আজঃ শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪
শিরোনাম

কর ফাঁকির অভিযোগে ৮ বছরের জেল হতে পারে শাকিরার

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কলম্বিয়ান সংগীত তারকা শাকিরা ১৪.৫ মিলিয়ন ইউরো (১২.৯ মিলিয়ন ডলার) ট্যাক্স জালিয়াতির অভিযোগে স্পেনের একটি আদালতে বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। স্পেনের বার্সেলোনার একটি আদালত এ গায়িকাকে কর ফাঁকির অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করার নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও এখনো নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

দোষী প্রমাণিত হলে স্প্যানিশ প্রসিকিউটররা এ তারকাকে আট বছরের জেল এবং ২৩.৮ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করতে চান।

তবে ৪৫ বছর বয়সি শাকিরা বলেছেন— তিনি কোনো অন্যায় করেননি। বারবার নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন তিনি।

সম্প্রতি এলে’ ম্যাগাজিনের স্প্যানিশ সংস্করণের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে শাকিরা বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসী যে, আমার মামলা সমর্থন করার জন্য আমার কাছে যথেষ্ট প্রমাণ আছে এবং ন্যায়বিচার আমার পক্ষে যাবে।’

এর আগে শাকিরা প্রসিকিউটরদের দেওয়া একটি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং বিচারের মুখোমুখি হওয়ার পথ বেছে নিয়েছিলেন। এ ছাড়া শাকিরার আইনি দল একটি বিবৃতিতে বলেছে— তারা উপযুক্ত সময়ে যুক্তি উপস্থাপন করে তাদের কাজ করবে।

শাকিরার বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দৃষ্টিপাত রয়েছে ২০১২ ও ২০১৪ সালের সময়কালে শাকিরার আবাসিক অবস্থান। প্রসিকিউটররা অভিযোগ করেন, তিনি স্পেনে বসবাস করছেন; কিন্তু তার বাসভবন অন্য কোথাও তালিকাভুক্ত করেছেন। জুলাই মাসে প্রসিকিউটররা একটি নথি জারি করেন। সেখানে উল্লেখ ছিল যে, শাকিরা ২০১২ সালে বার্সেলোনায় একটি বাড়ি কিনেছিলেন, যা তার এবং তার সাবেক সঙ্গী বার্সেলোনার ফুটবলার জেরার্ড পিকের পারিবারিক বাড়ি হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত। এদিকে শাকিরার আইনজীবীরা বলেছেন, ২০১৪ সাল পর্যন্ত তার আয়ের বেশিরভাগই আন্তর্জাতিক সফর থেকে এসেছে এবং তিনি স্পেনের বাইরে দীর্ঘ সময় ব্যয় করেছেন। 

এ প্রসঙ্গে শাকিরা এলে’ ম্যাগাজিনকে বলেন, স্প্যানিশ ট্যাক্স কর্তৃপক্ষ দেখেছে যে, আমি একজন স্প্যানিশ নাগরিকের সঙ্গে ডেট করেছি এবং এ বিদ্বেষেই তারা আমার অর্থের পেছনে লেগেছে। এ ছাড়া অন্য কোনো কারণ নেই।’

শাকিরা ২০১৫ সালে করের উদ্দেশ্যে স্পেনকে তার বসবাসের স্থান হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তিনি ১৭.২ মিলিয়ন ইউরো ট্যাক্স প্রদান করেছেন এবং তার কোনো বকেয়া ঋণ নেই। তবে ২০১৯ সালে একটি পৃথক মামলায় শাকিরার সাবেক প্রেমিক পিকেকে কর ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে স্পেনের জাতীয় আদালত ২.১ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করেছিলেন। তিনি ২০০৮ থেকে ২০১০ সময়কালে কর ফাঁকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছিল।

সম্প্রতি এ তারকা জুটি বিচ্ছেদ করেছেন। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে।


আরও খবর



উপকূলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের নির্দেশ

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষতি থেকে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের রক্ষায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকার্যক্রম বন্ধ রাখতে হলে স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে সেটিও করতে বলা হয়েছে। রোববার (২৬ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় রেমালের পরিস্থিতিতে জেলাগুলোর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি পরিস্থিতি বিবেচনা করে ওই সব এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ব্যবহার এবং শ্রেণিকার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে। দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী তারা এ ব্যবস্থা নেবেন।

এতে বলা হয়েছে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমাল দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় উল্লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হলো।

অন্যদিকে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আক্তারুন্নাহার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমাল সন্ধ্যার পর দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে।

এ অবস্থায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি পরিস্থিতি বিবেচনা করে ওই সব এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ব্যবহার ও শ্রেণিকার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়া ইতোপূর্বে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ডিসেম্বর-২০২১ এ জারি করা স্ট্যান্ডিং অপারেটিং প্রসিডিওরের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যথাযথ দায়িত্ব পালন করবেন।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি রোধে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ রোববার সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান বলেন, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভাসহ সারা দেশের সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়া রেমাল আঘাত আনতে পারে এমন এলাকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করে রাখা হয়েছে। তাই এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলা থাকবে, তবে ক্লাস হবে না।


আরও খবর



বসতবাড়ির ফাটল, ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দিনাজপুর প্রতিনিধি

Image

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি হওয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পাতরাপাড়া এলাকার ঘরবাড়ি ফাটলের ক্ষতিপূরণ দ্রুত দেওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী।

রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি সংলগ্ন পাতরাপাড়া মোড়ে ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. মুনতাসির আফসানি মুন্না।

এ সময় উপস্থিত থেকে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন, মো. মামুনুর রশীদ মামুন, মো. মনিরম্নজ্জামান, মো. আলমগীর হোসেন, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন হিটলার, মো. আবুল কালাম আজাদ নুর মোহাম্মদ, মো. কিবরিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার প্রায় শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী জানান, আমাদের ২০০৯ সালে পেট্রোবাংলার সাথে সমঝোতা স্মারকে ১০ দফা দাবি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই ১০ দফা চুক্তি এখনো বাস্তবায়ন করা হয় নাই। এই ১০ দফা চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তিতে কে বা কাহারা পেশি শক্তি ব্যবহার করে সোলার প্রকল্প এর নামে জোর জবরদস্তি করে দখল করার পাঁয়তারা করছে। এতে খনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন ক্ষিপ্ত, যাহা সম্পর্কে আমরা কেউ অবগত নই। জবরদখলের প্রতিবাদ করায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার অসহায় কিছু মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। আমরা সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, এই মিথ্যা মামলা অতিদ্রম্নত প্রত্যাহার করা হউক।

এই এলাকার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি দেশে না আসা পর্যন্ত কোন প্রকার সোলার প্রকল্পের কার্যক্রম চালানো যাবে না।

কয়খনির কিছু কর্মকর্তা ও বহিরাগত কিছু অসাধু কোম্পানি স্থানীয় কিছু প্রতিনিধির সহযোগিতায় এই জমিতে ঘেরা বেড়া দিচ্ছে তা দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। সাত দিনের মধ্যে আমাদের ফাটা ঘরবাড়ির টাকা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জনগণের মাঝে প্রদান করতে হবে। এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তারা বলেন, আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জনগণের প্রতি সুদৃষ্টি দিয়ে দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের অনুরোধ জানাচ্ছি।

আগামী ৭ দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণসহ দাবি দাওয়া বাস্তবায়ন না হলে, কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।


আরও খবর



মাঝ-আকাশে ঝড়ের কবলে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট, নিহত ১

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

লন্ডন থেকে সিঙ্গাপুরগামী একটি ফ্লাইট ঝড়ের কবলে পড়েছে। এতে অন্তত এক জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। খবর দ্য মিররের।

সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৭৭ বিমানের #এসকিউ৩২১ ফ্লাইটটি ঝড়ের কবলে পড়ায় থাইল্যান্ডে রাজধানী ব্যাংককের সুবর্ণভূনি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। ওই ফ্লাইটে দুই শতাধিক যাত্রী ছিল।

থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় বিকাল চারটার দিকে জরুরি অবতরণ করে ফ্লাইটটি। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে এটি সিঙ্গাপুর চাঙ্গি বিমানবন্দরে অবতরণের কথা ছিল।

সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একজন মুখপাত্র বলেন, ২১ মে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট #এসকিউ৩২১ লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। হঠাৎ মারাত্মক ঝড়ের কবলে পড়লে বিমানটি ব্যাংককের দিকে মোড় নেয় এবং সেখানে স্থানীয় সময় ৩ টা ৪৫ মিনিটে অবতরণ করে। বিমানে ২১১ যাত্রী এবং ১৮ ক্রু ছিলেন।

এখন পর্যন্ত নিহত ব্যাক্তির পরিচয় জানায়নি কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর



সরকার সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে: আরাফাত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ শুক্রবার (২৪ মে) বিকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে দুইদিন ব্যাপী আয়োজিত লিডারশিপ, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রেন্ডজ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন 'ইনফোকম ঢাকা ২০২৪' এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, দি ডেইলি স্টার, আইসাকা ঢাকা চ্যাপ্টার এবং জেসিআই বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় ভারতের এবিপি গ্রুপ এ সম্মেলন আয়োজন করে। সম্মেলনের এবারের থিম নির্ধারণ করা হয়েছে 'সাসটেইনেবল ডিসরাপশন'।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন উন্নয়নই মানবজাতির জন্য উপকারী হতে পারে না, যদি সেটা টেকসই না হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার টেকসই উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। আমরা শুধু উন্নয়নেই বিশ্বাস করিনা, আমরা সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করি। এ জন্য জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের অধিকাংশ সূচকে বাংলাদেশ অনেক দেশের চেয়ে ভালো করেছে। এটিই প্রমাণ করে শেখ হাসিনার সরকার টেকসই উন্নয়নে কতটা গুরুত্ব দেয়।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তনশীল। কিন্তু পরিবর্তিত প্রযুক্তি সমাজে ইতিবাচক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে কিনা সেটাই মূল বিষয়। এটি জনগণের জীবন উন্নতভাবে গড়ে তুলছে না ধ্বংস করছে সেটিই বিবেচ্য। আমরা এখন ব্যাপকভাবে প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। তাই প্রযুক্তির মাধ্যমে যেসব ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে সেগুলো আমাদের জন্য সত্যিকার অর্থেই বড় ভাবনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এমনকি এসব ঝুঁকি মানব সম্প্রদায়ের একত্রিত অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তির ইতিবাচক দিকগুলোই মানব সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে যে পরিবর্তনগুলো ঘটছে, সেটাকে আমরা এখন টেকসই করার চিন্তা করছি। এটা ভালো একটা বিষয়। প্রযুক্তির মাধ্যমে কোন কিছুর পরিবর্তনের ফলাফল যদি ইতিবাচক হয়, সেটাকে টেকসই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাবনা।

তিনি আরো যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রযুক্তির বিশ্বে আমাদের ডাটা সুরক্ষায় যদি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকে তাহলে এক্ষেত্রে আমাদের সার্বভৌমত্ব থাকবে না। এ জন্য ডাটা ব্যবস্থাপনাসহ এ সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে পুনরায় চিন্তা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য প্রযুক্তির বিষয়টি মাথায় রেখেই একসাথে সম্পূর্ণ নতুন এক বিশ্ব তৈরির ব্যাপারে নতুন করে ভাবতে হবে। এ বিষয়টি সব ধরণের সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে। মানবতা, মানবাধিকার এবং মানুষের কল্যাণই মূল বিষয়। দেশ-রাষ্ট্র নির্বিশেষে ভালো চিন্তার মানুষগুলোকে একত্রিত হতে হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি ভালো পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য একসাথে চেষ্টা করতে হবে।

তিনি বলেন, যত বেশি আমাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা একসাথে চলতে পারবো, তত ভালো আউটপুট তৈরি সম্ভব হবে এবং আমরা উন্নত বিশ্ব তৈরি করতে পারবো। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের জনগণ উপকৃত হবে। তাই সবকিছুর মূলে জনগণ এবং জনগণের সুবিধা বিবেচনায় নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবিপি প্রাইভেট লিমিটেডের সিইও ধ্রুব মুখার্জি। ভারত ও সার্কের পালো আলতো নেটওয়ার্কস এর সিস্টেমস ইঞ্জিনিয়ারিং পরিচালক হুজেফা মতিওয়ালা, সার্ক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন, সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির কাউন্সিল ফর কমিউনিকেশন অ্যান্ড আইটি-এর চেয়ারম্যান শাফকাত হায়দার, জেসিআই বাংলাদেশ এর ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমরান কাদির প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।


আরও খবর



সিলেটে বন্যার পদধ্বনি: বিপৎসীমার ওপরে নদীর পানি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সিলেট প্রতিনিধি

Image

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে দুইদিন ধরে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে সিলেটে। টিানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সিলেটের সুরমা কুশিয়ারাসহ প্রায় সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সিলেট জেলার সবকটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বন্যা মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

বুধবার (২৯ মে) দুপুর ১২টায় সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারাসহ তিন নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়িয়ে গেছে। আরও কয়েকটি পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাউবো জানায়, বুধবার দুপুর ১২টায় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্ট ১৩ দশমিক ৬ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এ পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। কুশিয়ারা নদীর পানি অমলশীদ পয়েন্টে ১৫ দশমিক ৭৭ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। কুশিয়ারার অমলশীদ এলাকায় বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৪০। এছাড়া সারি নদীর সারিঘাট পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১২ দমশিক ৩৫ সেন্টিমিটার। এ পয়েন্টে দুপুর ১২টায় ১২ দশমিক ৮৮ সেন্টিমিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।

গত দুইদিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এই উপজেলার সবচেয়ে বড় নদী সারীনদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। আকস্মিক বন্যায় উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের গোয়াবাড়ী, বাইরাখেল, মযনাহাটি, বন্দরহাটি, মেঘলী, তিলকৈপাড়া, ডিবিরহাওর, ফুলবাড়ী, টিপরাখরা, খলারবন্দ, মাঝেরবিল, হর্নি, নয়াবাড়ী, কালিঞ্জিাদবাড়ী, জৈন্তাপুর ইউনিয়নে লামনীগ্রাম, মোয়াখাই, বিরাইমারা, মুক্তাপুর, বিরাইমারা হাওর, লক্ষীপুর, কেন্দ্রী, খারুবিল, নলজুরী, শেওলারটুক, বাওনহাওর, চারিকাটা ইউনিয়নের লাল, থুবাং, উত্তর বাউরভাগসহ বিভিন্ন গ্রাম পাহাড়ী ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে। 

বৈরী আবহাওয়া ও বন্যার আশঙ্কা নিয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক নির্দেশনাসহ ৫৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বাড়িতে পানি ঢুকার সম্ভাবনা দেখা দিলে বাড়িতে অবস্থান না করে অবশ্যই নিকটবর্তী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া।

পাহাড়ি, টিলা এলাকায় ও এর পাদদেশে বসবাসকারীদের কেও অতি সত্ত্বর পাহাড় ধস ও মাটি ধসজনিত দুর্ঘটনা এড়াতে উপজেলা প্রশাসনের নির্ধারিত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম। এছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত নৌকা প্রস্তুত রাখার কথা বলা হয়েছে।

জরুরী প্রয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসিয়াল মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করে অবহিত করার জন্য বলা হয়েছে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাস বলেন, আমাদের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পায় মূলত উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে বৃষ্টিপাততো আমাদের দেশেও ছিল। তাছাড়া প্রাক বর্ষাকালে বৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। আর বৃষ্টি হলে নদনদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়াটাও স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

অপরদিকে সিলেট আবহাওয়া অফিস বলছে, যেহেতু প্রাক বর্ষাকাল চলছে তাই এখন প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হবে। গত ২৪ ঘন্টায় সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সিলেটে ১৪৬.১ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজিব হোসেন  বলেন, আগামী তিনদিন সিলেটে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।


আরও খবর