আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

কাল সর্বোচ্চ পদ নিয়ে আসছে ৪৬তম বিসিএস বিজ্ঞপ্তি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

নতুন একটি বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। এই বিসিএস হবে ৪৬তম সাধারণ বিসিএস। এতে ক্যাডার ও ননক্যাডার পদ নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

গত ১০টি বিসিএসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্যাডার পদ রেখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) ৪৬তম বিসিএসের চাহিদাপত্র পাঠিয়েছে। এই বিসিএসের পদ নির্দিষ্ট করার বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ শাখা থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

পিএসসি সূত্রে জানা যায়, মন্ত্রণালয় যেসব পদ পাঠিয়েছে, সেখান থেকে ক্যাডারের ৩ হাজার ১০০ পদ ও ননক্যাডারে ৩০০ পদ নির্দিষ্ট করা হচ্ছে, যা বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশিত হবে। পিএসসি বলছে, ক্যাডারে ও ননক্যাডারে এই পদ মানেই চূড়ান্ত নয়, এটি সরকার বাড়াতে পারে। তাই ক্যাডার ও ননক্যাডারের পদ এটাই চূড়ান্ত নয়।

সূত্রে আরও জানা যায়, ৪৬তম বিসিএসে আবেদনের বয়স গণনা হবে ১ নভেম্বর থেকে। বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের শেষ তারিখ উল্লেখ করা হবে। তবে কোন ক্যাডারে কতজন নেওয়া হবে, সেটি নির্দিষ্ট করে না বললেও স্বাস্থ্য ক্যাডারে উল্লেখযোগ্য পদে আবেদনের সুযোগ রাখা হবে বলে জানা গেছে।

পিএসসি সূত্রে আরও জানা যায়, সর্বশেষ ৪৫তম বিসিএস ছিল গত পাঁচ বিসিএসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পদ। এবার ৪৬তম বিসিএসে রেকর্ড হচ্ছে। এটি গত ছয় বিসিএসকে ছাড়িয়ে যাবে। ৪৫তম বিসিএসে প্রথম ক্যাডারের পাশাপাশি নন-ক্যাডারের পদও উল্লেখ রেখে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

জেনে নিন কোন বিসিএসে কত পদ-

৩৪তম বিসিএসে ২ হাজার ১৫৯ জন, ৩৫তম বিসিএসে ১ হাজার ৮০৩, ৩৬তম বিসিএসে ২ হাজার ১৮০, ৩৭তম বিসিএসে ১ হাজার ২২৬, ৩৮তম বিসিএসে ২ হাজার ২৪, ৪০তম বিসিএসে ১ হাজার ৯২৯ ও ৪১তম বিসিএসে ২ হাজার ৫২০ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এ ছাড়া ৪৩তম বিসিএসের বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৮১৪ জন, ৪৪তম থেকে ১ হাজার ৭১০ ও সর্বশেষ ৪৫তম থেকে ২ হাজার ৩০৯ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে। ৩৯তম ও ৪২তম বিসিএস দুটি ছিল চিকিৎসকদের জন্য বিশেষ বিসিএস।


আরও খবর
সিটি গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সিভিল বিভাগে চাকরি সুযোগ

বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিএনপি নেতাকর্মীদের মুক্তির সঙ্গে নির্বাচনের কোন সম্পর্ক নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বিএনপি জাতীয় সংসদেই নেই, সে কারণে রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদল হিসেবে গণ্য হতে পারেন না। ২৮ অক্টোবর বিচারপতির বাসভবনে হামলাসহ নানা ধরনের হামলার প্রেক্ষিতে বিএনপির অনেক নেতা কর্মীকে আটক করা হয়েছিল। আদালত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের অনেককেই মুক্তি দিয়েছেন। এর সঙ্গে নির্বাচনের কোন সম্পর্ক নেই।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসুফ ইসা আলদুহাইলানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্দি প্রত্যাবর্তন চুক্তি করতে আগ্রহী সৌদি সরকার। এ ক্ষেত্রে আপত্তি নেই বাংলাদেশেরও। প্রস্তাব পাওয়ার পর সরকার ভেবে দেখবে বিষয়টি। চুক্তি হলে দুই দেশে থাকা অপরাধীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো সহজ হবে। সে দেশে বাংলাদেশি কেউ অপরাধ করলে তারা তাদের ফিরিয়ে দিবে এবং সে দেশের কেউ আমাদের দেশে অপরাধ করলে আমরা তাদেরকে ফিরিয়ে দিবো।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার সিমান্তের অস্থিরতা নিয়ে আমরা সংকিত না। রোহিঙ্গাদের পাঠানোর বিষয়ে আমরা কাজ করছি। আশা করি খুব দ্রুত মায়ানমারের অবস্থা ভালো হবে এবং রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিবে। বাংলাদেশের সিমান্ত দিয়ে আর কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


আরও খবর



কৃষিপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে হাইকোর্টে রুল, কমিটি গঠনের নির্দেশ

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

আলু, পেঁয়াজ, ডিমসহ যাবতীয় কৃষিপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ ও বিধান বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সাথে ধাপে ধাপে এসব পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রোধে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কৃষি সচিবকে এই কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে কৃষিপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। কৃষিপণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে কৃষিপণ্যের উৎপাদনস্থলে কেন বাজার ব্যবস্থাপনা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনোজ কুমার ভৌমিক। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায় ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আজাদ।

এর আগে, গত ২৬ ডিসেম্বরে 'আলুর কেজি এক লাফে বাড়ল ১৫ টাকা' শিরোনামে দেশের এক গণমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করেন মনোজ কুমার ভৌমিক।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সবার ধারণা ছিল নির্বাচনের আগে নিত্যপণ্যের বাজার পরিস্থিতি সরকার সহনীয় রাখবে। দ্রব্যমূল্যের ওপর লাগাম টানবে। ডিমের দাম কমানোর মধ্যদিয়ে সে ধরনের আলামতও লক্ষ্য করা গিয়েছিল। কিন্তু সিন্ডিকেট এতো শক্তিশালী যে, ডিমের বাজারের ওপর কয়েকদিন নিয়ন্ত্রণ থাকলেও তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদনটি যুক্ত করে আলু, পিঁয়াজসহ কৃষিপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষি বিপণন আইনের ৪(ছ) বিধান বাস্তবায়ন করে কৃষিপণ্য উৎপাদন এলাকায় বাজার অবকাঠামো স্থাপনে নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে গত ডিসেম্বরে জনস্বার্থে রিটটি করা হয়।


আরও খবর



ন্যাটোপ্রধান ও ইইউ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টের ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ন্যাটোপ্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) নিরাপত্তাকে দুর্বল করে’—এমন আলোচনার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। ন্যাটোর যেসব সদস্য নির্ধারিত চাঁদা পরিশোধ করেনি, তাদের আক্রমণে রাশিয়াকে উৎসাহিত করার বিষয়ে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দেওয়ার পর এ সতর্কবার্তা এলো।

স্টলটেনবার্গ এক বিবৃতিতে বলেছেন, মিত্ররা একে অপরকে রক্ষা করবে নাএমন কোনো পরামর্শ যুক্তরাষ্ট্রসহ আমাদের সবার নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ণ করে।

ট্রাম্প শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) হুমকি দিয়েছিলেন, যদি তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পুনরায় নির্বাচিত হন, তিনি ন্যাটোর সেসব সদস্যকে রক্ষা করবেন না, যারা তাদের আর্থিক বাধ্যবাধকতা পূরণ করেনি।

এ সময় তিনি তাদের আক্রমণ করতে রাশিয়াকে উৎসাহিত করবেন বলেও হুমকি দেন।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়মিতভাবে উত্তর আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশনের (ন্যাটো) মিত্রদের সমালোচনা করেছেন, জোটকে কম অর্থায়নের জন্য।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেলও ট্রাম্পের মন্তব্যকে বেপরোয়া বলে নিন্দা করেছেন। তিনি এক্সে বলেছেন, ট্রান্সঅ্যাটলান্টিক অ্যালায়েন্স ৭৫ বছর ধরে মার্কিন, কানাডীয় এবং ইউরোপীয়দের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির ভিত্তি ধরে রেখেছে।

ন্যাটোর চুক্তি অনুসারে, যদি জোটের একটি দেশ সশস্ত্র আক্রমণের শিকার হয়, তবে জোটের প্রতিটি সদস্যকে অবশ্যই পুরো গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি হুমকিতে থাকা দেশটিকে সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা নিতে হবে।

এদিকে ট্রাম্পের মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যান্ড্রু বেটস শনিবার রাতে বলেছেন, হত্যাকারী শাসনের মাধ্যমে আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের আক্রমণে উৎসাহিত করা ভয়ংকর এবং অবিচ্ছিন্ন।


আরও খবর



তেঁতুল কি আসলেই রক্ত পানি করে, ব্যথা বাড়ায় পিরিয়ডে ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

কাঁচা কিংবা পাকা, তেঁতুল নাম শুনলে প্রায় সব বয়সীদেরই জিভে জল আসে। টকজাতীয় এ ফলটিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা কিনা ক্যানসার, হৃদরোগ ছাড়াও ডায়াবেটিসের মতো রোগের ক্ষেত্রে উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। আবার উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও তেঁতুল অনন্য।

যুগের পর যুগ ধরে রূপচর্চা ছাড়াও চিকিৎসার ক্ষেত্রজুড়ে আছে টকজাতীয় এই ফল। তবে উপকারী গুণের বাইরেও লোভনীয় এই ফলটি নিয়ে নানা নেতিবাচক কথাও শোনা যায়। তেঁতুল খেলে বুদ্ধি কমে যায়, রক্ত পানি হয়ে যায় কিংবা পিরিয়ডের সময় ফলটি খেলে পেটব্যথা ছাড়াও অতিরিক্ত রক্তস্রাব হয়- বয়োজ্যেষ্ঠদের মুখে এমন কথা প্রায়ই শোনা যায়। তাহলে কি আসলেই তেঁতুল এমন ক্ষতিকর?

নানা গুণসমৃদ্ধ তেঁতুলে আছে ভিটামিন ছাড়াও ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, আয়রন, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো উপাদান। এক কাপ বা ১২০ গ্রাম তেঁতুলে ৪৩ শতাংশ ভিটামিন বি-১, ১৫ শতাংশ ভিটামিন বি-৩ ও ১৪ শতাংশ ভিটামিন বি-২ পাওয়া যায়। পাশাপাশি এই পরিমাণ তেঁতুলে ক্যালসিয়াম থাকে ৭ শতাংশ, আয়রন ১৯ শতাংশ, ম্যাগনেশিয়াম ২৬ শতাংশ ও ১৬ শতাংশ পটাশিয়াম থাকে। এছাড়াও ভিটামিন সি, কে ও ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ১২০ গ্রাম তেঁতুলে থাকে ২৮৭ ক্যালরি- এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ লাইন।

টকজাতীয় লোভনীয় এই ফলটির ব্যবহার নিয়ে ওয়েবসাইটটিতে বলা হয়েছে, ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় তেঁতুল অনন্য ভূমিকা রাখে। ক্ষত সারানোর ক্ষেত্রে ফলটির পাতা ছাড়াও গাছের বাকল ব্যবহারের তথ্য পাওয়া যায়। আবার কোষ্ঠকাঠিন্য ছাড়াও ডায়রিয়া, জ্বর ও ম্যালেরিয়ার মতো চিকিৎসায়ও তেঁতুলের পানীয় ব্যবহার হতো।

ওয়েবসাইটটিতে প্রকাশিত ওই নিবন্ধটি লেখেন তুরস্কের মারমারা ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের ইন্টার্ন চিকিৎসক পিনার কুরু। যেখানে তেঁতুলকে ভিটামিন ছাড়াও ফাইটোকেমিক্যাল, এসেনশিয়াল অ্যামিনো অ্যাসিডের (যা মানুষ ও অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণী বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় তৈরি করতে পারে না) সহজলভ্য ও স্বস্তা একটি ফল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তেঁতুলের এমন উপকারী সব গুণের কথা উঠে এসেছে স্বাস্থ্য বিষয়ক সংবাদ ও তথ্য সরবরাহকারী আমেরিকান করপোরেশন ওয়েব এমডিতে। এতে বলা হয়েছে, রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর তেঁতুলের ব্যবহার নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব রাখা টকজাতীয় এই ফলটি প্রাচীনকাল থেকেই ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে মানুষ।

ওয়েব এমডিতে লোভনীয় ফল তেঁতুলের উপকারিতা সম্পর্কে বলা হয়েছে, তেঁতুল থেকে ট্রিপটোফান ছাড়াও প্রয়োজনীয় সব অ্যামিনো অ্যাসিড পাওয়া যায়। ফলটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আদর্শ প্রোটিনের মান পূরণ করে। পাশাপাশি তেঁতুল থেকে পাওয়া প্রোটিন অ্যামিনো অ্যাসিড, টিস্যু তৈরি ও মেরামতের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে।

তেঁতুলের এমন উপকারী নানা দিকের কথা পাওয়া যায় বিবিসি গুড ফুডের ওয়েবসাইটেও। যেখানে বলা হয়েছে, তেঁতুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। পাশাপাশি টকজাতীয় এই ফলটি হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য ও কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে। সেই সঙ্গে লিভারের সুরক্ষামূলক কাজের পাশাপাশি তেঁতুল প্রাকৃতিক অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল বা জীবাণু নিরোধক হিসেবেও কাজ করে।

তবে ওয়েবসাইটটির প্রশ্নোত্তর অংশে তেঁতুল সবার জন্য নিরাপদ কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে বলা হয়েছে, উপকারী ফলটি কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। পাশাপাশি রক্তের শর্করার মাত্রা কমাতে সক্ষম তেঁতুল ডায়াবেটিস থাকলে সতর্কতার সঙ্গে খাওয়া উচিত।

অন্যদিকে, দেশের কৃষি তথ্য সার্ভিসের ওয়েবসাইটে তেঁতুল রক্ত পানি করে বা বুদ্ধি কমায় এমন ধারণাকে কুসংস্কার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, লোভনীয় এই ফলটি রক্ত পরিষ্কারের পাশাপাশি চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়েছে, কাঁচা তেঁতুল খেতে টক, পাকা ফল টকমিষ্টির এক ভিন্ন স্বাদ। এটি খাবারে স্বাদ বাড়ায়। তাই মাংসের রোস্ট ছাড়াও পোলাও, খিচুড়িতে এর ব্যবহার হয়। এছাড়াও তেঁতুলের টক, ভর্তা, ডাল অনেকেরই প্রিয়। আবার তেঁতুল দিয়ে তৈরি করা যায় আচার, সস, জ্যাম, চাটনিসহ হরেক রকমের খাবার। এমনকি তেঁতুলের বীজ নকশি শিল্পেও ব্যবহার করা হয়।

অন্যদিকে, টকজাতীয় এই ফলটির পিরিয়ড বা ঋতুস্রাবের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই জানিয়ে ইউনিসেফ বলছে, ঋতুকালে রক্তস্রাবের সঙ্গে খাবারের কোনো সম্পর্ক নেই। পিরিয়ডের সময় খাওয়া যাবে না এমন কিছু নেই।


আরও খবর
নারীর জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ভিটামিন

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

২৩ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসে আজকের এই দিনে

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কুবিতে উপাচার্য হিসেবে দুই বছর পূর্ণ করেছেন অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দুই বছর পূর্ণ করেছেন অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষে কমনওয়েলথ বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যের র্স্টার্লিং বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি এবং অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে পোষ্ট ডক্টরাল ডিগ্রি লাভ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক সফলতা অর্জন করেছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার ইমেজ বৃদ্ধি করতে সমর্থ হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং অর্জনগুলো:

এক. গবেষণা ও আন্তর্জাতিক জার্নাল এ মানসম্পন্ন প্রবন্ধ প্রকাশনায় উদ্বুদ্ধ করার জন্য মর্যাদাসম্পন্ন ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড ও স্বীকৃতি চালু করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আয় থেকে অর্জিত তহবিলের অর্থ দিয়ে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই অ্যাওয়ার্ড ১৭ জন শিক্ষককে প্রদানের মাধ্যমে শুরু হয়। এর ফলে শিক্ষকদের মধ্যে, বিশেষ করে প্রারম্ভিক ও মধ্যম পর্যায়ের শিক্ষকদের মধ্যে মানসম্পন্ন গবেষণা ও প্রকাশনার প্রতি উৎসাহ ও অর্জন বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছর ৫২ জন শিক্ষক ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড এর জন্য আবেদন করেন। এখানে উল্লেখ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ২৬২ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।

দুই. মানসম্পন্ন গবেষণা ও প্রকাশনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানের বিদেশি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

তিন. প্রথমবারের মত মর্যাদাপূর্ণ ভাইস চ্যান্সেলর বৃত্তি চালু করা হয়। বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আমরাই প্রথম এই ধরনের বৃত্তির উদ্যোগ গ্রহণ। দুই বছরে ৭০৩ শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়।

চার. শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ২০২৩ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আয় থেকে স্পোর্টস বৃত্তি প্রচলন করা হয়। ষোল জন খেলোয়াড়কে বৃত্তি প্রদান করে এই বৃত্তি প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হয়।

পাঁচ. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতোপূর্বের দীর্ঘ সেশনজট হ্রাস করতে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে একটি একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রবর্তন করা হয়।

ছয়. যে সকল শিক্ষক উচ্চতর ডিগ্রি করার পরেও দেশে ফিরে আসেননি, কিন্তু বিদেশে থেকে পদ ধরে রাখার কারণে এখানে শিক্ষক সঙ্কট তৈরি হয়েছে তাদের ৮ জনের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা বাবদ ১.৫৮ কোটি টাকা ফিরিয়ে এনে পদগুলো শূন্য করা হয়েছে।

সাত. স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস নিশ্চিত করার জন্য তিন ধরনের বর্জ্যের জন্য তিন রঙের (লাল সাধারণ বর্জ্যরে জন্য, হলুদ রিসাইকেল বর্জ্যরে জন্য, এবং সবুজ কম্পোস্ট এর জন্য) অপসারণযোগ্য বিন স্থাপন করা হয়। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে নিয়মিতভাবে কাউন্সেলিং প্রদানসহ র‌্যাগিং এর বিরুদ্ধে সচেতনতা ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

আট. সর্বক্ষেত্রে অটোমেশন (ডি-নথি, ওয়েবসাইট, অ্যাপ, ইআরপি, ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক, পেমেন্ট গেটওয়ে) সেবার ব্যবস্থা শুরু করেছি।

নয়. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতিমুক্ত প্রকিউরমেন্ট ও অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ ও টেন্ডার বাণিজ্যের সংস্কৃতি বন্ধ করা হয়। ৯০-৯৫% প্রকিউরমেন্ট টেন্ডার প্রক্রিয়া ইজিপি-এর মাধ্যমে সম্পাদনের ব্যবস্থা করা হয়।

দশ. দায়িত্ব গ্রহণের পরে ৬ মাসের মধ্যে দুর্নীতির কারণে ২০১৪ সাল থেকে চলমান স্থবির একটি উন্নয়ন প্রকল্প কঠোর পরিশ্রম করে সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করা।

এগারো. এপিএতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪২তম থেকে ১০ম স্থানে উন্নীত করা।

বারো. স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বিজয় দিবস ও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে এলাকার দরিদ্র জনগণের জন্য বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকদের সহায়তায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প গঠন করে  ১,০০০  প্রান্তিক লোককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান।

এ বিষয়ে উপাচার্য ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, যোগদানের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি লিডিং ও মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করছি। বিশ্ববিদ্যালয়টি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক সফলতা অর্জন করেছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার ইমেজ বৃদ্ধি করতে সমর্থ হয়েছি।

নিউজ ট্যাগ: ড. আবদুল মঈন

আরও খবর