আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

১২ বছর পর বড় পর্দায় শর্মিলা ঠাকুর

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৩৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আশির দশকে বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর। ২০১০ সালে ব্রেক কী বাদ সিনেমায় শেষবার বড় পর্দায় দেখা গিয়েছিল তাকে। দীর্ঘ ১২ বছর পর আবারও অভিনয়ে ফিরছেন তিনি। পরিচালক রাহুল চিট্টেলার গুলমোহর সিনেমা দিয়ে। ছবিতে অমল পালেকর, মনোজ বাজপেয়ীদের সঙ্গে পর্দায় অভিনয় করতে দেখা যাবে শর্মিলাকে। ছবিতে আরও অভিনয় করছেন লাইফ অফ পাই খ্যাত সূরজ শর্মা ও সিমরন ঋষি বাগ্গা।

ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে ছবির শুটিং। রূপালি পর্দায় কামব্যাক করা নিয়ে অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর বলেছেন, অনেক দিন পর অভিনয়ে ফিরলাম। সিনেমাটির চিত্রনাট্য শুনেই অভিনয় করতে রাজি হয়ে গিয়েছিলাম। একটি পরিবারের গল্প। এত সুন্দর করে গল্প বলা হয়েছে যে আমি আর দ্বিতীয়বার ভাবিনি। একসঙ্গে বসে এ সিনেমা দেখতে খুবই ভালো লাগবে দর্শকের।

পারিবারিক সিনেমা গুলমোহর। বাত্রা পরিবারের গল্প উঠে আসবে এই সিনেমাতে। ৩৪ বছরের পুরোনো বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যাবে গোটা বাত্রা পরিবার। এরপরই একান্নবর্তী পরিবারের পুরোনো সেই কথা নিজের ভাবনা দিয়ে পর্দায় ফুটিয়ে তুলবেন পরিচালক রাহুল চিট্টেলা। পরিবারের সদস্যরা পরস্পরের সঙ্গে নতুনভাবে সংযোগ স্থাপন করছেন। তারই মধ্যে ফাঁস হবে অনেক গোপন তথ্য।

লম্বা ব্রেকের পর এই ধরনের পারিবারিক ছবিতে কাজ করতে পেরে খুশি শর্মিলা ঠাকুরও। রাহুল চিট্টেলা পরিচালিত এই ছবির যৌথ প্রযোজনা করছে ফক্স স্টার স্টুডিওজ ও চকবোর্ড এন্টারটেইনমেন্ট অ্যান্ড অটোনমাস ওয়ার্কস। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের আগস্টে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে গুলমোহর-এর।

নিউজ ট্যাগ: শর্মিলা ঠাকুর

আরও খবর



নানাবাড়ির উদ্দেশে বের হয়ে কমলনগরে চার বোন নিখোঁজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে নানার বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হওয়ার ১৬ ঘন্টাতেও ঘরে ফেরেনি ৪ বোন। তারা হলেন জোবায়দা আক্তার (১২), সিমু আক্তার (১৪), মিতু আক্তার (১২) ও সামিয়া আক্তার নিহা (১৩)। সম্ভাব্য সকল জায়গায় খুঁজেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরিবার জানায়, শনিবার (৭ মে) সকাল ৮ টার দিকে তারা উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরবসু গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়। কোথাও খুঁজে না পেয়ে সন্ধ্যায় কমলনগর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন তাদের দাদি আকলিমা বেগম।

সম্পর্কে চাচাতো বোনদের মধ্যে জোবায়দা চরবসু গ্রামের মো. ইব্রাহিমের মেয়ে, সিমু মৃত আবুল খায়ের চুন্নুর মেয়ে, মিতু একই বাড়ির জয়নাল আবেদিনের মেয়ে এবং নিহা শামছুল আলমের মেয়ে।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে। তাদের খুঁজে পেতে চেষ্টা চলছে। বিষয়টি তদন্তও করা হচ্ছে।


আরও খবর



টাঙ্গাইলে ঘাস কাটা নিয়ে দ্বন্দ্বে সংঘর্ষে যুবক নিহত

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ঘাস কাটা নিয়ে দু'গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত ও ৬ জন আহত হয়েছেন। উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের ঝাটিবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, গরুর ঘাস কাটা নিয়ে তিন দিন আগে ঝাটিবাড়ী গ্রামের আব্দুল করিম ও একই গ্রামের স্বপনের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে সোমবার রাত ৮টায় স্বপন ও তার ছেলেরা ঝাটিবাড়ী গ্রামের করিমের বাড়িতে হামলা চালায়।

হামলায় করিম, তাজিম উদ্দিন, কাজিম উদ্দিন, ফজলুল হক, রুস্তম, শাজাহান ও দেলোয়ারসহ উভয়পক্ষের ৭ জন আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত  চিকিৎসক ৫ জনকে ভর্তি করে রুস্তম ও শাজাহানকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুস্তমের মৃত্যু হয়।

কালিহাতী থানার ওসি মোল্লা আজিজুর রহমান জানান এঘটনায় সোমবার রাতে থানায় মামলা হয়েছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্ত করার পর স্বজনদের নিকট লাশ হস্তান্তর করা হবে।


আরও খবর



হাতিরঝিলে ওয়াটার ট্যাক্সি বন্ধের পরামর্শ হাইকোর্টের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | ২১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর হাতিরঝিলের পানি ও সৌন্দর্যকে অমূল্য সম্পদ হিসেবে বর্ণনা করে ওই লেকে চলমান ওয়াটার ট্যাক্সিসহ সব ধরনের যান্ত্রিক বাহন বন্ধের পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত বছরের ৩০ জুন হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রকল্প এলাকায় বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে রায় দেন। মঙ্গলবার (২৪ মে) ওই পূর্ণাঙ্গ রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

রায়ের পর্যবেক্ষণে রাজধানীর হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রকল্পে সব ধরনের বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদসহ ৪ দফা নির্দেশনা এবং ৯ দফা সুপারিশ দেন হাইকোর্ট।

প্রকল্পটির নকশার নির্দেশনার বাইরে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত প্রতিবেদন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর ২০১৮ সালে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ। পরে ওই রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এরপর রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে গত বছরের জুনে রায় দেয়া হয়।

পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়, হাতিরঝিলের পানি এবং এর নজরকাড়া সৌন্দর্য্য অমূল্য সম্পদ। এ অমূল্য সম্পদের কোনোরূপ ধ্বংস বা ক্ষতি করা যাবে না। প্রতি ফোঁটা পানি অতি মূল্যবান। সুতরাং প্রতিটি ফোঁটা পানির দূষণ প্রতিরোধ একান্ত আবশ্যক।

চার দফা নির্দেশনা হলো-

#সংবিধান, পরিবেশ আইন, পানি আইন এবং তুরাগ নদী রায় মোতাবেক রাজধানী ঢাকার ফুসফুস বেগুনবাড়ি খালসহ হাতিরঝিল এলাকা যা হাতিরঝিল নামে পরিচিত, তা পাবলিক ট্রাস্ট প্রপার্টি তথা জনগণের জাতীয় সম্পত্তি।

#হাতিরঝিল এলাকায় হোটেল, রেস্তোরাঁসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ এবং নির্মাণ সংবিধান, পরিবেশ আইন, পানি আইন এবং তুরাগ নদীর রায় অনুযায়ী বেআইনি ও অবৈধ।

#হাতিরঝিল প্রকল্প এলাকায় বরাদ্দ করা সব হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অবৈধ এবং এখতিয়ার বহির্ভূত মর্মে এসব বরাদ্দ বাতিল ঘোষণা করা হল।

এ রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে সব ধরনের হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ে হাতিলঝিল-বেগুনবাড়ি প্রকল্প এলাকা নিয়ে ৯ দফা পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

#হাতিরঝিল ও বেগুনবাড়ি সম্পূর্ণ প্রকল্পটি সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও পরিচালনায় একটি পৃথক কর্তৃপক্ষ তথা হাতিরঝিল লেক সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ গঠন করা, যা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সরাসরি অধীনে থাকবে।

#বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রকৌশল বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪তম ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডকে যৌথভাবে হাতিরঝিল প্রকল্প এলাকার স্থায়ী পরামর্শক নিয়োগ করা।

#জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য মাটির নিচে আন্তর্জাতিক মানের টয়লেট স্থাপন করা।

#নির্ধারিত দূরত্বে বিনামূল্যে জনসাধারণের জন্য পান করার পানির ব্যবস্থা করা।

#পায়ে চলার রাস্তা, বাইসাইকেল লেন এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য পৃথক লেন তৈরি করা।

#পানির জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় লেকে সব ধরনের যান্ত্রিক বাহন তথা ওয়াটার ট্যাক্সি সার্ভিস ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।

#লেকে মাছের অভয়ারণ্য করা।

#হাতিরঝিল- বেগুনবাড়ি প্রকল্পটি বাংলাদেশের প্রথম বাঙালি বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুর নামে নামকরণ করা।

#হাতিরঝিল ও বেগুনবাড়ি সম্পূর্ণ প্রকল্পটি সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও পরিচালনার ব্যয় রেভিনিউ বাজেট থেকে বরাদ্দ করা।

রায়ের বিষয়ে রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্ট গত ৩০ জুন হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রকল্প নিয়ে রায় দিয়েছেন। তবে রায়ের পরপরই রাজউক এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে। কিন্ত ওই রায় আপিল বিভাগে স্থগিত হয়নি। এখন পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়েছে। রাজউকের করা আপিল নিষ্পত্তি হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। আমরা আশা করছি, আপিল বিভাগেও হাইকোর্টের রায় বহাল থাকবে।


আরও খবর



গম রপ্তানি বন্ধ করল ভারত

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নিজেদের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে গম রপ্তানি বন্ধ করেছে ভারত। সাময়িকভাবে দেশটি এই পদক্ষেপ নিয়েছে। শুক্রবার রাতে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর এক ঘোষণায় এ কথা জানিয়েছে। যা অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে। খবর এনডিটিভি ও হিন্দুস্তান টাইমসের।

তবে আগে করা রপ্তানি চুক্তিগুলো বহাল থাকবে বলেও জানিয়েছে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর। অর্থাৎ শুক্রবার বা তার আগে গম রপ্তানিতে যেসব দেশের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে সেগুলো বহাল থাকবে।

বিশ্বের মোট গম রপ্তানির ২৯ শতাংশই সরবরাহ করে রাশিয়া ও ইউক্রেন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুই দেশের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকে আন্তর্জাতিক ভোগ্যপণ্যের বাজারে রীতিমতো আগুন লেগেছে। হু হু করে দাম বেড়েছে গমেরও।

যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের রপ্তানি বন্ধ আর রাশিয়ার ওপর পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার কারণে সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী ভারতীয় গমের চাহিদা বেড়েছে। ভারতের গম রপ্তানিকারকরা জানিয়েছেন, রাশিয়া-ইউক্রেনের বিকল্প হিসেবে অনেক ক্রেতাই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

এ অবস্থায় বৈশ্বিক চাহিদা ও মূল্যের ঊর্ধ্বগতি বিবেচনায় এ বছর রেকর্ড পরিমাণ গম রপ্তানির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল ভারত। গত অর্থবছরে দেশটি রেকর্ড ৬৫ লাখ টন গম রপ্তানি করেছিল। চলতি অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই সেই সীমা পার হয়ে গেছে। কিন্তু স্থানীয় বাজারে গমের দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকায় শেষপর্যন্ত রপ্তানি নিষিদ্ধ করলো ভারত সরকার। তাদের এ সিদ্ধান্তে ক্রেতা দেশগুলো আরও বড় সমস্যার সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


আরও খবর



‘কংগ্রেস নেতারা “চিকেন স্যান্ডুইচ” খেতেই বেশি আগ্রহী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ২৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বেশ কয়েক দিন চুপ থাকার পর অবশেষে পদত্যাগ করলেন গুজরাট কংগ্রেসের নেতা হার্দিক প্যাটেল। প্যাটেল তাঁর পদত্যাগপত্রে কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করেছেন। বলেছেন, কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতারা চিকেন স্যান্ডুইচ খেতেই বেশি আগ্রহী। বুধবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

২০১৯ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের তৎকালীন সভাপতি রাহুল গান্ধীই হার্দিক প্যাটেলকে কংগ্রেসের গুজরাট ইউনিটে এনেছিলেন। কিন্তু পদত্যাগের সময় সেই রাহুল গান্ধীর প্রতিই কামান দাগলেন প্যাটেল। প্যাটেল রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি অভিযোগ এনেছেন যেতাঁরা মোবাইল ফোন নিয়েই বেশি ব্যস্ত।  তবে, গুজরাটের কংগ্রেসের নেতাদের দাবি হার্দিক প্যাটেলের পদত্যাগপত্র বিজেপি নির্দেশিত এবং বিজেপিই তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছে।

গুজরাটের জমিদার শ্রেণির এই নেতা গত দুই মাস থেকেই বিজেপির নেতাদের সঙ্গে ওঠবস করছিলেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। এমনকি গত সপ্তাহে বিজেপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকেও বসেছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই প্যাটেল বিজেপিতে যোগদান করতে পারেন। তবে, প্যাটেল এই ধরনের খবরকে অস্বীকার করেছেন। তবে, সম্প্রতি দলীয় পুনরুজ্জীবন নিয়ে কাজ করা কংগ্রেসের জন্য এটি বেশ বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে আবির্ভূত হবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

হার্দিক প্যাটেল তাঁর পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, আমি যখন দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের কথা বলছিলাম তখন তাঁরা তাদের মোবাইল ফোন নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। তাঁরা গুজরাটের পরিস্থিতি আলোচনা করার চেয়ে অন্য বিষয় নিয়েই বেশি ব্যস্ত ছিলেন। বরং কেন্দ্রীয় নেতারা গুজরাটে নেতাদের বাড়িতে ভ্রমণের বেশি আগ্রহী এবং তাদের দেওয়া চিকেন স্যান্ডুইচ খেতে বেশি আগ্রহী। আমাদের নেতারা ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে যখন দেশে থাকার কথা ছিল তখন তাঁরা দেশের বাইরে ভ্রমণেই বেশি আগ্রহী ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: হার্দিক প্যাটেল

আরও খবর