আজঃ রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

উইন্ডোজ ১০-এর লাইসেন্স বিক্রি বন্ধ হচ্ছে

প্রকাশিত:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

চলতি মাস শেষে উইন্ডোজ ১০-এর লাইসেন্স কি বিক্রি বন্ধের কথা ভাবছে মাইক্রোসফট। এর পরিপ্রেক্ষিতে গ্রাহকরা মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট থেকে পুরনো ভার্সনের উইন্ডোজ ডাউনলোড করতে পারবে না। লাইসেন্স বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যবহারকারীদের উইন্ডোজ ভার্সন পছন্দে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে ব্যবহারকারীদের উইন্ডাজ ১১ ইনস্টল করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

পিসি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়, সফটওয়্যার জায়ান্টটি জানুয়ারির শেষ থেকে উইন্ডোজ ১০-এর লাইসেন্স আর বিক্রি করবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে। ফলে ফেব্রুয়ারি থেকে ব্যবহারকারী বা গ্রাহকরা মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট থেকে উইন্ডোজ ১০-এর কোনো ভার্সনই আর ডাউনলোড করতে পারবে না। উইন্ডোজ ১০ হোম, ১০ প্রো ও ১০ ওয়ার্কস্টেশন ব্যবহারকারীদের ৩১ জানুয়ারি থেকে উইন্ডোজ ডাউনলোড না করতে পারার বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে। তবে কেউ এ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে চাইলে থার্ড পার্টি সাইট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ডাউনলোডের সুযোগ বন্ধ হয়ে গেলেও মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে উইন্ডোজ ১০-এ সিকিউরিটি আপডেট দেয়া হবে বলে প্রাতিষ্ঠানিক নোট সূত্রে জানা গেছে। ফলে ব্যবহারকারীরা স্পাইওয়্যার, ভাইরাসসহ অন্যান্য ম্যালওয়্যারের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা পাবে। এক্সপ্রেস ইউকে জানায়, প্রযুক্তি জায়ান্টটি উইন্ডোজ ১০-এর ব্যবহারকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে ১১ তে আপডেটের কথা জানিয়েছে। দুই বছরের মধ্যে পুরনো সব উইন্ডোজের সাপোর্ট বন্ধ করে দেয়ার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে ধারণা করছেন প্রযুক্তিবিদরা।

নিউজ ট্যাগ: উইন্ডোজ ১০

আরও খবর



মিয়ানমার আগে থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধের চেষ্টা করছে: র‍্যাব মহাপরিচালক

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মিয়ানমার অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন র‍্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। আজ শনিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজ মাঠে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এম খুরশীদ হোসেন বলেন, মিয়ানমার যা করছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই করছে। মিয়ানমার অনেক আগে থেকেই চেষ্টা করছে বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য। রোহিঙ্গা আটক হওয়া থেকে শুরু করে তারা পায়ে পাড়া দিচ্ছে, আমরা তো কাজ করি আমরা জানি। আমি বহুবার কক্সবাজার গিয়েছি, বর্ডারে গিয়েছি, আমি সব ঘুরে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী যে দৃঢ়চেতা এবং তাঁর যে প্রজ্ঞা, উনি কোনো দিন যুদ্ধে জড়াবেন না। কারণ, এখন যুদ্ধে যাওয়া মানে আমার দেশটা শেষ হয়ে যাওয়া। মিয়ানমারে এখন সামরিক সরকার রয়েছে। তারা এখন চাচ্ছে আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ বাধাতে পারলে তারা সেভ হবে। কারণ, ওর দেশে এখন যে অবস্থা তৈরি হয়েছে, ওর দেশের আরাকান আর্মি তাদের বিরুদ্ধে গিয়ে এখন সমানে ভূমি দখল করছে। সেনাবাহিনী-আরাকান দ্বন্দ্ব এখন বলতে গেলে শেষ পর্যায়ে চলে গিয়েছে। গভর্নমেন্ট বাঁচার জন্য উসকানি দিচ্ছে।

র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, মাদক এখন বিভিন্ন দেশ থেকে এয়ারেও আসছে, জলপথেও আসছে। বেশির ভাগ মাদক মিয়ানমার থেকে আসছে। উদ্দেশ্যমূলকভাবে মাদক পাঠাচ্ছে মিয়ানমার। কিছুদিন পর আপনারা জানবেনআমরা যে জাল ফেলে রেখেছি, সবচেয়ে যে বড় গ্যাং স্টার, তাকে আমরা জালের মধ্যে ফেলেছি। আমরা কিছু করতে পারব।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, বর্তমান জেনারেশনের যে চ্যালেঞ্জ, এর মধ্যে একটি হলো মাদক আরেকটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস। নেশা বলতে আমরা শুধু মাদককে বুঝি, তা কিন্তু না। আপনি আপনার সাধারণ জীবন যাপনের বাইরে যেকোনো কাজে যখন আসক্ত হয়ে গেলেন সেটাই নেশা। এখন মাদক, জুয়া, বিভিন্ন রকম অনলাইন গেম খেলা, সারা দিন ফেসবুক টেপা এগুলো নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে শুধু বই খাতা দিয়ে স্কুলে পাঠিয়ে দিলাম আর শিক্ষকেরা পাহারা দেবে, তা সম্ভব না। বাচ্চাদের শুরুতেই আপনাদের তৈরি করতে হবে। মাটি যখন নরম থাকে, তখন আপনি তাঁকে যেকোনো আকার দিতে পারবেন। আর মাটি যখন শক্ত হয়ে যাবে, তখন আকার চেঞ্জ করতে গেলে সেটি ভেঙে যাবে। একটা বাচ্চাকে যদি শৈশব ও কৈশোর থেকে না শেখান পরবর্তীকালে ইউনিভার্সিটি, কলেজে গিয়ে কিন্তু কিছুই শিখবে না। অতএব, অভিভাবকদের মূল ভূমিকা রয়েছে, তারপর শিক্ষকদের, আর তাঁকে নিজের থেকে তো চেষ্টা করতেই হবে।

বর্তমান সময়ের ক্যাডারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখন আমাদের চিন্তা হচ্ছে, আমরা তো শেষ পর্যায়ে। এখন বাংলাদেশে যে কজন রয়েছি, ইলেকশন যারা করলাম। প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, ক্যাবিনেট সেক্রেটারি, আইজিপি, আমি নিজে, ডিজি এনএসআই, স্বরাষ্ট্রসচিব আমরা সব কিন্তু বলতে গেলে অবসরপ্রাপ্ত লোক। আমাদের এক্সটেনশন করে রেখেছে। আমাদের ছাড়েনি এ জন্য যে ইলেকশন করে দেওয়ার জন্য। কারণ, অভিজ্ঞ লোকের অভাব রয়েছে। এখনকার প্রত্যেকটা ক্যাডারের মধ্যে পেশাদারির ঘাটতি রয়েছে। যেমন লেখাপড়ায় ঘাটতি রয়েছে, তেমন পেশাদারিতে ঘাটতি রয়েছে, ডিসিপ্লিনেও ঘাটতি রয়েছে। এটাকে যদি আমরা ওভারকাম করতে না পারি, তাহলে কী করতে হবে? নিশ্চয়ই আমাদের এখন থেকে চেষ্টা করতে হবে। না হলে এই যে যুবসমাজ, নতুন প্রজন্মএগুলো যদি মিস গাইডেড হয়ে যায়, তাহলে এই দেশের অস্তিত্ব কে ধরে রাখবে?

এর আগে র‍্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন কাশিয়ানী এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজ মাঠে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ২০২৩ সালে এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ১০৯ জন কৃতী শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের হাতে ১০ হাজার টাকা ও ক্রেস্ট তুলে দেন।

র‍্যাব-৬, খুলনার অধিনায়ক লে. কর্নেল ফিরোজ কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ইমতিয়াজ আহমেদ, গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক আজহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মাহবুবুল আলম (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), জেলা শিক্ষা অফিসার সেলিম তালুকদার, এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কে এম মাহবুব, অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক জাহিদুর রহমান প্রমুখ।


আরও খবর



ফের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে সাবিনা ইয়াসমিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

২০০৭ সালে দুরারোগ্য ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন বাংলা গানের পাখি সাবিনা ইয়াসমিন। সবার সহযোগিতায় ক্যানসার জয় করে গানে নিয়মিত হয়েছিলেন তিনি। তবে সম্প্রতি আবারও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন।

জানা গেছে, আবারও ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ক্যানসার সেন্টারে নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে একটি সার্জারি সম্পন্ন হয়েছে। খুব দ্রুতই দেয়া হবে রেডিওথেরাপিও। এ ছাড়াও শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন ৬৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি গায়িকা।

পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে গানের ভুবনে বিচরণ করছেন সাবিনা ইয়াসমিন। বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র রুনা লায়লা ছাড়া তার সমকক্ষ হয়ে কেউ এত লম্বা সময় আধিপত্য বজায় রাখতে পারেননি। মরমী শিল্পী আব্দুল আলীম থেকে শুরু করে একালের উঠতি গায়কদের সঙ্গেও তিনি একের পর এক গান গেয়েছেন। সুযোগ পেয়েছেন উপমহাদেশের বরেণ্য সুরকার আর ডি বর্মণের সুরে গান গাওয়ার। উপমহাদেশের বিখ্যাত দুই কণ্ঠশিল্পী কিশোর কুমার ও মান্না দের সঙ্গেও গান গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে দেশের অন্যতম সেরা সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

এ ছাড়া জহির রায়হান চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন দুবার। ১৯৮৪ সালে বিশ্ব উন্নয়ন সংসদ থেকে সংগীতের ওপর লাভ করেন ডক্টরেট ডিগ্রিও। ১৯৯০ সালে শেরে বাংলা স্মৃতি পদক, ১৯৯১ সালে বিএফজেএ পুরস্কার ও উত্তম কুমার পুরস্কার, ১৯৯২ সালে অ্যাস্ট্রোলজি পুরস্কার এবং একই বছর নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে পান বেস্ট সিঙ্গার পুরস্কার। ২০১৭ সালে দশম স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড-দ্য ডেইলি স্টার জীবনের জয়গান উৎসব থেকে পান আজীবন সম্মাননা।

সাবিনা শৈশব থেকে গানের তালিম নেয়া শুরু করেন। তিনি সাত বছর বয়সে প্রথম মঞ্চানুষ্ঠানে অংশ নেন এবং খেলাঘর নামে একটি বেতার অনুষ্ঠানে ছোটদের গান করতেন। ১৯৬২ সালে নতুন সুর চলচ্চিত্রে রবীন ঘোষের সুরে ছোটদের গানে অংশ নেন। চলচ্চিত্রে পূর্ণ নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৬৭ সালে আগুন নিয়ে খেলা চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে। ১৯৭২ সালে অবুঝ মন চলচ্চিত্রের শুধু গান গেয়ে পরিচয় গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি প্রথম জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

 এ শিল্পীর উল্লেখযোগ্য গানগুলোর মধ্যে রয়েছে: সব সখীরে পার করিতে, এই পৃথীবির পরে, মন যদি ভেঙে যায়, ও আমার রসিয়া বন্ধুরে, জীবন মানেই যন্ত্রণা, জন্ম আমার ধন্য হলো মা গো, সব ক'টা জানালা খুলে দাও না, ও আমার বাংলা মা, মাঝি নাও ছাড়িয়া দে, সুন্দর সুবর্ণ, একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার প্রভৃতি।

সাবিনা ইয়াসমিন শেষ প্লেব্যাক করেছেন প্রয়াত চিত্রনায়িকা ও নির্মাতা কবরী পরিচালিত এই তুমি সেই তুমি ছবির দুটি চোখে ছিল কিছু নীরব কথা শিরোনামের একটি গানে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে গানটিতে কণ্ঠ দেন তিনি। এ ছাড়া কবরীর এই তুমি সেই তুমি ছবির চারটি গানে সুরও দেন তিনি। এর মাধ্যমে ক্যারিয়ারে প্রথমবার তিনি সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।


আরও খবর



গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৩০ হাজার ছুঁই ছুঁই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডবে প্রতিদিনই শত শত নিরীহ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারাচ্ছে। এর মধ্যে অধিকাংশই নারী এবং শিশু। সেখানে গত ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা এবং বুধবার সকালের মধ্যেই ৭৬ জন প্রাণ হারিয়েছে। ফলে সেখানে নিহতের সংখ্যা ২৯ হাজার ৯৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে। খবর এএফপি, আল জাজিরা।

এদিকে নতুন করে আরও প্রায় ১১০ জন আহত হয়েছে। ফলে এখন পর্যন্ত গাজায় আহত হয়েছে ৭০ হাজার ৩২৫ জন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কামাল আদওয়ান এবং আল-শিফা হাসপাতালে পানিশূন্যতা এবং অপুষ্টিতে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অন্য শিশুদের অবস্থাও গুরুতর। ওই দুই হাসপাতালে আরও তিন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে হামাসের সিনিয়র কর্মকর্তা বাসেম নাইম বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিশ্চিত করতে এখনও অনেক পথ বাকি রয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে, মানবিক সংস্থাগুলো গাজায় প্রবেশ করতে পারছে না। তাছাড়া তারাও হামলার শিকার হচ্ছেন। 

আরও পড়ুন>> অবশেষে পাকিস্তানে পার্লামেন্ট অধিবেশন বসছে আজ

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, তিনি আশা করছেন যে, আগামী সোমবারের মধ্যে নতুন যুদ্ধবিরতি হতে পারে। তিনি আরও বলেন, আমার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আমাকে বলেছেন যে, আমরা যুদ্ধবিরতির কাছাকাছি আছি।

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে এখন পর্যন্ত ২৩৮ জন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে লড়াইয়ে অংশ নেওয়া গিভাতি ব্রিগেডের ২৫ বছর বয়সী এক মেজর এবং ২৪ বছর বয়সী এক ক্যাপ্টেন নিহত হয়েছেন।

ওই একই ইউনিটের আরও সাত সেনা সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে। তাদের অবস্থা গুরুতর। চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য তাদেরকে গাজা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক পোস্টে জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গাজায় স্থল অভিযান শুরু পর থেকে মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর মোট ২৩৮ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৪০৮ জন। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েল।


আরও খবর



উত্তর রাখাইনে সেনা প্রত্যাহার করছে জান্তা, দাবি আরাকান আর্মির

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

রাখাইনের উত্তর অঞ্চল থেকে জান্তা সৈন্য প্রত্যাহার করছে এবং রাজ্যের দক্ষিণে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে আক্রমণ বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে আরাকান আর্মি (এএ) । বিদ্রোহী গ্রুপটি বলছে, কারণ তারা জানে যে মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্যে যুদ্ধে হেরে যাচ্ছে।’

রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাখাইন রাজ্যের মায়বন টাউনশিপের দুটি পাহাড়ের চূড়া থেকে জান্তা তাদের সৈন্যদের বিমান দিয়ে সরিয়ে নিরাপত্তার জন্য দক্ষিণে পাঠানোর পর আরাকান আর্মি (এএ) বিবৃতি দেয়। খবর ইরাবতির।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জান্তার সামরিক বাহিনী নিশ্চিতভাবে হেরে যাবে যদি তারা আমাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধ করে। তাই আমরা যে শহরগুলো দখল করার চেষ্টা করছি সেখানে সামরিক ফাঁড়ি এবং পাহাড়ের চূড়া [ঘাঁটি] পুড়িয়ে দিয়ে তারা সেনা প্রত্যাহার করছে।

এএ জানিয়েছে, শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মায়বনের পয়েন্ট ৪০২ এবং ৪০৮ পাহাড়ের চূড়ায় জান্তা সেনারা ফাঁড়ির ভেতরে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং কামান ধ্বংস করে।

হিন খা কাঁচা গ্রামের প্রায় ৩ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ফাঁড়িগুলি থেকে তারা কেবলমাত্র অস্ত্রগুলি নিয়ে গেছে, যা তারা সঙ্গে বহন করতে পারে।

উত্তর রাখাইনের দুটি ফাঁড়ি থেকে সৈন্যদের দক্ষিণ রাখাইনের অ্যান টাউনশিপে জান্তার ওয়েস্টার্ন কমান্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। এএ বলেছে, জান্তা সৈন্যদের দুটি ঘাঁটি থেকে নিরাপদে নিয়ে যেতে চারটি ট্রিপ লেগেছে।

শাসক সেনারা রাখাইনের দক্ষিণে রামরিতে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। স্থল, সমুদ্র এবং আকাশ থেকে জনপদে আঘাত হানছে।

শনিবার জান্তার গোলাবর্ষণ এবং বিমান হামলায় ৪ নং কিং টেই ওয়ার্ডের অন্তত ১৫০টি বাড়ি পুড়ে গেছে। থিম তাউং প্যাগোডা পাহাড়ে অবস্থানরত জান্তা সেনারাও রবিবার রামরি টাউনে আর্টিলারি শেল নিক্ষেপ করে। সপ্তাহান্তে রাজ্যের অন্যান্য শহরে সংঘর্ষ চলতে থাকে, তবে সেগুলি গত সপ্তাহের মতো ভারী ছিল না। এএ রাজ্যের সব জান্তা ঘাঁটি এবং আউটপোস্টগুলোতে আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যতক্ষণ না ভিতরে যারা রয়েছে তারা আত্মসমর্পণ করে।

আরাকান আর্মি রবিবারের দেওয়া বিবৃতিতে বলেছে, জান্তার সামরিক বাহিনী এখনও রাখাইন রাজ্যে তার ব্যর্থতার বাস্তবতাকে মেনে নিতে পারে না এবং এটি বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাস করার এবং পরিবহন, তথ্য ও পণ্যের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে পশ্চিম রাজ্যকে বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ করেছে।

ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স বেসামরিক নাগরিকদের রাখাইন রাজ্যে ল্যান্ডমাইনের ক্রমবর্ধমান বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করে বলেছে, জান্তার সামরিক বাহিনী সেখানে তাদের ফাঁড়ি এবং ঘাঁটির চারপাশে ল্যান্ডমাইন স্থাপন করছে।

রাজ্যের বাসিন্দারা জান্তার সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিদিন মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুরছে।

১৭ ফেব্রুয়ারি জান্তার সৈন্যরা কিয়াউকফিউ শহরে চারজন বেসামরিক নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছিল, যখন তারা মিন তাত তাউং গ্রামে তাদের বাড়িতে ফিরে যাচ্ছিল। তাদের মুখ ঢেকে একটি সামরিক ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এএ হল ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের তিনটি জাতিগত সেনাবাহিনীর মধ্যে একটি, যেটি গত বছরের ২৭ অক্টোবর উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যে অপারেশন ১০২৭ চালু করেছিল।

১৩ নভেম্বর এএ উত্তর রাখাইন রাজ্যজুড়ে এবং প্রতিবেশী চিন রাজ্যের পালেতওয়া টাউনশিপে শাসকদের লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের আক্রমণ শুরু করে।

উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যে জান্তার সামরিক বাহিনীকে অপমানিত করার পর এএ রাখাইন রাজ্যে একই কাজ করেছে। তারা ১৩ নভেম্বর থেকে ১৭০টিরও বেশি জান্তা ঘাঁটি এবং ফাঁড়ি দখল করেছে। সেইসঙ্গে রাখাইন রাজ্যের ছয়টি শহর- পাউকতাও, কিউকতাও, মিনবিয়া, ম্রাউক-উ, তাংপিওলেটওয়ে ও মাইবোন এবং চিন রাজ্যের একটি পালেতোয়া দখল করে।


আরও খবর



থাইরয়েডের সমস্যায় কোন খাবার খাওয়া ভালো

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

অনেকেরই থাইরয়েডের সমস্যা আছে। তবে পুরুষের তুলনায় নারীদের এ সমস্যা বেশি হয়। এই হরমোনের ঘাটতি বা আধিক্যের কারণে ব্যাপক শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে। থাইরয়েডের সমস্যায় সুস্থ থাকতে জীবনযাত্রা ও ডায়েটে পরিবর্তন আনতে হবে। থাইরয়েড স্বাস্থ্য বজায় রাখা নিশ্চিত করার জন্য থাইরয়েড সমর্থনকারী পুষ্টিতে ভরা ডায়েট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এমনই কিছু খাবারের কথা বলা হয়েছে।

সেলেনিয়াম: সেলেনিয়াম শরীরে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসাবে কাজ করে। ব্রাজিল বাদাম, ঝিনুক, সার্ডিন এবং স্যামন মাছে সেলেনিয়াম পাওয়া যায়। এই উপাদানটি  থাইরয়েডের সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করে। তবে খুব বেশি সেলেনিয়াম আবার থাইরয়েডের জন্য ক্ষতিকারকও হতে পারে।

আয়োডিন: থাইরয়েডে আয়োডিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই উপাদান মাছ, চিংড়ি এবং ডিমে পাওয়া যায়। আয়োডিন শরীরের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান।

জিঙ্ক: শরীরের জিঙ্কের অভাব হাইপোথাইরয়েডিজম হতে পারে। তাই যেই সমস্ত খাবারে জিঙ্ক রয়েছে তা খেতে হবে। এসব খাবারের মধ্যে সামুদ্রিক মাছ ও অন্যান্য খাবার যেমন-চিংড়ি, মাংস, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ডিম, বাদাম, শিম, মাশরুম ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

ভিটামিন ডি: মাশরুম, স্যামন এবং ডিমে পাওয়া ভিটামিন ডি হাইপোথাইরয়েডিজমের মতো থাইরয়েড ব্যাধিগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।

ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন বি : কুমড়োর বীজ, তিল এবং বাদামে ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়। এ ছাড়া ভিটামিন  বি খেতে হবে। ভিটামিন বি থায়রয়েড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 


আরও খবর