আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ভারতে ট্রেনকাণ্ড, দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে: মোদি

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ জুন ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের ওড়িশার বালাসোরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ওড়িশার বালাসোরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার সন্ধ্যার দিকে ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে এই ঘোষণা দেন তিনি।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে বালাসোরের বাহাঙ্গাবাজার স্টেশনের কাছের তিন ট্রেনের দুর্ঘটনায় ২৮৮ জন নিহত হয়েছেন। ভারতের গত ২০ বছরের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ৮০৩ জন।

দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় যারা পরিবারের সদস্যদের হারিয়েছেন তাদের পাশে রয়েছে সরকার। এটা বেদনাদায়ক ঘটনা। আহতদের চিকিৎসার জন্য সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। এটা গুরুতর ঘটনা। এই দুর্ঘটনার প্রত্যেকটি দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

শনিবার সন্ধ্যার দিকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী মোদি বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে ভুবনেশ্বর থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার উত্তরে বালাসোর জেলার বাহাঙ্গাবাজার স্টেশনের দুর্ঘটনাস্থলের কাছে অবতরণ করেন। সেখানে পৌঁছানোর পর দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করতে তিনি বালাসোর জেলা হাসপাতালে যান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেশটির কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকেও দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে দেখা যায়। ঘটনাস্থল থেকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি আহতদের ও তাদের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।


আরও খবর



রাফায় বিস্ফোরণে নিহত ৮ ইসরায়েলি সেনা

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় ৮ জন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। গত প্রায় দুমাস আগে রাফায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান শুরুর পর এই প্রথম সেখানে একসঙ্গে এতজন সেনা নিহতের ঘটনা ঘটল।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) তথ্য অনুসারে, শনিবার ভোর ৫টার দিকে রাফার তেল আল-সুলতান এলাকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কমব্যাট ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিটের একটি সামরিক সাঁজোয়া গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। নিহত ওই আট সেনা ওই গাড়িতে ছিলেন। সাঁজোয়া গাড়িটির কোনো যাত্রী আর বেঁচে নেই বলে জানিয়েছে আইডিএফ।

ঠিক কী কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এ ঘটনায় ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী।

এদিকে হামাস দাবি করেছে, তেল আল সুলতানের যেখানে সাঁজোয়া যানটি বিস্ফোরিত হয়েছে, সেখানে মাটির নিচে মাইন পাতা ছিল। বিস্ফোরণ ঘটেছে সেই মাইনের প্রভাবেই। শুক্র-শনিবারের সেই অভিযানে নিহত হয়েছেন ১৯ জন ফিলিস্তিনিও।

রাফার সঙ্গে মিসরের সীমান্ত রয়েছে। গত বছর অক্টোবরে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান শুরুর পর জীবন বাঁচাতে গাজার বিভিন্ন এলাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলীয় এই সীমান্ত শহরে জড়ো হন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি। এ কারণে গত এপ্রিলে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু যখন রাফায় অভিযান শুরু করতে চান বলে ঘোষণা দেন, সে সময় যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক বিশ্ব তাতে প্রবল আপত্তি জানিয়েছিল।

তবে সেই আপত্তি উপেক্ষা করে রাফায় অভিযান শুরু করে আইডিএফ। কারণ ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, এ শহরটিতে হামাসের শক্তিশালী ঘাঁটি রয়েছে। গত শুক্রবার রাতে তেল আল সুলতান এলাকায় অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী, সেখানে হাজার হাজার বেসামরিক ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েল ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বর্তমানে যে প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে, তাকে আরও জটিল করতে পারে এই ৮ ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু।

কারণ গাজা অভিযান নিয়ে ইসরায়েলে দ্বিধা-বিভক্তি দিন দিন প্রকট হচ্ছে। গত সপ্তাহে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন সভার অন্যতম সদস্য এবং সাবেক সেনা অধিনায়ক জেনারেল বেনি গান্টজ। তার অভিযোগ, গাজা ইস্যুতে নেতানিয়াহুর কোনো স্পষ্ট ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেই।

বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি জরিপের ফলাফল যদিও বলছে যে হামাসকে পুরোপুরি অকার্যকর করতে গত আট মাস ধরে যে অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী তার প্রতি দৃঢ় সমর্থন রয়েছে সাধারণ ইসরায়েলিদের। তবে গত কয়েক মাস ধরে প্রতি সপ্তাহের শনিবার ইসরায়েলের প্রধান শহর তেল আবিবে বিক্ষোভ করছেন হাজার হাজার মানুষ। তাদের দাবি হামাসের কব্জায় থাকা জিম্মিদের ফেরত আনতে অনতিবিলম্বে গোষ্ঠীটির সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করতে হবে ইসরায়েলের সরকারকে।

তবে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, হামাসকে পরাজিত করেই জিম্মিদের উদ্ধার করতে হবে এবং এই মুহূর্তে এই অভিযান থামানোর কোনো সুযোগ নেই।


আরও খবর



পাপুয়া নিউগিনিতে ভয়াবহ ভূমিধস, নিহত ১০০

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

উত্তর পাপুয়া নিউগিনির একটি প্রত্যন্ত গ্রামে ভূমিধসে প্রায় ১০০ জন নিহত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এবিসি) বরাতে এই খব জানিয়েছে রয়টার্স।

দেশটির এনগা প্রদেশের কাওকালাম গ্রামে ভোর ৩টার দিকে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। গভীর ঘুমে আছন্ন থাকাকালীন চোখের পলকে মাটির তলায় চলে গিয়েছে গোটা গ্রাম। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই তখন ঘুমে আছন্ন। পাহাড়ের একটা অংশ ধসে পড়ে। মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে মাটির নিচ থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে।

রয়টার্স স্বাধীনভাবে নিহতের সংখ্যা যাচাই করতে পারেনি। 

ব্যারিক গোল্ড পরিচালিত পোরগেরা সোনার খনির কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করেছে এই ভূমিধস। প্রতিষ্ঠানটি এখনও তাদের ক্ষতি সম্পর্কে কিছু জানায়নি।

দেশটির সরকারী কর্মকর্তা এবং পুলিশও মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিক সাড়া দেয়নি।


আরও খবর



ঈদের ছুটিতেও গ্রামে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জ্যৈষ্ঠ গড়িয়ে আষাঢ়ের দিন শুরু হলেও গরম কমছে না। ঝড়সহ বৃষ্টির শঙ্কাও আছে চলতি মাসে। এর মধ্যে এ সপ্তাহে ঈদের ছুটিতেও বিদ্যুতের লোডশেডিং বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এরপরও জ্বালানি ঘাটতি এবং অপেক্ষাকৃত নাজুক সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা বা সকল গ্রাহকের কাছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া প্রায় অসম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঈদের মতো বড় ছুটির সময় সাধারণত বিদ্যুতের চাহিদা কমে। চাহিদা কম থাকায় উত্পাদন ও সরবরাহে তেমন ঘাটতি থাকে না। তবে এখন ছুটির দিনেও ঘাটতি থাকছে। গ্রামে সেই ঘাটতি আরও বেশি। ছুটির সময়ে বাণিজ্য ও শিল্পে কমে যাওয়া গ্যাস-বিদ্যুতের চাহিদা আবাসিকে দিয়ে সাধারণ লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কিন্তু ঘাটতি বেড়ে যাওয়ায় শিল্পে-বাণিজ্যে বেঁচে যাওয়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ দিয়ে লোডশেডিং সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে দৈনিক ২৬ হাজার ৩৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উত্পাদন ও আমদানির সক্ষমতা রয়েছে। গত মঙ্গলবার সাবস্টেশন পর্যায়ে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ১৯ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ। সরবরাহ করা হয় ১৫ হাজার ১৫৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। অর্থাৎ লোডশেড বা ঘাটতি ছিল ৮৬১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়নি। আর সাবস্টেশন পর্যায়ের চেয়ে গ্রাহক পর্যায়ে চাহিদার বিপরীতে লোডশেডিং আরও বেশি।

পিডিবির হিসেব মতে, গত মঙ্গলবার সবচেয়ে বেশি ২৮৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে ময়মনসিংহ অঞ্চলে। কুমিল্লা ও ঢাকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। এ দিন রাজশাহী, সিলেট এবং বরিশাল অঞ্চলে কোনো লোডশেডিং হয়নি বলে পিডিবির দৈনিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। অথচ এ বিভাগগুলোর ছয়টি জেলার প্রতিনিধিরা ঐ দিন জেলাগুলোর বিভিন্ন এলাকায় তিন থেকে ছয় ঘণ্টা লোডশেড হয়েছে বলে জানিয়েছেন। বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন গ্রাহকরাও।

বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি কমবেশি ঐ গত মঙ্গলবারের মতো চলছে। আসন্ন ঈদে সরকারি ছুটির সময়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিচালনা করার জন্য একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। রাজধানীতে বিদ্যুৎ ভবনে স্থাপিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ঈদের ছুটিতে প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চালু থাকবে। ঐ কর্মকর্তা আরও জানান, গ্রামের চেয়ে রাজধানীসহ শহরাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের শীর্ষ অংশের নীতি সিদ্ধান্ত রয়েছে। ফলে শহরে তেমন না হলেও গ্রামের মানুষের লোডশেডিং থেকে এখনই মুক্তি মেলার আশা নেই।

স্থানীয় জ্বালানির পর্যাপ্ত সংস্থান না থাকায় দেশের বিদ্যুৎ উত্পাদন অনেকটাই আমদানি-নির্ভর। এখন মার্কিন ডলার এবং দেশীয় টাকারও প্রয়োজনীয় পরিমাণ জোগান নেই। তাই এলএনজি (গ্যাস) এবং জ্বালানি তেল আমদানি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আবার বেসরকারি বিদ্যুৎ উত্পাদনকারীদের বিপুল বিল বকেয়া পড়ে রয়েছে। এমন চিত্রটা দাঁড়িয়েছেঅর্থের অভাবে জ্বালানির সরবরাহে ঘাটতি। তাই বিদ্যুতের উত্পাদন ও বিতরণে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তবে আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের ছুটির সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। ফলে যত বেশি বৃষ্টি হবে বিদ্যুতের চাহিদা তত কমবে। চাহিদা কমায় লোডশেডিংও কমবে।

পিডিবি সূত্রে জানা যায়, গ্যাস সংকটের কারণে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উত্পাদন ক্ষমতার বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র অলস পড়ে রয়েছে। দুইটি এলএনজি টার্মিনালও সমানতালে চালু রাখা যাচ্ছে না কারিগরি দুর্বলতা এবং জ্বালানির অভাবে।


আরও খবর



ফরেনসিক টেস্ট ছাড়া বলা যাবে না উদ্ধার দেহাংশ এমপি আনারের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

কলকাতার সঞ্জীবা গার্ডেনসের সেপটিক ট্যাংক থেকে কারও মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ওই মরদেহের খণ্ডাংশ ঝিনাইদহের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের।

তবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দাপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, ফরেনসিক টেস্ট ছাড়া এটা বলা যাবে না যে উদ্ধার মরদেহের খণ্ডাংশ এমপি আনারের। মঙ্গলবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় এ কথা বলেন ডিবিপ্রধান।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ডিবির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেপটিক ট্যাংক ভাঙা হয়। কলকাতার সিআইডিকে আমাদের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছিল সেপটিক ট্যাংক ভেঙে তল্লাশি চালানোর জন্য। তবে ফরেনসিক টেস্ট ছাড়া এমপির মরদেহ এটা তা বলা যাবে না।

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে সঞ্জীবা গার্ডেনসের এক ফ্ল্যাটে হত্যা করা হয় বলে স্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। আজ মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতা পুলিশ ওই ভবনের স্যুয়ারেজ লাইনের পাইপ ও সেপটিক ট্যাংকে মরদেহের খণ্ডাংশের খোঁজে অভিযান চালায়।

ভারতে বাংলাদেশের গোয়েন্দা দলের প্রতিনিধি ডিসি মো. আ. আহাদ বলেন, আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে ওই ফ্ল্যাটে বাথরুমে ফ্ল্যাশের কথা জানায়। এরপর ভারতে এসে আমরা ওই ফ্ল্যাটটি পরিদর্শন করি এবং ভারতীয় পুলিশকে পরামর্শ দেই বাথরুমের পাইপ ভেঙে ট্যাংকি দেখতে। এরপর কিছুক্ষণ আগে শুনেছি পাইপ থেকে কিছু মরদেহের খণ্ডাংশ পাওয়া গেছে।

এর আগে কলকাতার গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সঞ্জীবা গার্ডেনসের যে ফ্ল্যাটে এমপি আনারকে হত্যা করা হয়, তার কমোড দিয়ে মরদেহের টুকরো ফ্ল্যাশ করে দেওয়া হতে পারে। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছে ডিবিপ্রধানের নেতৃত্বে চার সদস্যের গোয়েন্দা প্রতিনিধি দল।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের বৈঠক

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধি দল। সোমবার (২৭ মে) সকালে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে চার দিনের সফরে গতকাল রবিবার রাতে ঢাকায় আসে এই প্রতিনিধি দলটি।

প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে অ্যাডভোকেসি করা বাংলাদেশ-ইউএস বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপ। তার সঙ্গে রয়েছেন কাউন্সিলের উচ্চপর্যায়ের নির্বাহীরা।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুসহ অনেকেই।

২০২১ সালে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বিজনেস কাউন্সিল গঠিত হয়। সেই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোক্তাদের কাছে এ দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরতে কাউন্সিল কাজ করছে।

ইউএস চেম্বার অব কমার্সের অধীন যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (ইউএসবিবিসি) বর্তমান প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপ ২০২৩ সালের এপ্রিলে দায়িত্ব নেওয়ার পর সেপ্টেম্বরে ঢাকায় এসেছিলেন। তবে তার আগে বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি বহুবার বাংলাদেশ সফর করেছেন।


আরও খবর