আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

ভারতে পিকে হালদারের বিপুল সম্পত্তির সন্ধান

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আলোচিত পিকে হালদারের বিপুল সম্পত্তির সন্ধান মিলেছে ভারতে। খোঁজ পাওয়া গেছে বেশ কয়েকটি বিলাসবহুল বাগানবাড়ি, হোটেল ও ফ্ল্যাটের।

শুক্রবার (১৩ মে) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের অন্তত ৯ জায়গায় চিরুনি অভিযান চালায় দেশটির অর্থ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর বা ইডি। পিকে হালদারের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক করা হয়েছে একজনকে।

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক পিকে হালদার। প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মুদ্রা পাচার ও ১২৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন মামলায় এখন পলাতক আসামি তিনি। পাচার করা অর্থে ভারতে বিপুল সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি। খবর পেয়ে শুক্রবার ম্যারাথন অভিযানে নামে নয়াদিল্লির গোয়েন্দা বিভাগ। রাজারহাট, উত্তর ২৪ পরগণার অশোকনগর, দমদমসহ পশ্চিমবঙ্গের অন্তত ৯ জায়গায় চালানো হয় সাঁড়াশি অভিযান।

এদিন সন্ধান মেলে পিকে হালদারের প্রধান সহযোগী সুকুমার মৃধার পাচারকৃত অর্থেরও। ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিহিনী এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর বা ইডি জানায়, মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত সুকুমারের বিরুদ্ধে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি পেয়েছেন তারা। সেখানে পিকে-মৃধা মিলে কিনেছেন বেশ কিছু বাগানবাড়ি।

স্বপন মিত্র নামে তাদের আরেক সহযোগীর বাড়িতেও হানা দেয় ইডি। সেখান থেকে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়। তাকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটক করে গোয়েন্দা বাহিনী।

এর আগে পিকে হালদারের সহযোগী হিসেবে পরিচিত ২৫ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন বাংলাদেশের উচ্চ আদালত। এ তালিকায় সুকুমার ও তার মেয়ে অনিন্দিতাও ছিলেন। পরে এ দুজনসহ ৬২ জনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও জব্দ করে দুদক।


আরও খবর



চীনের হুনান প্রদেশে ভবন ধস, নিখোঁজ ৩৯

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ মে ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চীনের হুনান প্রদেশে একটি আটতলা ভবন ধসে বহু মানুষ আটকা পড়েছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছে আরও বহু মানুষ। স্থানীয় সময় শনিবার এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে লোকজনকে উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হুনান প্রদেশে অবস্থিত ওই ভবনটিতে একটি হোটেল, অ্যাপার্টমেন্ট এবং সিনেমা হল ছিল। শনিবার কমপক্ষে ২৩ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন এবং আরও ৩৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। চাংশার মেয়র সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মেয়র ঝেং জিয়ানশিন জানিয়েছেন, নিখোঁজদের জীবিত উদ্ধারে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত রাতে ধসে পড়া ভবন থেকে পাচঁজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই ভবনটি আটতলাবিশিষ্ট। এদিকে যে কোনো মূল্যে লোকজনকে উদ্ধারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ভবনটি কী কারণে ধসে পড়েছে সে বিষয়ে তদন্ত করারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

চীনে ভবন ধসে পড়ার ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। নিরাপত্তা বিধিনিষেধ সঠিকভাবে মেনে না চলা এবং কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারণেই এমন ঘটনা ঘটে থাকে।

গত জানুয়ারিতে চোংকিং এলাকায় গ্যাস লিকের ঘটনা থেকে বিস্ফোরণের পর একটি ভবন ধসে পড়ে। এতে ডজনখানেক মানুষ প্রাণ হারায়।

নিউজ ট্যাগ: ভবন ধস নিখোঁজ

আরও খবর



১৬ অঞ্চলে ৮০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আভাস

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৬৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের ১৬টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় এমন পূর্বাভাস দেয় আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন- রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অন্য এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল ও তৎসংলগ্ন এলাকার অদূরে অবস্থানরত লঘুচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

এ অবস্থায় শনিবার (১৪ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বিজলী চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি  ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কিলোমিটার, যা অস্থায়ীভাবে পশ্চিম/উত্তরপশ্চিম দিক থেকে দমকা হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।

রোববার নাগাদ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা হ্রাস পেতে পারে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। বর্ধিত পাঁচ দিনের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

শুক্রবার দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুরে, ২০১ মিলিমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে, ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আরও খবর



যেসব কারণে ভেড়া পালন লাভজনক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আমাদের দেশে ভেড়া পালন বেশ লাভজনক। ভেড়া ঘাস খেতে খুব পছন্দ করে এবং দলগতভাবে ঘুরে বেড়ায়। তাই এটি পালন করা খুব সহজ। এদের প্রজনন ক্ষমতাও বেশি। এটি ১৫ মাসে ২ বার বাচ্চা দেয়। তাই ভেড়া পালন শুরু করলে কয়েক বছরের মধ্যে খামারের আকার বড় হয়ে উঠে। অন্যদিকে এটি পালন করে লাভবান হওয়া যায়। ভেড়া শুধু ঘাস খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে। তবে কিছু দানাদার খাদ্য সরবরাহ করলে ভালো উৎপাদন পাওয়া যায়। ভেড়া পশম ও মাংসের জন্য পালন করা হয়। আমাদের দেশে ভেড়ার তেমন কোনো ভালো জাত নেই। বাংলাদেশের ভেড়া মোটা পশম উৎপাদন করে। তাই এরা পশমের জন্য জনপ্রিয় নয়। আমাদের দেশে ভেড়া মাংসের জন্য উৎপাদন করা হয়ে থাকে।

ভেড়া খাবারের জন্য সারাদিন মাঠে ঘুরে বেড়ায়। এদের বাসস্থান প্রয়োজন হয়। বাসস্থানের প্রয়োজন বিশেষ করে রাতে ভেড়ার বিশ্রাম নেওয়ার জন্য। তাছাড়া বন্য প্রাণীর হাত থেকে রক্ষা করার জন্যও বাস স্থানের দরকার। ঝড় ও বৃষ্টি থেকে রক্ষা করার জন্য ও বেশি উৎপাদনক্ষম ভেড়ার দুগ্ধ দোহন করার জন্য বাসস্থানের প্রয়োজন। অন্যদিকে গর্ভবতী, প্রসূতি ও বাচ্চা ভেড়ার পরিচর্যার জন্যও বাসস্থান জরুরি।

ভেড়া পালনের জন্য তিন ধরনের ঘর ব্যবহার করা হয়। যেমন,- উন্মুক্ত, আধা উন্মুক্ত ও আবদ্ধ ঘর। আবহাওয়া ও জলবায়ুর কথা চিন্তা করে রাতে আশ্রয়ের জন্য ভেড়ার ঘর তৈরি করা হয়। ভেড়ার ঘরের মেঝে ভূমি সমতলে বা মাচার তৈরি হয়ে থাকে। যেসব অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম হয় সেখানে এ ধরনের ঘর উপযোগী। একটি নির্দিষ্ট জায়গার চারিদিকে বেড়া দিয়ে উন্মুক্ত ঘর তৈরি করা হয়। এধরনের ঘরে কোনো ছাদ থাকে না। সারাদিন বাইরে খাওয়ার পর রাতে ভেড়ার পাল এখানে আশ্রয় নেয়। এখানে মেঝেতে খড় ব্যবহার করা হয়। উন্মুক্ত ঘরের নির্দিষ্ট স্থানের এক কোনে কিছু জায়গা যখন ছাদসহ তৈরি করা হয় তখন তাকে আধা উন্মুক্ত ঘর বলে। যেসব এলাকায় মাঝে মধ্যে বৃষ্টি হয় সেখানে আধা, উন্মুক্ত ঘর ব্যবহার করা যেতে পারে।

যেসব অঞ্চলে প্রচুর ঝড়-বৃষ্টি হয়, সেখানে এ ঘর বেশি উপযোগী। আবদ্ধ ঘরের পুরা অংশেই ছাদ থাকে। ঘরের পাশ দিয়ে প্রচুর আলো বাতাস প্রবাহের ব্যবস্থা থাকে। আবদ্ধ ঘরের মেঝে পাকা ও আধা পাকা হয়ে থাকে। ভেড়াকে সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম রাখার জন্য এবং এদের থেকে বেশি উৎপাদন পেতে হলে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে হবে। নিয়মিত ব্রাশ দিয়ে ভেড়ার পশম পরিষ্কার করতে হবে। এতে পশমের ময়লা বেরিয়ে আসবে। ভেড়ার দেহে মাঝে মধ্যে পরজীবীনাশক প্রয়োগ করতে হবে। ভেড়ার পশম কাটার আগে গোসল করাতে হবে।

ভেড়া যে কোনো ধরনের খাদ্য খেতে খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে। এটি গরু, মহিষ ও ছাগলের মতোই জাবরকাটা প্রাণী। ভেড়ার খাদ্যের শ্রেণিবিন্যাস গরু ছাগলের মতোই। এদের খাদ্য তালিকায় আঁশযুক্ত খাবারের পরিমাণ দানাদার খাদ্যের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে। গর্ভবতী ভেড়ির তুলনায় প্রসূতির খাদ্য তালিকায় অধিক পরিমাণে দানাদার খাদ্য প্রদান করা হয়। বাচ্চা প্রসবের একমাস পূর্ব থেকে ভেড়ির খাদ্য তালিকায় দৈনিক ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম হারে দানাদার খাদ্য যোগ করতে হয়। ভেড়াকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রাখতে হবে। সব বয়সের ভেড়াকে নিয়মিত কৃমিনাশক খাওয়াতে হবে ও সময় মতো টিকা প্রদান করতে হবে। ভেড়া বাদলা, তড়কা, ম্যাস্টাইটিস, খুরা রোগ, চর্মরোগ, কৃমি ইত্যাদিতে বেশি আক্রান্ত হয়। রোগাক্রান্ত ভেড়াকে পশু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা দিতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: ভেড়া পালন

আরও খবর



পাকা চুল কালো করতে ঘরোয়া উপায়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | ২২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই চুল পাক ধরতে শুরু করে। পাকা চুল কালো করতে অনেকেই বাজারচলতি বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করেন। তাতে সাময়িক ভাবে চুলের সাদা ভাব খানিকটা কমে গেলেও দীর্ঘস্থায়ী কোনও সুফল পাওয়া যায় না। বরং রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রিত এই ধরনের বাজারচলতি রং ব্যবহারে চুলের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়।

এমনকি পাকা চুলের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। এক বার রং করার পর প্রায় ৭-১০ দিনেই আবার সাদা চুল উঁকি দেয়। এত ঝামেলায় না গিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে সাদা চুল কালো করতে পারেন। কী ভাবে? জানেন কি আলু দিয়েই সাদা চুল কালো করা সম্ভব। রইল পদ্ধতি।

একটি পাত্রে এক কাপ আলুর খোসা আর দুকাপ জল দিয়ে প্রায় ২০-৩০ মিনিট মতো ফুটিয়ে নিন। জল ফুটে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে আপনি যে শ্যাম্পু ব্যবহার করেন, তার সঙ্গে এই মিশ্রণটি মিশিয়ে শ্যাম্পু করে নিন।

শ্যাম্পু করা হয়ে গেলে হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল না শুকিয়ে ফেলে তোয়ালে দিয়ে কিছু ক্ষণ পেঁচিয়ে রাখুন। মিনিট ১৫ পরে চুল থেকে তোয়ালে খুলে চুল শুকিয়ে নিন।পর পর দুসপ্তাহ এটি ব্যবহার করলে পাকা চুলের সমস্যা দূর হবে।

 

নিউজ ট্যাগ: পাকা চুল কালো

আরও খবর
আজকের রাশিফল!

বুধবার ২৫ মে ২০২২




কোন বয়সে বিয়ে করা শ্রেয়

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ মে ২০২২ | ২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কেউ বলেন, বিয়ের বয়স হয়ে গেল। এর পরে দেরি হয়ে যাবে। কেউ আবার বলেন, বিয়ের কোনও বয়স হয় না। আর এ সব নিয়েই চলতে থাকে তর্ক। কেউ বিয়ে করেন ২৫ বছর বয়সে, কেউ আবার বয়স ৩০ পেরিয়ে গেলেও অপেক্ষা করেন মনের মতো সঙ্গীর জন্য। কিন্তু অপেক্ষা করলেই যেন বিপদ। বয়স যত বাড়তে থাকে, সমাজের মাথাব্যথাও বাড়ে। মহিলাদের নিয়ে সমাজের মাথাব্যথাটা বোধ হয় একটু হলেও বেশি।

ইদানীং অনেক মেয়েই পড়াশোনা ও পেশাগত কারণে একটু বেশি বয়সে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তবে হয়তো কিছু কিছু সমস্যা দেখা যায়। জানেন সেগুলি কী।

১) সঙ্গীর সঙ্গে বোঝাপড়ার সমস্যা

দীর্ঘ সময়ে স্বনির্ভর এবং নিজের মতো জীবন কাটানোর পর মেয়েরা যখন বেশি বয়সে দাম্পত্য জীবনে প্রবেশ করছেন, তখন অনেকের ক্ষেত্রেই মানিয়ে নিতে বেশ সমস্যা হয়। সঙ্গীর সঙ্গে বোঝাপড়ার অভাবে দাম্পত্য-কলহ লেগেই থাকে। তবে যাঁরা এটা সমস্যা বলে মনে করতে চান, তাঁদের জন্য অবশ্যই সমস্যা। আবার যাঁরা মনে করেন, নিজের কথা স্পষ্ট করে বলা, যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে খোলাখুলি মত প্রকাশ করে মেয়েদের অধিকার, তা হলে হয়তো নারীর ব্যক্তি-স্বাধীনতা ততটা সমস্যার নয়। স্বামী-স্ত্রীয়ের মধ্যে যদি যথেষ্ট ভালবাসা এবং সম্মান থাকে, তা হলে এই সমস্যা খুব একটা হওয়ার কথা নয়।

২) অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের প্রজনন ক্ষমতা কমে যায়। তার উপর কর্মব্যস্ত জীবনে বেড়ে চলা মানসিক চাপ, জীবনযাত্রায় অনিয়ম, শরীরে বিভিন্ন রোগের হানা ইত্যাদি নানা কারণে সন্তানধারণের ক্ষমতা আরও কমতে যায়। তাই ইদানীং আইভিএফ পদ্ধতিতে সন্তানধারণের চল বেশ বেড়েছে। তবে এই পদ্ধতি বেশ খরচসাপেক্ষ। আর আইভিএফ পদ্ধতি আপনার শরীরে সফল না-ও হতে পারে। এই পদ্ধতিতে মহিলাদের শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়, ফলে শরীর বেশ দুর্বল হয় পড়ে। তবে বলে রাখা ভাল, আধুনিক বিজ্ঞানের সাহায্যে অনেক কিছুই সম্ভব। অনেক মেয়ে এখন নিজেদের ডিম্বাণু সংরক্ষণের পথেও হাঁটেন।

৩) শারীরিক মিলনের ক্ষেত্রে সমস্যা

দাম্পত্য জীবনে যৌনসুখ কিন্তু ভীষণ জরুরি। বয়স বাড়লে যৌনতার প্রতি ঝোঁক কমে। অনেক মহিলাদের ক্ষেত্রেই ৪০-৪৫ বছরেই ঋতুবন্ধ হয়ে যায়। তার পর শারীরিক মিলনের প্রতি অনীহাও জাগে। তবে ঋতুবন্ধ হওয়া মানেই যৌনজীবনের ইতি নয়। প্রয়োজন পড়লে কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে ঋতুবন্ধের পরও যথেষ্ট সক্রিয় এবং উপভোগ্য যৌনজীবন হতে পারে যে কোনও নারীরই।

সমাজের চোখরাঙানিতে নয়, নিজের ভাল-মন্দ বুঝেই বিয়ের মতো বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তাড়াহুড়ো করে পারিপার্শ্বিক চাপে পড়ে নয়, নিজের বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে বিয়ে করার কথা ভাবুন। একটু দেরিতে বিয়ে করার সমস্যা যেমন রয়েছে, রয়েছে অনেক সুবিধাও। তাই মন থেকে সায় পেলে তবেই বিয়ের কথা ভাবুন।

 

নিউজ ট্যাগ: বিয়ে

আরও খবর
আজকের রাশিফল!

বুধবার ২৫ মে ২০২২