আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

ভারতে হিটস্ট্রোকে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪০ হাজার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

২০২৩ সালের গ্রীষ্মকালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত গত তিন মাসে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে হিটস্ট্রোকে আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে ৪০ হাজারেরও বেশি। আক্রান্তদের মধ্যে ১০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

চলতি বছরের ১ মার্চ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত এসব আক্রান্ত-মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

গ্রীষ্মকালে ভারতের অধিকাংশ প্রদেশ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ব্যাপক গরম পড়ে; তবে দেশটির জলবায়ুবিদরা জানিয়েছেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবারের গ্রীষ্মে ভারতের গড় তাপমাত্রা ৪ থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি। গত মে এবং জুন মাসে রাজধানী নয়াদিল্লি, উত্তরপ্রদেশসহ ভারতের কিছু কিছু অঞ্চলে দিনের বেলা তাপমাত্রা ছাড়িয়েছে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। তাপপ্রবাহের জেরে আকাশে উড়ন্ত পাখি মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে এমন ঘটনা এবারের গ্রীষ্মে ভারতে ঘটেছে অহরহ।

ভারতের প্রাণী সংরক্ষণবাদী অলাভজনক সংস্থা ওয়াইল্ডলাইফ এসওএসের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং শীর্ষ নির্বাহী কার্তিক সত্যনারায়ণ রয়টার্সকে বলেন, গত দুসপ্তাহে গরমের কারণে নয়াদিল্লিতে আকাশ থেকে পাখিদের মাটিতে লুটিয়ে পড়ার ঘটনা প্রচুর ঘটেছে। প্রতিদিনই আমরা ৩৫ থেকে ৪০টি ফোন রিসিভ করেছি। সব ফোনই ছিল পাখিদের উদ্ধার সংক্রান্ত।

এদিকে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর বলেছে, শিগগিরই এই তাপপ্রবাহ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা তেমন নেই। বর‌ং চলতি জুন মাসের শেষ পর্যন্ত এই আবহাওয়া বজায় থাকবে।

হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জাজিরায় জেলেদের মাঝে ছাগল ও খোয়ার ঘর বিতরণ

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
শাওন মিয়া (জাজিরা) শরীয়তপুর

Image

শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলায় ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ উন্নয়ন প্রকল্প এর আওতায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বিকল্প কর্মসংস্থানের উপকরণ হিসেব ছাগল বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিবন্ধনধারী অসহায় ২০জন প্রকৃত জেলেদের মাঝে দুটি করে ৪০টি ছাগল ও ২০টি খোয়ার ঘরসহ অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করা হয়।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজী-এর সভাপতিত্বে উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম লুনা।

উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ রেজাউল শরীফ, উপজেলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: নজরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম লুনা বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় দেশিয় প্রজাতির মাছ, শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে মৎস্য বিভাগ। দেশীয় প্রজাতির মাছ, পুষ্টিগুণের আধার, প্রকৃতির বন্ধু শামুক এ স্লোগানকে সামনে রেখে খাল-বিল বেষ্টিত ৪৯ উপজেলায় প্রাথমিকভাবে চার বছর মেয়াদী দেশীয় প্রজাতির মাছ, শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

কৃষি উৎপাদন ঠিক রেখে মৎস্য বিভাগ প্রকল্প এলাকায় ১লাখ ৮হাজার ৮৪৭ জন সুফলভোগীর দক্ষতা উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।


আরও খবর



কক্সবাজারে পাহাড় ধস, নারী-শিশুসহ চারজনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারে শুরু হওয়া ভারি বর্ষণে ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে চারবার পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। পৃথক এ ঘটনাগুলোতে নারী-শিশুসহ চারজনের করুণ মৃত্যু হয়েছে। এদের মাঝে দুজন বৃহস্পতিবার সকালে, একজন দুপুরে এবং অপরজন রাতে পৃথক ঘটনায় মাটিচাপা পড়ে নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আতাউল গনি ওসমানী।

সর্বশেষ পাহাড় ধসের ঘটনায় কক্সবাজার শহরের কলাতলী সৈকত পাড়া এলাকা থেকে এক স্কুল ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাতে ৮টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টার উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে একজনের মরদেহ এবং বাকি তিনজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়।

নিহত শিক্ষার্থী মিম (১২) সৈকত পাড়ার মুহাম্মদ সেলিমের কন্যা। সে সৈকত বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী ছিলেন।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার দোলন আচার্য বলেন, পাহাড় ধসের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। পাহাড়ের নিচে বিপদজনকভাবে তৈরি করা একটি ঘরের ছোট খুপরিতে মাটিচাপা পড়েন কয়েকজন। সেখানে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। মিমকে বের করতে প্রায় তিন ঘণ্টা লেগে যায়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের বরাতে পৌরসভার ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এম এ মনজুর বলেন, পরমাণু শক্তি কমিশন অফিসের নিরাপত্তাকর্মী মোহাম্মদ সেলিমের মালিকানাধীন টিন সেট বাড়ির উপর রাত ৮টার দিকে একটি গাছসহ পাহাড় ধসে পড়ে। এসম সময় বাড়িতে সাত সদস্য অবস্থান করলেও সেলিমের স্ত্রী নূরজাহান, তাদের সন্তান লামিয়া হাবিবা, হুজাইফা, মাওয়া ও মিম মাটির নিচে চাপা পড়ে। তাৎক্ষণিক চেষ্টাও তিনজনকে জীবিত বের করা গেলেও মিমকে উদ্ধারে সময় বেশি লাগায় তার মৃত্যু হয়। প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও উদ্ধারে অংশ নেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ মুহুরিপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে গৃহবধূ লায়লা বেগম (৩৫) নিহত হন। তিনি স্থানীয় বজল আহমদের স্ত্রী। তাদের শিশু সন্তান মোহাম্মদ জুনায়েদকে (২) গুরুতর আহত অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতের মেয়ে ইয়াছমিন আক্তার বলেন, আমার মা ভাইকে নিয়ে দুপুরে ভাত খাচ্ছিলেন। এসময় হঠাৎ পাহাড় ধসে এসে রান্নাঘরে পড়ে। মা এবং ভাই মাটি চাপা পড়লে এলাকাবাসীর সহায়তায় তাদের ভেতর থেকে বের করা হয়। পরে আমার মা মারা গেলেও ভাইকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

একইদিন সকাল ৭টার দিকে পাহাড় ধসের পৃথক ঘটনায় আরো দুইজনের মৃত্যু হয়। শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ পল্যানিয়া কাটা এলাকায় বসতঘরে পাহাড় ধসে স্থানীয় মোহাম্মদ করিমের স্ত্রী জমিলা বেগম (৩০) নিহত হন৷ কাছাকাছি সময়ে শহরের ৭নং ওয়ার্ডের সিকদার বাজার এলাকায় বাড়ির মাটির দেয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হয় সাইফুল ইসলামের ছেলে নাজমুল হাছান (১০)।

নিহত জমিলার স্বামী করিম জানান, সকাল ৬টার দিকে ঘুম থেকে উঠেই নাস্তা খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল সপরিবার। এসময় আচমকা পাহাড়ের কাদামাটি বসত ঘরে পড়লে চাপা পড়েন গৃহবধূ জমিলা। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শিশু হাসানের পরিবার জানায়, পাহাড় ধসে ঘরের মাটির দেয়ালে পড়লে মাটির দেয়ালসহ আসবাবপত্রে চাপা পড়ে শিশু হাসান। ঘটনাস্থল থেকে তাকে মৃত উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম তারিকুল আলম বলেন, পাহাড়ে ঝুঁকিতে থাকারা নিরাপদে সরে আসতে কক্সবাজার পৌরসভা ১৩টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলেছে। সেখানে রান্না করা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহরের পাহাড়ে বসবাসরতদের মাইকিং করে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। কিন্তু মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে চায় না। এ কারণেই বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গেলো।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আতাউল গনি ওসমানী বলেন, যুগ যুগ ধরেই কক্সবাজারের পাহাড় ও পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি গেড়েছে অধিবাসীরা। মৃত্যুর হাতছানি দেখেও তাদের সরানো যায় না। এরপরও মাইকিং অব্যাহত রাখা হয়েছে। পাহাড় ধসে মৃত্যুরোধে প্রয়োজনে আইনী পদক্ষেপে তাদের সরানোর উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে বলেও উল্লেখ করেন এডিএম।


আরও খবর



কোটাবিরোধী আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পড়াশোনা বাদ দিয়ে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে কোটাবিরোধী আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৭ জুলাই) গণভবনে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটা বাতিলের আন্দোলন হচ্ছে। কোটা বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু হাইকোর্টের রায়ে বহাল হয়েছে। পড়াশোনা বাদ দিয়ে ছেলেমেয়েরা আন্দোলন করছে। এর কোনো যৌক্তিকতা নেই।

অনুষ্ঠানে যুব মহিলা লীগের ওয়াবসাইট উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। নারীর ক্ষমতায় ও অগ্রগতিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলন- সংগ্রামে যুব মহিলা লীগ সব সময় ভূমিকা পালন করেছে। দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করেছে সংগঠনটি।

মহিলা লীগের কর্মীদের পেনশন স্কিমে যোগ দেয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য পেনশন স্কিম করা হয়েছে। জীবনের নির্ভরতার জন্য পেনশন। আমরা চাই সবাই একটু ভালোভাবে বাঁচুক।

বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় যেভাবে নিযর্তন করেছে তা নিন্দারও যোগ্য নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, দলটি ভোট চুরি করে মাত্র দেড় মাস টিকেছে। গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ২০০১ সালে ক্ষমতায় গিয়েছিল বিএনপি। ভোট চুরির অবপাদে ২ বার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে তারা।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপির নির্যাতনের চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। তারা সমাজের অভিশপ্ত বোঝা। তাদের অত্যাচার নির্যাতন যেন আবার ফিরে না আসে সেদিকে সজাগ থাকতে হবে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




শিক্ষার্থীদের পদযাত্রায় পুলিশের ব্যারিকেড, স্লোগানে উত্তাল জিরো পয়েন্ট

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের এক দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে পূর্বঘোষিত গণপদযাত্রা নিয়ে বঙ্গভবন অভিমুখে এগিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তাদের এ কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীর জিরো পয়েন্টে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছেন পুলিশ সদস্যরা। ব্যারিকেডের কারণে সামনে এগোতে না পেরে সেখানে সড়কে বসে পড়েছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, জিরো পয়েন্ট থেকে বঙ্গভবনে যাওয়ার পথে শত শত পুলিশ সদস্য ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে আছেন। ফলে এই দিক দিয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে এবং কাউকেই ভেতরে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না পুলিশ।

এ অবস্থায় আন্দোলনকারীরা জিরো পয়েন্টে সড়কের ওপর বসে পড়েছেন। সেখানে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

কর্মসূচি অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবেন আন্দোলনকারীরা।

এর আগে দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে এ পদযাত্রা শুরু হয়। একইসঙ্গে আন্দোলনে থাকা ঢাকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও এই গণপদযাত্রায় অংশ নিয়েছেন।

আন্দোলনের সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজধানীর শিক্ষার্থীরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবেন। রাজধানীর বাইরে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেবেন। সারা দেশে প্রায় ৫০টি জেলা থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ সংখ্যাটি আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সমন্বয়করা।

প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গণভবন অভিমুখে গণপদযাত্রার ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। তাছাড়া অন্যান্য জেলা থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জলঢাকায় ৩৪৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ২

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জুয়েল বসুনীয়া, নীলফামারী

Image

নীলফামারীর জলঢাকায় ৩৪৫ বোতল ফেনসিডিল ও একটি পাথর বোঝাই ট্রাকসহ দুইজনকে আটক করেছেন থানা পুলিশ। সোমবার ভোর রাতে বালাগ্রাম ইউনিয়নের মন্তেরডাঙ্গা মেইন সড়ক হতে ট্রাকসহ তাঁদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন লালমনিরহাট জেলার পাঠগ্রাম থানার বাউরা নবীনগর ঝুমুর আলীর বাজার এলাকার ফারুক হোসেনের পুত্র ট্রাকচালক সোহেল রানা মিঠু(২৮), একই এলাকার হোসেন আলীর পুত্র মোঃ হুমায়ুন কবির জসিম (২৮)।

পরে আটককৃতদের দেখানো মতে ট্রাকের বডির সামনে পাথরের ভিতরে থাকা দুইটি প্রিন্টের কালো খয়েরি ও হালকা গোরাপী রং এর ব্যাগের ভিতর ৩ শত ৪৫ বোতল ফেনসিডিল সহ ২ জন হাতেনাতে আটক ও রংপুর মেট্রো  ট ১১-০০৭৪ নাম্বারের ট্রাকটি জব্দ করে থানায নিয়ে আসে। যার বর্তমান বাজার মূল্য ৩ লক্ষ টাকা।

থানা সূত্রে জানা যায়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে জলঢাকা থানার মামলা নং- ০১। তারিখ ১/৭/২৪, ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণীর ১৩(গ)/৩৬(১)সারনীর ১৪(গ) ৪১. রুজু করা হয়।

থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুক্তারুল আলম জানান, সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠন করতে হলে সমাজ থেকে মাদকমুক্ত করতে হবে। তাই জলঢাকাকে মাদকমুক্ত করতে আমাদের অভিযান চলবে।


আরও খবর