আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ভালোবাসার পূর্ণতা দিতে সাভারে ছুটে এলেন সাইপ্রাসের তরুণী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
সাভার প্রতিনিধি

Image

ভালোবাসার পূর্ণতা দিতে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন সাইপ্রাসের এক তরুণী। আঁট বছর আগে বাংলাদেশের তরুণ শামীম আহমেদ স্টুডেন্ট ভিসায় সাইপ্রাসে গেলে প্রথম দেখায় ভালোলাগার সম্পর্ক গড়ে ওঠে ওই তরুণীর সাথে। আগ্রহী হয়ে ওঠেন একে অপরের দেশীয় সংস্কৃতি জানতে। এরপর দীর্ঘ পাঁচ বছর একে অপরের সাথে ভালোবাসার গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে যান তারা। ভিসার মেয়াদ শেষে শামীম দেশে চলে আসে কিন্তু ভালোবাসা দেশের দূরত্ব আটকে রাখতে পারেনি সাইপ্রাসের তরুণীকে। শামীমকে চমকে দিয়ে কিছুদিনের মধ্যেই হঠাৎ বাংলাদেশে চলে আসে সাইপ্রাসের তরুণী আন্থি তেলেবান্তো।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সাভারের আশুলিয়ার গাজীরচট এলাকায় শামীমের ভিনদেশী স্ত্রীকে ঘিরে চলে নানা আয়োজন। আত্মীয়স্বজন আর পাড়াপ্রতিবেশীরা ছুটে আসছেন ভিনদেশী বউকে একবার দেখতে। সাইপ্রাসের নাগরিক আন্থি তেলেবান্থুও সবাইকে আপন করে নিয়েছেন।

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর আশুলিয়ায় শামীমের বাড়িতে আসেন আন্থি তেলেবান্থু। ৩০ নভেম্বর ঢাকা জজকোর্টে বাংলাদেশের আইন অনুসারে বিয়ে করেন আন্থি ও শামীম। শামীম আহমেদ সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানধীন দক্ষিণ গাজীরচট আয়নাল মার্কেট এলাকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা( মৃত) ফিরোজ আহমেদ এর বড় ছেলে।

আন্থির সঙ্গে পরিচয়ও প্রেমের বিষয়ে শামীম আহমেদ বলেন, স্টুন্ডেন্ট ভিসায় ২০১৫ সালে আমি সাইপ্রাস চলে যাই। সেখানকার সিডিএ কলেজে ভর্তি হওয়ার পর লেখাপড়ার পাশাপাশি একটি প্রতিষ্ঠানে পার্টটাইম চাকরি নেই। সেখানেই প্রথম আন্থির সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। একসময় আমরা দুজন দুইজনকে পছন্দ করা শুরু করি। পরে প্রেম থেকে এখন বিয়েতে আবদ্ধ হয়েছি। অনেক আগে থেকেই সে বাংলাদেশে আমার বাড়িতে আসার জন্য উদগ্রীব ছিল। এরপর গত ২৮ নভেম্বর সে সত্যি সত্যিই বাংলাদেশে চলে আসে। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে আমরা দুজন গতকাল ঢাকা জজকোর্টে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই।

আন্থি তেলেবান্থু বলেন, আমরা প্রথমে বন্ধু হয়েছি। পরে আস্তে আস্তে আমি তার প্রেমে পড়ে যাই। আমার পরিবার শামীমকে অনেক পছন্দ করে। তারাও আমাদের এই সম্পর্ক মেনে নিয়েছে। আমি বাংলাদেশের মানুষের আতিথেয়তায় মুগ্ধ।

শামীমের চাচা ফরিদ উদ্দিন বলেন, বিদেশী মেয়ে হলেও ওর সাথে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক হয়ে গেছে। গত তিন দিন ধরে যখনই সে আমার সামনে আসছে ঘোমটা পরে আসছে, বাঙ্গালি মেয়েদের মতো। সে আমাদের মতোই শাকসবজি, তরকারি খাচ্ছে। আমার পূত্রবধূকে নিয়ে কোন সমস্যা পরিবারে নাই।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে চাকরিচ্যুত চবি শিক্ষক

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) রসায়ন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মাহবুবুল মতিনকে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪৮নং সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ আলী বলেন, যৌন হয়রানির অভিযোগটি গুরুতর। এজন্য একটা এজেন্ডা নিয়ে এই বিশেষ সিন্ডিকেট সভা করা হয়েছে।

দুইটি তদন্ত কমিটির রিপোর্টে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল মতিনের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির প্রমাণ পেয়েছে। কমিটির সদস্যরা ওই শিক্ষককে চাকরি থেকে অপসারণ করারও সুপারিশ করেছে। সে অনুযায়ী সিন্ডিকেট চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি বুধবার রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মাহবুবুল মতিনের বিরুদ্ধে প্রক্টর বরাবর অভিযোগপত্র দেন ওই ছাত্রী।

অভিযোগে বলা হয় থিসিস চলাকালীন সময়ে ওই শিক্ষকের হাতে যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের শিকার হন তিনি। ল্যাবে একা কাজ করার সময় এবং কেমিক্যাল দেওয়ার বাহানায় নিজ কক্ষে ডেকে দরজা আটকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক। পরে মাহবুবুল মতিনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর



খুলনায় শীতের মধ্যে বৃষ্টি বাড়াল দুর্ভোগ

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
খুলনা প্রতিনিধি

Image

খুলনায় শৈত্যপ্রবাহের পর মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি আসলেও বুধবার (৩১ জানুয়ারি) ভোর থেকে খুলনায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি। এমন পরিস্থিতিতে জবুথবু হয়ে পড়েছে খুলনার জনজীবন। ভোগান্তিতে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। আজ বুধবার (৩১ জানুয়ারি) খুলনা বিভাগে দিনের অন্যান্য সময়েও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ভোর ৪টার দিকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও কিছুক্ষণ পরই আবার শুরু হয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। গত কয়েক দিনে খুলনায় সূর্যের দেখা মেলেনি, ঘনকুয়াশায় ঢেকে ছিল খুলনার আকাশ, সেই সঙ্গে ছিল উত্তরের হিমেল হাওয়ায় মৃদ্য শৈত্যপ্রবাহ।

খুলনা আবহাওয়া কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মো. আমিরুল আজাদ বলেন, মৌসুমি লঘুচাপের কারণে খুলনায় সকাল ৯টার পর হালকা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এই বৃষ্টি কয়েক ঘণ্টা থাকতে পারে।

নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার ইজিবাইক চালক কামাল বলেন বলেন, গত কয়েক দিন শীতের জন্য রাস্তায় লোক অনেক কম ছিল। কিন্তু আজকের এই বৃষ্টিতে লো নেই বললেই চলে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বেআইনি বিয়ের দায়ে ইমরান খান ও বুশরা বিবির ৭ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

এবার বিয়ের কারণে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে ৭ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে করা হয়েছে জরিমানাও। এর আগে তোশাখানা মামলায় উভয়কে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

জাতীয় নির্বাচনের মাত্র পাঁচ দিন আগে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এই রায় দিয়েছে পাকিস্তানের একটি আদালত। রায়ে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে বুশরা বিবির সাথে ইমরান খানের হওয়া বিয়েতে আইন লঙ্ঘন হয়েছে।

চলতি সপ্তাহে আদালতের পক্ষ থেকে ইমরান খানের বিরুদ্ধে এটা তৃতীয় কোনো রায়। ৭১ বছর বয়সী পিটিআই নেতা এখন কারাগারে রয়েছেন। ফলে তিনি আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।

নির্বাচন সামনে করে রাষ্ট্রীয় গোপন নথি প্রকাশ করার অভিযোগে করা মামলায় তাকে ও তার বিশ্বস্ত সহযোগী সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

গত ৩০ জানুয়ারি আদিয়ালা কারাগারে দুই নেতার উপস্থিতিতে দফতর গোপনীয়তা আইনে গঠিত বিশেষ আদালতের বিচারক আবুল হাসনাত জুলকারনাইন এ রায় ঘোষণা দেন। পরদিন ৩১ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় উপহার বিক্রির অভিযোগে (তোশাখানা মামলা) ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ইসলামাবাদের জবাবদিহিতা আদালতের (অ্যাকাউন্টিবিলিটি কোর্ট) বিচারক মুহাম্মদ বশির এ রায় দেন।

তিনদিন পর দেয়া হলো বিয়ে সম্পর্কিত মামলার রায়। রায়ে ইমরান ও তার স্ত্রী বুশরাকে সাত বছর করে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে।

২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে বুশরা বিবিকে বিয়ে করেন ইমরান খান। এটা তার তৃতীয় বিয়ে। নির্বাচনে বড় জয় ও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র সাত মাস আগে অনেকটা গোপনে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে ইমরান খান ও বুশরা বিবির বিয়ে হয়।

এরপর গত ছয় বছর ধরে সংসার করছেন এই দম্পতি। এতদিন পর সম্প্রতি নির্বাচন সামনে করে ইমরান খান ও বুশরার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন বুশরা বিবির সাবেক স্বামী খাওয়ার ফরিদ মানেকা। তার অভিযোগ, বুশরা বিবি ইদ্দত পালন করেননি এবং ইদ্দত পালন না করেই বিয়ে করার মাধ্যমে তারা ব্যভিচার করেছেন।

ইসলামি শরিয়া আইন অনুসারে, স্ত্রীর তালাক হলে বা তার স্বামীর মৃত্যু হলে যে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্ত্রীকে এক বাড়িতে থাকতে হয় কিংবা তিনি অন্য কোথাও যেতে পারেন না বা অন্য কোথাও বিয়ে করতে পারেন না; সেই সময়কালকে ইদ্দত বলা হয়।

তবে এই অভিযোগ দুজনই নাকচ করে দিয়েছেন। এরপরও মামলা চলে এবং গত মাসে এর শুনানি শুরু হয়। গত ১৬ জানুয়ারি রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বিশেষ ব্যবস্থায় কারাবন্দী ইমরান খানকে উপস্থিত রেখে এই মামলার অভিযোগ গঠন করেন বিচারক। তবে স্বাস্থ্যগত কারণে বুশরা বিবি উপস্থিত ছিলেন না।


আরও খবর



চট্টগ্রামে কর্ণফুলী ট্রেনের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত, চালকসহ আহত ২০

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি লাইট ইঞ্জিনকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ সময় দুই ট্রেনের চালকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের চালক মোহাম্মদ আলী (৪২), শান্টিং ইঞ্জিনের চালক নজরুল ইসলাম (৫৪) এবং সহকারী চালক মো. সজিব (৩৫)। বাকিদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

জানা গেছে, দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে মধ্যে নজরুল ইসলামের অবস্থা গুরুতর। বাকি আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চট্টগ্রামগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনটি সন্ধ্যা ৭টায় ফৌজদারহাট অতিক্রম করে ক্যাডেট কলেজ এলাকায় ক্রসিংয়ের সময় সামনে থাকা একটি শান্টিং ইঞ্জিনে ধাক্কা দেয়। এতে কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়।

ফৌজদারহাট রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় চট্টগ্রামমুখী ট্রেন চলাচল সাময়িক বন্ধ রয়েছে।

সীতাকুণ্ড রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার নিজাম উদ্দিন বলেন, আমি নিজেই কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের যাত্রী ছিলাম। এ ঘটনায় ট্রেনটির প্রায় ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।

রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ বলেন, ক্রসিংয়ের সময় কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনটি ইঞ্জিনটিকে পিছন থেকে ধাক্কা দিয়েছে। এতে কিছু যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদেরকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মিয়ানমারে তরুণ-তরুণীদের সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করল জান্তা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের রাষ্ট্র পরিচালিত গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সব পুরুষ ও ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী সব নারীকে অবশ্যই সর্বোচ্চ দুই বছর সামরিক বাহিনীতে কাজ করতে হবে।

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার দেশটির তরুণ-তরুণীদের সামরিক কার্যক্রমে যোগদান বাধ্যতামূলক করেছে। সম্প্রতি দেশটির বিভিন্ন অংশে জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ে চাপে পড়েছে সরকারি বাহিনী। এরই মধ্যে গতকাল শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এ ঘোষণা এল।

মিয়ানমারের রাষ্ট্র পরিচালিত গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সব পুরুষ ও ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী সব নারীকে অবশ্যই সর্বোচ্চ দুই বছর সামরিক বাহিনীতে কাজ করতে হবে। আর চিকিৎসক ও বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ যাদের বয়স ৪৫ বছর বয়সের মধ্যে, তাদের অবশ্যই তিন বছর কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রের জরুরি অবস্থা বিবেচনায় এই সময়সীমা পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের শাসন ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। এর পর থেকে দেশটিতে বিশৃঙ্খলা লেগেই আছে।

গত বছরের অক্টোবর থেকে জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত রয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। বিদ্রোহীদের পাশাপাশি গণতন্ত্রপন্থী যোদ্ধারাও তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছে। এ সংঘাতে বহু ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে সেনাবাহিনী। বহু সেনাসদস্য প্রাণও হারিয়েছেন। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে পার্শ্ববর্তী দেশে সেনাসদস্যদের পালিয়ে যাওয়া এবং বিদ্রোহীদের কাছে আত্মসমর্পণের মতো ঘটনাও ঘটেছে।

১৯৬২ সালে প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী। এর পর থেকে এটিই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, সরকারি বাহিনী নতুন করে সৈন্য নিয়োগ দিতে এক প্রকার চাপে পড়েছে। তারা যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই এমন সেনাদেরও সম্মুখ লড়াইয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

জান্তার মুখপাত্র জ মিন তুন রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, 'জাতির নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য সৈন্যদের পাশাপাশি সব নাগরিকের মধ্যে দায়িত্ব ছড়িয়ে দিতে হবে। তাই আমি সবাইকে বলতে চাই, তারা যেন গর্বের সঙ্গে জনগণের সামরিক পরিষেবা আইন অনুসরণ করে।'

বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগের এই আইনটি ২০১০ সালে প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা কার্যকর করা হয়নি। যারা এ আইন লঙ্ঘন করবে তাদের সর্বোচ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।


আরও খবর