আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

যশোরে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ১৪ জন, শনাক্ত ২৫৩

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
Image

যশোর প্রতিনিধি :

গত ২৪ ঘণ্টায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে করোনা রোগী ও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১৪ জন। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও আটজন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, যশোর জেনারেল হাসপাতালের রেড জোনে আজ মোট ভর্তি রয়েছেন ১৫৫ জন এবং ইয়েলো জোনে ৮৮ জন।

এদিকে, আজ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জেনোম সেন্টারে করোনার টেস্টে ২৫৩ জনের নমুনায় কোভিড-১৯ পজেটিভ পাওয়া গেছে।

যশোরের ৬৩২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এই ফলাফল পাওয়া যায়। আজ শনাক্তের হার ৪০ শতাংশ।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমালে বাগেরহাটে যত ক্ষতি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের মানুষ প্রবল ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা ও আম্পানের পর আরো একবার ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব দেখল। প্রতিবার ঘূর্ণিঝড় এসে লণ্ডভণ্ড করে দেয় উপকূলবাসীর ঘরবাড়ি, জলোচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে নেয় মাছের ঘের ও ফসলের ক্ষেত। রক্ষা পায় না বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন। এবারও তার ব্যতিক্রম । ঘূর্ণিঝড় রেমাল উপকূল অতিক্রম করার পর যতই সময় গড়াচ্ছে ততই স্পষ্ট হচ্ছে  ধ্বংসলীলার ক্ষত চিহ্ন।

রবিবার বিকাল থেকে শুরু হয়ে সোমবার মধ্যরাত পর্যন্ত তান্ডব চালিয়ে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের মোংলা, শরণখোলা, রামপাল, মোরেলগঞ্জ, কচুয়া ও বাগেরহাট সদরসহ প্রায় সব কটি উপজেলায় ক্ষতচিহ্ন রেখে গেছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রমের একদিন পেরিয়ে গেলেও বহু মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে এখনো। গাছ পড়ে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে এ জেলায়।

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের ধানসাগর গ্রামে ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন সময়ে গাছ চাপায় ফজিলা বেগম (৫০) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়।

শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন জানান, প্রতিবছর আমাদের উপকূলে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হই আমরা। রবিবার বিকাল থেকে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হয়ে সোমবার পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। ফলে আমাদের এলাকায় বহু মানুষের ক্ষতি হয়েছে। প্রায় প্রতিটা বাড়িতেই গাছপালা ভেঙে পড়েছে। গাছ চাপায় এক নারীর মৃত্যুও হয়েছে। গাছ পড়ে বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এখনো বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে আমরা। শুধু আমার ইউনিয়ন নয় আশপাশের প্রায় সব এলাকাতেই কিছু না কিছু ক্ষতি হয়েছে।

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভাইজোড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায় প্রতিটা বাড়িতে প্রায় তিন থেকে চার ফিট পানি জমে আছে। পার্শ্ববর্তী পানগুছি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে এসব এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা বিউটি বেগম বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময়ও আমাদের এলাকায় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। এবারও ঘূর্ণিঝড় হয়ে আমার সব শেষ হয়ে গেছে। কদিন আগে ধান কেটে ঘরে রেখেছিলাম। সোমবার রাতে হঠাৎ পানগুছি নদীর পানি এসে আমাদের এলাকা ডুবে যায়। আমার ঘরের ভেতরেও কোমর সমান পানি উঠে গিয়েছিল। ঘরে রাখা চার-পাঁচ বস্তা ধান নষ্ট হয়ে গেছে। চুলার ভেতরে পানি উঠে গেছে। এলাকা থেকে পানি নামার সুব্যবস্থা না থাকায় এখনো উঠানে হাঁটু সমান পানি। কি খাব কে আমাদের সাহায্য করবে, কিছুই বুঝতে পারছি না।

বাগেরহাট সদর উপজেলার কুলিয়াধাইড় গ্রামের এস এম জাহাঙ্গির কবির জানান, হঠাৎ করেই বলেশ্বর নদীর পানি বেড়ে ঘরের ভিতর কোমর পানি হয়ে যায়। সব কিছু ভিজে একাকার হয়ে গেছে। ঘরের ভিতর যা কিছু ছিল সব শেষ। এখন চলাই কষ্টকর হবে।

বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান মোহাম্মদ আল বিরুনী বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে বাগেরহাটের বেশ কিছু বাধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুধবার দুপুর পর্যন্ত জেলার মোট ১২ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ মেরামতের কাজ চলছে। অন্য ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাঃ খালিদ হোসেন বলেন, এই ঝড়ে ৫ লক্ষ মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছিলেন। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ৪৫ হাজার ঘর বাড়ি। আমরা ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা দেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে ৭৫ মেট্রিক টন চাল, নগদ ১৯ লক্ষ টাকা ১১ হাজার কেজি চিড়া, ৭শ কেজি গুড় ও ২০ হাজার প্যাকেট বিস্কুট দিয়েছি।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম করার ২দিন পরও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে বাগেরহাট উপকূলের ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত এলাকার প্রায় ২ লক্ষ গ্রাহক।

বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার সুশান্ত কুমার মজুমদার বুধবার দুপুরে বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভৌগোলিক এলাকায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর ফলে অনেক ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমরা পুরো এলাকা পরিদর্শন করতে পারিনি। তবে যেসব এলাকা আমরা পরিদর্শন করেছি সেসব এলাকায় মোট ১৫১ টি পোল ভেঙে গেছে, হেলে পড়েছে ২১৭২ টি পোল, ১৫৮৩ টি তার ছিঁড়ে গেছে, ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়েছে ৩৭ টি, মিটার ভেঙেছে ৫২৭ টি, ক্রস আর্ম ভেঙেছে ৭৩ টি, সার্ভিস ড্রপ তার ছিঁড়েছে ৪৭২ টি এবং ইন্সুলেটর ভেঙেছে ১১৩ টি।

সকল লাইনম্যান, ঠিকাদারের লোকবল এবং স্থানীয় লেবার একযোগে লাইন পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে। ঝড়ে লাইনে পতিত শত শত গাছ কেটে অপসারণ করার পাশাপাশি ছেড়া তার মেরামত করে অনেক স্থানে সংযোগ দেয়া হয়েছে। তবে এখনো প্রায় ২ লক্ষ গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পেতে পারে এবং  মাঠ পর্যায় থেকে এই বিষয়ে আরো তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি লাইন রক্ষণাবেক্ষণ কাজ অব্যাহত রয়েছে। সম্পূর্ণ লাইন মেরামত করতে আরো ২-৩ দিন সময় লাগতে পারে।

এদিকে জলোচ্ছ্বাসের প্রভাবে বাগেরহাটের প্রায় ৪০ হাজার মাছের ঘের ভেসে গেছে। এতে প্রায় একশ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রামপাল উপজেলার মাছ চাষীরা।

রামপাল উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের চিংড়ি চাষী শেখ আব্দুল্লাহ বলেন,  প্রতিবার ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে আমাদের মাছের ঘের গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ঘূর্ণিঝড়ের রাতে অতিরিক্ত জোয়ারের পানির চাপে আমার ঘেরের বাঁধ ভেঙে যায় এতে প্রায় প্রায় এক লক্ষ টাকার চিংড়ি মাছ ভেসে গেছে। এছাড়া আশপাশের অনেকের ঘের তলিয়ে গেছে।

একই এলাকার চিয়ড়ি চাষী হোসনেয়ারা বেগম বলেন, ব্যাংক ও বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে তিনি মাছের ঘেরে করেছিলেন। মাছ ধরার মাত্র এক সপ্তাহ আগে সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।

বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এ এস এম রাসেল বলেন, প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমলের প্রভাবে বাগেরহাটের প্রায় ৪০ হাজার মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে চাষীদের প্রায় শত কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখনো বিভিন্ন স্থানে ঘেরগুলো পানিতে প্লাবিত রয়েছে, যার ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। পুনরায় মাছ চাষের জন্য আমরা চাষীদের বিভিন্ন রকম পরামর্শ দিচ্ছি।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড়গুলোর হাত থেকে স্থলভাগকে রক্ষা করতে ঢাল হয়ে দাঁড়ায় সুন্দরবন। প্রতিবারের মতো এবারও ঢাল হয়েছিল বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী এ ম্যানগ্রোভ বনটি। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সুন্দরবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানিয়েছে বন বিভাগ। ঘূর্ণিঝড়ের পরদিন সকাল থেকে বনের অভ্যন্তরে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ শুরু করে বন কর্মীরা। একদিনে বনের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ৩৯ টি মৃত হরিণ, একটি বন্য শুকর এবং অর্ধশতাধিক আহত হরি হরিণ উদ্ধার করেছে তারা। এছাড়া বন বিভাগের বিভিন্ন অফিস, নৌযান ও গাছগাছালির ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানিয়েছে সুন্দরবন বিভাগের খুলনার বনসংরক্ষক মিহির কুমার দো।

তিনি বলেন, সুন্দরবনে এ পর্যন্ত ৩৯ টি হরিণ ও একটি বন্য শুকরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর ১৭টি হরিণ জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বন বিভাগের টহল অফিসগুলোতে টিনের চালা, জানালা-দরজা, সোলার প্যানেল, ওয়ারলেস সিস্টেম ও অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। পূর্ব বন বিভাগের কটকা অভয়ারণ্যের অফিস ঘাটের জেটি ও পুকুর বঙ্গোপসাগর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দুবলা, কটকা, কচিখালি, বগিসহ বিভিন্ন বন অফিসসহ ২৫টি টহল ফাঁড়ির রান্নাঘরসহ অবকাঠামোর টিনের চালা উড়িয়ে নিয়ে গেছে। সুন্দরবনের ৮০টি মিঠাপানির উৎস পুকুরে ৮-১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে লোনা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বনকর্মীদের পাশাপাশি প্রাণীরাও সুপেয় পানির সংকটে পড়েছে।


আরও খবর



পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদপানে গৃহবধূর মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদপান করে অসুস্থ হয়ে ঈশিতা রানী মন্ডল (২৪) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গত বুধবার (২০ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুলশানের এভার কেয়ার হাসপাতালে তিনি মারা যান।

মৃত ঈশিতা রানী মণ্ডল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গাছা থানার বাসিন্দা বিপ্লব মল্লিকের স্ত্রী। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে গাছা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

ডিএমপির গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রোজিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি গাজীপুরের গাছা থানা এলাকার। তিনি মারা গেছেন এভার কেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে। ওই থানার নারী পুলিশ কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় আমরা ডিসি স্যারের কথা মতো থানাটির পুলিশের সহযোগিতায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করি।

পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে পুরো বিষয়টি গাজীপুরের গাছা থানা তদন্ত করছে বলে জানান এসআই।

গাছা থানা সূত্রে জানা গেছে, ১৭ জুন পরিবারিক গেট-টুগেদার অনুষ্ঠানে মদপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন ঈশিতা। স্বজনরা ১৮ জুন বিকালে তাকে উত্তরার ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে রাত ৯টার দিকে তাকে ভাটারা এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

ঈশিতার স্বামী বিপ্লব মল্লিক স্টেশনারি ব্যবসায়ী। তার বাড়ি গাজীপুরের গাছা উপজেলার জামর মল্লিক গ্রামে। তার দুটি মেয়ে রয়েছে।


আরও খবর



লোকসভা নির্বাচন: ভোট গণনার প্রথম ঘণ্টায় এগিয়ে এনডিএ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতে দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা নির্বাচনী কর্মকাণ্ড শেষে চলছে ভোট গণনা। স্থানীয় সময় সকাল আটটায় (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টা) এই ভোট গণনা শুরু হয়। প্রথমে গণনা হচ্ছে পোস্টাল ব্যালটের ভোট।

এরপর একে একে খুলতে শুরু করবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন’ সংক্ষেপে ইভিএম। এদিকে ভোট গণনা শুরুর প্রথম ঘণ্টায় এগিয়ে আছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন দেশটির ক্ষমতাসীন জোট এনডিএ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির লাইভ আপডেটে এই তথ্য জানা গেছে।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ভোট গণনা শুরু হয়েছে সকাল আটটায়। প্রথম ঘণ্টার প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট এগিয়ে রয়েছে ২৭৮টি আসনে। আর বিরোধী ইন্ডিয়া’ জোট এগিয়ে ১৮৪টি আসনে।

এদিকে ভোট গণনা শুরুর পর নিজের আসনে প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বারাণসী লোকসভা আসনে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। এছাড়া অমিত শাহ, রাহুল গান্ধী ও অখিলেশ যাদবও তাদের নিজ নিজ আসনে প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম বলছে, ভারতে ছয় সপ্তাহব্যাপী ম্যারাথন নির্বাচনের পর মঙ্গলবার (৪ জুন) ভোট গণনা শুরু হয়েছে স্থানীয় সময় সকাল ৮টায়। ভোট নেওয়া হয়েছে, ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম দিয়ে, যার ফলে ভোট গণনা খুব দ্রুত শেষ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বের সব চেয়ে বড় নির্বাচন বলে পরিচিত এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ভোটার ছিলেন, যার মধ্যে ৬৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ ভোট দিয়েছেন বলে দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।

ভারতীয় সংসদের নিম্নকক্ষ ৫৪৩ আসন বিশিষ্ট লোকসভার জন্য ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। যে দল বা জোট ২৭২ বা তার বেশি আসন পাবে, তারা দেশের পরবর্তী সরকার গঠন করবে।

এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে মূলত দুটি জোটের মধ্যে- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ এবং বিরোধী কংগ্রেসের মিত্রদের নিয়ে গঠিত ইন্ডিয়া’ জোট।

এনডিএ জয়লাভ করলে মোদি টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু ইন্ডিয়া’ জোট জয়ী হলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিরোধী জোট নির্বাচনী প্রচারণার সময় কোনও নেতাকেই তাদের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী’ হিসেবে উপস্থাপন করেনি।


আরও খবর



দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলেও মিলবে জাতীয় পরিচয়পত্র: সিইসি

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশের নাগরিক প্রমাণ করতে পারলে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলেও মিলবে জাতীয় পরিচয়পত্র। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল এ কথা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে মন্ত্রণালয় থেকে দ্বৈত নাগরিকত্বের সনদ আনা অর্থহীন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১০ জুন) সকালে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় সিইসি স্বীকার করেন, জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে এখনো জালিয়াতি হচ্ছে। এতে কমিশন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আগামীতে যেন এমন ঘটনা না ঘটে, সেদিকে নজর রাখার নির্দেশনা দেন তিনি।

সিইসি জানান, জাতীয় পরিচয়পত্র এখনো ১০০ ভাগ চূড়ান্ত পর্যায়ে আসেনি। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, যারা আবেদন করেন তারা সঠিক তথ্য দেন না। একইসঙ্গে যারা তথ্য নেন তারাও সঠিকভাবে তথ্য নিবন্ধন করেন না।’


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমাল: চট্টগ্রামে দেয়াল ধসে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানাধীন চন্দ্রনগর বাজার রোডে অবস্থিত নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে সাইফুল ইসলাম হৃদয় (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ গ্রামের বাবুল হোসেনের সন্তান।

সোমবার (২৭ মে) সকাল ৮টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামী থানা সংলগ্ন টেক্সটাইল আবাসিক এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের সীমানার প্রাচীর ধসে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বায়েজিদ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কামরুজ্জামান জানান, সোমবার সকাল ৮টার দিকে বায়েজিদ থানাধীন নির্মাণাধীন ভবনের দেওয়াল ধসে এক যুবক মারা যান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা কয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়। পরবর্তীতে ঝুঁকিপূর্ণ দেয়ালের অপর অংশগুলোও ভেঙ্গে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় রেমাল প্রভাবে ভারী বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। নগরের বেশিরভাগ এলাকা ডুবে গেছে। চকবাজার, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, বাদুড়তলা, শুলকবহর, মোহাম্মদপুর, কাপাসগোলা, আগ্রাবাদ, চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ, কালারপোল, বড়পোল, হালিশহরসহ বিভিন্ন এলাকা এলাকায় রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে পানিতে। ভোগান্তিতে পড়েছে নগরবাসী।


আরও খবর