আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

যে পথে বাংলাদেশের সেমিফাইনাল

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

হারলেই বিদায়। জিতলে টিকে থাকবে বিশ্বকাপ স্বপ্ন। এমন ম্যাচেই অবিশ্বাস্যভাবে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দিল আফগানিস্তান। অসিদের বিপক্ষে ২১ রানের জয়ে ইতিহাস গড়ল আফগানরা। সেই সঙ্গে বাংলাদেশকেও সুখবর দিয়েছে রশিদ খানেদ দল।

আফগানদের জয়ে শেষ চারের আশা এখনও বেঁচে রইল বাংলাদেশের। চলুন দেখে নেওয়া যাক শেষ চারে যেতে কোন সমীকরণ মেলাতে হবে বাংলাদেশকে!

আফগানদের জয়ে জমে উঠেছে গ্রুপ ওয়ানের লড়াই। এই গ্রুপে ভারতের দুই জয়ে পয়েন্ট ৪। সেমির পথে এক পা বাড়িয়েই রেখেছেন রোহিতরা। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া-আফগানিস্তান দুদলের পয়েন্টই সমান দুই। এমনকি দুই দলের সামনেই শেষ চারে যাবার সুবর্ন সুযোগ।

অন্যদিকে শূন্য পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে থাকা বাংলাদেশের আশাও এখনও বেঁচে আছে। সেক্ষেত্রে সুপার এইটে নিজেদের শেষ ম্যাচে যে করেই হোক আফগানিস্তানকে হারাতেই হবে বাংলাদেশের।

আফগানদের হারালে বাংলাদেশের তাকিয়ে থাকতে হবে ভারত-অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচের দিকে। ওই ম্যাচে যদি অসিরা হেরে যায় তাহলে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তান তিন দলেরই পয়েন্ট হবে সমান দুই। সেক্ষেত্রে রান রেটে যে এগিয়ে থাকবে সে যাবে ভারতের সঙ্গে সেমিতে। সে জন্য নিজেদের আশা বাঁচাতে যে করেই হোক আফগানদের বিপক্ষে বিশাল ব্যবধানেই জিততে হবে বাংলাদেশকে। কারণ নেট রান রেটে আফগানিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া থেকে পিছিয়ে সবার নিচে আছে বাংলাদেশ। তাই বড় ব্যবধানে জিতলেই কেবল সমীকরণ মিলিয়ে শেষ চারে যেতে পারবে বাংলাদেশ। আপাতদৃষ্টিতে যা কঠিন হলেও ক্রিকেটের সবুজ গালিচায় অসম্ভব কিছু নয়। বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ ২৫ জুন, বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়!


আরও খবর



‘হাইপ্রোফাইল’ কয়েকজন প্রশ্নফাঁসকারীর নাম জানা গেছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বড় একটি চক্র বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ক্যাডার, নন-ক্যাডার পরীক্ষাসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস করত। রাজধানীসহ দেশব্যাপী রয়েছে এই চক্রের বিস্তার। ফাঁস হয়েছে মেডিক্যাল ও নার্সিংয়ের প্রশ্নপত্রও। পিএসসির সাবেক গাড়ি চালক সৈয়দ আবেদ আলীর সঙ্গে প্রশ্নফাঁসে জড়িত এক চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে ১০ কোটি টাকার চেকসহ মঙ্গলবার (৯ জুলাই) আটক করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রশ্নপত্র ফাঁসের এই চক্রের আরও আটজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এতে হাইপ্রোফাইল কয়েকজন প্রশ্নফাঁসকারীর নামও জানা গেছে।

সৈয়দ আবেদ আলী জড়িত ছিলেন নগদ লেনদেন ও চাকরি প্রার্থী সংগ্রহের কাজে। পিএসসির সাবেক মেম্বার মাহফুজুর রহমান ছিলেন গাড়ি চালক আবেদ আলীর গুরু। পিএসসির কোনো নিয়োগ পরীক্ষা এলেই এই চক্রের সদস্যরা প্রশ্নপত্র ফাঁস করে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিতেন। গত ৫ জুলাই অনুষ্ঠিত রেলওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করেন তারা। চক্রের সদস্যরা ওই পরীক্ষার আগের রাতে তাদের চুক্তি করা শিক্ষার্থীদের বাসায় রেখে ওই প্রশ্নপত্র ও তার উত্তর দিয়ে দেন। তদন্তে এখন পর্যন্ত আরও অনেকের নাম সামনে এসেছে। হাইপ্রোফাইল কিছু নামও পাওয়া গেছে। সেসব তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনবে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

একইসঙ্গে সৈয়দ আবেদ আলীর হাত ধরে যারা বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন, তাদের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। ২০১০ সালে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে আবেদ আলীর সম্পৃক্ততা পায় একটি গোয়েন্দা সংস্থা। তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়, তিনি স্বীকারও করেছিলেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসে কারা জড়িত, অন্যান্য প্রশ্নপত্র কীভাবে ফাঁস করা হয় সেই তথ্যও তিনি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে দেন। ওই সময় এই ঘটনায় আবেদ আলীসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তখন বিষয়টি পিএসসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হয়। সে সময় আবেদ আলী পিএসসির চেয়ারম্যানের কাছে অঙ্গীকার করেন যে, আর কখনো প্রশ্নফাঁস করবেন না। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ওই সময়ের চেয়ারম্যান পিএসসির আবেদ আলীসহ যে কয়জন কর্মকর্তা জড়িত ছিলেন তাদের চাকরিচ্যুত করেন। ২০১১ সালে শেরে বাংলা নগর থানায় আবেদ আলীসহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় বিজি প্রেসেরও দুইজন কর্মকর্তা আসামি ছিলেন। ২০১৪ সালে বিচার কার্যক্রম শুরু হলে তখন মাত্র দুই জন সাক্ষীর জবানবন্দির গ্রহণ করা হয়। বর্তমান মামলাটি বিচারাধীন।

কিন্তু চাকরিচ্যুত হওয়ার পর আবেদ আলী প্রশ্নফাঁসের কাজটি পুরাদমে শুরু করেন। কয়েক শত কোটি টাকার মালিক হয়ে যান। তার সঙ্গে বড় একটি গ্রুপ জড়িত। ওই সময় ভর্তি পরীক্ষার এই প্রশ্নগুলো বিজিপ্রেসের যারা টাইপ করতো, সেখানে ছিল আবেদ আলীর লোক। তারা প্রশ্নগুলো মুখস্থ করে ফেলতো। তারা সবাই মিলে প্রশ্নফাঁস করতো। তারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করে বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে পাঠাতো। সেই কোচিং সেন্টারগুলোও শনাক্ত করে গোয়েন্দা সংস্থা। তবে এদের পেছনে নেপথ্যের শক্তি এতো শক্তিশালী ছিল যে, তাদের কিছুই করা যায়নি।

ওই সময় বিজি প্রেসের একজন উপ-পরিচালকও প্রশ্নপত্র ফাঁসের হোতা ছিলেন। তার সঙ্গে সম্পর্ক আবেদ আলীর। তার দেওয়া ফাঁস হওয়া প্রশ্নে যারা বিসিএস ক্যাডার ও নন-ক্যাডার হয়েছেন, তাদেরকে অনেকেই আবেদ ক্যাডার হিসেবে ডাকছেন। আর এই আবেদ ক্যাডাররা আবেদ আলীকে রক্ষা করতে মরিয়া। তারা আবেদ আলী রক্ষা কমিটির মতো কাজ করছে। এমন তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে। কারণ আবেদ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, কারা কারা প্রশ্নফাঁসে উত্তীর্ণ হয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন, তাদের নাম বলে দেবে। এই আশংকা অনেকে করছেন। সকল বিসিএস ক্যাডারে আবেদ আলীর লোক রয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে তাকে বাঁচানোর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আবেদ আলীর ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এতে অনেকে বিব্রত বোধ করছেন।

এদিকে আবেদ আলীর প্রশ্নফাঁসে যারা প্রশাসনে ঢুকেছে তারা দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় লিপ্ত। তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনারও কাজ চলছে। পিএসসির সাবেক মেম্বার মাহফুজুর রহমান প্রশ্নপত্র ফাঁসের মূল হোতা। মক্কেল যোগাড় করেছেন নিজের গাড়ির চালক আবেদ আলীকে দিয়ে। পূর্বে পিএসসির দায়িত্বপ্রাপ্ত একাধিক চেয়ারম্যান বলেন, আবেদ আলীকে সবাই সমীহ করে চলতো এবং ভয়ও পেত।

অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিএসসির মাধ্যমে মেধাসম্পন্ন অফিসার চাকরিতে প্রবেশ করে। মেধাবীরা উত্তীর্ণ হয়ে প্রশাসনে যাবে। কিন্তু ফাঁস হওয়া প্রশ্নে কেউ ডাক্তার হলে, সে কি ধরনের ডাক্তার হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রশাসনে গেলে ভালো প্রশাসক হবে না। যে শিক্ষকতায় গেছে, সে ভালো শিক্ষক হবে না। স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের মূলে থাকা মাহফুজুরকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন বলে দুই অপরাধ বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন। তাদের মতে, কত হাজার নিয়োগ পেয়েছে, সেটা যাচাই করতে হবে।

দুর্নীতিবাজদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য তালিকা করে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে দেওয়া হবে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




আন্দোলনকারীদের ধৈর্য ধরতে বললেন ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের ওপর স্থিতাদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এর পরও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার যৌক্তিকতা নেই বলে মনে করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আন্দোলনকারীদেরকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে, এ ধরনের সব কর্মসূচি পরিহার করে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানাই।

শুক্রবার (১৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের এই আদেশের পরে হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের কোনো কার্যকারিতা বর্তমানে নেই। এর পরও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলমান থাকার যৌক্তিকতা নেই।

এই আন্দোলনের ওপর মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে। শিক্ষার্থীরা কার বিপক্ষে আন্দোলন করবে? সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশ তো তাদের পক্ষেই আছে। এর পরে আন্দোলন চলমান থাকা প্রমাণ করে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোনো গোষ্ঠী বা মহল এই আন্দোলনে উস্কানি দিচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলন চলমান রাখলে সাধারণ জনগণের ভোগান্তি বাড়বে, উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। জনগণ এই আন্দোলনের কাছে জিম্মি হয়ে পড়লে তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর তারা আস্থাহীন হয়ে পড়বে।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, একটি চিহ্নিত রাজনৈতিক মহল শিক্ষার্থী ও জনগণের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে ফায়দা লোটার অপচেষ্টা করছে। আমরা বিশ্বাস করি না, কোমলমতি সকল শিক্ষার্থী দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করতে চায়। শুধু যারা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তারাই আদালতের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে। 

তিনি বলেন, যে কোনো আন্দোলন হলেই বিএনপি-জামায়াত ও তাদের দোসররা সেটাকে হাতিয়ার করে ক্ষমতায় যাওয়ার দুঃস্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়ে। এখন তারা কোটা আন্দোলনের ওপর ভর করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কারণ, তাদের ওপর জনগণের কোনো আস্থা নেই। তারা যখন ক্ষমতায় ছিল দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাস ও উগ্র-জঙ্গিবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির নেতা দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক রহমান হাওয়া ভবন খুলে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল। হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে অবৈধভাবে পাচার করে লন্ডনে বিলাসী জীবনযাপন করছে। দেশের সাধারণ জনগণের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। এই দুর্নীতিবাজ নেতৃত্বের অপরাজনীতির কারণেই বার বার জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বিএনপি। সরকারবিরোধী কোনো আন্দোলনেই তারা সফল হতে পারেনি। তাই, যখনই অরাজনৈতিক আন্দোলন সংগঠিত হয়, সেটাকে পুঁজি করে রাজনীতি করার অপচেষ্টা করে বিএনপি।

দেশের মানুষের যৌক্তিক দাবির প্রতি আওয়ামী লীগ সর্বদা আন্তরিক, দাবি করে দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, কোনো যৌক্তিক দাবি কখনোই আওয়ামী লীগের কাছে উপেক্ষিত হয়নি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সব সময় জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি জনকল্যাণকর উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে।

তরুণ শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা কারো রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহারের শিকার হবেন না। চূড়ান্ত শুনানিতে আন্দোলনকারীদের পক্ষের আইনজীবীর আরও যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত চূড়ান্ত শুনানির মাধ্যমে এ বিষয় নিষ্পত্তি করবেন। আদালত আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অসন্তোষের বিষয়সমূহ চূড়ান্ত শুনানিকালে আমলে নিয়ে বাস্তবসম্মত চূড়ান্ত রায় প্রদান করবেন এবং বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে।


আরও খবর
ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




আর্জেন্টিনার কাছে হেরে যাওয়ায় ইকুয়েডর কোচকে বরখাস্ত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে চাকরি খুইয়েছেন ইকুয়েডর কোচ ফেলিক্স সানচেজ। তাকে বরখাস্ত করেছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন (এফইএফ)। আজ লিওনেল মেসিদের বিপক্ষে খেলার মূল সময়ে ১-১ গোলে সমতা ধরে রাখলেও টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে হেরে যায় ইকুয়েডর ।

এফইএফ বিবৃতিতে বলেছে, এফইএফ জানাচ্ছে, আজ ফেলিক্স সানচেজের সম্মতির ভিত্তিতে তার সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক সম্পর্কের ইতি টানার ব্যাপারে ঐক্যমতে পৌছানো গেছে। ফেলিক্স এবং তার কোচিং স্টাফের পেশাদারত্ব ও কাজের জন্য ধন্যবাদ জানাই এবং ভবিষ্যতে তাদের সাফল্য কামনা করি।

গত বছরের মার্চে ৪ বছরের চুক্তিতে সানচেজকে কোচ হিসেবে নিয়োগ করে এফইএফ। এক বছরের বেশি কিছু সময় দায়িত্ব পালনের পরই চাকরি হারাতে হলো তাকে। ২০১৯ সালে কাতারকে প্রথমবারের মতো এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপ ট্রফিতে জায়গা করে দিয়েছিলেন স্প্যানিশ এই কোচ।

নিউজ ট্যাগ: ফেলিক্স সানচেজ

আরও খবর



সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাভার প্রতিনিধি

Image

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) এবারই প্রথম ঘোষণা করা হলো শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি। এর আগে ২০১৮ সালের মার্চে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক নির্বাচনের মাধ্যমে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট গণ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। যার মেয়াদ ছিল ২০২১ সাল পর্যন্ত।

রোববার (১৪ জুলাই) ওপূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা করা হয়। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় ধামরাই বরাত সেন্টারে সাবেক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করা হয়। এতে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র বর্তমান ধামরাই উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল রানা সভাপতি এবং ধামরাই থানার এস.আই. আতাউল্লাহ খান বাবু সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়। নবগঠিত এই কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকবে ১৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আবুল হোসেন বলেন, আমি সকালে জেনেছি এবং কমিটির তালিকা হাতে পেয়েছি। তার আগে অবগত ছিলাম না। যেহেতু এটা শিক্ষার্থীদের সংগঠন, সেহেতু এখানে আমাদের কোনো ভূমিকা বা মন্তব্য করার কিছু নেই।

কমিটির নবনির্বাচিত তথ্য বিষয়ক সম্পাদক গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব  বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক মেধাবী ছাত্র ও দেশ বায়োটেক মেডিকেল ইকুইপমেন্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অনুজী বিজ্ঞানী তানভীর আহমেদ বলেন, গত এক যুগ ধরে বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছি আমি। আন্তর্জাতিক মানের মেডিকেল ইকুপমেন্ট কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছি যার মাধ্যমে দেশের অসংখ্য স্বনামধন্য হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মেডিকেল ইকুপমেন্ট সরবরাহ সেবা নিশ্চিত করছি। শিক্ষাকালীন সময়ে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে আমার বেশ কিছু রিসার্চ পাবলিকেশন প্রকাশ করেছে যা আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য হয়েছে। আধুনিক অনুজীব বিজ্ঞানের স্বাস্থ্য খাতে সঠিক ব্যবহার এবং অনুজীব বিজ্ঞান বিষয়ক সর্বাধুনিক যন্ত্রাদি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবায় ক্রমান্বয়ে যুক্ত করে যাচ্ছি। আমার এইসকল অর্জনের পিছনে পুরটা অবদান আমার শিক্ষাপীঠ গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের। আজ সাবেক ছাত্রছাত্রীদের সমর্থনে আমার প্রিয় সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছি, যা আমার জন্য গর্ভের। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে আমার পুরোটা দিয়ে এবং নিষ্ঠার সাথে অর্পিত এই দায়িত্ব পালন করবো।

তিন বছর মেয়াদি এই কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আরিফুল হক তাপস ঠাকুর, মইনুল হোসেন ভূঁইয়া, আবুল বাশার রনি, আসিফ আল আজাদ, যুগ্ম-সম্পাদক শেখ সুমন ইসলাম আবুল, ভিপি শামিম হোসেন।

নতুন কমিটির সভাপতি জুয়েল রানা জানান, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রয়োজনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যথাযথভাবে কাজ করতে হয়। তাই এলামনাই এসোসিয়েশনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে সাবেকদের উপস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নতির বিষয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে আমরা প্রতিশ্রুত।


আরও খবর



বাড্ডা-রামপুরায় পুলিশ ও শিক্ষার্থীর সংঘর্ষে নিহত ১

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাড্ডা-রামপুরায় পুলিশ ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আশংকাজনক অবস্থায় তাকে ফরাজি হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের নাম দুলাল মাতবর। তিনি পেশায় ড্রাইভার। সংঘাতের সময় তিনি একটি হাইএস গাড়ি চালিয়ে ওই এলাকা পার হচ্ছিলেন।

হাসপাতালের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রুবেল গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতের মরদেহে বুকের কাছে একটি গোল ক্ষত চিহ্নিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে এটি বুলেটের ক্ষত কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

রুবেল জানান, আহত হয়ে হাসপাতালে প্রায় ১০০ জন পুলিশ ও শিক্ষার্থী এসেছেন। তাদের চিকিৎসা দিতে হাসপাতালের কর্মীরা হিমশিম খাচ্ছেন।


আরও খবর