারা আইন করা হইলো।

এই আইন বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ নামে অভিহিত হবে। সে সময় স্থান নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করা হলেও পরবর্তীতে আর কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্প আলোর মুখ দেখেনি। এর দুই দশক বা বিশ বছর পর ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি সচিবালয়ে মন্ত্রীসভার নিয়মিত বৈঠকে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০২০ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন করা হয়। ২০০১ সালে আইন করে গেজেট প্রকাশকরা হলেও ভিসি নিয়োগ বা প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ করা হয়নি। এর ফলে সেই সময় বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন আইন করা হলেও তার বাস্তবায়ন ২০ বছরেরও সম্ভব হয়নি।

এরপর ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি মন্ত্রীসভায় খসরা অনুমোদন দেওয়া হলেও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ব্যাপারে বগুড়ার শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে কোন কাগজপত্র বগুড়ায় আসেনি। প্রকল্প পরিচালক বা ভিসি নিয়োগও দেওয়া হয়নি। এমনকি জেলা প্রশাসকের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় ভূমি অধিগ্রহণ করার জন্য কোন চিঠি দেওয়া হয়নি। জায়গাও নির্ধারণ করা হয়নি।

দ্বিতীয় বার ২০২০ সালের সিদ্ধান্তের পর ৪ বছর পার হলেও কোন অগ্রগতি নাই। দ্বিতীয় বারের মত বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত আসার পর বগুড়ার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা আশায় বুক বেঁধেছিলো, কিন্তু এত দিনেও সেই আশার প্রতিফলন দেখেনি বগুড়াবাসী।

২০২৩ সালে একাদশ জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনে বগুড়া-৬ সদর আসনে বগুড়া জেলা আওয়াপমীলীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কিছু উন্নয়ন কর্মকান্ড এগিয়ে নেওয়ার ঘোষনা দেন। তিনি ওই সংসদের  শেষ পর্যায়ে প্রায় ৯ মাস সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন।

তার গৃহিত পদক্ষেপে জনগণ ইতিবাচক ভাবে নিলেও একাদশ সংসদের মেয়াদকালে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নূন্যতম পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার প্রতিটি আসনে আওয়ামীলীগ ও মহাজোটের প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ার পর জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে কোন সংসদ সদস্যই এ বিষয়ে কথা না বলায় হতাশ হয়েছে বগুড়াবাসী।

বগুড়ার ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর সাথে কথা বললে তারা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে কোন অগ্রগতি বা ভূমি অধিগ্রহণের কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন।


আরও খবর



আরও ১০৮ শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আরও ১০৮ শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এ নিয়ে তিন দফায় ৪৪৩ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ করলো সরকার।

তৃতীয় ধাপে ১০৮ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ করে ১৫ ফেব্রুয়ারি গেজেট প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এদের মধ্যে শিক্ষক, রাজনীতিক, সমাজকর্মী, চিকিৎসক, আইনজীবী, লেখক, চাকরিজীবী, প্রকৌশলী, নাট্যকার, সাংবাদিক, সংগীত শিল্পী এবং সংস্কৃতিকর্মী রয়েছেন।

গেজেটে বলা হয়েছে, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়নের জন্য গঠিত কমিটির সুপারিশের আলোকে শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংজ্ঞা অনুযায়ী এদের তালিকা প্রকাশ করা হলো।

৬ জানুয়ারি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী যাচাই-বাছাই কমিটির সভায় নতুন করে ১০৮ জনের নাম শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।

২০২১ সালের ৭ এপ্রিল ১৯১ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২০২২ সালের ২৯ মে দ্বিতীয় তালিকায় ১৪৩ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়নের জন্য ২০২০ সালের ১৯ নভেম্বর গবেষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটি নির্ধারিত শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংজ্ঞা অনুযায়ী, যে সব সাহিত্যিক, দার্শনিক, বিজ্ঞানী, চিত্রশিল্পী, শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক, আইনজীবী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, স্থপতি, ভাস্কর, সরকারি ও বেসরকারি কর্মচারী, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবী, সংস্কৃতিসেবী, চলচ্চিত্র, নাটক সঙ্গীত ও শিল্পকলার অন্যান্য শাখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যাদের বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী কিংবা তাদের সহযোগীদের হাতে শহীদ কিংবা চিরতরে নিখোঁজ হয়েছেন তারা শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে বিবেচিত হবেন।

২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর কমিটির প্রথম সভায় প্রাথমিকভাবে এক হাজার ২২২ জন বুদ্ধিজীবীর তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ১৯৭২ সালে এক হাজার ৭০ জন শহীদের তালিকা, পরবর্তীসময়ে ডাক বিভাগ ১৫২ জন শহীদের ডাক টিকিট প্রকাশ করে সেই তালিকাও অনুমোদন দেওয়া হয় ওই সভায়।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে পাকিস্তানি বাহিনী বুঝতে পারে, তাদের পক্ষে যুদ্ধে জেতা সম্ভব নয়। তখন তারা সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে অঙ্কুরেই দুর্বল করে দিতে এক হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪ ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল শামস বাহিনীর সহায়তায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের তাদের বাসা থেকে তুলে এনে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে। এ গণহত্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত। বন্দি অবস্থায়ও বুদ্ধিজীবীদের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে হত্যা করা হয়।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত ও বিকৃত লাশ রায়েরবাজার এবং মিরপুর বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়। অনেকের লাশ শনাক্তও করা যায়নি। কারও কারও লাশের হসিদই মেলেনি। এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করে প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।

শহীদ বুদ্ধিজীবীর তৃতীয় তালিকা দেখুন এখানে।


আরও খবর



চার ধাপে হবে উপজেলা ভোট, শুরু ৪ মে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছে। সারাদেশে চার ধাপে উপজেলা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। আগামী ৪ মে প্রথম ধাপের ভোটের মধ্য দিয়ে তা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন কমিশন ভবনে ২৭তম কমিশন সভা শেষে তিনি এসব তথ্য জানান।

ইসি সচিব জানিয়েছেন, মাধ্যমিক পরীক্ষা, পবিত্র রমজান মাস ও বর্ষাকাল এ তিনটি বিষয় নিয়ে ভাবছে ইসি। বর্তমানে নির্বাচন উপযোগী উপজেলার সংখ্যা ৪৫২টি। চার ধাপে হবে ভোটগ্রহণ। এরমধ্যে প্রথম ধাপে ৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ১১ মে, তৃতীয় ধাপে ১৮ মে এবং চতুর্থ তথা শেষ ধাপের ভোট হবে ২৫ মে।

এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে কমিশন বৈঠক হয়।

ইসি সচিব আরও জানান, প্রথম ধাপে ৪ মে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট হবে। আগামী সপ্তাহে বিস্তারিত তফসিল ও উপজেলার নাম জানানো হবে।

দেশে ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ রয়েছে। সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের ১০ মার্চ। পাঁচ ধাপের ওই ভোট শেষ হয় গত বছরের জুন মাসে।

বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদের মেয়াদ শুরু হয় প্রথম সভার দিন থেকে। পরবর্তী পাঁচ বছর নির্বাচিত পরিষদ দায়িত্ব পালন করেন। মেয়াদপূর্তির আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

চলতি বছর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনসহ আরও কিছু স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন করতে হবে ইসিকে। সারাদেশে উপজেলা পরিষদ রয়েছে ৪৯৫টি। সাধারণত সব উপজেলায় একসঙ্গে নির্বাচন করা হয় না। একাধিক ধাপে এ নির্বাচন হয়। এবারও ধাপে ধাপে নির্বাচন করার চিন্তা করছে ইসি।

বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদের মেয়াদ পূর্তির আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হয়। বর্তমানে দেশে ৪৫২টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপযোগী হয়ে আছে। জুনের মধ্যে এসব উপজেলায় নির্বাচন করতে হবে। এছাড়া আগামী মার্চের মধ্যে অল্পসংখ্যক ছাড়া প্রায় সবগুলো উপজেলা নির্বাচন উপযোগী হবে।


আরও খবর



আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা আজ

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা।

গত সোমবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছিল।

সভায় আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, জেলা/মহানগর ও উপজেলা/থানা/পৌর (জেলা সদরে অবস্থিত পৌরসভা) দলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা, জাতীয় সংসদের দলীয় ও স্বতন্ত্র সদস্যরা, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যানরা, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দলীয় মেয়ররা এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত থাকবেন।


আরও খবর