আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্রে একই পরিবারের ৪ জনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ফায়ার রকওয়েতে আত্মীয়ের ছুরিকাঘাতে একই পরিবারের ৪ সদস্য নিহত হয়েছে। এ সময় পুলিশের গুলিতে হামলাকারীও নিহত হয়েছেন। এতে আরও দুই পুলিশ সদস্যসহ ৩ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের বরাত এ খবর জানিয়েছে সিএনএন।

আরও পড়ুন>> ফিলিপাইনে ক্যাথলিক সমাবেশে বিস্ফোরণ, নিহত ৩

পুলিশ ধারণা করেছে, নিহত সবাই একই পরিবারের সদস্য। এর মধ্যে স্বামী-স্ত্রী এবং তাদের দুই সন্তান রয়েছে।

নিউইয়র্ক সিটি পুলিশের প্রধান জেফরি ম্যাড্রে সম্মেলনে বলেছেন, ৯১১ তে এক তরুণী ফোন করে জানায় তার চাচাতো ভাই তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করছে।


আরও খবর



আগাম নির্বাচনের দাবিতে ইসরায়েলজুড়ে বিক্ষোভ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত যুদ্ধের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগ এবং আগাম নির্বাচনের আহ্বানের দাবি করেছে বিক্ষোভকারীরা। এ ঘটনায় ইসরায়েলি পুলিশ তেল আবিবে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। ইসরায়েলি পত্রিকা ইয়েদিওথ আহরোনোথ অনুসারে, কাপলান স্কোয়ারে শত শত বিক্ষোভকারীকে ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ এবং তারা যে সরঞ্জাম দিয়ে প্রতিবাদ করছিল তা জব্দ করা করে।

প্রতিবেদন অনুসারে, বিক্ষোভকারীরা নির্বাচন এবং নেতানিয়াহুকে অবিলম্বে পদত্যাগ করার জন্য স্লোগান দেয়। ইসরায়েলের আরও বেশ কয়েকটি অঞ্চলেও হাজার হাজার বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী নেতানিয়াহু সরকারের বরখাস্ত এবং গাজায় বন্দিদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। ইসরায়েলি সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ এবং ইয়েদিওথ আহরোনোথের মতে, ওই অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে, জেরুজালেম, হাইফা, সিজারিয়া, কেফার সাভা, রেহোভট এবং বের্শেবা।

বিক্ষোভ তীব্র হওয়ায় নেতানিয়াহু গাজায় জিম্মিদের পরিবারের বিক্ষোভকে অকার্যকর এবং হামাসের দাবির সমর্তন বলে সমালোচনা করেছেন। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা ধারণা করেছেন, গাজায় এখনও ১৩৬ জন জিম্মি রয়েছেন।


আরও খবর



রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের প্রতিবেদনে ভুল তথ্য আছে : আরাফাত

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) ২০২৩ সালের মে মাসে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাতে ভুল তথ্য আছে এবং সেখানে বাস্তবতার প্রতিফলন নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) এর প্রতিবেদন ও র‌্যাংকিং নিয়ে প্রেস ব্রিফ্রিংকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)-এর ওয়েবসাইটে যে প্রতিবেদন ও র‌্যাংকিং প্রকাশ হয়েছে, তা নিয়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও সাধারণ জনগণের মধ্যে হতাশা আছে। ওয়েবসাইটে ভুল, অর্ধসত্য ও অপর্যাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে ১৬৩তম দেখানো হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ক্রমবিকাশ, সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার জন্য বর্তমান সরকারের অব্যাহত উদ্যোগকে অস্বীকার করা হয়েছে। দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার অবাধ স্বাধীনতার প্রকৃত চিত্রের বিপরীতে আরএসএফের মূল্যায়ন অগ্রহণযোগ্য, পক্ষপাতদুষ্ট এবং সত্যের বিচ্যুতি বলে সরকার মনে করে।

তিনি আরও বলেন, আরএসএফের ওয়েবসাইটে ছয়জন সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম রতন, আহমেদ খান বাবু, গোলাম মোস্তফা রফিক, খলিলুর রহমান, মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান এবং এস এম ইউসুফ আলী সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে তারা আটক হয়ে জেলে আছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী তাদের নিয়ে আরএসএফের এ দাবি অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন।

ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, আরেএসএফ এর প্রতিবেদনে প্রচুর ভুল, অর্ধসত্য, অসত্য তথ্যের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশকে র‌্যাংকিং করা হয়েছে। এ ধরণের সূচক বা র‌্যাংকিংকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অনেকেই আমাদের সাথে কথা বলার সময় বলতে চান যে আমাদের গণতন্ত্র, মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই। এ র‌্যাংকিং পুনর্মূল্যায়নের জন্য আরএসএফকে দাপ্তরিকভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও যোগ করেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আরএসএফ-এর বাংলাদেশ অধ্যায়ে বর্ণিত তথ্য অসম্পূর্ণ, অপর্যাপ্ত, এবং বিভ্রান্তিকর। আরএসএফ এর দাবির বিপরীতে দেখা যায় ২০০৯ সাল থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সরকারি গণমাধ্যমের চেয়ে বেসরকারি টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেল সম্প্রসারণে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতার শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, গ্রামীণ জনগণের ক্ষমতায়নসহ উন্নয়নমুখী নানা অনুষ্ঠান ও সংবাদ প্রচার করে। জনকল্যাণে সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত সব উন্নয়ন কাজ জনগণের কাছেই তুলে ধরে এ দুটি সম্প্রচার মাধ্যম। ফলে সরকার ও জনগণের মধ্যে প্রতিনিয়তই সেতৃবন্ধন তৈরি করছে বিটিভি ও বেতার। অথচ আরএসএফ রিপোর্টে উল্টোভাবে বলা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী এ সময় আরও বলেন, সাইবার স্পেসকে সন্ত্রাসী, মৌলবাদী ও দুর্বৃত্তদের হাত থেকে রক্ষা করতে বাংলাদেশ সরকার ২০১৮ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) চালু  করে। তবে আইনের কিছু ধারা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষিতে সরকার ডিএসএ বাতিল করে এর পরিবর্তে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) প্রণয়ন করে বাংলাদেশ সরকার। এই আইনে সংবাদ প্রকাশের সাথে সম্পর্কিত মানহানি মামলায় সাংবাদিকদের গ্রেফতারের পরিবর্তে আইনী তলব করার বিধান রাখা রয়েছে। আইনগত প্রেক্ষাপট নিয়ে আরএসএফের সর্বশেষ প্রতিবেদনের উদ্বেগ এই মুহুর্তে প্রাসঙ্গিক নয়। এ বিষয়গুলো আরএসএফ এর পুনর্মূল্যায়ন করা উচিত এবং তার একটা প্রতিফলন তাদের পরবর্তী প্রতিবেদনে থাকা উচিত।

এ সময় তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা বজায় রাখতে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। তবে বর্তমান সরকার গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে সাথে নিয়ে এই চ্যালেঞ্জগ মোকাবিলায় বহুমুখী প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার, সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও তাদের মর্যাদা পুনরুদ্ধারে সাংবাদিক পরিচয়পত্র নীতিমালা,২০২২ চূড়ান্ত করেছে, ২০১৪ সালে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করেছে, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছে। সাংবাদিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে, মান সম্মত বেতন ও জীবিকা নিশ্চিত করতে সরকার নবম ওয়েজ বোর্ড গঠন করেছে, এবং দশম ওয়েজ বোর্ড গঠনের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ভালো উদ্যোগগুলো আরএসএফ এর প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হয়নি।

তিনি যোগ করেন, আরএসএফ এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বর্তমান র‌্যাংকিং একবারেই বাস্তবতা বহির্ভুত। আরএসএফের এ ধরণের রিপোর্টকে পূর্ণাঙ্গ বলা যায় না। বাংলাদেশ সরকার চায় আরএসএফ বাস্তবাতার প্রতিফলন ঘটাতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরুক এবং যে প্রতিবেদন অর্ধসত্য এবং ভুল তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে তার পুনর্মূল্যায়ন করুক।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সত্য দিয়ে অসত্য মোকাবিলা করতে চাই। গণমাধ্যমের পরিবেশ নিয়ে যেখানে সত্যিই উন্নতি করার সুযোগ আছে সেখানে সরকার তা করবে। আমরা সত্যিকার অর্থেই আরএসএফ এর র‌্যাংকিং এ উপরে উঠতে চাই।


আরও খবর



৯ মার্চ জাতীয় পার্টির কাউন্সিল ঘোষণা করলেন রওশন

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ আগামী ৯ মার্চ কাউন্সিলের ঘোষণা দিয়েছেন। রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গুলশানের বাস ভবনে সংবাদ সম্মেলনে রওশন এরশাদ এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, আমাদের প্রিয় সংগঠন জাতীয় পার্টি এখন চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য এবং পার্টিকে আবার সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে নেতাকর্মীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমি পার্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করে আগামী ৯ মার্চ দশম জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের ঘোষণা দিচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, সর্বস্তরের অসংখ্য নেতাকর্মী আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমরা সবাই মিলে সুন্দর একটি জাতীয় সম্মেলন উপহার দিয়ে জাতীয় পার্টিতে আবার প্রাণ শক্তি ফিরিয়ে আনতে চাই।

রওশন বলেন, একটি রাজনৈতিক দলে গণতন্ত্র চর্চার প্রধান ক্ষেত্র হচ্ছে, সময়মতো পার্টির জাতীয় সম্মেলন। জাতীয় পার্টির সম্মেলন আয়োজনের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। এখন আমরা জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠানের যে ঘোষণা দিয়েছি সেই সম্মেলন সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য আমি একটি সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করেছি। 

আরও পড়ুন>> গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা, আনাদোলুকে প্রধানমন্ত্রী

তিনি আরও বলেন, আগামী ৯ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় সম্মেলন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত জাতীয় পার্টির সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কাজী ফিরোজ রশীদ, কো-আহ্বায়ক থাকবেন সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, যুগ্ম-আহ্বায়ক থাকবেন গোলাম সরোয়ার মিলন, সদস্য সচিব থাকবেন রফিকুল ইসলাম সেন্টু এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা।


আরও খবর



পাকিস্তানের রাজধানীতে ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভোট কারচুপির অভিযোগে পিটিআইসহ পাকিস্তানের কয়েকটি রাজনৈতিক দল বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। আর এর প্রেক্ষিতে দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

ইসলামাবাদ পুলিশ হুমকি দিয়েছে, যে বা যারা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গণ জমায়েত বা সমাবেশ করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) মাইক্রো ব্লগিং সাইটে ইসলামাবাদ পুলিশ বলেছে, কিছু মানুষ নির্বাচন কমিশনসহ অন্যান্য সরকারি অফিসের সামনে উস্কানিমূলক জমায়েত করছে। পরিষ্কারভাবে বলা হচ্ছে, গণ জমায়েতের জন্য উস্কানি দেওয়াও এক ধরনের অপরাধ।

ঔপনিবেশিক (ব্রিটিশ আমল) শাসনের একটি বিধান হলো ১৪৪ ধারা। যে জায়গা বা স্থানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় সেখানে প্রকাশ্যে চারজনের বেশি মানুষ জড়ো হতে পারেন না। এই ধারা ভঙ্গ করলে সরাসরি গুলিও ছোড়া হয়।

রাষ্ট্রীয়ভাবে ভোট চুরির অভিযোগ তুলে পুরো পাকিস্তানে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই। যদিও প্রথমে পিটিআই তাদের কর্মী-সমর্থকদের বিভিন্ন শহরে জড়ো হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে দলটি। শহরের বিভিন্ন জায়গায় জড়ো হওয়ার বদলে নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করে রাখার কর্মসূচি দেয় তারা।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের ২৬৬ আসনের মধ্যে ২৬৫ আসনে নির্বাচন হয়। বৃহস্পতিবার নির্বাচন হলেও; রোববার সব আসনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ ঘোষণা অনুসারে, এবারের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১০১টি আসন জিতেছে। যার মধ্যে ৯৬টি আসনে জিতেছেন ইমরান খানের পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ৭৫টি আসনে জয় পেয়েছে।

এছাড়া প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি ৫৪টি আসনে জয় পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। করাচি-ভিত্তিক দল মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) ১৭টি আসন জিতেছে।

পিটিআইয়ের দাবি, তারা আরও বেশি আসনে জয় পেয়েছে এবং একক দল হিসেবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। কিন্তু তারা যেন সরকার গঠন করতে না পারে; সেজন্য বিভিন্ন আসনের ফলাফল পাল্টে দিয়ে তাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: পাকিস্তান

আরও খবর



ব্রাজিলের হার, আর্জেন্টিনার ড্র

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

স্বর্ণ জয়ের হ্যাটট্রিক মিশনে প্যারিস অলিম্পিকে যাওয়ার আগেই ধাক্কা খেল ব্রাজিল। দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের চূড়ান্ত বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচে সেলেকাওদের অনূর্ধ্ব-২৩ প্যারাগুয়ের কাছে ১-০ গোলে হেরে এ অঘটনের শিকার হয়েছে। তবে আর্জেন্টিনা ২-২ গোলে ড্র করেছে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে।

দক্ষিণ আমেরিকার থেকে অলিম্পিক ফুটবলের বাছাইপর্বে দুটি দল সুযোগ পাবে। এই অঞ্চলে বাছাইপর্বের চূড়ান্ত পর্বে খেলছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে ও ভেনেজুয়েলা। ভেনেজুয়েলায় চার দলের বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কারাকাসে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ফ্যাব্রিজিও পেরালতার হেড থেকে পাওয়া গোলে এগিয়ে ব্রাজিলকে হারায় প্যারাগুয়ে। যদিও ম্যাচের ২৯তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে আগামী বছর রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিতে যাওয়া ব্রাজিল ফুটবলের নতুন তারকা এনদ্রিক গোল করতে ব্যর্থ হন।

এর আগে একই ভেন্যুতে দিনের পরের ম্যাচে যোগ করা সময়ের দশম মিনিটে করা পেনাল্টি গোলে আর্জেন্টিনার সঙ্গে ড্র করে স্বাগতিক ভেনেজুয়েলা। তবে ম্যাচে লাল কার্ড ও আত্মঘাতী গোলে আর্জেন্টাইনরা খেলা শেষ করে ৯ জন নিয়ে। স্বস্তিতে ছিল না ভেনেজুয়েলাও, তাদেরও একজন দেখেছেন লাল কার্ড। আর দুই দলই প্রথম গোলটি পেয়েছে আত্মঘাতী গোলের সৌজন্যে। প্রথমার্ধে ১-১ গোলে সমতায় থাকা ম্যাচে ৬১ মিনিটে এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। এরপর শেষের ওই নাটক।

প্যারাগুয়ের বিপক্ষে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। একই দিনে ব্রাজিলও ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে খেলবে। এরপর ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা ১১ ফেব্রুয়ারি মুখোমুখি হবে।


আরও খবর
হাথুরুসিংহেকে ‘শোকজ’ করবেন পাপন!

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪