আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ভূমিকম্প হলে যে দোয়া পড়তে হয়

প্রকাশিত:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | অনলাইন সংস্করণ
ধর্ম ও জীবন

Image

ভূমিকম্প মহান আল্লাহর মহাশক্তির ছোট নিদর্শন মাত্র। ভূমিকম্প বার্তা দেয় যে, মানুষ যেন নিজেদের আচার-আচরণ শুধরে নেয়। কারও উপর অত্যাচার না করে এবং গুনাহ ও পাপ থেকে দূরে থাকে। মহান সৃষ্টিকর্তাকে অনেক বেশি স্মরণ করে ও তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। রাসুল (সা.) ভূমিকম্পসহ যেকোনো দুর্যোগে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে বলেছেন।

হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, যে পর্যন্ত না ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং খুনখারাবি বাড়বে, তোমাদের সম্পদ এতো বাড়বে যে, উপচে পড়বে। (বুখারি, হাদিস : ৯৭৯)

রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়া তিনবার পড়বে সে ভূমি ও আকাশের দুর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকবে।

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদুররু মা`আস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামি`ই ওয়াহুয়া সামিয়ুল আলিম।

ভূমিকম্প হবার সময় মাটির দিকে বা নিচের দিকে তাকিয়ে আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা শারিকালাহু, ফাবি আইয়্যে আলাঈ রাব্বিকুমা তুকাজ্জিবান পড়তে থাকবেন যতক্ষণ ভূমিকম্প শেষ না হয়।

এ ছাড়া দুর্যোগের সময় আরও যে দোয়া পড়া যেতে পারে। উচ্চারণ: আন্তা ওয়ালিয়্যুনা ফাগফিরলানা ওয়ার হাম্না, ওয়া আন্তা খইরুল গফিরিন।

অর্থ হে আল্লাহ, আপনি যে আমাদের রক্ষক- সুতরাং আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন এবং আমাদের উপর করুনা করুন। তাছাড়া আপনি-ই তো সর্বাধিক ক্ষমাকারী। [সুরা আরাফ আয়াত ১৫৫]

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, যখন অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জিত হবে, কাউকে বিশ্বাস করে সম্পদ গচ্ছিত রাখা হবে কিন্তু তার খেয়ানত করা হবে, জাকাতকে দেখা হবে জরিমানা হিসেবে, ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়া বিদ্যা অর্জন করা হবে, পুরুষ তার স্ত্রীর আনুগত্য করবে কিন্তু মায়ের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করবে, বন্ধুকে কাছে টেনে নিয়ে পিতাকে দূরে সরিয়ে দেবে, মসজিদে উচ্চস্বরে শোরগোল হবে, জাতির সবচেয়ে দুর্বল ব্যক্তিটি সমাজের শাসকরূপে আবির্ভূত হবে, সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তি হবে নেতা, একজন মানুষ যে খারাপ কাজ করে খ্যাতি অর্জন করবে, তাকে তার খারাপ কাজের ভয়ে সম্মান প্রদর্শন করা হবে, বাদ্যযন্ত্র এবং নারী শিল্পীর ব্যাপক প্রচলন হবে, মদ পান করা হবে, লোকজন তাদের পূর্ববর্তী মানুষগুলোকে অভিশাপ দেবে, এমন সময় তীব্র বাতাস প্রবাহিত হবে এবং এমন একটি ভূমিকম্প হবে যা সেই ভূমিকে তলিয়ে দেবে (তিরমিজি, হাদিস নং-১৪৪৭)।

অন্যান্য দুর্যোগের সময় আরও যেসব দোয়া করা যেতে পারে

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বৃষ্টির ক্ষতি থেকে বেঁচে থাকতে এ দোয়া পড়তেন-

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা হাওয়াইলানা ওয়া লা আলাইনা; আল্লাহুম্মা আলাল আকামি ওয়াল ঝিবালি ওয়াল উঝামি ওয়াজ জিরাবি ওয়াল আওদিয়াতি ওয়া মানাবিতিশ শাজারি।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদের আশপাশে বৃষ্টি বর্ষণ কর। আমাদের ওপরে করিও না। হে আল্লাহ! টিলা, পাহাড়, উচ্চভূমি, মালভূমি, উপত্যকা এবং বনাঞ্চলে বৃষ্টি বর্ষণ কর। (বুখারি)

বৃষ্টি দেখলে যে দোয়া পড়তে হয়

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন সাররি মা ফিহি। (বুখারি)

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এ মেঘের যত অনিষ্টতা আছে তা থেকে আশ্রয় চাই।

মেঘের গর্জনে পড়ার দোয়া

হাদিসের বর্ণনায় এসেছে, মেঘের গর্জন শুনলে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরআন মাজিদের একটি আয়াত পড়তেন।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবন যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন মেঘের গর্জন শুনতেন তখন কথা বলা বন্ধ করে দিতেন এবং কোরআন মাজীদের এই আয়াত তিলাওয়াত করতেন-

উচ্চারণ : সুবহানাল্লাজি ইউসাব্বিহুর রাদু বিহামদিহি ওয়াল মালাইকাতু মিন খিফাতিহি। (মুয়াত্তা)

অর্থ : পবিত্র সেই মহান সত্তা প্রশংসা যিনি পানিভরা মেঘ উঠান। মেঘের গর্জন তার প্রশংসা সহকারে তার পবিত্রতা বর্ণনা করে এবং তার ফেরেশতারাও তাঁর ভয়ে কম্পিত হয়ে তার তাসবিহ পাঠ করে।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মেঘের গর্জন শুনলে বা বিদ্যুতের চমক দেখলে সঙ্গে সঙ্গেই এই দোয়া করতেন-

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লা তাক্বতুলনা বিগাদাবিকা ওয়া লা তুহলিকনা বিআজাবিকা, ওয়া আফিনা ক্ববলা জালিকা। (তিরমিজি)

অর্থ : হে আমাদের প্রভু! তোমার ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আমাদের মেরে ফেলো না আর তোমার আজাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না। বরং এর আগেই আমাদেরকে ক্ষমা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত কর।

ঘূর্ণিঝড়ে পড়ার দোয়া

বান্দার জন্য বাতাস আল্লাহ তাআলার অনেক বড় নেয়ামত। কারণ মানুষ বাতাস ছাড়া বাঁচতে পারে না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা বাতাসকে গালি দিও না। তবে যদি তোমরা একে তোমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে দেখতে পাও, তবে এ দোয়া করবে-

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আস্আলুকা খায়রাহা ওয়া খায়রা মা ফিহা- ওয়া খায়রা মা উরসিলাতবিহি; ওয়া আউযুবিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা ফিহা ওয়া শাররি মা উরসিলাতবিহি।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এর মঙ্গল, এর মধ্যকার মঙ্গল ও যা নিয়ে তা প্রেরিত হয়েছে, তার মঙ্গলসমূহ প্রার্থনা করছি এবং আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এর অমঙ্গল হতে, এর মধ্যকার অমঙ্গল হতে এবং যা নিয়ে তা প্রেরিত হয়েছে, তার অমঙ্গলসমূহ হতে।

ঝড় তুফানে পড়ার দোয়া

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়ালা আলাইনা। (বুখারি)

অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদের থেকে ফিরিয়ে নাও, আমাদের ওপর দিও না।

বিপদাপদ থেকে আত্মরক্ষায় প্রতিদিনের দোয়া

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেহ সকাল এবং সন্ধ্যায় নিন্মোক্ত দোয়াটি পড়বে; তাকে কোনো বিপদাপদ, বালা-মুছিবত স্পর্শ করবে না-

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূররু মাআস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামিই ওয়াহুয়া সামিয়ুল আলিম। (তিরমিজি, ইবনু মাজাহ, মিশকাত)

অর্থ : আল্লাহর নামে, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।


আরও খবর
শবে বরাত সম্পর্কে হাদিসে যা বলা হয়েছে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সময় নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

ভুয়া চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, সরকার এরই মধ্যে এসবের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। আশা করি, আপনারা এ ব্যাপারে সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে চতুর্থ আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন-২০২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ ফাউন্ডেশন ও যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারভেনশনাল একাডেমি এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসকদের সংবেদনশীলতা ও উদারতার সঙ্গে রোগীদের চিকিৎসা করতে এবং রোগীর মর্যাদা ও গোপনীয়তা রক্ষায় সর্বোচ্চ যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান।

সাহাবুদ্দিন বলেন, চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল, যত নতুন নতুন রোগের আবির্ভাব হচ্ছে, চিকিৎসা বিজ্ঞান সেগুলোকে প্রতিরোধ করতে এগিয়ে যাচ্ছে।

চিকিৎসাবিষয়ক শিক্ষা, চিকিৎসা, সেবা ও গবেষণা কার্যক্রমে গতিশীলতা এবং উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিভিন্ন ধরনের রোগের প্রকৃতি মাথায় রেখে চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

হৃদরোগ, ক্যানসার, এইডসসহ অন্যান্য প্রাণঘাতী রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

জনগণের দোরগোড়ায় সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকারের লক্ষ্য প্রত্যেক নাগরিকের জন্য দূষণমুক্ত, পরিবেশবান্ধব স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করার মাধ্যমে কল্যাণমূলক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করা।

দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারি, বেসরকারি খাত ও চিকিৎসকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা প্রদান চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার উন্নত চিকিৎসাসেবার জন্য ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তারা (গরীবরা) যেন চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয় বা অর্থের অভাবে অবহেলিত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, ইন্টারভেনশনাল একাডেমির কোর্স চেয়ারম্যান ডা. রাজেশ এম দেব, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ এবং বাংলাদেশ কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এস মোস্তফা জামান প্রমুখ।


আরও খবর



ক্যান্সার আক্রান্ত বাবাকে দেখতে যুক্তরাজ্যে প্রিন্স হ্যারি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

রাজা তৃতীয় চার্লসের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবর শুনে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন প্রিন্স হ্যারি। বাবাকে দেখতে এসছেন তিনি। খবর বিবিসি।

পিএ নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুটি কালো এসইউভিতে চড়ে তাদের রাজকীয় বাসভবনে পৌঁছাতে দেখা গেছে। গাড়িগুলোকে মঙ্গলবার বিকালের আগে হিথ্রো বিমানবন্দরের ভিআইপি উইন্ডসর স্যুট ছেড়ে যেতে দেখা গেছে।

স্ত্রী অভিনেত্রী মেগান ম্যার্কেলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন হ্যারি। বাকিংহাম প্যালেস সোমবার রাজার ক্যানসার শনাক্তের খবর দিয়েছে। পাশাপাশি তার চিকিৎসা শুরুর কথাও জানিয়েছে।

রানি এলিজাবেথের মৃত্যুর পর ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রাজা হিসেবে অভিষেক হয় চার্লসের। সম্প্রতি প্রোস্টেটের সমস্যার কারণে চার্লস হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। সেটিকে আলাদা উদ্বেগের কারণ বলেছেন চার্লস। 

আরও পড়ুন>> জান্তার আরও দুটি ঘাঁটি দখলে নিলো আরাকান আর্মি

বাকিংহাম প্যালেস এক বিবৃতিতে বলেছে, পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষায় রাজা চার্লসের ক্যানসার শনাক্ত হয়েছে। তবে তিনি কী ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত, ক্যানসার কোন পর্যায়ে রয়েছে, সে ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।

তবে রাজা চার্লস ভালো আছেন ও তিনি শিগগিরই কাজে ফিরবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছে বাকিংহাম প্যালেস। প্যালেস সূত্র আরও জানিয়েছে, ব্যবসা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজ করলেও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত দায়িত্ব রাজা চার্লস পালন করবেন না।

বিশ্বনেতারা চার্লসের সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন। যুক্তরাজ্যবাসীর অনেকে চার্লসের অসুস্থতার খবরে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং তার সুস্থতা কামনা করেছেন।


আরও খবর



ফেসবুকে বাংলাদেশি পুরুষ কমছে, নারী বাড়ছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশি পুরুষ ব্যবহারকারীদের উপস্থিতি কমছে। তবে নারী ব্যবহারকারীদের উপস্থিতি বেড়েছে।

সম্প্রতি পোল্যান্ডভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম নেপোলিয়নক্যাটের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতি মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করে।

জানা গেছে, গত এক বছরে নারী ফেসবুক ব্যবহারকারী ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। আর গত এক মাসে বেড়েছে দশমিক ৫ শতাংশ। আর গত এক বছরে পুরুষ ফেসবুক ব্যবহারকারী ২ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ৩৯ লাখ ৫৫ হাজার ১০০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৬৫ দশমিক ২ শতাংশ। আর নারী ৩৪ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে নারী ব্যবহারকারী ৩২ দশমিক ১ শতাংশ এবং পুরুষ ৬৭ দশমিক ৯ শতাংশ ছিলেন।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জার ব্যবহারকারী ৫ কোটি ৭২ লাখ ৬৫ হাজার ৮০০ জন। যার ৬৬ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৪ শতাংশ নারী। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ম্যাসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৩১ দশমিক ৪ শতাংশ ছিলেন নারী। আর পুরুষ ছিলেন ৬৮ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থাৎ ২ দশমিক ৬ শতাংশ নারী ব্যবহারকারী বেড়েছে এবং একই হারে পুরুষ ব্যবহারকারী কমে গেছে।

তবে নেপোলিয়নক্যাটের তথ্যানুযায়ী ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে ইনস্টাগ্রামে। এতে গত এক বছরে দেশের নারী ব্যবহারকারী কিছুটা কমেছে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে প্রতি ১০০ জন ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর মধ্যে ৬৬ জনই পুরুষ। শতাংশের হিসাবে নারী ৩০ দশমিক ৮ এবং পুরুষ ৬৯ দশমিক ২ শতাংশ। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ইনস্টাগ্রামে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের মধ্যে নারী ছিল ৩১ দশমিক ৯ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত দুই-তিন বছর ধরে অনেক নারী ই-কমার্সে ঝুঁকছেন। ফলে এসব নারী উদ্যোক্তারা তাদের পণ্যের প্রচার-প্রসারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছেন। সে জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের উপস্থিতি বাড়ছে।

নিউজ ট্যাগ: ফেসবুক

আরও খবর



সরকারি হাসপাতালে ওষুধ পান না ৬৯ শতাংশ রোগী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ রোগীকে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়। জন্মের পরপরই মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় দেশের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। ৫০টির বেশি নীতিমালা, আইন থাকার পরেও এখনো নিশ্চিত হয়নি দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য। এমন সব তথ্য উঠে এসেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন গবেষণায়।

আজ সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্ল্যানিং মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ (পিএমআর) আয়োজিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনটি সেশনে প্রকাশ করা হয় বিষয়ভিত্তিক ১৪টি গবেষণা প্রতিবেদন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রশ্নপত্রের ভিত্তিতে এই গবেষণাগুলো করা হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন পিএমআরের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলাম।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির এবং জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

দেশের হাসপাতালগুলোয় সংক্রমণ রোধ ও নিয়ন্ত্রণের (আইপিসি) অবস্থাবিষয়ক এক গবেষণায় বলা হয়, বেশির ভাগ হাসপাতালে আইপিসি কমিটি আছে। কিন্তু অধিকাংশ কমিটি কার্যকর নয়। অধিকাংশ হাসপাতালেই নেই আইপিসির জন্য নির্দিষ্ট জনবল। সরকারি ৬০ শতাংশ হাসপাতালে আইপিসি ব্যবস্থাপনা নেই। আর বেসরকারি হাসপাতালের ৫০ শতাংশে এই ব্যবস্থাপনা নেই। ফলে হাসপাতাল থেকে যেসব রোগের সংক্রমণ হয়, সেটি বাড়বে। এই সংক্রমণ মারাত্মক ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়।

এই গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক কীভাবে ব্যবহার করা হবে, এর একটি গাইডলাইন থাকলেও হাসপাতালগুলোয় তা মানা হয় না। এক-চতুর্থাংশ হাসপাতালে হ্যান্ড হাইজেনিং স্টেশন অর্থাৎ যেখানে হাত ধোয়ার জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা নেই। প্রতি বেডে একজন রোগী থাকার কথা থাকলেও হাসপাতালগুলোয় বেডের চেয়ে বহুগুণ বেশি রোগী থাকছে। উন্নত দেশে আইপিসি হার ৩ থেকে ৫ শতাংশ হলেও এশিয়ার দেশগুলোয় এই হার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।

নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণায় দেখা গেছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে দেশে আইন, নীতিমালা ও বিধিমালা রয়েছে ১৫২টির মতো। আইনের অভাব না থাকলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন খুব একটা নেই। যে কারণে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

তথ্যের ঘাটতি-সম্পর্কিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্বাস্থ্য খাতের যে ৪০টি সূচক রয়েছে, এসব ক্ষেত্রে সরকার কাজ করলেও পরিপূর্ণ তথ্য নেই। এ ৪০টি সূচকের মধ্যে চারটির কোনো সঠিক তথ্যই নেই। অন্যদিকে, ১০ সূচকের আংশিক তথ্য রয়েছে। আর বাকি ২৬টি সূচকের যাচাই করার মতো তথ্য আছে, তবে তা পরিপূর্ণ নয়। যে চারটি সূচকের কোনো তথ্য নেই, তা হলো জন্মহার, অনিরাপদ পানি ও অনিরাপদ স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধির অভাবে মৃত্যুহার, স্বাস্থ্য সুযোগ-সুবিধার অনুপাত (যেখানে সাশ্রয়ী মূল্যের প্রাসঙ্গিক প্রয়োজনীয় ওষুধের সুবিধা রয়েছে) এবং নির্বাচিত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার কারণে রক্তপ্রবাহের সংক্রমণের তথ্য।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ গোলাম নবীর নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, জন্মের পরপরই মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় দেশের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। জন্মের প্রথম ছয় মাস (এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং) মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় ৬ শতাংশ শিশু। জন্মের প্রথম দুই বছর মায়ের দুধ পায় না ৭ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। এ ছাড়া ছয় মাস বয়সের পরেও মায়ের দুধের পাশাপাশি ৮ দশমিক ২ শতাংশ শিশু বাড়তি খাবার পায় না।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জে. কাজী মো. রাশিদ উন নবীসহ ১৩ জন চিকিৎসক একটি গবেষণা পরিচালনা করেন। সেখানে দেশের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাব্যবস্থা সম্পর্কে নেওয়া রোগীদের সুস্পষ্ট মতামত উঠে এসেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ রোগীকে ওষুধ কিনে খেতে হয়। যদিও তাদের হাসপাতাল থেকে বিনা মূল্যে ওষুধ পাওয়ার কথা ছিল। এ ছাড়া ১৮ শতাংশ রোগীকে সরকারি হাসপাতালের সেবা পাওয়ার জন্য টাকা দিতে হয়। হাসপাতালে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে অসন্তুষ্ট ৭৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ রোগী।


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৭ জনকে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় মামলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

Image

লক্ষ্মীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে একই পরিবারের ৭ জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহতের ঘটনায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন জহির, হারুন, রাজু, শরীফ, আরিফ, রিয়াজ, হৃদয় ও অজ্ঞাত ৬ জন। তারা লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বাঞ্চানগর শাখারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

আহতরা হলেন নুরনবী, তার ভাই জাফর, কোরবান আলী, বাবা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, স্বজন নুরুল আমিন, কাদের ও মোর্শেদ। এরমধ্যে মোর্শেদের মাথায় ধারালো অস্ত্রের কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তারা লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বাঞ্চানগর শাখারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জমির মালিক ব্যবসায়ী আরিফুর রহমান বাপ্পী বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় এ মামলা করেন।

বাদী বাপ্পী সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের পশ্চিম সৈয়দপুর গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে ও ইটভাটা ব্যবসায়ী।

এজাহার সূত্র জানায়, লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ বাঞ্চানগর শাখারিপাড়া এলাকায় বাদী বাপ্পীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেটাল ওয়ার্কসপ ও খালি জমি রয়েছে। সেখানে তার দখলীয় খালি জমিতে তিনি ইট-বালু রাখেন। এরমধ্যে একপাশে অভিযুক্ত জহির লাকড়ি রাখতেন। সেখানে রাখার জন্য বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলেও বাপ্পী ইট ও বালু পাঠায়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাপ্পীর ভগ্নিপতি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার নুরনবী লাকড়িগুলো সরিয়ে নিতে জহিরকে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জহিরসহ অভিযুক্তরা নুরনবীর ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করে। এসময় নুরনবীর স্বজনরা তাকে বাঁচাতে এলে জহিরসহ অন্য অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করে। একপর্যায়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে নুরনবীসহ ৭ জনকে রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতারে ভর্তি করে। হামলার সময় নুরনবীর কাছে থাকা ব্যাগ থেকে ৭ লাখ টাকা, ওয়ার্কসপের ক্যাশ বক্স থেকে ৯০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এছাড়া দোকান ভাঙচুর করে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি করেছে বাদীর।

বাদী আরিফুর রহমান বলেন, ৩ বছর আগে আমি ৯ শতাংশ জমি কিনে ঘটনাস্থলে দোকান নির্মাণ করেছি। আর খালি জমিতে ইট-বালু রাখছি। আমার ভগ্নিপতি ওই জমি তদারকি করেন। একই জমি অভিযুক্ত জহির কিনতে চেয়েছেন। কিনতে না পেরে তিনি বিভিন্ন সময় আমাদের কাছ থেকে চাঁদাও চেয়েছেন। পরে আমাদের জমিতেই তিনি লাকড়ি রাখতেন। ওই লাকড়ি সরাতে বললেই তিনি পরিকল্পিতভাবে হামলা করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল বলেন, থানায় মামলা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪