আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

যে ৫ খাবার ভুলেও প্রেশার কুকারে রাঁধবেন না

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রেশার কুকারে অনেক তাড়াতাড়ি রান্না হয়। তবে কয়েকটি জিনিস প্রেশারে না রান্না করাই ভাল।

সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে গিয়েছে। এ দিকে অফিসে বেরোনোর তাড়াও রয়েছে। এই পরিস্থিতি বেশি কিছু রান্না করার সময়ও থাকে না। তখন ভরসা প্রেশার কুকার। পেট ভরাতে চটজলদি কিছু একটা বানিয়ে ফেলতে প্রেশার কুকার ছাড়া উপায় নেই। চাল, ডাল, নুন, তেল, হলুদ একসঙ্গে দিয়ে চাপিয়ে দিলেই তৈরি হয়ে যায় খিচুড়ি বা ওই জাতীয় বহু পদ। তবে অনেক খাবার আছে যেগুলি প্রেশার কুকারে রান্না করা একেবারেই ঠিক নয়। এতে সেই খাবারগুলির পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।

কোন ধরনের খাবার প্রেশার কুকারে রান্না করবেন না?

১) দুগ্ধজাত খাবার:

দুধ দিয়ে তৈরি কোনও খাবার প্রেশার কুকারে রান্না না করাই ভাল। প্রেশার কুকারে রান্না করলে তার স্বাদও ঠিক থাকে না। যাবতীয় পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।

২) ডিম:

তাড়াহুড়োয় অনেকেই ডিম প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে নেন। ডিম সেদ্ধ করতে গিয়ে বেশি তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়। তাই ডিম খোলা পাত্রে সেদ্ধ করাই সবচেয়ে ভাল। এতে ডিম ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। ডিম সেদ্ধ হল কি না তা বুঝতেও প্রেশার কুকারের চেয়ে বড় কোনও পাত্র ব্যবহার করাই ভাল।

৩) শাকসব্জি:

সব্জির মধ্যে অনেক পুষ্টিগুণ থাকে। সেই জন্যেই প্রেশার কুকারে রান্না করা উচিত নয়। এতে সব্জিতে থাকা ভিটামিন, খনিজ, এবং অন্যান্য পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। শাকসব্জি সব সময় কড়াইতে রান্না করাই ভাল। দেরি হলেও স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বজায় থাকবে।

৪) ভাত:

তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে বলে অনেকেই ভাতও প্রেশারে রান্না করেন। প্রেশার কুকারে রান্না করা ভাত শরীরের পক্ষে একেবারেই ভাল নয়। প্রেশার কুকারে ভাত রাঁধলে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।। এতে ফ্যান ঝরানো যায় না। ফ্যান ভাতের সঙ্গেই মিশে থাকে। এর ফলে ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৫) মাছ:

 মাছ এমনিতে খুব তাড়াতাড়ি রান্না হয়ে যায়। প্রেশারে মাছ রাঁধলে বেশি সেদ্ধ হয়ে যায়। মাছ বেশি সেদ্ধ হলে স্বাদও চলে যায়। নষ্ট হয়ে যায় পুষ্টিগুণও। তাই মাছ রান্না করুন কড়াইয়ে।

এই খাবারগুলো এখন থেকে আর প্রেশার কুকারে রান্না করবেন না। দ্রুত ডাল বা মাংস সেদ্ধ করতে এটি ব্যবহার করতে পারেন। 


আরও খবর



পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ মে 2০২2 | ৬০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (৩ মে) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির পক্ষ থেকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবার ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায়। করোনার কারণে দুই বছর বন্ধ থাকার পর এবার এখানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে বৈরী আবহাওয়া থাকলে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



বরিশালে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বরিশালের মুলাদীতে পুকুরের পানিতে ডুবে একই বাড়ির দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে মুলাদী উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ চরডাকাতিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দুই শিশুকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

পানিতে ডুবে মারা যাওয়া ওই দুই শিশুর নাম আরিয়ান ও শারিকা। তাদের বয়স আড়াই বছর। সম্পর্কে তারা চাচাতো ভাই-বোন।

মুলাদী থানার উপ-পরিদর্শক মো. ইউসুফ জানান, বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরডাকাতিয়া গ্রামের জব্বার খানের মেয়ে শারিকা এবং তার ভাই সুমন খানের ছেলে আরিয়ান বাড়ির সামনে উঠানে খেলা করছিল। এর মধ্যে বাড়ির সবার অগোচরে তারা উঠানের পাশের পুকুরে নামে। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সবাই তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেও কোথাও সন্ধান পাননি। এরপর পুকুরে নেমে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে ডুবে যাওয়া দুই শিশুকে উদ্ধার করেন। এরপর তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

একই পরিবারের দুই শিশুর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে ওই পরিবারসহ পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলে জানান উপ-পরিদর্শক মো. ইউসুফ।

দুই নাতির মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ শারিকা ও আরিয়ানের দাদা বাবুল খান। আর্তনাদ করতে করতে তিনি বলেন, ‌দুই ভাই-বোন অল্প সময়ের মধ্যেই খেলতে খেলতে চোখের আড়াল হয়ে যাবে বুঝতে পারিনি। কখন যে পুকুরে নেমেছে আমরা কেউ খেয়াল করিনি। বুকটা খালি খালি লাগে।


আরও খবর



করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর জানাল উত্তর কোরিয়া

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৫২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম কোনও নাগরিকের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছে উত্তর কোরিয়া। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আরও লাখ লাখ মানুষ জ্বর উপসর্গে ভুগছেন।

শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ছয় ব্যক্তি জ্বরে ভুগে মারা গেছেন। এর মধ্যে একজনের ওমিক্রন শনাক্ত হয়। এতে বলা হয়, জ্বরে ভোগা এক লাখ ৮৭ হাজার মানুষকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা চলছে।

বিশেষজ্ঞদের বিশ্বাস অনেক আগে থেকেই উত্তর কোরিয়ায় করোনাভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে তবে দেশটির কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার প্রথম আক্রান্ত শনাক্তের খবর দেয়। তারা জানায় রাজধানীতে পিয়ংইয়ংয়ে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। লকডাউনের ঘোষণাও দেওয়া হয়। তবে আক্রান্তের সুনির্দিষ্ট কোনও সংখ্যা জানানো হয়নি।

তবে শুক্রবার রাষ্ট্রীয় কেসিএনএ বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, সংক্রমণ রাজধানীর বাইরেও ছড়িয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এপ্রিলের শেষ দিক থেকে সারা দেশে কোনও কারণ ছাড়াই জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে।’

কেসিএনএ জানিয়েছে, প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের জ্বরের লক্ষণ দেখা গেছে। তবে সুনির্দিষ্টভাবে কত জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে তা জানানো হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশজুড়ে জ্বর ছড়িয়ে পড়া স্বীকার করাসহ রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের সবশেষ তথ্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে যে, দেশটিতে সংক্রমণ এমনভাবে ছড়িয়েছে যা তারা আগে কখনো প্রত্যক্ষ করেনি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং ভ্যাকসিন কর্মসূচির অভাবে উত্তর কোরিয়ার আড়াই কোটি মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। গত বছর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উত্তর কোরিয়াকে অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং চীনের তৈরি লাখ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দিতে চাইলেও তা প্রত্যাখ্যান করে পিয়ংইয়ং। এর বদলে তারা দাবি করে ২০২০ সালের জানুয়ারির শুরু থেকে সীমান্ত বন্ধ রেখে করোনা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে তারা।

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া এবং চীনের স্থল সীমান্ত রয়েছে। উভয় দেশেই করোনা মারাত্মকভাবে সংক্রমিত হয়েছে। চীন বর্তমানে বড় বড় শহর লকডাউনে রেখে ওমিক্রন ঢেউ সামলানোর চেষ্টা করছে।


আরও খবর



অর্থ আত্মসাৎ-পাচার : ডেসটিনির এক মামলার রায় আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীনসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে করা অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলার রায় বৃহস্পতিবার (১২ মে) ঘোষণা করা হবে। বেলা ১১টার দিকে ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করবেন। রায়ে সব আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছরের কারাদণ্ড আশা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অন্যদিকে আসামিপক্ষ বলছে, দুদক অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি। তাই আসামিরা রায়ে খালাস পাবেন।

দুদকের আইনজীবী মীর আহম্মেদ সালাম জাগো নিউজকে বলেন, ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় বৃহস্পতিবার হবে। আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণে আমরা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। যে ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তার সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছরের কারাদণ্ড। রায়ে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছি।

এর আগে রোববার (২৭ মার্চ) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১২ মে দিন ধার্য করেছিলেন।

মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ আসামি ৪৬ জন। তাদের মধ্যে জামিনে রয়েছেন লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম, লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, মিসেস জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল। কারাগারে আছেন এমডি রফিকুল আমীন ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন। অন্য ৩৯ আসামি পলাতক।

পলাতক আসামিরা হলেন- ডেসটিনির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ফারাহ দীবা, সাঈদ-উর-রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, জমশেদ আরা চৌধুরী, ইরফান আহমেদ, শেখ তৈয়বুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এসএম আহসানুল কবির, জুবায়ের হোসেন, মোসাদ্দেক আলী খান, আবদুল মান্নান, আবুল কালাম আজাদ, আজাদ রহমান, মো. আকবর হোসেন সুমন, মো. সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মো. মজিবুর রহমান, ড. এম হায়দারুজ্জামান, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, মো. শফিউল ইসলাম, ওমর ফারুক, সিকদার কবিরুল ইসলাম, মো. ফিরোজ আলম, সুনীল বরণ কর্মকার ওরফে এসবি কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান তপন, মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খান, এসএম আহসানুল কবির (বিপ্লব), এএইচএম আতাউর রহমান রেজা, গোলাম কিবরিয়া মিল্টন, মো. আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, একেএম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. শফিকুল হক।

দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে মামলা দুটি করেছিলেন।

এরপর ২০১৪ সালের ৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মোজাহার আলী সরদার। এতে ডেসটিনির গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায়ই আসামি হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ প্রোজেক্টের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়ে। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।

ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রোজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা করা হয় আত্মসাৎ। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল নাম সর্বস্ব। আসামিরা প্রথমে প্রোজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন। তারপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে তা স্থানান্তর করা হতো। দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এমন ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পায়, যেগুলো পরে জব্দ করা হয়।


আরও খবর



বজ্রপাতে নেত্রকোণায় কিশোরসহ ২ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ২৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নেত্রকোণায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে এক কিশোরসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৮ মে) সন্ধ্যার আগে জেলার খালিয়াজুরী উপজেলার সাতগাঁও হাওরে ও একই উপজেলার রানিচাপুর গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন, মামুন মিয়া (১৪) ও কৃষি শ্রমিক জাকারুল মিয়া (৩৫)। কিশোর মামুন উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের রানিচাপুর গ্রামের মাসুদ মিয়ার ছেলে ও শ্রমিক জাকারুল জেলার আটপাড়া উপজেলার তেলিগাতী ইউনিয়নের ইকরাটিয়া গ্রামের আক্কেল আলীর ছেলে। তিনি খালিয়াজুরী উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে থেকে ধান কাটার কাজ করতেন।

খালিয়াজুরী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি জানান, জাকারুলসহ কয়েকজন শ্রমিক সাতগাঁও হাওরে ধান কাটছিলেন। সন্ধ্যার আগে তারা মাথায় করে ধানের বোঝা বহন করে নিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ বজ্রপাতে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান। একই সময় কিশোর মামুন মাঠে শুকাতে দেওয়া ধান তোলার কাজ করছিল। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়। পরে স্বজনরা তাকে নিয়ে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে রাতে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।


আরও খবর