আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

চাটমোহরে অবাধে চলছে মা ও পোনা মাছ নিধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৯ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ আগস্ট ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
Image

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি :

সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও পাবনার চাটমোহরের বিলগুলো থেকে অবাধে ডিমওয়ালা মা ও পোনা মাছ ধরা হচ্ছে। স্থানীয় জেলেরা রাতের আঁধারে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার করছেন। এতে এ বিলগুলো দ্রুত মাছশূন্য হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

চাটমোহর উপজেলার নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয়ে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি, বাদাই জাল এবং কারেন্ট জালের ছড়াছড়ি। চাটমোহরে ডিকশি বিল, বিল কুড়ালিয়া খলিশাগাড়ী বিল, আফরার বিল, নিমাইচড়া, হান্ডিয়াল পাশ্বডাঙ্গা, ফৈলজানা ও ডিবিগ্রামের বিভিন্ন নদ-নদী, বিল ও জলাশয়ে অসাধু মাছ ব্যবসায়ী ও মৌসুমী মাছ শিকারীরা চায়না দুয়ারি, বাদাই জাল এবং কারেন্ট জাল ব্যবহার করে বোয়ালসহ দেশী প্রজাতির বিভিন্ন মাছের পোনা ও মা মাছ নিধনে মেতে উঠেছে। এতে দেশী প্রজাতির মাছ বিপন্ন হওয়ার পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়ছে জীব বৈচিত্র্য।

চাটমোহর উপজেলার বিভিন্ন বিল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি বিলেই অসংখ্য চায়না দুয়ারি পেতে মাছ নিধন করা হচ্ছে। প্রকাশে বাদাই জাল দিয়ে বোয়াল মাছের পোনা ধরা হচ্ছে। আর এসকল মাছ প্রকাশ্যে হাট-বাজারে বিক্রিও করা হচ্ছে। আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে নদী, খাল ও বিলে মা-মাছ ডিম ছাড়ে। একসময় এই বিলে প্রচুর মাছ ছিল। কিন্তু প্রতি বর্ষায় অবাধে পোনা ও মা মাছ নিধনের কারণে এ বিল মাছশূন্য হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় জেলেরা অবাধে এই মা মাছ শিকার করছে। তাঁরা রাতের বেলা মাছ শিকার করায় বিষয়টি প্রশাসনের নজরে পড়ছে না। রাতভর মাছ ধরে ভোরে তা আনা হচ্ছে বিভিন্ন মাছের আড়তে। চলনবিলের মান্নাননগর ও মহিষলুটিতে মাছের বড় বাজার বসে। চলনবিলের প্রায় সব মাছ এখানে বিক্রি হয়। পাইকারেরাও এ বাজার থেকে মাছ কিনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে সরবরাহ করেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আঃ মতিন জানান, ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রচুর পরিমাণে জাল জব্দ করে পোড়ানো হয়েছে। নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত আছে।

নিউজ ট্যাগ: মাছ শিকার

আরও খবর



ঈদুল আজহা: ট্রেনের ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শেষে এবার ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু করল বাংলাদেশ রেলওয়ে। সোমবার (১০ জুন) সকাল ৮টা থেকে রেলওয়ের ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। চলবে ১৪ জুন পর্যন্ত।

আজ বিক্রি হচ্ছে ২০ জুনের টিকিট, ২১ জুনের আসন বিক্রি হবে ১১ জুন; ২২ জুনের আসন বিক্রি হবে ১২ জুন; ২৩ জুনের আসন বিক্রি হবে ১৩ জুন এবং ২৪ জুনের আসন বিক্রি হবে ১৪ জুন। পশ্চিমাঞ্চলে চলাচল করার আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে পাওয়া যাচ্ছে। আর পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের আসন বেলা ২টা থেকে বিক্রি করা হবে।

যেভাবে কাটবেন টিকিট

এবারও বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট থেকে সহজেই টিকিট কাটতে পারবেন যাত্রীরা। এজন্য রেলওয়ের ওয়েবসাইটে একবার রেজিস্ট্রেশন করলেই হবে। আর যারা আগেই রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তারা সরাসরি লগইন করেই টিকিট কাটতে পারবেন।

যাদের আগে থেকে রেজিস্ট্রেশন করা নেই তারা বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে উপরের দিকে রেজিস্ট্রেশন লেখা অংশে ক্লিক করতে হবে। পরে রেজিস্ট্রেশন নামে নতুন একটি পেজ আসবে। সেখানে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য নির্ভুলভাবে দিতে হবে। এরপর মোবাইল নম্বরে একটি ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) চলে আসবে। সেটি সঠিকভাবে পূরণ করে ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করলেই সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাবে। পরে বাংলাদেশ রেলওয়ে নামে নতুন একটি পেজ আসবে। সেখানে ব্যবহারকারী স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগইন হয়ে যাবেন। এরপর টিকিট কাটতে পারবেন।

টিকিট কেনার জন্য প্রথমে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। কেউ স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগইন না হয়ে থাকলে ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। এরপর যে পেজ আসবে তাতে কাঙ্ক্ষিত ভ্রমণ তারিখ, যাত্রা শুরুর স্টেশন, গন্তব্য স্টেশন শ্রেণি পূরণ করে ফাইন্ড টিকিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। পরের পেজে ট্রেনের নাম, সিট খালি আছে নাকি নেই এবং ট্রেন ছাড়ার সময় দেখাবে। সেখান থেকে ট্রেন অনুযায়ী ভিউ সিটস বাটনে ক্লিক করে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে পছন্দের আসন নির্বাচন করে কন্টিনিউ পারচেজে ক্লিক করতে হবে।

পেমেন্টের ক্ষেত্রে ভিসা, মাস্টার কার্ড কিংবা বিকাশে পেমেন্ট করলে একটি ই-টিকিট অটো ডাউনলোড হবে। পাশাপাশি যাত্রীর ই-মেইলেও টিকিটের একটি কপি চলে যাবে। পরে ই-মেইলের ইনবক্স থেকে টিকিট প্রিন্ট করে ফটো আইডিসহ ই-টিকিট প্রদত্ত টিকিট প্রিন্ট দিয়ে সংশ্লিষ্ট সোর্স স্টেশন থেকে যাত্রার আগে ছাপানো টিকিট সংগ্রহ করা যাবে। তবে টিকিট প্রিন্ট না করলেও সমস্যা নেই, মোবাইল থেকে দেখালেও হবে।


আরও খবর



বাংলা‌দে‌শিদের জন্য ১২ ক্যাটাগরির ভিসা চালু কর‌ছে ওমান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আংশিকভাবে ভিসা চালু কর‌বে ওমান। দেশ‌টি ১২টি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা চালু কর‌তে পা‌রে।

স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ মে ) টাইমস অব ওমান এক প্রতি‌বেদ‌নে এ তথ্য জা‌নি‌য়ে‌ছে।

বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাব ওমানের চেয়ারম্যান সিরাজুল হককে উদ্ধৃতি দি‌য়ে প্রতি‌বেদ‌নে বলা হ‌য়ে‌ছে, ওমান সরকার ১২টি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা চালু করবে। ১২টি ক্যাটাগরির মধ্যে রয়েছে-ফ্যামিলি ভিসা, জিসিসি দেশে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিজিট ভিসা, চি‌কিৎসক ভিসা, প্রকৌশলী ভিসা, নার্স ভিসা, শিক্ষক ভিসা, হিসাবরক্ষক ভিসা, বিনিয়োগকারী ভিসা এবং সব ধরনের অফিসিয়াল ভিসা।

গত বছ‌রের ন‌ভেম্বর থে‌কে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ইস্যু স্থগিত ক‌রে ওমান। অবশ্য ভিসা নিষেধাজ্ঞার পর মাস্কাটে বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিবৃতিতে জা‌নি‌য়ে‌ছিল, ভিসা দান ব‌ন্ধের প্রক্রিয়া‌টি স্থায়ী নয়।

নিউজ ট্যাগ: ওমান

আরও খবর



লকেট-রচনার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, এগিয়ে যিনি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ইতোমধ্যে ভারতের ১৮তম লোকসভার নির্বাচনী কার্যক্রম শেষ। এবার চলছে ভোট গণনা। ভারতের লোকসভা নির্বাচনে প্রথমবার তৃণমূলপ্রার্থী হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি।

তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন হুগলি আসনে বিজেপি প্রার্থী ও অভিনেত্রী লকেট চ্যাটার্জি। রীতিমতো এই দুই তারকার মধ্যে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তবে নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কে আছেন এগিয়ে?

মঙ্গলবার (৪ জুন) ভোট গণনা চলছে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আপাতত ৩ লাখ ৮০ হাজার ৪৭ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন রচনা। অন্যদিকে ৩ হাজার ৪৫৬ ভোটের ব্যবধানে তার পরের অবস্থানে রয়েছেন লকেট চ্যাটার্জি।

শুধু তাই নয়, হুগলির অন্য দুই কেন্দ্র শ্রীরামপুর এবং আরামবাগেও এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরাই। আরামবাগে তৃণমূলের মিতালী বাগ ৬ হাজার ৩৪২ ভোট এবং শ্রীরামপুরে কল্যাণ ব্যানার্জি ১৩ হাহাজার ৬৯৫ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ভারতে গত ১৯ এপ্রিল ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে ১ জুন পর্যন্ত। যেহেতু বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের দেশ ভারত। তাই দেশটিতে মোট সাত দফায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। আজ শেষ হবে ভোট গণনা। লোকসভার মোট আসন ৫৪৩টি। মোট ভোটার সংখ্যা ৯৬ কোটি ৮৬ লাখ।


আরও খবর



ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

Image

পারিবারিক কলহে ১৪০টি ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন নেত্রকোনা মডেল থানায় কর্মরত এক পুলিশ সদস্য। নিহত ওই কনস্টেবলের নাম রুবেল মিয়া (২৮)।

রবিবার রাতে তিনি ওই থানার ব্যারাকে ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ময়মনসিংহে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সোমবার বিকেল ৫টার দিকে তিনি মারা যান।

রুবেল মিয়া ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার সহনাটি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের ছেলে।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো দায়িত্ব পালন শেষে তিনি রাত সাড়ে ৮টার দিকে থানার ম্যাসে খাবার খান। এরপর তিনি তার ফেসবুক আইডিতে দ্যা এন্ড লিখে স্ট্যাটাস দেন। এটি রাত ১২টার দিকে তার ছোট ভাই দেখতে পেয়ে ৯৯৯-এ কল করে জানান। এরপর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করে।

ঘটনা জানার পর নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশ তাকে প্রথমে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর তাকে ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সোমবার বিকেল ৫টার দিকে রুবেল মিয়া মারা যান।

তিনি নেত্রকোণা শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকায় তার স্ত্রী জেসমিন আক্তার ও দুই সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। গত সপ্তাহে স্ত্রী ও সন্তানরা বাড়িতে চলে যাওয়ার পর থানা ব্যারাকে থাকতেন।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, কনস্টেবল রুবেল মিয়া ৮ বছর ৬ মাস ২৯ দিন আগে পুলিশে যোগদান করে। নেত্রকোণা মডেল থানায় ১ বছর ৬ মাস আগে যোগদান করে। পারিবারিক কলহের কারণে সে অতিরিক্ত ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ময়মনসিংহে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর সঠিক পরিকল্পনায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা সম্ভব হয়েছে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মামুন হোসাইন, চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

Image

দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিবুর রহমান এমপি বলেছেন, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গোটা পৃথিবীতে রোল মডেল হিসেবে বাংলাদেশের সুনাম রয়েছে। এই সুনামকে সমুন্নত রেখে আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সঠিক পরিকল্পনায় দক্ষতার সাথে সর্বনিন্ম কম ক্ষয়ক্ষতির মধ্যদিয়ে রেমাল মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি।

বুধবার (২৯ মে) দুপুরে ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ভোলার উপকূলীয় এলাকা পরিদর্শন শেষে স্থানীয় টিবি স্কুল মাঠে চরফ্যাশন উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেছেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আজ আমি সাতক্ষীরা থেকে বাগেরহাট, বাগেরহাট থেকে খুলনা, খুলনা থেকে বরগুনা, পটুয়াখালী হয়ে ভোলা জেলার সব ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো দেখেছি। আমি দেখেছি, রেমালের আঘাতে আমাদের উপকূলের রেড়িবাধঁগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাগর পাড়ের মানুষের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘর বাড়ি হারিয়ে হাজার হাজার মানুষ খোলা আকাশের নিচে খেয়ে না খেয়ে কষ্ট করছে। সর্বত্র বিশুদ্ধ পানির অভাব বিরাজ করছে। দূর্গত মানুষের বিরাজমান এসব সমস্যা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী অবগত আছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ইতিমধ্যে রেমালের আঘাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নির্ধারণের জন্য সব মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী সপ্তাহে সকল মন্ত্রণালয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দূর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভার মধ্যদিয়ে সকল মন্ত্রণালয়কে সমন্বয় করে ঐক্যবদ্ধভাবে সমস্যা সমাধানে কাজ করা হবে।

ভোলা জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুল ইসলাম, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার মাহিদুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নওরীন হক অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।


আরও খবর