আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

যেভাবে আরাভের পরিবর্তে কারাগারে ইউসুফ

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পুলিশ কর্মকর্তা হত্যা মামলার আসামি আরাভ খান। এই নাম ছাড়াও তিনি রবিউল ইসলাম, আপন, সোহাগ, হৃদয়, ও হৃদি নামে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ ও অস্ত্র মামলাসহ অন্তত ৯টি মামলা রয়েছে। পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মামুন এমরান খান হত্যা মামলায় তিনি পলাতক আসামি। মূলত, ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান দুবাইয়ে আরাভের স্বর্ণের দোকান উদ্বোধনের ঘোষণার পর আলোচনায় আসেন তিনি। তার বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়।

তথ্যমতে, ২০১৮ সালে পুলিশ কর্মকর্তা মামুন হত্যা মামলায় আরাভ খানসহ আটজনের সংশ্লিষ্টতা পায় ডিবি। এদের মধ্যে আরাভ পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারে পাঁচ দফা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। অবশেষে ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আরাভ। কিন্তু পরে জানা যায়, আরাভ খানের পরিবর্তে জেলে যান চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আইনপুর গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে আবু ইউসুফ লিমন।

ইউসুফের আইনজীবী ও ডিবি পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলে যাওয়ার কিছুদিন পর ইউসুফ আদালতকে জানান তিনি হৃদয় (আরাভ) নন। তিনি টাকার বিনিময়ে এবং পরিবারের ভরণপোষণ চালানোর চুক্তিতে হৃদয় সেজে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। পরে বিষয়টি তদন্ত করতে ডিবিকে নির্দেশ দেন আদালত। সেই প্রতিবেদনে বেরিয়ে আসে এই ইউসুফ আসলে হৃদয় নন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইউসুফ গণমাধ্যমকে বলেন, ফেসবুক সূত্রে আরাভের সঙ্গে পরিচয়। পরে কোনো এক সময় আরাভকে ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহের কথা জানান। তখন আরাভ জানায়, দেশে আসলে সব ব্যবস্থা করে দেবে। সাকিব আল হাসানের সঙ্গেও খেলার সুযোগ করে দেবে। কিন্তু মামলার কারণে সে দেশে আসতে পারছে না।

তখন আরাভ আমাকে অনুরোধ করে তার হয়ে আদালতে গিয়ে জেলে যেতে। সে আমাকে দেড় মাসের মধ্যে জামিনে মুক্ত করবে। আমার ক্রিকেট খেলার ব্যবস্থা করে দেবে। একসময় আমি তার প্রস্তাবে রাজি হয়ে যাই। পরে পরিবারকে না জানিয়ে হৃদয় পরিচয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করি। ইউসুফ আরও বলেন, জেলে যাওয়ার পর একাধিকবার আমার জামিনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। কারাগারে এই মামলার অন্য আসামিদের সঙ্গে কথা হয়। পরে আমি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করি।

ইউসুফের বাবা নুরুজ্জামান বলেন, ইউসুফ ৩ মাস জেলে থাকার পর বিষয়টি জানতে পেরেছি। এরপর তার জামিন পেতে আরও ৬ মাস লেগেছে। মোট ৯ মাস সে জেল খেটেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৮ জুলাই রাজধানীর বনানীর একটি বাসায় গিয়ে খুন হন বিশেষ শাখার পুলিশ পরিদর্শক মামুন ইমরান খান। পরদিন তার মৃতদেহ বস্তায় ভরে গাজীপুরের উলুখোলার একটি জঙ্গলে নিয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।


আরও খবর



ইবিতে র‍্যাগিংয়ের দায়ে তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লালন শাহ্ হলের ১৩৬ নম্বর গণরুমে রাতভর বিবস্ত্র করে র‍্যাগিংয়ের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। র‌্যাগিংয়ের দায়ে তিনজনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার এবং দুজনকে সতর্ক করা হয়েছে।

রোববার (২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচএম আলী হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লালন শাহ হলের ১৩৬ নম্বর কক্ষে আল-ফিকহ অ্যান্ড লিগাল স্টাডিজ বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীকে র‍্যাগিং করায় তিনজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃতরা হলেন- ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাগর প্রামানিক, একই বিভাগের মো. উজ্জ্বল এবং শারিরীক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মুদাসসির খান কাফি।

এছাড়াও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকায় অর্থনীতি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাসিম আহমেদ মাসুম ও আইসিটি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিসনো আল আসনাওয়ীকে সতর্কীকরণ করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে বলেও হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ্ হলের ১৩৬ নম্বর গণরুমে প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে রাতভর বিবস্ত্র করে র‍্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটে। এতে সিনিয়র তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে এবং আরো দুইজনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে জানা যায়। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে অভিযোগের সত্যতা পায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরই প্রেক্ষিতে ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির ১৩তম সভায় এ বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


আরও খবর



গাজায় জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে রাজি হামাস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পরিকল্পনাকে সমর্থন করে জাতিসংঘের প্রস্তাব গ্রহণ এবং বিস্তারিত আলোচনার জন্য প্রস্তুত ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস।

মঙ্গলবার ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীটির একজন সিনিয়র কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

হামাসের সিনিয়র কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি বলেছেন, তারা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন এবং বিস্তারিত আলোচনার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন। তবে ইসরায়েল এই প্রস্তাবটি মেনে চলবে তা নিশ্চিত করতে হবে ওয়াশিংটনকে।

তিনি বলেন, গাজা থেকে ইসরায়েলি সৈন্য প্রত্যাহার এবং ইসরায়েলে জেলে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিনিময়ে গাজায় বন্দি জিম্মিদের মুক্তির শর্তও মেনে নিয়েছে হামাস।

আবু জুহরি রয়টার্সকে বলেছেন, নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব বাস্তবায়ন এবং অবিলম্বে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে দখলদারিত্বকে (ইসরায়েল) বাধ্য করাই হবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আসল পরীক্ষা।


আরও খবর



ভূমধ্যসাগর থেকে ৩৫ বাংলাদেশি উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভূমধ্যসাগরে মাল্টা ও ইতালির মধ্যকার জলসীমা থেকে সোমবার ভোরে ৩৫ বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা হয়েছে। এসওএস মেডিটারেনির মাধ্যমে পরিচালিত ওশান ভাইকিং চ্যারিটি জাহাজের তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দল তাদেরকে উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানান, তারা তিন দিন ধরে নৌকায় লিবিয়ার বেনগাজি থেকে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছেন। তাদের গন্তব্য ছিল ইতালির সিসিলি দ্বীপ।

উদ্ধার করা ব্যক্তিদের নিবন্ধন করার পর তাদের জাহাজের ডেকে একটি কনটেইনারে রাখা হয়। জাহাজটি এখন ইতালির অ্যাড্রিয়াটিক উপকূলীয় ওরতোনা বন্দরে যাচ্ছে। সেখানে পৌঁছাতে আরও দুই দিনের বেশি সময় লাগবে।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্যমতে, গত জানুয়ারি থেকে মধ্য ভূমধ্যসাগরে ৬২২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য রুটটিকে সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে।

এসওএস মেডিটারেনি জানায়, ২০১৯ সাল থেকে তারা ওশান ভাইকিংয়ের মাধ্যমে ভূমধ্যসাগর থেকে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে উদ্ধার করেছে।


আরও খবর



১০ হাজারের বেশি বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাবে যুক্তরাজ্য

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে অনেকেই যুক্তরাজ্যে আবেদন করেছিল। এদের মধ্যে যাদের আবেদন ব্যর্থ হয়েছে সেসব বাংলাদেশিকে ফাস্ট-ট্রাক (দ্রুত) পদ্ধতিতে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে দেশটি।

গত এক বছরে শুধুমাত্র স্থায়ীভাবে থাকার প্রয়াসে প্রায় ১১ হাজার বাংলাদেশি রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন জমা দিয়েছে। দেশটির গণমাধ্যম টেলিগ্রাফে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবদনে বলা হয়েছে, আশ্রয়ের আবেদন খারিজের পাশাপাশি যারা বিদেশি অপরাধী ও যাদের ভিসার বৈধ মেয়াদ অতিবাহিত হয়ে গেছে তাদেরকেও ফেরত পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো সহজ করতে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তি করেছে যুক্তরাজ্য। লন্ডনে দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তিটি হয়।

যুক্তরাজ্যের অবৈধ অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী মাইকেল টমলিনসন বলেছেন, লন্ডনে অনুষ্ঠিত স্বরাষ্ট্রবিষয়ক যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ প্রথম যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে চুক্তির ব্যাপারে দুই দেশ সম্মত হয়। ওয়ার্কিং গ্রুপে উভয় দেশ অংশীদারত্ব জোরদারে অঙ্গীকার করে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বিষয়ে সহযোগিতা জোরালো করতে প্রতিশ্রুতি দেয়।

ওয়ার্কিং গ্রুপ বিদ্যমান ভিসা রুটগুলোর মাধ্যমে বৈধ অভিবাসনের সুবিধা অব্যাহত রাখা, অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা, তথ্য ভাগাভাগি জোরদার করা, গুরুতর সংগঠিত অপরাধ মোকাবিলায় নিজ নিজ পন্থা সম্পর্কে পরস্পরের সঙ্গে বোঝাপড়া বাড়ানোর ব্যাপারেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।


আরও খবর



জমি নিয়ে বিরোধে ফুফাতো ভাইয়ের হাতে খুন

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

বাগেরহাটের কচুয়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ফুফাতো ভাইদের ছুরিকাঘাতে মশিউর রহমান হাজরা (২৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৯ মে) সকালে কচুয়া উপজেলার টেংরাখালী এলাকার হাজরাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এক বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মশিউর রহমান হাজরা উপজেলার টেংরাখালী গ্রামের প্রয়াত মাসুদ হাজরার ছেলে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত দুই ফুফাতো ভাই মো. সাব্বির (২৮) ও মো. বায়েজিদকে (২০) আটক করেছে পুলিশ। সাব্বির ও বায়েজিদ একই গ্রামের হাজরাপাড়া এলাকার ইনদাদ শেখের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, মামা বাড়ির সম্পত্তি নিয়ে ফুফাতো ভাইদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল মশিউরদের। এর জেরে বুধবার সকালে ফুফাতো ভাইদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সাড়ে ১০টার দিকে ছুরিকাঘাত করে দুই ফুফাতো ভাই। পরে স্থানীয়রা মশিউরকে উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মনি শংকর পাইক বলেন, মশিউর রহমন হাজরা নামের ওই রোগীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন তার স্বজনরা। তার ফুসফুসের বামপাশে ছুড়িকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহসীন হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মামা বাড়ির সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। অভিযুক্ত দুই ফুফাতো ভাইকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর