আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

বাবা হওয়ার পর কি বদল আসে পুরুষদের শরীরে

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ জুন ২০22 | ৪৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিশুর জন্মের পর মায়ের শরীর ও মনে নানা রকমের পরিবর্তন আসে। তা নিয়ে গবেষণাও হয় বিস্তর। যেহেতু মাতৃত্বের একটি বড় দিক মা ও সন্তানের স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত, তাই সেটা অস্বাভাবিকও নয়। কিন্তু বাবা হওয়ার পর পুরুষদের শরীরে কেমন পরিবর্তন আসে বা আদৌ আসে কি না, তা নিয়ে খুব বেশি গবেষণা হয় না।

সাম্প্রতিক কালে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কিছু গবেষণাও দেখাচ্ছে যে সত্যিই, পিতৃত্বের পর পুরুষদের দেহে কিছু কিছু বদল আসা অস্বাভাবিক নয়। নিশ্চিত ভাবে না বলতে পারলেও বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই বদলের পিছনে মূলত রয়েছে বিশেষ কিছু হরমোনের মাত্রার পরিবর্তন। বিশেষ করে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা নাকি অনেকটাই কমে বাবা হওয়ার পর। এই হরমোন পুরুষদের যৌনলক্ষণগুলিকে স্পষ্ট করে। বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ বলছেন, এই হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়া খারাপ নয়, বরং বাবা হিসেবে আরও ভাল হতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই হরমোন মানুষকে আগ্রাসী করে। ফলে হরমোনটির মাত্রা কিছুটা কমে গেলে মানুষ অপেক্ষাকৃত ভাবে ধীর, স্থির হয়ে ওঠে। সন্তানকে সামলাতে যে গুণটি অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি, এই হরমোন কমে গেলে অক্সিটোসিন নামক একটি হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেই হরমোনটিকে লাভ হরমোনও বলা হয়ে থাকে। এই হরমোনের প্রভাবে খুশি থাকে মন। সাম্প্রতিক কিছু গবেষণা বলছে, বাবারা যখন সন্তানের সঙ্গে খেলাধুলো করেন, তখন এই হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায় শরীরে।


আরও খবর
বিফ সাসলিক তৈরির রেসিপি

সোমবার ২৭ জুন ২০২২




ডেমরায় সিটি গ্রুপের প্লাস্টিক গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | ৬৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর ডেমরায় সিটি গ্রুপের প্লাস্টিক গোডাউনে লাগা আগুন দুই ঘণ্টা পরে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ১২টি ইউনিট একযোগে কাজ করে এ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

সোমবার (৩০ মে) রাত সোয়া ৯টার দিকে কোনাপাড়ায় সিটি গ্রুপের প্লাস্টিক গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

ফায়ার সার্ভিস সদরদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (মিডিয়া সেল) মো. শাহজাহান শিকদার জানান, প্লাস্টিক গোডাউনে রাত ৯টা ১২ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর রাত ৯টা ১৮ মিনিটে প্রথম ইউনিট গিয়ে আগুন নেভাতে কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকলে একে একে ১২টি ইউনিট যোগ দেয়। টানা দুই ঘণ্টা কাজ করে রাত ১১টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার কর্মীরা।

তবে তাৎক্ষণিক ভাবে আগুন লাগার কারণ, হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

নিউজ ট্যাগ: আগুন নিয়ন্ত্রণে

আরও খবর



আমেরিকার পর্যটন শিল্পে গাঁজা এবং এর উত্থান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | ৫০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বছর চল্লিশের একজন মেকাপ আর্টিস্ট আদ্রিয়েন। জন্ম নর্দার্ন জর্জিয়ায়, যেখানে গাঁজা আজও অবৈধ হিসেবে বিবেচিত। ২০১৮ সালে আদ্রিয়েন ও তার স্বামী যখন অবকাশ যাপনের জন্য পরিকল্পনা করছিলেন, ১৪ বছর বয়স থেকেই মারিজুয়ানাতে অভ্যস্ত আদ্রিয়েন তখন ক্যালিফোর্নিয়ায় যাওয়ার পরামর্শ দিলেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এত জায়গা থাকতে ক্যালিফোর্নিয়াই কেন? কারণ সেখানে বৈধভাবেই গাঁজা কেনা যায়।

সেদিনের স্মৃতিচারণ করে আদ্রিয়েন বলেন, আমি কখনোই ডিসপেন্সারিতে যাইনি। তাই আমি আগে পেশাদার কারো সাহায্য চাচ্ছিলাম, যার কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট সব তথ্য পাওয়া যাবে। অতএব এমারাল্ড ফার্ম ট্যুরস-এর কাছে বুকিং দিয়ে তাদের উপর ভ্রমণের দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন তিনি। সানফ্রান্সিসকোর থেকে পর্যটন পরিচালনা করা এই প্রতিষ্ঠানটি গাঁজার প্রতি আগ্রহী পর্যটকদের স্থানীয় ডিসপেন্সারিতে এবং সাগর উপকূলে ইনডোরে গাঁজা চাষের স্থানে নিয়ে যায়। সেদিন এমারাল্ড ফার্ম ট্যুরিজমের সাথে অর্ধদিবসের একটি ট্যুর, ঘরে বসেই নিজের পছন্দসই গাঁজা খাওয়া এবং হোটেল রুমসহ মোট ১৫০০ ডলার খরচ করেছিলেন আদ্রিয়েন। তবে আদ্রিয়েনের এই অবকাশযাপনকে 'ভ্যাকেশন' এর বদলে 'ক্যানা-কেশন' বলাই শ্রেয়! কারণ এখানে মূখ্য উদ্দেশ্যই ছিল গাজা। শুধু তাই নয়, কয়েক মাস পর আবারও একই প্রতিষ্ঠানের কাছে বুকিং দেন আদ্রিয়েন। তবে এবার বন্ধুবান্ধবসহ সান ফ্রান্সিসকো থেকে তিন ঘন্টা উত্তরে, মেন্ডোসিনোর এক গাঁজার খামারে সারাদিনের ভ্রমণ বুক করেন এই মেকাপ আর্টিস্ট।

তবে আদ্রিয়েনকে যে সবসময়ই গাঁজা খাওয়ার অন্য 'আমেরিকা'স বাড বাস্কেট' খ্যাত ক্যালিফোর্নিয়ায় যেতে হয়, তা কিন্তু নয়। ইতোমধ্যেই আমেরিকার ১৯টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডি.সি আমোদপ্রমোদের উদ্দেশ্যে গাঁজা সেবনকে বৈধতা দিয়েছে। চলতি বছরে আরো কয়েকটি রাজ্যের নাম এই তালিকায় যুক্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিভিন্ন রাজ্যে গাঁজা সংশ্লিষ্ট আইন : গাঁজা সেবনকে বৈধতা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পাশাপাশি গাঁজা নিয়ে সমাজের মানুষের উষ্মাও কমতে শুরু করেছে। চলতি মাসে পরিচালিত হ্যারিস পোল অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকানদের তিনভাগের প্রায় দুই ভাগেরও বেশি (৬৮%) এখন প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গাঁজা সেবনকে সমর্থন করে। এদের মধ্যে প্রতি এক হাজারের অর্ধেক মানুষই জানিয়েছেন, অবকাশযাপন-গন্তব্য খোঁজার ক্ষেত্রে আমোদপ্রমোদের উদ্দেশ্যে গাঁজা সেবনে বৈধতা দেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া, প্রতি ১০ হাজারে চারজনেরও বেশি মানুষ (৪৩%) জানিয়েছেন, তারা ছুটি কাটাতে এমন সব জায়গাই খোঁজেন যেখানে গাঁজা বৈধ।

এমারাল্ড ফার্ম ট্যুরস-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ভিক্টর পিনহো এই পুরো বিষয়টিকে 'গাঁজা পর্যটন' নামে আখ্যা দিয়েছেন। তার ভাষ্যে, এখনো পর্যন্ত আমেরিকার পর্যটন শিল্প ও পরিষদ 'গাঁজা পর্যটন'কে গুরুত্ব দিচ্ছে না বললেই চলে, অথচ এই বিশেষ ঘরানার পর্যটন শিল্পের মাধ্যমেই তাদের পকেটে আসছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার। পিনহো বলেন, "তারা পর্যটক এবং তারা এই গাঁজার দুনিয়ায় আসে টাকা খরচ করতে।" তিনি আরো ব্যাখ্যা করেন, এখানে ভ্রমণের সময় তার ক্রেতারা সাধারণত ডিসপেন্সারিতে ৩০০ থেকে ৪০০ ডলার খরচ করেনই। কিন্তু বর্ধনশীল এই গাঁজা পর্যটন শিল্প ভবিষ্যতে কতখানি বিস্তার লাভ করবে বা যুক্তরাষ্ট্রের ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের পর্যটন খাতে এর অর্থনৈতিক প্রভাব কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে বর্তমান ডেটা কিন্তু উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথাই বলছে। মহামারির আগে ২০২০ সালে দেশের অভ্যন্তরে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এমএমজিওয়াই ট্রাভেল ইন্টেলিজেন্স ইনসাইটস পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি পাঁচজনে একজন (১৮ শতাংশ) আমেরিকান পর্যটক অবকাশযাপকালে গাঁজা সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা নিতে আগ্রহী। এই জরিপ যখন ২১ বছরের উর্ধ্বে গাঁজা সেবনকারী প্রাপ্তবয়স্কদের (যাদের বার্ষিক আয় ৫০,০০০ ডলারের বেশি) মধ্যে করা হয়, তখন সংখ্যাটা এক লাফে ৬২ শতাংশে গিয়ে পৌঁছায়।

গাঁজাকে বৈধতা দেওয়ার ফলে অন্যান্য ব্যবসায়ও সমৃদ্ধি ঘটেছে। ২০২১ সালে বৈধভাবে ২৫ বিলিয়ন ডলার গাঁজা বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে ৪.৫ বিলিয়ন ডলারই ছিল পর্যটকদের পকেট থেকে আসা। এছাড়াও রেস্টুরেন্ট, হোটেল, পর্যটন কেন্দ্র, বিভিন্ন দোকান এবং রাজ্যের মিউনিসিপ্যালিটি করসহ পর্যটকেরা ব্যয় করেছে আরো ১২.৬ বিলিয়ন ডলার। কারণ খুচরা গাঁজা বিক্রেতাদের পেছনে খরচ করা প্রতিটি পয়সার একাধিক প্রভাব রয়েছে স্থানীয় অর্থনীতিতে, জানান হুইটনি ইকোনোমিকসের প্রধান অর্থনীতিবিদ বিউ হুইটনি, যিনি গাঁজার ব্যবসায়ে একজন কনসালটেন্টও বটে।

বেশিরভাগ পর্যটন গন্তব্যের ক্ষেত্রে গাঁজাই তাদের নিয়মিত আয়ের এমন একটি উৎস, যেখানে কোনোরকম প্রচারণাই চালাতে হচ্ছে না তাদের। কলোরাডোর কথাই ধরা যাক, সেখানে আমোদপ্রমোদের উদ্দেশ্যে গাঁজা সেবন-বিক্রি বৈধ করা হয়েছে প্রায় এক দশক আগে। গত বছর গাঁজা থেকে তাদের আয় ৪২৩ মিলিয়ন ডলার। কলোরাডো পর্যটন কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে গাঁজা সেবন সংক্রান্ত সুরক্ষা টিপস, আইনি নির্দেশিকা এবং অন্যান্য ব্যবহারিক উপদেশও দেওয়া আছে। কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা মেইলের মাধ্যমে জানান, গাঁজা আমাদের পর্যটনের সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি নয়, সে তুলনায় আউটডোর বিনোদনের ব্যবস্থা থেকে বেশি আয় হয়।

এদিকে কলোরাডো গাঁজার মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে পর্যটক আকর্ষণের চেষ্টা না করলেও, অন্যান্য রাজ্যের উদ্যোক্তারা কিন্তু করছেন। খুব শীঘ্রই ডেনভারের প্যাটারসন ইন নামক নয় বেডরুমের হোটেলটি শহরের প্রথম লাইসেন্সধারী গাঁজা সেবন লাউঞ্জ নির্মাণ করতে যাচ্ছে। হোটেলের মালিক ক্রিস কিয়ারি জানান, ১১০০ বর্গফুটের এই লাউঞ্জের নাম হবে '৪২০ স্যুইট' এবং বছরের শেষদিকে তা গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে আরো কিছু ভ্রমণ গন্তব্যও 'গাঁজা পর্যটন'কে গ্রহণ করতে শুরু করেছে। ক্যানাবিস ট্রাভেল এসোসিয়েশন ইন্টারন্যাশনাল- এর প্রতিষ্ঠাতা ব্রায়ান অ্যাপলগার্থ বলেন, পর্যটন শিল্পের নেতাদের সংকীর্ণতার তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটকদের গাঁজার সাথে সংশ্লিষ্টতা অনেক বেশি স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা হচ্ছে এখন। ক্যালিফোর্নিয়ার সেন্ট্রাল ভ্যালির একটি পর্যটন তথ্য কেন্দ্র, ভিজিট মডেস্টো'র সিইও টড অ্যারনসনও তার কথার সাথে একমত। তিনি বলেন, কুকুরপ্রেমীরা গাঁজা সেবন করে। যারা ফুডি বা অনেক খেতে ভালোবাসে, তারাও গাঁজা সেবন করে। তাই সাধারণ পর্যটক ও 'ক্যানাবিস ট্রাভেলার' বা গাঁজা পর্যটকের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

গত বছর মডেস্টো অ্যাপলগার্থের প্রতিষ্ঠিত গাঁজা পর্যটন ফার্ম 'কাল্টিভার' এর সাথে অংশীদার হয়েছে। তারা দুজনে মিলে পাসপোর্ট ধরনের একটি প্রোগ্রাম চালু করেন, যার নাম 'মো টাউন ক্যানাপাস'। এই প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে, পাসপোর্টধারী পর্যটকেরা ওই অঞ্চলের রেস্টুরেন্ট, খুচরা গাঁজা বিক্রেতাসহ গাঁজা সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকান্ডে অংশ নিতে পারবেন এবং এই সবকিছুই হবে বৈধ প্রক্রিয়ায়। অ্যারনসনের মতে, একটা মদের বারে গিয়ে মানুষ যেভাবে উপভোগ করে, তারাও এখানে সেভাবেই গাঁজা সেবনের সুযোগ করে দিচ্ছেন। এখানে সবাইকে সমান দৃষ্টিতে দেখা হয়, প্রতিটি পর্যটককেই স্বাগত জানানো হয়। মো টাউন ক্যানাপাস স্থানীয় খুচরা গাঁজা বিক্রেতাদের ব্যবসায়ে তাৎক্ষণিকভাবে ১১ শতাংশ লাভের কারণ হয়েছে। তাই এ সিদ্ধান্ত নিয়ে তার কোনো অনুশোচনা নেই, বরং এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখছেন তিনি।


আরও খবর



এ বছর জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | ৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা হবে না বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। রোববার (০৫ জুন) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান। করোনা সংক্রমণের কারণে গত দুই বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চলতি বছর জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এখন আর এ পরীক্ষা নেওয়ার সময় ও প্রয়োজন নেই। সে কারণে এবার ক্লাস মূল্যায়নের মাধ্যমে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সনদ দেওয়া হবে।

তিনি জানান, নতুন কারিকুলামে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা থাকছে না। ২০২৩ সালে এ পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন দেখছি না। তাই বলা যায়, আর ৮ম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষা নেওয়া হবে না। তবে সরকার নতুন করে কোনো পরিবর্তন আনলে সেটি আগে থেকে বলা যায় না। নতুন আর এ পরীক্ষা নেওয়ার কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই।

এ সময় আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন ডা. দীপু মনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্তির ঘোষণাটি আসার কথা ছিল গত মার্চে। এরপর বলা হয় মে মাসে আসবে। অবশেষে জুন মাসের শুরুতে এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী।


আরও খবর



ঈদ উপলক্ষে নতুন নোট বিনিময় শুরু ২৯ জুন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গ্রাহকদের আগ্রহের কথা মাথায় রেখে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে বাজারে নতুন নোট ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ২৯ জুন থেকে ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা হতে এ নতুন নোট সংগ্রহ করতে পারবেন গ্রাহকরা। তবে একই ব্যক্তি একাধিকবার নতুন নোট গ্রহণ করতে পারবেন না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে আগামী ২৯ জুন হতে ৭ জুলাই পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) ঢাকা অঞ্চলের বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংকের শাখাসমূহের মাধ্যমে ১০, ২০, ও ১০০ টাকা মূল্যমানের নতুন নোট বিশেষ ব্যবস্থায় বিনিময় করা হবে। একই ব্যক্তি একাধিকবার নতুন নোট গ্রহণ করতে পারবেন না। তবে নোট উত্তোলনকালে কেউ ইচ্ছা করলে কাউন্টার থেকে মূল্যমান নির্বিশেষে যে কোনো পরিমাণ ধাতব মুদ্রা গ্রহণ করতে পারবেন।

যেসব ব্যাংক ও শাখায় পাওয়া যাবে নতুন নোট-

এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, যাত্রাবাড়ী শাখা, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, আব্দুল গণি রোড কর্পোরেট শাখা, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, জাতীয় প্রেস ক্লাব কর্পোরেট শাখা, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, মিরপুর শাখা, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, কারওয়ান বাজার শাখা, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, বসুন্ধরা সিটি (পান্থপথ) শাখা, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, চকবাজার শাখা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, রমনা কর্পোরেট শাখা, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা শাখা।

আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড, গুলশান শাখা, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, মহাখালী শাখা, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, মোহাম্মদপুর শাখা, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, রাজারবাগ শাখা, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, সদরঘাট শাখা, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, কাকরাইল শাখা, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, বাসাবো শাখা, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, শ্যামলী শাখা, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, এসএমই অ্যান্ড এগ্রিকালচার শাখা, দক্ষিণখান, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, বনানী-১১ শাখা, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, ধানমন্ডি শাখা, দি সিটি ব্যাংক লিমিটেড, বেগম রোকেয়া সরণী শাখা।

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, নন্দীপাড়া শাখা, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, এ্যালিফেন্ট রোড শাখা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, জাতীয় সংসদ ভবন শাখা, এবি ব্যাংক লিমিটেড, প্রগতি সরণী শাখা, আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড, শাহজালাল এভিনিইউ শাখা, উত্তরা, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, বসুন্ধরা শাখা, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, রামপুরা টিভি শাখা, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, কচুক্ষেত কর্পোরেট শাখা, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখা, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, বনানী শাখা।

ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, নিউমার্কেট শাখা, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, স্থানীয় কার্যালয়, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, নারায়ণগঞ্জ শাখা, নারায়ণগঞ্জ, এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড, শিমরাইল শাখা, নারায়ণগঞ্জ, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, গাজীপুর চৌরাস্তা শাখা, গাজীপুর, ইউসিবিএল, গাজীপুর চৌরাস্তা শাখা, গাজীপুর, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, সাভার শাখা, সাভার, মিউচ্যুয়াল ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটেড, সাভার শাখা, সাভার এবং ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, কেরানীগঞ্জ শাখা, কেরানীগঞ্জ।


আরও খবর



বাংলাদেশকে সর্বনিম্ন দামে গম সরবরাহের প্রস্তাব ভারতীয় কোম্পানির

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরকারিভাবে গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও গত ২৩ মে বিশেষ শর্তে চলতি বছর বাংলাদেশে ৬ লাখ টন গম রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে ভারতের সরকার। এবার বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সর্বনিম্ন দামে গম কিনে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ভারতভিত্তিক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান বাগাদিয়া ব্রাদার্স। বাংলাদেশের সরকার অবশ্য এখন পর্যন্ত এই প্রস্তাবটি বিবেচনায় রেখেছে। তবে সরকারের একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে বাগাদিয়া ব্রাদার্সের প্রস্তাবের পর এ বিষয়ে প্রায় চূড়ান্ত হয়ে যাওয়া পূর্ববর্তী একটি প্রস্তাব বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ৫০ হাজার টন গম কিনতে আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করেছিল বাংলাদেশের সরকার। এই টেন্ডারের বিপরীতে গত সপ্তাহে একটি দেশীয় কোম্পানি প্রতি টন ৫৪৮ দশমিক ৩৮ ডলার দরে এই গম সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছিল সরকারকে। এই দরের মধ্যে পরিবহন ব্যয় এবং বন্দরে গমের চালান খালাসের খরচও অন্তর্ভুক্ত ছিল। সোমবার, চলতি সপ্তাহে বাগাদিয়া ব্রাদার্স ও সিঙ্গাপুরভিত্তিক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এগ্রোকর্পের প্রস্তাবের আগ পর্যন্ত দেশীয় ওই প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবটিই ছিল সর্বনিম্ন দরের উল্লেখ করে বাংলাদেশ সরকারের শস্য ক্রয় কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাগাদিয়া ব্রাদার্স প্রতি টন গম ৪৬৪ দশমিক ৫৫ ডলারে বাংলাদেশে সরবরাহ করার প্রস্তাব দিয়েছে। এই দরের মধ্যে পণ্য পরিবহন ও বন্দরে মাল খালাসের খরচও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আর নিজেদের প্রস্তাবনায় এগ্রোকর্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গম পরিবহন ও বন্দরে তা খালাসের খরচসহ টন প্রতি ৪৬৫ দশমিক ৩৮ ডলার দরে বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন গম সরবরাহ করতে পারবে কোম্পানি।

অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে বিশ্বের বহু দেশের মতো বাংলাদেশও গম আমদানি করে। তবে ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে গমের সরবরাহ আসা প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে হু হু করে বাড়তে থাকে গমের দাম। এতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও বিপাকে পড়ে। গমের দাম কী পরিমাণ বেড়েছে, বাংলাদেশ সরকারের সর্বশেষ গম আমদানির রেকর্ডে তার আঁচ পাওয়া যায়। সরকারি রেকর্ড বলছে, সর্বশেষ গত ১১ এপ্রিল গম আমদানি করা হয়েছিল। সে সময় পরিবহন ও বন্দরে পন্য খালাসের খরচসহ প্রতি টন গম বাবদ ব্যয় হয়েছিল ৩৯৯ দশমিক ১৯ ডলার।

এদিকে, গমের দাম বৃদ্ধি এবং কৃষ্ণ সাগর অঞ্চল থেকে সরবরাহে ধস নামায় গম রপ্তানির জন্য চাপ বাড়তে থাকে ভারতের ওপর। গম উৎপাদনে বিশ্বের দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে আছে চীন, তারপরই ভারতের অবস্থান; কিন্তু বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা মিটিয়ে প্রতি বছর খুব অল্প পরিমাণ গম রপ্তানি করতে পারে দেশটি। গত মার্চে তীব্র দাবদাহের ফলে চলতি মৌসুমে ভারতে গমের ফলন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি, দেশটিতে বিপজ্জনক হারে বাড়ছে মুদ্রাস্ফীতি। এ কারণে অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে গত ১৩ মে গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত সরকার।

এদিকে, এ নিষেধাজ্ঞায় উদ্বেগে পড়ে বাংলাদেশ। কারণ, গমের জন্য দেশটি প্রায় পুরোপুরি ভারতের ওপর নির্ভরশীল। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে সাত লাখ টন গম আমদানি করেছিল বাংলাদেশ সরকার। তার মধ্যে ৬৫ শতাংশই আমদানি করা হয়েছিল ভারত থেকে। এ পরিস্থিতিতে ভারতের সরকার গত ১৭ নিষেধাজ্ঞা খানিকটা শিথিল করে। দেশটির বাণিজ্যিক কর্মকর্তারা গত ২৩ মে জানিয়েছেন, চলতি বছর বাংলাদেশে ৬ লাখ টন গম পাঠাবে ভারত। বাংলাদেশ সরকারের সাম্প্রতিক টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী, চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করার ৪০ দিনের মধ্যে গমের চালান পাঠাতে হবে বাংলাদেশের বন্দরে। চট্টগ্রাম কিংবা মোংলা যে কোনো বন্দরেই পাঠানো যাবে গমের চালান। ইসরায়েল ছাড়া বিশ্বের যে কোনো অঞ্চলের গম বাংলাদেশ গ্রহণ করবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে টেন্ডারের চুক্তিপত্রে।

নিউজ ট্যাগ: গম

আরও খবর