আজঃ শনিবার ২৯ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন

ভোট নিয়ে চলছে শেষ মুহূর্তের নানা সমীকরণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনের প্রচারণা। নির্বাচনের আর মাত্র এক দিন বাকি।  ভোট নিয়ে চলছে শেষ মুহূর্তের নানা সমীকরণ।

এদিকে, ব্যস্ত সময় কাটছে প্রার্থীদের।  শেষ মুহূর্তে অনেকের মধ্যেই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আর সংশয় কেমন হবে সিটির ভোট? জয়ের জন্য প্রতিনিয়ত নিজেদের মতো করে কৌশল নিয়ে এগোচ্ছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার।

তারা ভোটারদের মন জয়ে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।  নির্বাচনে মেয়র পদে জয়-পরাজয়ে নিয়ামক বা ফ্যাক্টর কারা হবেন, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে ৯টি সংস্থার ৪২ পর্যবেক্ষককে অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করতে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা মানার পাশাপাশি এসব সংস্থাকে ভোট শেষ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের শর্ত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

প্রায় ২০ লাখ মানুষের এ সিটিতে ভোটার ৫ লাখ ১৭ হাজার ৩৫৭ জন। নারী ভোটার-২ লাখ ৫৭ হাজার ৫১৯ আর পুরুষ ভোটার-২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৩৪ জন।

 


আরও খবর



অভিনয়ে ফিরতে চান নায়িকা সুমনা জনা

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সুমনা জনা। বর্তমান সময়ের অনেকেরই এই নাম জানার কথা নয়। তবে ২০০২ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত যাঁরা ঢাকাই সিনেমা দেখেছেন, তাঁরা জানেন, এক সময়ের ব্যস্ত নায়িকা তিনি। কতটা ব্যস্ত? ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়ার সময় এই নায়িকার হাতে ছিল ১৩ সিনেমা। সেই থেকে আমেরিকায় স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন। দীর্ঘদিন পর বিএফডিসিতে দেখা মিলেছে এই নায়িকার।

এক আলাপচারিতায় সুমনা জনা জানিয়েছেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি আবার দেশ আসছেন তিনি। এর পর আসবেন জুলাইয়ে; থাকবেন দীর্ঘ দিন। তখন তেমন গল্পের সিনেমা পেলে আবার কাজ করতে চান জনা।

২০০৭ সালে এত ব্যস্ত নায়িকা আপনি, তবুও দেশ ছাড়লেন কেন? এমন প্রশ্নে জনার উত্তর, সেদিন আমি আমেরিকায় ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। সেখানকার পরিবেশ ভালো লেগে গেল। এ ছাড়া ওই সময় চলচ্চিত্রে অস্থিরতা শুরু হয়, মান্না ভাই মারা গেলেন। অভিভাবক হারিয়ে ধাক্কা খেলাম। বলতে পারেন এসব কারণে দেশ ছাড়া।

নায়িকা তথ্যমতে, ২০০২ সালে হৃদয়ের বাঁশি সিনেমার মাধ্যমে ঢাকাই সিনেমায় নাম লেখান সুমনা জনা। শাকিল খান, মান্না, শাকিব খান, রিয়াজ, রুবেলের বিপরীতে সমানতালে অভিনয় করেছেন জনা। ক্যারিয়ারে ৪০টি সিনেমা উপহার দিয়েছেন এই চিত্রনায়িকা।

আবার কাজে ফিরতে চান কি না, এমন প্রশ্নে নায়িকার উত্তর, আমি এখন বেশির ভাগ সময় বাংলাদেশে থাকব। ভালো সিনেমা মনে হলে, আমার মতো করে গল্প কেউ বানাবে, তখন আমি অভিনয় করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব। ভালো গল্প পেলে অবশ্যই কাজ করব।

এই নায়িকা আরও যুক্ত করেছেন, এই ক্যারিয়ারে একটা আফসোস হচ্ছে এতগুলো সিনেমা করেও ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পাইনি।

ব্যক্তিজীবনে চিত্রনায়ক শাকিল খানের সঙ্গে প্রথমে বিয়ে করেন সুমনা জনা। তবে তা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। ২০০৯ সালে জুবায়ের হোসেইনকে ফের বিয়ে করেন তিনি।


আরও খবর
টাকা দিয়ে ভোট কিনছেন জায়েদ খান : নিপুণ

শুক্রবার ২৮ জানুয়ারী ২০২২




কক্সবাজারে ১৪৪ ধারা: ভিন্ন স্থানে বিএনপির সংক্ষিপ্ত সমাবেশ

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কক্সবাজারে একই স্থানে বিএনপি ও যুবলীগের সমাবেশকে ঘিরে ১৪৪ ধারা জারির পর ভিন্ন স্থানে সমাবেশ করেছে বিএনপি। সোমবার (৩ জানুয়ারি) ভোর থেকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়াকড়ি জারি করা হলেও সকাল ৮টার দিকে শহরের ঈদগাহ ময়দানে জড়ো হন বিএনপির স্থানীয় নেতা কর্মীরা। সেখানে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে সমাবেশ করার চেষ্টা করেন তারা। পরে খবর পেয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বিএনপি নেতাকর্মীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেন।

প্রসঙ্গত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে কক্সবাজার শহীদ মিনার সড়কে সোমবার সমাবেশের ডাক দেয় জেলা বিএনপি। কিন্তু একই দিন একই সড়কের অল্প দূরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গণতন্ত্রের বিজয় দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয় কক্সবাজার জেলা যুবলীগ। এতে আইনশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কা দেখা দিলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনার সড়কের ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

ঈদগাহ ময়দানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, 'রাতের আঁধারে ভোট কারচুপি করে ক্ষমতায় আসা দলের ওপর জনগণের আর আস্থা নেই। তাই বিএনপির সাংবিধানিক অধিকারও হরণ করছে তারা।'

জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান বলেন, 'সরকার মানুষের সব গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে। আমাদের পূর্ব নির্ধারিত স্থানে যুবলীগের কর্মসূচি দেওয়া তাদের সেই হীনমানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।’ এদিকে সমাবেশ করতে না দেওয়ায় বিচ্ছিন্নভাবে শহরের কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা।

অন্যদিকে জেলা যুবলীগ তাদের পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশ শহীদ দৌলত ময়দানে করবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির জেলা সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর। তিনি বলেন, '১৪৪ ধারাকে মেনে নিয়ে আমরা পূর্বনির্ধারিত শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে সমাবেশ সরিয়ে নিয়েছি। আমরা অন্য স্থানে সমাবেশ করবো।'

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, 'বিএনপি নেতাকর্মীরা ঈদগাহ ময়দানে জড়ো হয়েছিল। কিন্তু তাদের শান্তিপূর্ণভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।'

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান বলেন, 'বিএনপির সমাবেশের জন্য কোনো স্থানের অনুমতি নেই। কিন্তু দলটির নেতা কর্মীরা সমাবেশ করার চেষ্টা করছে। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।'


আরও খবর



ডিসিদের যে ২৪ দফা নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সেবা নিতে আসা মানুষের সন্তুষ্টি অর্জন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায়, গুজব রোধে তৎপর থাকাসহ জেলা প্রশাসকদের ২৪ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বার্ষিক সম্মেলন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ নির্দেশনা দেন।

দুই বছর পর আজ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বার্ষিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সম্মেলনের ব্যাপ্তি পাঁচ দিন থেকে কমিয়ে তিন দিন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে সরকারপ্রধানের দেওয়া ২৪ দফা নির্দেশনা হচ্ছে

১) করোনাভাইরাসজনিত সংকট মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে জারিকৃত নির্দেশনাসমূহ মাঠপর্যায়ে প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

২) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহীত উন্নয়ন ও সেবামূলক কার্যক্রমসমূহের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং এর ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে।

৩) খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

৪) সরকারি অফিসসমূহে সাধারণ মানুষ যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বিঘ্নে যথাযথ সেবা পায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। সেবাপ্রত্যাশীদের সন্তুষ্টি অর্জনই যেন হয় সরকারি কর্মচারীদের ব্রত।

৫) এসডিজি স্থানীয়করণের আওতায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাসমূহ অর্জনে তৎপরতা জোরদার করতে হবে।

৬) গৃহহীনদের জন্য গৃহনির্মাণ, ভূমিহীনদের কৃষির জন্য খাসজমির বন্দোবস্তসহ সব সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে যেন প্রকৃত অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক শ্রেণির মানুষ সুযোগ পায় তা নিশ্চিত করতে হবে।

৭) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের পাঠদান কার্যক্রমের মানোন্নয়নে উদ্যোগী হতে হবে। কোভিড পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থায় অনলাইনে বা ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে পাঠদান কার্যক্রম যেন অব্যাহত থাকে সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। অপেক্ষাকৃত দুর্গম এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

৮) কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলো যেন কার্যকর থাকে, তা প্রতিনিয়ত তত্ত্বাবধান করতে হবে এবং নানাবিধ কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের মাঝে স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়াতে হবে।

৯) শিশু-কিশোরদের শারীরিক-মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে তাদের জন্য প্রতি এলাকায় সৃজনশীলতার চর্চা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ক্রীড়াসুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

১০) নাগরিকদের সুস্থ জীবনাচারের জন্য জেলা ও উপজেলায় পার্ক, খেলার মাঠ প্রভৃতির সংরক্ষণ এবং নতুন পার্ক ও খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে।

১১) পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে সংগতি রেখে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে উচ্চ প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তুলতে কাজ করতে হবে।

১২) জনসাধারণের মাঝে তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণে কাজ করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার, গুজব ইত্যাদি রোধে উদ্যোগ নিতে হবে।

১৩) বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।

১৪) মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রাখতে হবে। মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করতে হবে।

১৫) নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, নিপীড়ন ও বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বাল্যবিবাহ, ইভ টিজিং, খাদ্যে ভেজাল, নকল পণ্য তৈরি ইত্যাদি অপরাধ রোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।

১৬) বাজারে পণ্যের সরবরাহ মসৃণ রাখতে, কৃত্রিম সংকট রোধ ও দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

১৭) সরকারি জমি, নদী, বনভূমি, পাহাড়, প্রাকৃতিক জলাশয় প্রভৃতি রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে নতুন সরকারি প্রতিষ্ঠান স্থাপনে ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণকে প্রাধান্য দিতে হবে; পরিকল্পিত নগরায়ণ ও বনায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

১৮) পর্যটনশিল্পের বিকাশ ও রক্ষণাবেক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। নতুন নতুন পর্যটন স্পট গড়ে তুলতে হবে।

১৯) জেলার নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষা এবং জেলাভিত্তিক বিখ্যাত পণ্যসমূহের প্রচার ও বিপণনে উদ্যোগী হতে হবে।

২০) জেলার সব সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমসমূহ যথাযথভাবে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছাতে আপনাদের ব্রতী হতে হবে।

২১) জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত প্রতিনিধি অর্থাৎ সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে হবে। উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণে যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে কি না বা বাস্তবায়নও যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, সেগুলোর সমন্বয় করতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্প যত্রতত্র যেন না হয় সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে।

২২) সমাজের অনগ্রসর শ্রেণি—বেদে, জেলে, কৃষক, হিজড়া (ট্রান্সজেন্ডার), হরিজন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ যারা একেবারে সমাজের অনগ্রসর শ্রেণি, তাদের সার্বিক উন্নয়ন, তাদের বাসস্থান এবং তাদের সুযোগসুবিধা সৃষ্টি করতে হবে।

২৩) মুক্তিযুদ্ধে যেসব অঞ্চলে গণহত্যার শিকার পরিবারদের বর্তমান অবস্থা জানা এবং তাদের যথাযথ সম্মানজনক জীবনযাত্রার ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

২৪) গণকবর সংরক্ষণ এবং যুদ্ধক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে। ইতিহাস জনসমক্ষে তুলে ধরতে হবে।


আরও খবর



চীনে মধ্যরাতে ৬.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চীনে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কিংহাই প্রদেশে মধ্যরাতে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৬ দশমিক ৯ ছিল বলে জানিয়েছে চায়না আর্থকোয়াক নেটওয়ার্কস সেন্টার (সিইএনসি)। এতে কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল জিনিং শহর থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে এবং কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।

স্থানীয় সময় শনিবার দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটে প্রবল এ ভূকম্পন অনুভূত হয়। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিজিটিএন এসব তথ্য জানিয়েছে।

জোরালো ভূমিকম্পের ২৫ মিনিট পর ৪ দশমিক ৯ মাত্রার একটি আফটার শক অনুভূত হয়। এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে বেশ কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অবশ্য মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বলছে, চীনে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৬ এবং আফটার শক ছিল ৫ দশমিক ১ মাত্রার।

নিউজ ট্যাগ: চীন ভূমিকম্প

আরও খবর



স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারী ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারী ২০22 | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যারা স্বাস্থ্যবিধি মানবে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনে একটি অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গতকাল সাড়ে ৯ হাজার করোনা আক্রান্ত হয়েছে এবং ১২ জন মারা গেছেন। আমরা খুবই আতঙ্কিত না হলেও এটা আশঙ্কাজনক ও চিন্তার কারণ। আমরা জেলা প্রশাসকদের বলেছি, গতবার করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বা প্রথমে যেভাবে সহযোগিতা করেছেন এবারও সেভাবে সহযোগিতা আশা করছি। আপনারা (ডিসি) একটি জেলা পর্যায়ে কমিটির সভাপতিত্ব করেন। সেখানে সবাইকে নিয়ে কাজ করবেন। আমাদের স্থানীয় যারা জনপ্রতিনিধি আছেন তাদের নিয়েও কাজ করবেন।

জাহিদ মালেক বলেন, আমরা আগের তুলনায় অনেক ভালো অবস্থায় আছি। আমাদের অক্সিজেনের অভাব নেই। প্রায় ১৩০টি হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন স্থাপন করা হয়েছে। আমাদের বেড রয়েছে ২০ হাজার। ৪০ হাজার নতুন লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ১৫ হাজার ডাক্তার রয়েছে। ২০ হাজার নার্স ও টেকনিশিয়ান রয়েছে। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে নতুন করে পাঁচ পরামর্শ দিয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

কমিটি বলেছে, করোনা পজিটিভ রোগী লক্ষণ প্রকাশের ১০ দিন পর্যন্ত আইসোলেশনে থাকবেন। রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন এমন ব্যক্তির উপসর্গ না থাকলে আইসোলেশনের প্রয়োজন নেই।


আরও খবর