আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

আজ শুরু হচ্ছে পাঁচ জাতির ব্রিকস সম্মেলন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক প্রভাব এবং ভূরাজনৈতিক বড় পরিবর্তনের মধ্যেই আজ বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে পাঁচ জাতির অর্থনৈতিক জোট ব্রিকসের সম্মেলন। বড় কোনো প্রত্যাশা বা ধুমধাম ছাড়াই ভার্চুয়ালি শুরু হচ্ছে এ সম্মেলন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, টানা তৃতীয় বারের মতো ভার্চুয়ালি বসছে এ সম্মেলন। করোনা মহামারির কারণে গত দুবছর ভার্চুয়ালি সম্মেলনটি হয়েছিল। তবে এ বছরও কেন সরাসরি সম্মেলন না করে ভার্চুয়ালি করা হচ্ছে তা পরিষ্কার নয়।

ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকাএ পাঁচ দেশের নামের আদ্যক্ষর নিয়ে ব্রিকস নামের এ জোট গঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যকার কৌশলগত নিরাপত্তা জোট কোয়াড-এর বিপরীত জোট হিসেবে ব্রিকসকে বিবেচনা করা হয়।

গত মাসে জাপানে কোয়াডের সম্মেলন হয়েছে এবং বিশ্বের প্রধান সংবাদমাধ্যমগুলোর চোখ ছিল সম্মেলনের দিকে। সে তুলনায় ব্রিকসের সম্মেলন নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা নেই।

এ ব্যাপারে কয়েক জন বিশ্লেষক বলেছেন, বছরের পরিক্রমায় ব্রিকস যে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি, সম্মেলনে ধুমধাম না থাকা তারই প্রমাণ যেন। ২০০৯ সালে যখন এ জোট তৈরি হয়, তখন প্রত্যাশা ছিলএটি বিশ্ব অর্থনীতিকে নতুন আকার দেবে বা ঢেলে সাজাবে এবং উন্নয়নশীল বিশ্বকে সাহায্যে জোটটি নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি করবে। এখন পর্যন্ত এর সাফল্য মধ্যপন্থি বলা যেতে পারে, তবে এর গুরুত্ব খুব বেশি নেই।

ব্রিকসের অন্তর্ভুক্ত পাঁচ দেশের মোট জনসংখ্যা ৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন এবং দেশগুলোর মোট জিডিপি ২৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের চেয়ে বেশি।


আরও খবর



ফিফা র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে ব্রাজিল, উন্নতি হচ্ছে আর্জেন্টিনার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি মাসে ইতালির বিপক্ষে ফিনালিসিমায় দাপুটে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। এরপর আরেক ইউরোপীয় দল এস্তোনিয়াকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। এমন পারফর্ম্যান্সের পর বিশ্বকাপের জোর দাবিদাররূপেই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন লিওনেল মেসিরা। চলতি মাসের দুই ম্যাচে এমন পারফর্ম্যান্সের ফলে র‍্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হচ্ছে আকাশী-সাদাদের। যদিও নিজেদের দুই ম্যাচে জয় নিয়ে ব্রাজিল থাকছে র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষেই।

শেষ তিন বছর ধরে আর্জেন্টিনা ম্যাচ হারছে না। সবশেষ হারটা এসেছিল ২০১৯ কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে, ব্রাজিলের কাছে। এরপর থেকেই আর্জেন্টিনা রীতিমতো অপ্রতিরোধ্য। ৩৩ ম্যাচ ধরে অপরাজিত আছে লিওনেল স্ক্যালোনির দল। যার সবশেষ দুই ম্যাচ দলটি খেলেছে চলতি মাসে।

ইউরোজয়ী ইতালির বিপক্ষে ফিনালিসিমায় জয় পেয়েছে ৩-০ ব্যবধানে। মেসি গোল না পেলেও লাওতারো মার্টিনেজ, আনহেল ডি মারিয়া আর পাওলো দিবালার গোলে দারুণ এই জয় তুলে নেয় স্ক্যালোনির দল। এর পরের ম্যাচে এস্তোনিয়ার বিপক্ষে স্পেনের মাটিতে আর্জেন্টিনা ছিল আরও অপ্রতিরোধ্য। লিওনেল মেসি একাই করেছিলেন ৫ গোল।

ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে এমন পারফর্ম্যান্সের ফলে বিশ্বকাপের হট ফেভারিট হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে নিয়েছে মেসির দল। এই দুই পারফর্ম্যান্সের ফলে র‍্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনার। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে তালিকার শীর্ষ তিনে উঠে আসছে দলটি।

চলতি বছরের দ্বিতীয় ফিফা র‍্যাঙ্কিং ঘোষণা করা হবে আগামী সপ্তাহে। তার অনেক আগেই আর্জেন্টাইন সংবাদ মাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস হিসেব কষে বের করেছে আর্জেন্টিনার উন্নতির খবর।

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বর্তমানে আর্জেন্টিনার অবস্থান চারে। তাদের আগে আছে ব্রাজিল, বেলজিয়াম ও ফ্রান্স। আসছে সপ্তাহে ফ্রান্সকে পেছনে ফেলবেন মেসিরা, যাদের বিপক্ষে ২০১৮ বিশ্বকাপে বিদায়ঘণ্টা বেজেছিল তাদের।

চলতি উয়েফা নেশন্স লিগে খুবই বাজে সময় কাটছে কিলিয়ান এমবাপে-কারিম বেনজেমাদের। চলতি মাসে চার ম্যাচ খেলে জিততে পারেনি একটি ম্যাচেও। ওদিকে আর্জেন্টিনা জিতেছে নিজেদের দুই ম্যাচেই। দুয়ের মিশেলে র‍্যাঙ্কিংয়ে অবনমন ঘটছে ফ্রান্সের।

তবে বেলজিয়াম থাকবে দুই নম্বর অবস্থানেই। নেদারল্যান্ডসের কাছে হার আর ওয়েলশের সঙ্গে ড্র করা দলটি পোল্যান্ডের বিপক্ষে জিতেছে দুই ম্যাচে। সে কারণেই দুইয়ে টিকে যাচ্ছে দলটি।

ব্রাজিল নিজেদের দুই ম্যাচের দুটোতেই জিতেছে। নেইমারের জোড়া পেনাল্টি আর রিচার্লিসন, কৌতিনিও, গ্যাব্রিয়েল জেসুসের লক্ষ্যভেদে দক্ষিণ কোরিয়াকে ৫-১ গোলে হারায় দলটি। এর পরের ম্যাচে নেইমারের একমাত্র পেনাল্টিতে জাপানকে ১-০ গোলে হারিয়েছে সেলেসাওরা। ফলে শীর্ষস্থান নিশ্চিত তাদের।


আরও খবর



অফিসার পদে চাকরি দেবে মেঘনা গ্রুপ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ জুন 2০২2 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০২ জুন 2০২2 | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজে (এমজিআই) অফিসার/সিনিয়র অফিসার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৮ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)

বিভাগের নাম: সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং (ইউনাইটেড ফিডস লিমিটেড)

পদের নাম: অফিসার/সিনিয়র অফিসার

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক

অভিজ্ঞতা: ০২ বছর

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ

বয়স: নির্ধারিত নয়

কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৮ জুন ২০২২

নিউজ ট্যাগ: চাকরির খবর

আরও খবর



কৃষিতে ভর্তুকি দেওয়া ‘বন্ধ করতে চান’ পরিকল্পনামন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ জুন ২০২২ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কৃষিতে ভর্তুকি দেওয়া থেকে সরে আসা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেছেন, আমি কৃষকের সন্তান। আমিও নিজে কৃষক ছিলাম, আমার পাড়া-প্রতিবেশীরাও কৃষিক। তবে ধীরে ধীরে কৃষিতে ভর্তুকি দেওয়া থেকে সরে আসা উচিত। কারণ গ্রামের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। গ্রামের বাড়ি ঘরের রূপ পরিবর্তন হয়েছে, ছেলে-মেয়ে পড়াশুনা করছে। সবাই ভালো আছেন। কিন্তু বৈশ্বিকভাবে সারের দাম বাড়ছে।

আজ শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সিএ ভবনে আসন্ন বাজেট উপলক্ষে ক্ষুদ্র অর্থনীতি, প্রত্যাশা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আলোচনায় এ কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, কৃষি ভর্তুকি খাদ্য নিরাপত্তার জন্য দেওয়া হয়। শ্রীলঙ্কাও অর্গানিক কৃষিতে গিয়েছিল, তারা ফেল করেছে। তাই কৃষিকে সবসময় আমরা গুরুত্ব দিয়ে থাকি।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আমরা অপচয় রোধ করতে কাজ করছি। মাঝে মাঝে আয়েশি ভাব করেছিলাম। এটার রাশ টানতে হবে। ১ হাজার  ৮০০ প্রকল্পের তালিকা আছে। এগুলোর গুরুত্ব অনুসারে সাজানো হবে। কোনটা আগে প্রয়োজন কোনটা পরে প্রয়োজন সেটা বের করতে হবে।

প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে প্রণোদনা দেওয়া প্রসঙ্গে এম এ মান্নান বলেন, রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাসীরা দেশে খায় না, দেশে থাকেন না অথচ নিট আয় দেয়। তবে ঢালাওভাবে দুই শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ার পক্ষে আমি নেই। যারা মাসে ২০০ থেকে ৩০০ ডলার রেমিট্যান্স পাঠায় তাদের প্রণোদনা দেওয়ার পক্ষে।

যৌথভাবে গোলটেবিল বৈঠকটি আয়োজন করে দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)।এতে স্বাগত বক্তব্য দেন আইসিএবির সভাপতি মো. শাহাদাৎ হোসেন ও ইআরএফর সভাপতি শারমীন রিনভী।

গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআরআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর, ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক (ডিজি) ড. বিনায়ক সেন, মেট্রোপলিট্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম। 


আরও খবর



ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করতে পারে রাশিয়া

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | ২৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলমান ইউক্রেন সংকটে পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব জোরদার করছে রাশিয়া। এ ধারাবাহিকতায় দেশটি ইউরোপের বাজারে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরিভাবে বন্ধ করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) এ তথ্য জানিয়েছে। এক্ষেত্রে ইউরোপকে এখন থেকেই বিকল্প উৎস থেকে চাহিদা মেটানোর প্রস্তুতি নিতে হবে বলে সতর্ক করেছেন সংস্থাটির কর্তব্যক্তিরা।

আইইএর নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল এক বিবৃতিতে বলেন, রাশিয়া অব্যাহত কোনো না কোনো ইস্যু খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। দেশটি ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ আরো কমিয়ে আনার নানা অজুহাত বের করছে। এক্ষেত্রে সরবরাহ পুরোপুরিভাবে বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্তও নিতে পারে মস্কো। শীত মৌসুমের মাসগুলোয় ঊর্ধ্বমুখী চাহিদাকে সামনে রেখে পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে গ্যাসকে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে রাশিয়া। সম্প্রতি ইউরোপের কয়েকটি দেশে বন্ধ করে দেয়া সরবরাহ সেদিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ যেকোনো সিদ্ধান্তের জন্য ইউরোপকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এরই মধ্যে রাশিয়ান জ্বালানি তেল ও কয়লার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তবে ব্লকটি এখনো রুশ প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি। কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়ন মস্কোর প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ইইউ ক্লাইমেট পলিসি চিফ ফ্রান্স টিমারম্যানস বলেন, রাশিয়া সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ায় এক ডজনেরও বেশি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ বিপাকে পড়েছে।

রাশিয়া গত সপ্তাহে নর্ড স্ট্রিম ১ পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রবাহ সক্ষমতার ৪০ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। এক্ষেত্রে উপকরণজনিত সমস্যার অজুহাত দেখিয়েছে দেশটি। ফলে এরই মধ্যে পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ডে সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। দেশগুলো রাশিয়ার নতুন পেমেন্ট স্কিম মানতে অস্বীকৃতি জানানোর পরই সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় রাশিয়া। টিমারম্যানস বলেন, পুরোপুরিভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বর্তমানে অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

পশ্চিমা দেশগুলো বলছে, রাশিয়া বর্তমানে তাদের জ্বালানি শক্তি ও সরবরাহকে পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে মস্কো। ইউক্রেন সংকটের আগে ইউরোপে আমদানীকৃত গ্যাসের ৪০ শতাংশই আসত রাশিয়া থেকে। কিন্তু রাশিয়ান সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়া ও গ্যাসের আকাশচুম্বী দামের প্রভাবে বেশ কয়েকটি দেশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার বাড়িয়েছে। যদিও সেসব দেশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এটি সাময়িক এবং জলবায়ু পরিবর্তন রোধের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এটি খুব বেশি বাধা সৃষ্টি করবে না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ ৫৫ শতাংশে নেমেছে। মজুদ পরিপূর্ণ করতে হিমশিম খাচ্ছে অঞ্চলটির জ্বালানি কোম্পানিগুলো। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়া পুরোপুরিভাবে সরবরাহ বন্ধ করে দিলে পরিস্থিতি আরো জটিল আকার ধারণ করবে। শীত মৌসুমের আগেই নতুন কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে ঊর্ধ্বমুখী চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ হবে অঞ্চলটি। গত মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি জরুরি আইন প্রণয়ন করে। এতে ১ নভেম্বরের মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ ৮০ শতাংশে উন্নীত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: রাশিয়া

আরও খবর



বিশ্ব বাবা দিবস আজ

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্ববাসী বাবা দিবস হিসেবে পালন করে। বাবার সঙ্গে স‍ুন্দর সময় কাটানোসহ নানা উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয় দিনটি। কিন্তু কোথা থেকে বা কবে থেকে বাবা দিবস পালনের সূচনা, তা আমাদের অনেকেরই অজানা।

হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর আজ পড়েছে বাবা দিবস। বিশ্বের কয়েকটি দেশ ভিন্ন মাসের কয়েকটি ভিন্ন তারিখে বাবা দিবস পালন করলেও, একটি বিশাল অংশ যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, চিলি, কলাম্বিয়া, কোস্টারিকা, কিউবা, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স, গ্রিস, হংকং, ভারত, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, জাপান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ড, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলংকা, সুইজারল্যান্ড, বাংলাদেশ, ভেনিজুয়েলা ও জিম্বাবুয়েসহ আরও কিছু দেশে জুনের তৃতীয় রোববার এ বিশেষ দিনটি পালিত হয়।

গ্রেস গোল্ডেন ক্লেটন প্রথম ব্যক্তি যিনি বাবা দিবসের প্রচলন শুরু করেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টবাসী গ্রেস প্রথম বাবা দিবস পালনের জন্য আবেদন করেছিলেন।

১৯০৭ সালের ডিসেম্বর। ভার্জিনিয়ার মোনোনগাহ্‌য় ভয়াবহ খনি বিস্ফোরণে প্রাণ হারান ৩৬০ জন পুরুষ। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিলেন সন্তানের বাবা। ফলে প্রায় এক হাজার শিশু পিতৃহারা হয়ে পড়ে। এ বিষয়টি গ্রেস গোল্ডেন ক্লেটনকে পীড়া দেয়।

তিনি স্থানীয় মেথোডিস্ট গির্জার যাজককে শহীদ বাবাদের সম্মানে ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই রোববার বাবা দিবস হিসেবে উৎসর্গ করার অনুরোধ করেন। ৫ জুলাইকে বাবা দিবস করার দাবি জানানোর কারণ, এটি ছিল গ্রেসের মৃত বাবার জন্মদিন।

এরপর ১৯৮৫ সালে রাষ্ট্রপক্ষ একটি ঐতিহাসিক ফলক স্থাপনের মাধ্যমে ফেয়ারমন্টকে বাবা দিবসের জন্মস্থান হিসেবে ঘোষণা দেয়। এরপর থেকে প্রতি বাবা দিবসে গির্জায় বাবা দিবসের মাহাত্ম বর্ণনা করা হতো।

বাবা দিবসকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিতে রয়েছে আরেক নারীর অগ্রণী ভূমিকা। ১৯০৯ সালের আগে ওয়াশিংটনে বাবা দিবস বলে কোন বিশেষ দিন ছিল না। সে সময় স্থানীয় গির্জায় সোনোরা স্মার্ট নামে ওয়াশিংটনবাসী এক নারী মা দিবস পালনের কথা শোনেন। মা দিবস পালনের রীতি রয়েছে কিন্তু বাবা দিবস পালনের রীতি নেই জেনে তিনি ভীষণ অবাক হন। তাই বাবা দিবস পালনের আবেদন জানিয়ে তিনি স্থানীয় ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং সে বছরের ৫ জুন নিজ বাবার জন্মদিনের দিন বাবা দিবস ধার্য করার অনুমতি চান। তবে হাতে কম সময় থাকায় ওই বছরের ১৯ জুন প্রথম এ অঙ্গরাজ্যে বাবা দিবস পালন করা হয়।

সোনোরা তার বাবা উইলিয়াম স্মার্টকে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাতেই এ দিনের সূচনা করেন। গৃহযুদ্ধ চলকালীন উইলিয়াম স্মার্ট ছিলেন একজন সৈনিক। ষষ্ঠ সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় তার স্ত্রী মারা যান। এরপর শত দুঃখ-কষ্টের মধ্যে থেকেও ছয় সন্তানকে একাই লালন-পালন করেন উইলিয়াম।

পরে, ১৯১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সংসদে বাবা দিবসকে ছুটির দিন করার একটি বিল তুলে ধরা হয়। ১৯১৬ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন বিলটি অনুমোদন করেন ও তার সাতবছর পর ১৯২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০তম প্রেসিডেন্ট কেলভিন ক্যুলিজ বাবা দিবসকে জাতীয় দিবসের মর্যাদা দেন।

সবশেষে ১৯৬৬ সালে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসন রাষ্ট্রীয়ভাবে জুনের তৃতীয় রোববার বাবা দিবস বলে ঘোষণা দেন। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বিশ্বের সব বাবাদের সম্মানে পালিত হয়ে আসছে বাবা দিবস। বাবা দিবসে বিশ্বের সব বাবার প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।


আরও খবর