আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ভূমিকম্পে কুবিতে সব আবাসিক হলের দেয়ালে ফাটল

প্রকাশিত:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | অনলাইন সংস্করণ
Image

কুবি প্রতিনিধি

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানা ৫ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) সবক'টি আবাসিক হলের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হলেও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে শিক্ষার্থীদের মাঝে। শনিবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের দক্ষিণ ব্লকের দুই করিডরের মাঝের সংযোগস্থলে পুরো পাঁচতলাব্যাপী, একই হলের দ্বিতীয় ও পঞ্চম তলা, নতুন ও পুরাতন ব্লকের সংযোগস্থল, কাজী নজরুল ইসলাম হলের দোতলা, নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হলের ছাদ এবং চতুর্থ ও পঞ্চম তলা, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের পঞ্চম তলা ও নবনির্মিত শেখ হাসিনা হলের রিডিং রুমে ফাটল দেখা দিয়েছে। এসব ফাটলের কোথাও স্থায়ীভাবে চিড় ধরা দিয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

আব্দুর রহমান নামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, ভূমিকম্প আর কিছুক্ষণ স্থায়ী হলেই বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। মাত্র ৫ মাত্রার ভূমিকম্পেই সবগুলো ভবন যেভাবে দুলে উঠেছে, ৬ বা ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে সকল ভবন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে মনে হয়।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী এসএম শহিদুল হাসান বলেন, ভূমিকম্পে যেসব ভবনে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ নয়। কারণ এই ভবনগুলোর দেয়াল এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ভূমিকম্প হলে মূল কাঠামোতে সরাসরি প্রভাব পড়ার আগেই দেয়ালে প্রভাব পড়বে এবং ঝাঁকুনিটা দেয়ালেই লাগবে।

হলগুলোর প্রাধ্যক্ষরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি।


আরও খবর



তরুণ প্রজন্ম কখনো অপশক্তির কাছে মাথা নত করবে না: ঢাবি উপাচার্য

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেছেন, তরুণ প্রজন্ম কখনো অপশক্তির কাছে মাথা নত করবে না। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহীদ মিনারে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, একুশ মানেই মাথা নত না করা। সেটাই তরুণ প্রজন্মের কাছে আমাদের প্রত্যয়। আমরাও প্রত্যাশা করবো, আমাদের সভ্যতা, সংস্কৃতি ও সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য তরুণ প্রজন্ম উদ্বুদ্ধ হবে। তারা কখনো অপশক্তির কাছে মাথা নত করবে না।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা সামগ্রিকভাবে ডিজিটালাইজেশন করার পথে অগ্রগতি হচ্ছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা ভাষার সকল কার্যক্রম ডিজিটাল লাইজেশন করার কাজ শুরু করেছি। অফিস থেকে সকল কার্যক্রম মাতৃভাষায় পরিচালনা করছি। তরুণ প্রজন্মের কাছে আমাদের আহ্বান থাকবে অন্য ভাষার প্রতি যেন শ্রদ্ধা থাকে।


আরও খবর



জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়নের দায়ে বরখাস্ত শিক্ষক জনি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান জনিকে বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও সিন্ডিকেট সচিব আবু হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কর্তৃক গঠিত স্ট্রাকচার্ড কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন বিবেচনা করে মাহমুদুর রহমান জনিকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর মাহমুদুর রহমান জনি ও একই বিভাগে সেসময় সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রভাষক আনিকা বুশরা বৈচির একটি অন্তরঙ্গ ছবি (সেলফি) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে পোস্টারিং করা হয়।

একইসঙ্গে বিভাগের শিক্ষক পদে আবেদনকারী ৪৩ ব্যাচের আরেক ছাত্রীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ কথাবার্তার অডিও প্রকাশ্যে আসে জনির বিরুদ্ধে। যেখানে মাহমুদুর রহমান জনি ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর কথা শোনা যায়। এছাড়া, জনির সঙ্গে ছাত্রলীগের একাধিক নেত্রীর অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং অশালীন চ্যাটিংয়ের ছবি ও তথ্য উঠে আসে।

সর্বশেষ ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কুরিয়ারযোগে সাংবাদিকদের কাছে উপাচার্যকে গালিগালাজ করার অডিও ক্লিপ সম্বলিত একটি ভিডিও, দায়মুক্তিপত্র প্রত্যাহার সংক্রান্ত আবেদনপত্র ও একটি উড়োচিঠি আসে। সেখানে ৫২ সেকেন্ডের অডিও ক্লিপে মাহমুদুর রহমান জনিকে বলতে শোনা যায়, বাট ইউ ফরগেট, আই ওয়াজ ওয়ন্স আপন এ টাইম, আই ওয়াজ দ্য এক্স প্রেসিডেন্ট অফ বিএসএল-জেইউ। আমি হয়তো ধরা খাবো, ধরা খাবো না এমন বলছি না। কিন্তু ধরা খাওয়র আগে আমি চার-পাঁচটা মুখ শেষ করে দেবো।


আরও খবর



হিংসায় জ্বলছে সন্দেশখালি, এক্স হ্যান্ডলে সরব নুসরাত

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

জমি, ভেড়ি দখল! নারী নির্যাতন! একের পর এক নালিশের পাহাড়! গত ৫২ দিন ধরে শিরোনামে সন্দেশখালি। গ্রামবাসীদের ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে গ্রামের পর গ্রাম। অশান্তি নিয়ে ফের মুখ খুললেন তারকা সাংসদ নুসরাত জাহান।

এক্স হ্যান্ডলে নুসরাত লেখেন, একজন মহিলা এবং জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমি সবসময় আমার দলের নির্দেশিকা মেনেই চলি। এবং জনসেবা করারই চেষ্টা করি। সন্দেশখালিতে ইতিমধ্যে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সাধারণ মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনাও করা হয়েছে। আমরা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নই। সুসময় কিংবা দুঃসময়, আমি আমার সংসদীয় এলাকার মানুষদের সঙ্গে আছি। আমি বিশ্বাস করি রাজ্য সরকার এবং প্রশাসনের উপর সকলের বিশ্বাস রয়েছে। যেটা ভুল তার নিন্দা অবশ্যই করুন। তবে আমাদের একে অপরকে নিশানা করা ঠিক নয়। আসুন সকলে মিলে শান্তি ফেরানোর চেষ্টা করি। শান্তি ফেরানো এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। বাকি কে কি বলল কিছু যায় আসে না। আমি আগেও বলেছি, আবার বলছি রাজনীতি করবেন না।

প্রসঙ্গত, গত ৫ জানুয়ারি তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের খোঁজে সন্দেশখালিতে হানা দেয় ইডি। তৃণমূল নেতার দেখা মেলেনি। বাড়িতে তল্লাশিও করতে পারেননি আধিকারিকরা। হামলার শিকার হন তারা। অভিযোগ, শাহজাহানের নির্দেশেই হামলার শিকার হন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। তার পর থেকেই ফাঁকা সাম্রাজ্য। ফেরার তৃণমূল নেতা। তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে ফুঁসছেন গ্রামবাসীরা। ক্ষোভের আগুন দফায় দফায় জ্বলছে সন্দেশখালির একের পর এক গ্রাম। তা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।

অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে সন্দেশখালিমুখী সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি প্রতিনিধি দল। যদিও পুলিশি বাধায় কেউই গ্রামে ঢুকতে পারেননি। তবে বেড়মজুর গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক এবং সুজিত বসুরা। তা সত্ত্বেও গ্রামে দেখা মেলেনি বসিরহাটের সাংসদ নুসরাত জাহানের। এত অশান্তির পরেও সাংসদ কোথায়, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্নও উঠতে শুরু করে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি নীরবতা ভেঙে সন্দেশখালি কাণ্ডে মুখ খোলেন নুসরাত। তার ঠিক ১৩ দিনের মাথায় আবারও সন্দেশখালি ইস্যুতে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট তারকা সাংসদের।


আরও খবর
ফের বিয়ে করছেন অনুপম রায়, পাত্রী কে?

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দৌলতপুরে তিন সাংবাদিকের ওপর হামলা, ক্যামেরা ভাঙচুর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

Image

তথ্য সংগ্রহে গিয়ে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন তিন সাংবাদিক। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের সিরাজনগরে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন চ্যানেল-২৪ এর কুষ্টিয়ার স্টাফ রিপোর্টার শরীফ বিশ্বাস, ক্যামেরাপার্সন এসআই সুমন ও স্থানীয় সাংবাদিক বিদ্যুৎ হোসেন। হামলাকারীরা লাঠি দিয়ে তাদের মারধর করে এবং তাদের ক্যামেরা ভেঙে ফেলে। এ সময় প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে দৌলতপুর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আহত সাংবাদিক ও স্থানীয়রা জানান, দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামের কামাল হোসেন চাচা আহসানুল হাবীব মোল্লাকে বাবা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অ্যাডমিন ক্যাডারে চাকরি পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

এ বিষয়ে সরেজমিনে খোঁজখবর নিতে আজ দুপুরে সিরাজনগরে যান চ্যানেল ২৪ এর কুষ্টিয়ার স্টাফ রিপোর্টার শরীফ বিশ্বাস তার ক্যামেরাপার্সন সুমন ও স্থানীয় সাংবাদিক বিদ্যুৎ হোসেন। এদিকে বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় বাচ্চুর নেতৃত্বে ৮/১০ জন সন্ত্রাসী তাদের ওপর হামলা করে। সে সময় প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাদের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখার পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে দৌলতপুর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আহত সাংবাদিক শরীফ বিশ্বাস বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাসীরা আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। কাঠের চলা ও লাঠি দিয়ে পেটানো হয়েছে। ক্যামেরা ভাঙচুর অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, মৌখিকভাবে শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বৃহস্পতিবার কক্সবাজার দিয়ে ফেরত পাঠানো হবে মিয়ানমারের সেনাদের

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় বাংলাদেশে পালিয়ে আসা দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সদস্যসহ ৩৩০ নাগরিককে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের ইনানীতে নৌবাহিনীর জেটিঘাটে মিয়ানমারের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হবে।

গণমাধ্যমে পাঠানো বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বুধবার এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় বিজিবির সার্বিক তত্ত্বাবধানে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপিসহ দেশটির ৩৩০ জন নাগরিককে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সম্প্রতি মিয়ানমারের সামরিক জান্তার সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দিনভর সংঘর্ষ আর ওপার থেকে ভেসে আসা তীব্র গোলা-বারুদের শব্দে আতঙ্ক কাটছে না মিয়ানমার সীমান্তে থাকা বাংলাদেশি জনপদগুলোতে। আরাকান আর্মির সঙ্গে চলমান সংঘাতে টিকতে না পেরে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয় মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সদস্যরা।

বিজিবি জানায়, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে বিজিপি, মিয়ানমার সেনাবাহিনী, ইমিগ্রেশন সদস্য, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তাঁদের নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হয়।


আরও খবর