আজঃ বুধবার ১২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুলাই ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুলাই ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

উপমহাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। নিউইয়র্কে ক্যান্সারের চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১২ সালের এই দিনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। উপন্যাসে হিমু, মিসির আলির মতো অসংখ্য জনপ্রিয় চরিত্র তৈরি করে এখনও তিনি পাঠকের মনে বেঁচে আছেন।

হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে কুরআন খতম আর এতিমদের মধ্যে খাবার বিতরণ করবে তার পরিবার। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিলসহ নানা আয়োজনে প্রয়াত এ সাহিত্যিককে স্মরণ করবে। এছাড়া বিভিন্ন টেলিভিশনে তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নানা অনুষ্ঠান প্রচারিত হবে।

আরও পড়ুন: কিয়ামতের দিন অবিশ্বাসীরা যে আফসোস করবে

১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে জন্মগ্রহণ করেন হুমায়ূন আহমেদ। বাবা পুলিশ কর্মকর্তা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও গৃহিণী মা আয়েশা ফয়েজের প্রথম সন্তান তিনি। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। এ কথা সাহিত্যিকের প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে প্রকাশিত হয় ১৯৭২ সালে। উপন্যাসটি প্রকাশের পরই সাড়া জাগায়। তিনি ১৯৯৪ সালে একুশে পদক লাভ করেন। এছাড়া তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮১), হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯০), লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৩), জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩ ও ১৯৯৪), বাচসাস পুরস্কার (১৯৮৮) লাভ করেন।


আরও খবর



‘কেএনএফের কার্যক্রম যতদিন থাকবে, যৌথবাহিনীর অভিযান ততদিন চলবে’

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বান্দরবান প্রতিনিধি

Image

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, কেএনএফের কার্যক্রম যতদিন থাকবে যৌথ অভিযান ততদিন চলবে। সরকারের আদেশে কুকি-চিন সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে বিভিন্ন বাহিনী মিলে যৌথ বাহিনী হিসেবে অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। সোমবার (১৩ মে) বিকেলে বান্দরবানের থানচি ও রুমা উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে সেনাবাহিনীর আওতাধীন বিভিন্ন বাহিনী মিলে যৌথ বাহিনী হিসেবে সরকারের আদেশে কুকি-চিন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে, তা সরেজমিনে দেখতে এসেছেন। থানচি বলিপাড়া ৩৮ বিজিবি ও রুমা ৯ ব্যাটালিয়ান বিজিবি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে। তাদের উৎসাহ, পরামর্শ প্রদান করার জন্য তিনি এসেছেন বলে জানান।

তিনি আরও বলেন, বলিপাড়ায় একটি নতুন বেইস ক্যাম্প করা হয়েছে। বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অপারেশন এবং সীমান্তের ওপারে যাতে কেএনএফ সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য বিজিবির সব সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানান তিনি।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যাংক ডাকাতির মতো দুঃসাহসিক সন্ত্রাসী কার্যকলাপ দেখিয়ে কেউ পার পাবে না। এ এলাকার সাধারণ বম জনগোষ্ঠীরাও কেএনএফের সন্ত্রাসী ঘটনা সমর্থন করে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরীহ বম সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচারের অপপ্রচারের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে জানান তিনি।

মতবিনিময়কালে বিজিবি মহাপরিচালক সবাইকে অপারেশনাল, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পরে তিনি বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ স্পটহাইট টিওবি, থানচি বিওপি এবং থানচি বাজার পোস্ট পরিদর্শন করেন।

এ ছাড়া বিজিবির মহাপরিচালক রুমা ব্যাটালিয়নের (৯ বিজিবি) ব্যাটালিয়ন সদর এবং অধীনস্থ দোপানিছড়া বিওপি পরিদর্শন করেন এবং সব পর্যায়ের বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বান্দরবান বিজিবির সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সোহেল আহমেদ, কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম, বান্দরবান ব্রিগেড কমান্ডার মেহেদি হাসান, ররুমা ৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেনান্ট কর্নেল হাসিবুল হকসহ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২ ও ৩ এপ্রিল রুমা ও থানচিতে সোনালী ও কৃষি ব্যাংকে ডাকাতি, ব্যাংক ব্যবস্থাপক অপহরণ, টাকা লুট ও পুলিশ-আনসারের ১৪টি অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ব্যাংক ব্যবস্থাপক উদ্ধার হলেও লুট হওয়া অস্ত্র ও টাকা উদ্ধার করা যায়নি। সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফ এ সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার, অস্ত্র ও টাকা উদ্ধারের অভিযানে অংশ নিচ্ছেন সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। অভিযান সমন্বয় করছে সেনাবাহিনী।


আরও খবর



নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর নাজিম হত্যা মামলায় দুই আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ফয়সাল আহম্মেদ, নওগাঁ প্রতিনিধি

Image

নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর নাজিম উদ্দিন ফকির ক্লুলেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন, জড়িত দুইজনকে প্রেফতার ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে সদর থানা প্রাঙ্গনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই তথ্যটি জানিয়েছেন নওগাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: গাজিউর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান সদর উপজেলার বিলভবানীপুর গ্রামের নিহত নাজিম উদ্দীন প্রায় এক বছর আগে মারপিটের ঘটনায় একটি গ্রাম্য সালিশ দরবার করেছিল এলাকায়। সেই শালিসে ৩০হাজার টাকা অর্থ জরিমানা করেন তিনি। ওই গ্রাম্য শালিসে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ক্ষিপ্ত ছিল নাজিমের উপর। তৈরি হয়েছিল শত্রুতা। এছাড়া প্রায় ৬-৭মাস আগে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিষয়ে একটি আপস করেন নিহত নাজিমুদ্দিন। এরই জেরে গত সোমবার (১০ জুন) দিবাগত রাত ১০টার দিকে নাজিম উদ্দিন ফকির বিলভবানীপুর মৎস্যজীবী পাড়ায় জনৈক ব্যক্তির শালিস শেষে নিজের বাড়ি ফেরার সময় অজ্ঞাতনামা আসামীরা ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে গুরুত্বর জখম করে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে নাজিম উদ্দিনের মৃত্যু হয়।

হত্যাকান্ডের বিষয়টি পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক স্যারকে জানালে স্যারের সার্বিক দিক নির্দেশনায় পুলিশের একটি চৌকস দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তথ্য প্রযুক্তি এবং সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করার মাধ্যমে মঙ্গলবার শহরের দপ্তরীপাড়া এলাকা হতে ওই গ্রামের মৃত-আব্দুস সামাদের ছেলে সুজাত আলী (৩২) ও রঘুনাথপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান (২৮) কে গ্রেফতার করা হয়। আটকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পূর্বের রাগ ও ক্ষোভের জ্বেরে দীর্ঘ পরিকল্পনার মাধ্যমে তারা নাজিম উদ্দিন ফকিরকে হত্যা করার বিষয়টি স্বীকার করে।

এসময় তাদের দেয়া তথ্য মোতাবেক বিভিন্ন স্থান থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র চাকু ও ভাঙ্গা হাতুড়ী উদ্ধার করে পুলিশ। আটকৃতদের মঙ্গলবার বিকেলে আইনী প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এই কত্যাকান্ডের সঙ্গে আরো কেউ জড়িত আছে কি না সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য আদালতের কাছে আসামীদের রিমান্ডের আবেদন করা হবে। রিমান্ডের মাধ্যমে আরো তথ্য জানা জেতে পারে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। এসময় সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফৌজিয়া হাবিব খান, সদর থানার ওসি জাহিদুল হকসহ থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত তিন

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

সোমবার (১০ জুন) ভোররাতে ৪ নম্বর (এক্সটেনশন) ক্যাম্পের এফ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। উখিয়া থানার ওসি শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- ওই ক্যাম্পের এফ ব্লকের জাফর আহমদের ছেলে মো. ইলিয়াছ (৩১), মৃত আব্দুর রকিমের ছেলে মো. ইছহাক (৫৪) ও ৩ নম্বর ক্যাম্পের ই ব্লকের মো. ইসমাইলের ছেলে ফিরোজ খান (১৮)।

ওসি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


আরও খবর



কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা নির্বাচন স্থগিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলা পরিষদের সব পদের নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ৫ জুন চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (১৩ মে) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠান।

চিঠিতে জানানো হয়, রিট পিটিশন নম্বর ৫৩২০/২০২৪ এর আলোকে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ প্রতিপালনের সুবিধার্থে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদের চতুর্থ ধাপে ৫ জুন অনুষ্ঠেয় কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলা পরিষদের সব পদের নির্বাচন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

এই অবস্থায়, উল্লিখিত সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।


আরও খবর



হত্যা মামলার প্রধান আসামি দাগনভূঞা ইউপি চেয়ারম্যান

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাজাপুর ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন মামুন। দাগনভূঞায় পৌর এলাকার ভূঞা ম্যানশন দখলের চেষ্টা ও হামলায় গৃহকর্তা আবদুল গফুর ভূঞার মৃত্যুর ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা রুজুর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২ জুন) গৃহকর্তার বড় ছেলে রিয়াদ হোসেন রাজু বাদী হয়ে আদালতে মামলা করলে দাগনভূঞা আমলী আদালতের বিচারক ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা লোকমান এ আদেশ দেন।

এ মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- নির্মল সাহা (৫০), চয়ন সাহা (৩৫), দহন সাহা (৩০), আইয়ুব আলী (৪৫), ছেরাজুল হক প্রকাশ হকসাব (৫০) এবং ইকবাল।

জানা গেছে, কাতার প্রবাসী আবদুল গফুর ভূঞা প্রায় ১৫ বছর আগে দাগনভূঞা পৌর এলাকার হাসপাতাল রোডের পলাশ চন্দ্র সাহার কাছ থেকে ছয় শতক জায়গা ক্রয় করেন। ওই জায়গায় ২০১৩ সালে পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করেন। ২০২৩ সালে কাতার থেকে দেশে ফেরার পর পলাশ চন্দ্র সাহার ভাগ্নে সয়েল সাহা নিজেকে ওই জায়গার মালিক বলে দাবি করেন। তার কাছ থেকে জায়গাটির আমমোক্তারনামা নেন দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন মামুনের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ইকবাল নামে এক ব্যক্তি।

বুধবার (২৯ মে) দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সময়ে আবদুল গফুর ভূঞার বাসা ভূঞা ম্যানশনে ৪০-৫০ জন যুবক হামলা চালিয়ে জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় তারা নিচতলায় দরজার বাইরে থেকে আটকিয়ে দ্বিতীয় তলায় গফুর ভূঞার বাসায় ঢুকে তার স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, পুত্রবধূ ও দেড় বছর বয়সী নাতনিকে মারধর করে। পরে ভবনের বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফেরার পর ক্যান্সার আক্রান্ত হন আবদুল গফুর ভূঞা। হামলার ঘটনার একদিন আগেও ভারতের চেন্নাই থেকে চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফেরেন তিনি।

মামলার বাদী রিয়াদ হোসেন রাজু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে ভবন ও জায়গা দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। রাজাপুর ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন মামুন বাড়ি ছেড়ে দিতে বারবার হুমকি দিয়েছেন। তার নির্দেশে এ হামলা হয়েছে। হামলাকারীরা বাবাকে এলোপাথাড়ি কিলঘুষি মারে। এ সময় তার শরীরের অস্ত্রোপচারের স্থানে আঘাত লাগে। এতে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শনিবার (১ জুন) সকালে ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দাগনভূঞা সদর ইউনিয়নের জগতপুর এলাকায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবাকে দাফন করা হয়েছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ও মদদদাতাদের বিচার চাই।

এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাজাপুর ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন মামুনকে একাধিকবার কল করা হলেও সাড়া মেলেনি।

দাগনভূঞা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসিম বলেন, এ ঘটনায় থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে আদালতে একটি মামলা হয়েছে। আদালতের আদেশ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: দাগনভূঞা ফেনী

আরও খবর