আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ভারতের মাধ্যমে রাশিয়ার তেল কিনছে যুক্তরাজ্য!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পর রাশিয়ার ওপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পশ্চিমা দেশগুলো। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে জ্বালানি তেলও। পশ্চিমাদের এসব নিষেধাজ্ঞায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে যুক্তরাজ্য। তবে নিজেরা নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আবার রাশিয়ার তেলই কিনছে গ্রেট ব্রিটেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি টেলিগ্রাফের বরাতে বুধবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাজ্য রাশিয়ার তেল কিনছে ভারতের মাধ্যমে।

টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, বিপি এবং শেলের মতো প্রতিষ্ঠান যেগুলো যুক্তরাজ্যে জ্বালানি তেল সরবরাহ করে সেগুলো ভারতের বেসরকারি তেল শোধনাগার থেকে তেল আমদানি বহুলাংশে বাড়িয়েছে। পরিবেশ আন্দোলন নিয়ে কাজ করা সংস্থা গ্লোবাল উইটনেসের তথ্য বিশ্লেষণ করে কেপ্লার জানিয়েছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পর ভারতের বেসরকারি কোম্পানি থেকে ১০০ লাখ ব্যারেল ডিজেল ও অন্যান্য পরিশোধিত পণ্য আমদানি করেছে যুক্তরাজ্য। অথচ ২০২১ সালে যুক্তরাজ্য মাত্র ৪০ লাখ ব্যারেল তেল ভারত থেকে আমদানি করেছিল।

রাজনীতি বিশেষজ্ঞ লুইস উইলসন টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য ভারতের কাছ থেকে যেসব তেল কিনেছে সেগুলো রাশিয়ার জ্বালানির অংশ। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার ওপর যুক্তরাজ্যের তেল নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয় ২০২২ সালের ৫ ডিসেম্বর। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার যেসব ফাঁক-ফোকর রয়েছে সেগুলোর কারণে যুক্তরাজ্যে রাশিয়ার তেল আসা সম্ভব। ইউক্রেনে হামলার এক বছর পরও ইউরোপের বাজারে রাশিয়ার তেল থাকার বিষয়টি নীতিনির্ধারণের ব্যর্থতা। যা যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত করছে।

তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য যে ভারতের মাধ্যমে রাশিয়ার তেল কিনছে এতে অবৈধ কিছু নেই। কারণ রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল যখন ভারতে পরিশোধন করা হয় তখন এটি ভারতের তেল হিসেবে বিবেচ্য হয়। ফলে পরিশোধিত এ তেলের প্রতিটি অণুও যদি রাশিয়া থেকে আসে, এতে কোনো সমস্যা নেই।

নিউজ ট্যাগ: ইউক্রেন

আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষে ফুল বিক্রির ধুম

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অলিউল্লাহ্ ইমরান, বরগুনা

Image

বরগুনায় ফুলের দোকানে ভালবাসা দিবস ও পহেলা বসন্ত বরণকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। দোকানগুলোতে সকাল থেকে ধিরে ধিরে ভিড় জমানো শুরু করেছে তরুণ-তরুণী সহ সকল বয়সের বিভিন্ন শ্রেণি পেশাজীবির মানুষ।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভালবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুন দিবসকে ঘিরে বরগুনার পৌর নাথ পট্টি লেক এর পাশে ছোট ছোট দোকানের পাশাপাশি বিভিন্ন উপজেলা শহরে সড়কে, পার্কে গড়ে উঠেছে সারি সারি অস্থায়ী ফুলের দোকান। দোকানগুলোতে গোলাপ থেকে শুরু করে নানা ধরনের ফুলের পসরা সাজিয়ে রেখেছেন ফুল ব্যবসায়ীরা।

এ বছরও ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ভালোবাসার গোলাপের পাশাপাশি গাঁদা, রজনীগন্ধা, জিপসি, চেরি, গ্লাডিওলাস, জাবালা, চন্দ মল্লিকাসহ বিভিন্ন জাতের দেশি ও বিদেশি ফুলের কদর।

প্রতিটি গোলাপ স্বাভাবিক ভাবে সবসময় ২০-৫০ টাকা বিক্রি হলেও এই দিবস উপলক্ষে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত। সব ফুল মিলিয়ে তোড়া বানিয়ে বিক্রি করছে হরেক দামে। এছাড়াও ফুলের তৈরি মাথার বেল্ট বিক্রি হচ্ছে ২০০-৩০০ টাকা দরে। এছাড়াও স্পেশাল ভাবে প্রিয় মানুষের জন্য ৫০০ টাকা টাকা দরে তোরা বানিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ এই দিনে প্রিয়জনকে ফুল উপহার দিয়ে দাম নিয়ে কোনো মাথাব্যাথা নেই কারো। অনেকেই প্রেমিক-প্রেমিকা, মা-বাবাসহ প্রিয় মানুষদেরকে ফুল দিয়ে প্রকাশ করছে হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা।

পৌর নাথ পট্টি লেকে গিয়ে দেখা যায়, লেক রোডে ফুল মার্কেটের সব দোকানিই এখন ব্যস্ত পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবসে ফুল বিক্রির কাজে।

লিটন নামে একজন ক্রেতা বলেন, বিশেষ দিনে ভালোবাসার মানুষকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে পারলে আমি আনন্দিত হবো, পূর্ণতা পাবো। আমার ছোট বাচ্চাদের জন্য ফুল কিনেছি তারা ভালোবাসা দিবসে ফুল পেয়ে অনেক খুশি হবে।

বরগুনা ফুল ব্যবসায়ী রাখাল বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর বেশি দামে ফুল কিনে এনে বিক্রি করছি। সকাল থেকে অল্প অল্প করে ক্রেতার সারা মিলেছে। আস্তে আস্তে হয়তো আরো বাড়বে। এবারে বাজারে ৮০ থেকে ১২০ টাকা করে গোলাপ ফুল বিক্রি করছি। এছাড়াও বিভিন্ন দামের ফুলের তোড়া বিক্রি করছি।

এ ব্যাপারে বরগুনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু সৈয়দ মো. জোবায়দুল আলম বলেন, ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবসে সকলেই প্রিয়জনদের ফুল দিয়ে ভালোবাসা জানিয়ে তৃপ্তি পায়।

দামের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, বরগুনাতে বাণিজ্যিকভাবে ফুলের চাষ না করার কারণে বিভিন্ন জেলা থেকে ফুল নিয়ে এসে চাহিদা পূরণ করা হয়। এছাড়াও ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুন সকলকে শুভেচ্ছা জানান তিনি।

এদিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বটতলায় পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করেন জেলা প্রশাসক মুহা. রফিকুল ইসলাম।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বুবলীকে আমি চিনি না: অপু বিশ্বাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ঢাকাই সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খান কেন্দ্র করে সাবেক দুই স্ত্রী অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীর রেসারেসি সবার জানা। দুই নায়িকা একে অপরকে যে মনে করেন চরম শত্রু। আহত করতে শব্দ প্রয়োগে বাছবিচার করেন না তারা। এবার এই কোন্দলে যুক্ত হলো নতুন এক নাম। তিনি বুবলীর বড় বোন কণ্ঠশিল্পী মিমি।

সম্প্রতি এক ভিডিওতে অপু বিশ্বাসকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপমানসূচক মন্তব্য করেছেন মিমি। টোকাইসহ বিভিন্ন শব্দ প্রয়োগের মাধ্যমে তাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছেন। বিষয়টি বুবলী চুপ থাকলেও মুখ খুলেছেন অপু বিশ্বাস।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ইচ্ছুক নন জানিয়ে সংবাদমাধ্যমকে অপু বলেন, বুবলী কে? তাকেই তো আমি চিনি না।

তিনি বলেন, এখন আমার সব চিন্তাভাবনা কাজ ও পরিবার নিয়ে। অন্যদিকে নজর দেওয়ার একদম সময় নেই। কে কি বলল, সেসব বিষয়ে কথা বলারও কোনো ইচ্ছে নেই। আশা করি, এ বছর ভক্ত-দর্শকদের ভালো কিছু ছবি উপহার দিতে পারব।

অপুকে নিয়ে মিমির ভিডিও বার্তা মানতে পারছেন না ভক্তরা। সেই সঙ্গে সাধারণ নেটাগরিকরাও অপু-বুবলীর মাঝে মিমির প্রবেশকে ভালো চোখে দেখছেন না। অনেকে মনে করছেন ইস্যুটি নিয়ে কথা বলে ভাইরাল হতে চান এ গায়িকা।


আরও খবর



গাইবান্ধার ডিসিকে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন সড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

Image

অসৌজন্যমুলক আচরণের অভিযোগে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক (ডিসি) কাজী নাহিদ রসুলকে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার জেলা শহরের ডিবি রোডের নাট্য সংস্থার সামনে গাইবান্ধা সচেতন নাগরিক ও সুশীল সমাজ ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন রচিত হয়।

পরে আন্দোলনকারীরা শহরের ব্যস্ততম ডিবি রোডের গানাসাস মার্কেটের সামনে কিছু সময়ের জন্য সড়ক অবরোধ করে রাখে। তারা ব্যানার ধরে সড়কের উপর বসে দাঁড়িয়ে এই কর্মসূচি পালন করে। এ সময় উভয় পাশে কিছুক্ষণের জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। এতে আইনজীবি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন সংগঠনের দেড় শতাধিক নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র সাংবাদিক সিদ্দিক আলম দয়াল। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ওয়াকার্স পার্টির পলিট বুরোর সদস্য আমিনুল ইসলাম গোলাপ, জাতীয় শ্রমিক জোটের গাইবান্ধা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ বাবু, বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় সাধারণ সস্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন, আইনজীবী সালাউদ্দিন কাশেম, মানবাধিকার কর্মী দিবা বেগম, সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ নুরুল আলম জাহাঙ্গীর, শামীম আল সাম্য, কায়ছার প্লাবন, ওমর ফারুক রনি, বিপ্লব ইসলাম, জাভেদ হোসেন, ডিপটি প্রধান, মিলন মন্ডল, ফারহান শেখ, মানিক সাহা, রফিক খন্দার, ইমরান মাসুদ প্রমুখ।

 জেলা প্রশাসকের বদলির দাবি তুলে বক্তারা বলেন, গাইবান্ধায় যোগদানের পর থেকে জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল স্থানীয় সুশীল সমাজ, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে অসৌজন্যমুলক আচরণ করে আসছেন। নানা প্রশাসনিক কাজে তাঁর কক্ষে দেখা করতে গেলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দর্শনার্থীরা তাঁর নিয়োগকৃত এপিএস (সহকারি কমিশনার) এর কাছে স্লিপের মাধ্যমে সাক্ষাতের কারণ উল্লেখ করতে হয়।

স্লিপ পাঠিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করার পরও তাঁর সাথে স্বাক্ষাতের অনুমতি পাওয়া যায় না। সপ্তাহে একদিন গণশুনানি করা বাধ্যতামূলক। তিনি যোগদানের পর থেকে নিয়মিত গণশুনানি হচ্ছে না।

বর্তমানে জেলায় শতাধিক অবৈধ ইটভাটা চললেও অজ্ঞাত কারণে দুই-চারটি ছাড়া বেশিরভাগ ভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। জেলা প্রশাসকের আচরণের কারণে তাঁর কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারির আচরণও নেতিবাচক পরিলক্ষিত হচ্ছে। জেলা প্রশাসকের আচরণের কারণে সরকার ও জনপ্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। তাই তাঁকে বদলি করা গাইবান্ধার মানুষের কাছে সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তারা আরও বলেন, অবিলম্বে জেলা প্রশাসনককে বদলি করতে হবে। না হলে নানা কর্মসূচিসহ বৃহত্তর কর্মসুচি ঘোষণা করা হবে।

মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেও জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের নির্বাচনী তথ্য প্রদানে অসহযোগিতা করেন। এ সব ঘটনায় গতবছরের ৩১ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুলকে বদলির দাবি জানিয়ে দেশের প্রথম সারির জাতীয় পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেল, স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ার ২১ জন সাংবাদিক প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আবেদন জানান। যা প্রতিবেদন আকারে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

এ ছাড়া একই দাবিতে গত ৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী, ১১ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং জনপ্রশাসন সচিব বরাবারে মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন সংগঠনের ৪২ নেতৃবৃন্দ স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র পাঠানো হয়। বিভিন্ন সংগঠনের ৪২ নেতৃবৃন্দ স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র পাঠানো হয়। তাতে কোন কাজ হয়নি।

মানববন্ধন থেকে সাংবাদিকরা জেলা প্রশাসকের সংবাদ প্রচার না করার ঘোষণা দেন। তারা বলেন, জেলা প্রশাসকের বদলি না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

নিউজ ট্যাগ: গাইবান্ধা

আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দেশের কল্যাণ ও শান্তি কামনায় শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। মোনাজাতে দেশের কল্যাণ, দুনিয়া ও আখেরাতের শান্তি কামনা করা হয়। মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ জমায়েতে আল্লাহর ক্ষমার আশায় আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দান।

আজ রবিবার বেলা ১১টা ১৭ মিনিটে আখেরি মোনাজাত শুরু হয় এবং ১১টা ৪৩ মিনিটে সময় শেষ হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন ভারতের মাওলানা সাদ কান্দলভির বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ। সেই মোনাজাত বাংলায় তরজমা করেন বাংলাদেশের তাবলিগের মুরুব্বি মাওলানা মনির বিন ইউসুফ। আজকের আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

এর আগে ফজরের নামাজের পর থেকে চলে ধর্মীয় বয়ান। আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে ভোর থেকে মুসল্লিরা দলে দলে আসতে শুরু করেন। অনেকেই মধ্য রাতে রওনা হয়ে ফজর নামাজে অংশ নেন। ১৬০ একরের মূল ময়দান ছাপিয়ে আশেপাশের সড়ক মহাসড়ক ও ফুটপাতে অবস্থান নেন সাধারণ মানুষ। অনেকে মূল মাঠে যেতে না পেরে দাঁড়িয়ে বা বসে মোনাজাতে অংশ নেন। দু-হাত তুলে ফরিয়াদ করেন মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে।

আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে বিশেষ বাস ও ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া মোনাজাতে মুসল্লিদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে বিশেষ ট্রাফিক পরিকল্পনা নিয়েছে পুলিশ।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




গ্রাম আদালতের জরিমানা করার ক্ষমতা চারগুণ বাড়ছে

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

গ্রাম আদালতের জরিমানা করার ক্ষমতা ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা করতে যাচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে গ্রাম আদালত সংশোধন আইনের খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সভা শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন এক ব্রিফিংয়ে বলেন, গত বছর এই আইনের খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু এটি সংসদে উপস্থাপন না হওয়ায় এবং নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হওয়ায় নতুন মন্ত্রিসভা থেকে অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। মন্ত্রিসভা এটিকে চূড়ান্ত অনুমোদন করে দিয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গ্রাম আদালতের আর্থিক ক্ষমতা (জরিমানার করার ক্ষমতা) ৭৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা করা হচ্ছে।

চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনের সমন্বয়ে গ্রাম আদালত হয় জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোনো সময় একজন অনুপস্থিত থাকলে আদালতের সদস্য সংখ্যা চারজন হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতি হলে অনুপস্থিত যিনি ছিলেন তাকে উপস্থিত হতে সাতদিন সময় দেওয়া হবে। এর মধ্যে তিনি উপস্থিত না হলে তখন ভোটাভুটি হলে চেয়ারম্যানের ক্ষমতা রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, মামলার এক পক্ষ মারা গেলে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। এখন বলা হয়েছে, রায়ের আগে কোনো পক্ষের মৃত্যু হলে তার উত্তরাধিকারকে পক্ষ করা যাবে।

নিউজ ট্যাগ: গ্রাম আদালত

আরও খবর