আজঃ শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

লেকের পানিতে জাল ফেলতেই উঠে এলো ইলিশ!

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

Image

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি অ্যাগ্রো ফার্মের লেকে জাল টেনে ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ মাছ পাওয়া গেছে। এই লেকের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে আন্ধারমানিক নদীর একটি ছোট শাখা নদী যেখান থেকে এই লেকে ইলিশটি প্রবেশ করতে পারে বলে ধারণা ফার্ম কর্তৃপক্ষের।

আজ সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ডালবুঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে খাপড়াভাঙ্গা এলাকায় ৩১৩ অ্যাগ্রো ফার্মের লেক থেকে ইলিশ মাছটি পাওয়া যায়।

৩১৩ অ্যাগ্রো ফার্মের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মিজবাহ বলেন, আমাদের ফার্মের লেকে জাল টেনে মাছ ধরার জন্য জাল ফেললে অন্য মাছের সঙ্গে ইলিশ মাছটি দেখে হতবাক হয়ে যাই। বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস হয়নি। পরে ভালোভাবে পরীক্ষা করে মাছটি ইলিশ বলেই নিশ্চিত হয়েছি। তবে লেকে তো আমরা কখনোই ইলিশের বাচ্চা ফেলিনি। আমাদের লেকের এক পাশ দিয়ে বয়ে গেছে আন্দারমানিক নদীর একটি শাখা। সেখান থেকে এই মাছটি আসতে পারে বলে আমাদের ধারণা।

ফার্মের পরিচালক মো. আরিফ বিল্লাহ জানান, আন্ধারমানিক নদীর শাখা নদীর পাশে আমাদের লেকটি থাকায় অন্য কিছু সামুদ্রিক মাছ থাকতে পারে বলে আমাদের ধারণা ছিল। কিন্তু ইলিশ মাছ পেয়ে আমরা অবাক। মাছটিকে আমরা খাওয়ার জন্য রেখেছি।

কলাপাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে স্বাদু পানিতে ইলিশ মাছ কম বাড়লেও একটা সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকে। এছাড়া পুকুরে বা নদীর পানিতে ইলিশের স্বাদ ও গন্ধ ঠিক থাকে না। নদীর তীরবর্তী এলাকা হওয়ায় অন্য মাছের সঙ্গে মাছটি পুকুরে আসতে পারে।


আরও খবর



মঙ্গল গ্রহে উপনিবেশ নির্মাণের পরিবর্তে পৃথিবীকে রক্ষা করুন: ওবামা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, মঙ্গল গ্রহে উপনিবেশ নির্মাণের স্বপ্ন দেখার আগে মানবতাকে অবশ্যই পৃথিবীকে রক্ষা করতে হবে। কারণ পারমাণবিক যুদ্ধ এবং লাগামহীন জলবায়ু পরিবর্তন ঘটলেও পৃথিবী লাল গ্রহটির থেকে অনেক বেশি বাসযোগ্য।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে এক সম্মেলনে বক্তৃতাকালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই কথা বলেন।

বারাক ওবামা সিলিকন ভ্যালির উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্য বলেন, এখানে অনেকেই আছেন যারা মহাকাশযান তৈরি করছেন। যা মানুষকে মঙ্গল গ্রহে নিয়ে যেতে পারে। কিছু লোক মঙ্গল গ্রহে উপনিবেশ স্থাপনের পরিকল্পনার কথা বলছে। কারণ পৃথিবীর পরিবেশ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। যখন আমি এই ধরনের কথা শুনি তখন আমি তাদের দিকে তাকাই। তারা কী বলছেন!

ওবামা আরও বলেন, পারমাণবিক যুদ্ধের পরেও পৃথিবী মঙ্গল গ্রহের চেয়ে বেশি বাসযোগ্য হবে। এমনকি যদি আমরা জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে কিছু নাও করি তবেও এটিতে অক্সিজেন থাকবে। আমি বরং তাদের সবাইকে এই গ্রহের যত্ন নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাবো।

তিনি বলেন, মহাকাশ অনুসন্ধান মানবতার জন্য নতুন বসবাসের স্থান তৈরি করার পরিবর্তে জ্ঞান এবং আবিষ্কারের জন্য হওয়া উচিত।


আরও খবর



জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদ জামাত শুরু হয়।

ঈদের প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও বয়সের লাখো মুসল্লি।

ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহসহ দেশ ও জাতির কল্যাণ, সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি উপস্থিত সবার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সিটি কর্পোরেশন থেকে জানানো হয়, এবার জাতীয় ঈদগাহের ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার আয়তনের মূল প্যান্ডেলে একসঙ্গে ৩৫ হাজার মুসল্লি ঈদের জামাত আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। ছিল ঈদগাহে নারীদের জন্যও আলাদা নামাজের ব্যবস্থা।

এদিকে জাতীয় ঈদগাহ ছাড়াও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মোট পাঁচটি জামাত আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে।  ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, বায়তুল মোকাররমে সকাল ৭, ৮, ৯ ও ১০ ও ১০টা ৪৫ মিনিটে ঈদের জামাত হবে।


আরও খবর



বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলন: ছাত্রলীগের বিবৃতি

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এ ছাড়া এ আন্দোলনের প্রতিবাদে সমাবেশও করবে সংগঠনটি। রবিবার (৩১ মার্চ) বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ সমাবেশ করবে তারা।

ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ২৯ মার্চ বুয়েট কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ ব্যাচের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ হোসেন রাহিমের আবাসিক হলের বরাদ্দকৃত সিট বাতিল ঘোষণা করার সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-গণতন্ত্রকামী মানুষ ও ছাত্রসমাজ চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান করছে। বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ বুয়েট প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে একটি অন্যায্য, অসাংবিধানিক, মৌলিক অধিকার পরিপন্থী ও সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক নৈতিক স্খলনজনিত শিক্ষাবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও এই রাষ্ট্রে সাধারণের শিক্ষার অধিকার একটি গৌরবোজ্জ্বল সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে, যার নেতৃত্ব দিয়েছে এদেশের ছাত্রসমাজ। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, সাম্প্রতিককালে সংবিধানসম্মত ছাত্র-রাজনীতি নিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এমন কিছু কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে, আশ্রয়-প্রশ্রয় পাচ্ছে যা ৩০ লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের মহান সংবিধানের চূড়ান্ত লঙ্ঘন।

এতে বলা হয়, দ্য ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোজিক্যাল ইউনিভার্সিটি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ অনুযায়ী বুয়েট বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এবং বাংলাদেশের জনগণের অর্থে পরিচালিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিধায়, সর্বাবস্থায় এই রাষ্ট্রের সংবিধান ও প্রচলিত আইনের দ্বারা এটি পরিচালিত হতে হবে। কিন্তু তা না করে, এই আইনের কোথাও ছাত্র-রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা বুয়েটকে প্রদান করা না হলেও বুয়েট প্রশাসন বেআইনি ও অসাংবিধানিকভাবে তা বাস্তবায়ন করছে।

ছাত্রলীগের বিবৃতিতে বলা হয়, মূলধারার প্রকাশ্য ছাত্র-রাজনীতি নিষিদ্ধের এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে বুয়েটকে দেশ ও বিশ্ব মানবতাবিরোধী নিষিদ্ধ, অন্ধকার জগতের বিভিন্ন সংগঠনের কর্মকাণ্ড পরিচালনার তীর্থস্থানে পরিণত করা হয়েছে। টাঙ্গুয়ার হাওরে জঙ্গি আস্তানায় গোপন মিটিং, শিক্ষার্থীদের অফিসিয়াল মেইলে জঙ্গিবাদের প্রচারণা, ক্যাম্পাসে কিউআর কোডের মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা চালানো, বিশ্ববিদ্যালয় পরিমণ্ডল এ শ্রেণিকক্ষে মহান স্বাধীনতাকে কটাক্ষ ইত্যাদি কর্মকাণ্ড বুয়েটকে তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থেকে পশ্চাৎ দিকে ধাবিত করছে।

এতে বলা হয়, বুয়েট প্রশাসন ইমতিয়াজ হোসেন রাহিমের বরাদ্দকৃত সিট বাতিলের মাধ্যমে তার সংগঠন করার সাংবিধানিক অধিকার (অনুচ্ছেদ ৩৮) প্রয়োগ করতে বাধা সৃষ্টি করেছে। এটি একইসঙ্গে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ (আইনের দৃষ্টিতে সমতা), অনুচ্ছেদ-৩১ (আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার), অনুচ্ছেদ-৩২ (জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতায় অধিকার-রক্ষণ), অনুচ্ছেদ-৩৬ (চলাফেরার স্বাধীনতা), অনুচ্ছেদ-৩৭ (সমাবেশের স্বাধীনতা) ও অনুচ্ছেদ-৩৯ (চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা ও বাক্‌-স্বাধীনতা)-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরে বুয়েটের একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক ও মর্মান্তিক মৃত্যু এদেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়কে গভীরভাবে ছুঁয়ে গেছে, ব্যথিত করেছে। এই ঘটনায় জড়িতদের দেশের প্রচলিত আইনে বিচার সম্পন্ন করা হয়েছে। এদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বহু বছর ধরে সন্ত্রাসজনিত কারণে বহু মেধাবী শিক্ষার্থীর প্রাণ অকালে ঝরে গেছে। একইসঙ্গে এদেশের মহান স্বাধীনতা, ভাষা ও ভোটের অধিকার, গণতন্ত্র ও মুক্তির সংগ্রামে এদেশের বহু শিক্ষার্থী অকাতরে তাদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছে, অনেকের প্রাণ হরণ করা হয়েছে। এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ১৭ হাজার নেতাকর্মী জীবন উৎসর্গ করেছে, স্বাধীনতা উত্তর সময়ে গণতন্ত্র ও শিক্ষার অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতা-কর্মীর প্রাণ কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে ছাত্রলীগ বলছে, এ কারণে শহিদের রক্তস্নাত সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগ এদেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনকে মূল্যবান বিবেচনা করে, প্রতিটি শিক্ষার্থীর নিরাপদ জীবনযাপন ও শিক্ষা নিশ্চিত করাকে নিজেদের সাংগঠনিক মূলমন্ত্র গণ্য করে। এরই ধারাবাহিকতায় বিগত ১৫ বছরের অধিক সময় ধরে দেশের শিক্ষাঙ্গন থেকে সন্ত্রাস ও অস্ত্র বিতাড়িত হয়েছে, সেশনজট দূর হয়েছে, শিক্ষার্থীরা উপযুক্ত শিক্ষা গ্রহণ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির সোপানে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এমতাবস্থায়, বুয়েট প্রশাসন, শিক্ষকমণ্ডলি ও শিক্ষার্থীদের প্রতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আহ্বান জানাচ্ছে, একটি অন্যায়ের প্রতিকার হিসেবে আপনারা ধারাবাহিক অসংখ্য অন্যায় ও সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত হবেন না। যে মহান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাটিতে এদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক জাতীয় পতাকা নির্মিত হয়েছে, সেই প্রতিষ্ঠানের অংশ হিসেবে আপনারা এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন না, রীতি-পদ্ধতি-সামাজিকতা প্রচলন করবেন না যেটি এদেশের সংবিধানকে অমান্য করে, একজন শিক্ষার্থীর মৌলিক অধিকার ও ব্যক্তি স্বাধীনতাকে খর্ব করে, শিক্ষার অধিকারকে অস্বীকার করে, স্বাভাবিক ও পারিবারিক জীবনযাত্রাকে বিঘ্নিত করে। আপনাদের এরূপ কর্ম-সিদ্ধান্ত এদেশের সামগ্রিক অগ্রযাত্রায় অন্তরায় হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এদেশের সাধারণ মানুষ যাদের শ্রম-ঘামের বিনিময়ে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয় তারা কোনোভাবেই তা মেনে নেবে না।

ছাত্রলীগ বলছে, বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার অবিকল্প সারথী, বাংলার মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা-নির্ভরতার একমাত্র ঠিকানা, বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শেখানো রাষ্ট্রনায়ক, প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এদেশের শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন সাধনের মাধ্যমে এদেশের তরুণ প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে অর্থনৈতিক যে উন্নতি সাধন করেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের যে পথনকশা বাস্তবায়ন করে চলেছেন সেখানে দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বুয়েট নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে চলেছে, আগামীতেও করবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলার মানুষ বিশ্বাস করে, স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিচ্ছেদ্য অংশ বুয়েট সঙ্কোচের বিহ্বলতায়’ দেশ গঠনে নিজেদের অবদান ম্লান হতে দিবে না, সংকটের কল্পনাতে’ হবে না ম্রিয়মান। এদেশের ছাত্রসমাজ বুয়েটের প্রতি আহ্বান জানায়, আপনা-মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়’।


আরও খবর



মার্কিন বোমরু বিমানকে রুশ যুদ্ধবিমানের ধাওয়া

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের দুটি কৌশলগত বোমরু বিমানকে বাধা দিয়েছে রাশিয়া। রবিবার (২৪ মার্চ) বারেন্টস সাগরের ওপরের আকাশসীমার কাছে বিমান দুটিকে বাধা দেয়া হয়।

এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর তাসের।

এতে বলা হয়েছে, রাশিয়ার আকাশ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা দেশটির আকাশসীমার দিকে আসা বিমানের একটি গ্রুপ শনাক্ত করে। এর পর বিমানগুলোকে রুখে দিতে একটি মিগ-৩১ ফাইটার জেট পাঠায় রাশিয়া।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, রাশিয়ার ফাইটার ক্রুরারা আকাশে দুটি মার্কিন বিমানবাহিনীর বি-১বি কৌশলগত বোমারু বিমান শনাক্ত করেন।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, রাশিয়ার ফাইটার জেট কাছে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত বোমারু বিমানগুলো তাদের গতিপথ সংশোধন করে নেয়। মার্কিন বিমানগুলো রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সীমানা লঙ্ঘন করতে সক্ষম হয়নি বলেও জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

তবে কৌশলগত বোমারু বিমান সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



জামালপুরে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৬ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জামালপুর প্রতিনিধি

Image

কক্সবাজারের একটি রিসোর্ট সেন্টারে মাদকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করতে গিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের তালাশ টিমের সিনিয়র সাংবাদিক নাজমুল সাঈদ ও সিনিয়র চিত্রগ্রাহক কাজী মোহাম্মদ ইসমাইলকে নির্যাতনের ঘটনাসহ দেশব্যাপি সাংবাদিক নির্যাতন, নিপিড়ন, জেল, জুলুম, হামলা ও মামলার ঘটনার প্রতিবাদে জামালপুরে প্রতিবাদ সভা করেছেন প্রেসক্লাব জামালপুর ও জামালপুর অনলাইন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক।

শনিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে প্রেসক্লাব জামালপুর ও জামালপুর অনলাইন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্কের যৌথ আয়োজনে পৌর শহরের শহীদ হারুন সড়কে সংগঠনটির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেসক্লাব জামালপুরের সভাপতি ও দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক আজিজুর রহমান ডলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় এ প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন অনলাইন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্কের সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম, প্রেসক্লাব জামালপুরের সহ-সভাপতি সাঈদ পারভেজ তুহিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাইমুম সাব্বির শোভন, প্রেসক্লাব জামালপুরের সদস্য আব্দুল আজিজ, আরিফুজ্জামান আকন্দ, খাদেমুল বাবুল।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন- প্রেসক্লাব জামালপুরের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয় সম্পাদক দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ময়না আকন্দ, সুমন মাহমুদ, সাকিব আল হাসান নাহিদ।

এ সময় বক্তারা কক্সবাজারে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের তালাশ টিমের সিনিয়র সাংবাদিক নাজমুল সাঈদ ও সিনিয়র চিত্রগ্রাহক কাজী মোহাম্মদ ইসমাইলকে নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।

এছাড়া শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার সাংবাদিক রানাকে ভ্রাম্যমান আদালতের ছয় মাসের জেল ও লালমনিরহাট জেলায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাংবাদিকদের আটক রাখার ঘটনাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সাংবাদিক নির্যাতন, নিপীড়ন, জেল-জুলুম, হামলা-মামলার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তরা।

এ সময় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর