আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

আর বিনামূল্যে নয় টুইট : ইলন মাস্ক

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টুইটার ব্যবহার করতে আগামী দিনে টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্বের শীর্ষধনী ইলন মাস্ক। তবে সবাইকে টাকা খরচ করতে হবে না, কেবলমাত্র বাণিজ্যিক ও সরকারি ব্যবহারকারীদের টুইটার ব্যবহারে খরচ করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৪ মে) এক টুইটে ইলন মাস্ক এ তথ্য জানিয়েছন। তিনি বলেন, টুইটার সবসময়ই সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি থাকবে। তবে বাণিজ্যিক/সরকারি ব্যবহারকারীদের জন্য সামান্য খরচ করতে হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে জানতে রয়টার্সের পক্ষ থেকে টুইটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা কোনো মন্তব্য করেনি।

সব জল্পনা-কল্পনা এবং দরদামের পর টুইটার কিনে নিয়েছেন ইলন মাস্ক। এই মাইক্রো ব্লগিং সাইটটি কিনতে মাস্কের খরচ পড়েছে ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এরই মধ্যে সংস্থার সব কর্মীর কাছে একটি মেইল করে পুরো বিষয়টি জানিয়েছেন টুইটারের সিইও পরাগ আগরওয়াল। ২৫ এপ্রিল পুরো বিষয়টি সম্পন্ন হয়।

টুইটার কিনে নেওয়ার পর থেকেই এতে বেশকিছু পরিবর্তন আনার বিষয়ে চিন্তাভাবনার কথা জানান টেসলার কর্ণধার ইলন মাস্ক। তিনি জানান, টুইটারের ফিচারে বেশকিছু পরিবর্তন আনা হবে। ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে টুইটারের অ্যালগরিদমে পরিবর্তন আনার কথাও জানান তিনি।

 

 


আরও খবর



বাংলাদেশ-ভারত নৌবাহিনীর সমন্বিত মহড়া শুরু

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৩ মে ২০২২ | ২১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

উত্তর বঙ্গোপসাগরের আজ বাংলাদেশ নেভি-ইন্ডিয়ান নেভি কোঅর্ডিনেটেড প্যাট্রোল (সিওআরপিএটি)র দুই দিনব্যাপী চতুর্থ মহড়া শুরু হয়েছে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, মহড়ার অংশ হিসেবে, দুদেশের নৌ-বাহিনী আন্তর্জাতিক মেরিটাইম বাউন্ডারি লাইন (আইএমবিএল) দিয়ে এই যৌথ মহড়া চালাচ্ছে।

সর্বশেষ ভারত-বাংলা সিওআরপিএটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে। বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর জাহাজ বিএনএস আলী হায়দার ও বিএনএস আবু উবাইদাহ সাথে ক্ষেপণাস্ত্রবাহী রণতরী কোরা এবং গভীর সমুদ্রের টহল জাহাজ সুমেধা অংশ নিয়েছে।

এছাড়াও, উভয় নৌ-বাহিনীর উপকূলীয় টহল বিমানও এই সমন্বিত মহড়ায় অংশ নেবে। নিয়মিত সিওআরপিএটিএস পরিচালনার ফলে সাগরের উপকূলে নানা ধরনের হুমকি মোকাবিলায় পারস্পারিক বোঝাপরা জোরদার হবে এবং উভয় দেশের নৌ-বাহিনীর আন্তঃযোগাযোগ বাড়বে।


আরও খবর



বাজেট: বেতন-ভাতায় বরাদ্দ বাড়ছে সরকারি চাকরিজীবীদের

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৭৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ব্যয় সংকোচন নীতির পথে হাঁটলেও আগামী বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতায় বরাদ্দ বাড়ছে। একইভাবে দেশি ও বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধেও বড় অঙ্ক গুনতে হবে। আর চলমান ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে বেড়ে যাওয়া জ্বালানি তেল, সার, গ্যাসের বর্ধিত মূল্য সমন্বয় করতে হচ্ছে সরকারকে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী বছরের জন্য ভর্তুকি ও প্রণোদনা খাতে বড় ধরনের বরাদ্দ বাড়াতে হচ্ছে। ফলে উল্লেখিত তিনটি খাতে নতুন বাজেটের ৪৯ শতাংশই ব্যয় হবে। টাকার অঙ্কে এটি ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা। অবশ্য ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য ধরে আগামী অর্থবছরের (২০২২-২৩) বাজেটের রূপরেখা প্রণয়ন করেছে অর্থ বিভাগ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য। আগামী ৯ জুন জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অর্থ বিভাগ এরই মধ্যে বাজেটের রূপরেখা প্রণয়ন করেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, সরকার ব্যয় সংকোচন নীতির আলোকে বাজেট প্রণয়ন করছে। করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ার সঙ্গে অর্থনীতির সংকট কাটছে ধীরে ধীরে। তবে এখনো সরকারের করোনামুখী ব্যয় নানাভাবে হচ্ছে। এসব দিক বিবেচনা করেই সব খাতে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কিছু এরিয়া আছে যেখানে ব্যয় কমানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সেখানে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

আগামী বাজেটের যে রূপরেখা প্রণয়ন করেছে সেটি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সরকারের পরিচালনা ব্যয়ের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এই ব্যয়ের মধ্যে দেশি ও বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা প্রদান এবং ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ বাবদ ব্যয় করতে হবে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা। এ ব্যয় নতুন বাজেটের ৪৯.২৪ শতাংশ।

সূত্র জানায়, আগামী বাজেটে সবচেয়ে বেশি চাপ থাকছে ভর্তুকিতে। চলমান রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এটি হয়েছে। এই যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য প্রতি ব্যারেল ১০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত অতিক্রম করেছিল। এখন কিছুটা কমছে। পাশাপাশি সার, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বিশ্ববাজারে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এসব পণ্যের দাম দেশের বাজারে খুব বেশি বাড়ানো হয়নি। বিশেষ করে কৃষকের সারের মূল্য আগের অবস্থায় আছে। গ্যাসের মূল্যও বাড়ানো হয়নি। শুধু জ্বালানি তেলের মূল্য এক দফা সমন্বয় করা হয়েছে।

মূল্য সমন্বয় না করায় সরকারের ভর্তুকি ও প্রণোদনা খাতে ব্যয় বেড়েছে। নতুন বাজেটে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণে বরাদ্দ থাকছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ৪ শতাংশের সমান। চলতি বছরের তুলনায় এ খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে ২৭ হাজার ৯১০ কোটি টাকা। এ বছর ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ বাবদ বরাদ্দ দেওয়া আছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৩৫ কোটি টাকা।

এদিকে কৃষি ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি না কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক সিনিয়র অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ। তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষিতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখতে হবে। রাজস্ব আহরণ বাড়িয়ে ভর্তুকি বরাদ্দ সমন্বয় করার প্রতি জোর দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, রপ্তানির সব খাতে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। আদৌ সব খাতে প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা উচিত। তবে কিছু এরিয়াতে এই মুহূর্তে ব্যয় সংকোচন করতে হবে। বিশেষ করে কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থ ব্যয় কমাতে হবে। এদিক থেকে কিছু অর্থ সাশ্রয় হবে।

জানা গেছে, অর্থনীতির নানা দিক থেকে চাপের মধ্যে আছে সরকার। ফলে ব্যয় সংকোচন নীতি কৌশল নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কিছু বরাদ্দ খাত আছে যেখানে ব্যয় কাটছাঁট করা সম্ভব নয়। এর একটি হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা। আগামী বছরে এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ৭৬ হাজার ৪১২ কোটি টাকা। এটি চলতি বছরের চেয়ে ৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা বেশি। চলতি বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ আছে ৬৯ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা। অর্থ বিভাগ মনে করছে করোনার কারণে দীর্ঘদিন জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি তা শুরু হয়েছে। এজন্য আগামী বছরে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হবে। এছাড়া চাকরিজীবীদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়। সেজন্যও অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে। যে কারণে বেতন-ভাতা খাতে বরাদ্দ বাড়ছে।

ব্যয়ে একটি বড় খাত ঋণের সুদ পরিশোধে। আগামী অর্থবছরে শুধু সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে ৮০ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা। এটি অর্থনীতিতে এক ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। এই সুদ পরিশোধ হবে মূলত দেশি ও বিদেশ থেকে ঋণ গ্রহণের বিপরীতে। নতুন বছরে সুদ খাতে চলতি বছরের তুলনায় বেশি ব্যয় হবে ১১ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। এ বছর সুদ পরিশোধে বরাদ্দ আছে ৬৮ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা।

নিউজ ট্যাগ: বাজেট

আরও খবর



সবার সহযোগিতায় বাঁচতে পারে জবি শিক্ষার্থী ওয়ালিদ

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২৪৫জন দেখেছেন

Image

জবি প্রতিনিধি:

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী ওয়ালিদ ইসলাম।

বর্তমানে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের আইসিউতে চিকিৎসাধীন আছেন এই মেধাবী শিক্ষার্থী।

বিভাগসূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫তম ব্যাচের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১২তম ব্যাচে ভর্তি হন ওয়ালিদ। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলায়।

গত ৩ মে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হন ওয়ালিদ ইসলাম। দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হলে তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় ওয়ালিদকে।

তবে পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাৎক্ষণিক মাথায় অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসকরা। পরবর্তীতে ওয়ালিদকে আইসিউতে রাখা হয়। তবে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ওয়ালিদকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয় গত ১২ মে। সেখানেই ওয়ালিদের চিকিৎসা চলমান রয়েছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওয়ালিদের পুরো চিকিৎসাটি খুবই সময়সাপেক্ষ এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল। পাশাপাশি তাকে দীর্ঘ সময় আইসিইউতে রাখতে হবে।

এদিকে ওয়ালিদের এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর পরই শোকের ছায়া নেমে আসে তার স্বজন ও সহপাঠীদের মধ্যে। ওয়ালিদের জন্য দোয়া ও সহযোগিতা চেয়েছেন তার স্বজন ও সহপাঠীরা।

সহপাঠীরা বলেন, ওয়ালিদ সবসময় হাস্যোজ্জ্বল ছিল। আন্তরিকতা ও হাস্যোজ্জ্বলতা দিয়ে সে সবার মন জয় করেছে। পাশাপাশি ছবি তোলায় সে ছিল ভীষণ পটু। কিন্তু সদা হাস্যোজ্জ্বল ওয়ালিদ আজ আইসিউতে জীবন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। হাসছে না, কথাও বলছে না যা আমাদের জন্য খুব কষ্টের। আমরা চাই ওয়ালিদকে আবারও আমাদের মধ্যে ফিরিয়ে আনতে।

ওয়ালিদের সহপাঠী কারিনা দত্ত আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ওয়ালিদ অসম্ভব রকম প্যাশনেট এবং চমৎকার একজন মানুষ। আমার চেনাজানা এমন কেউ নেই যে তাকে অপছন্দ করে। ওয়ালিদের পুরো আঘাতটাই যেহেতু ব্রেইনের ওপর ছিল তাই ডাক্তার বলেছেন ওর সুস্থ হওয়ার জন্য সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। ইতিমধ্যে ওয়ালিদের চিকিৎসায় তার পরিবারের প্রায় ১০ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে বলে জানতে পারি। তাই আমরা সবাই আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে তার পরিবারের পাশে আর্থিক সহায়তা দিয়ে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা চাই আমাদের মতো সবাই যেন তা পাশে দাঁড়ায়। সবাইকে যার যার জায়গা থেকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি।

এদিকে ওয়ালিদের চিকিৎসার জন্য প্রতিনিয়ত আর্থিক সাহায্য সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সবাই।

ওয়ালিদের জন্য আর্থিক সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম:

মো. কাউসার ইবনে রিমেল (ওয়ালিদের বড় ভাই)

ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, গুলশান কর্পোরেট শাখা।

A/C:2050 177 02 03866815

ফোন: 01711060752 (যাবতীয় তথ্যের জন্য)


আরও খবর



ধামরাইয়ে ঝগড়া থামাতে গিয়ে হাতুড়ির আঘাতে প্রাণ গেল যুবকের

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৫৮০জন দেখেছেন

Image

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি:

ঢাকার ধামরাইয়ে গাংগুটিয়া বাজারে বালু ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দু গ্রুপের মারামারি দুই পক্ষের ঝগড়া থামাতে গিয়ে মোঃ ফরহাদ হোসেন (৪৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় মোঃ জাকারিয়া নামে একজনকে আটক করে উত্তম মাধ্যম দিয়ে পুলিশে কাছে সোপর্দ করছেন জনতা।

শুক্রবার (২০ মে ) সন্ধায় ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের অর্জুনালাই গ্রামের গাংগুটিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফরহাদ হোসেন অর্জুনালাই গ্রামের মৃত ধনু বেপাড়ী ছেলে ।

এলাকাবাসি সুত্রে জানা যায়, অর্জুনালাই গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে জাকারিয়া এবং একই গ্রামের আঃ ছালামের ছেলে মতিউর রহমানের সাথে মাটির ব্যাবসা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে সংঘর্ষ চলে আসছিল। সেই সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যায় জাকারিয়া মতিউর রহমানকে মারার জন্য তার বাহিনী নিয়ে গাংগুটিয়া বাজারে যায়। সেখানে মতিউর রহমান মতিকে মারার জন্য দেশিয় অস্ত্র হাতুরি দিয়ে আঘাত করেন। মতিকে মারধর করা অবস্থায় একই গ্রামের ফরহাদ হোসেন সেই মার থামাতে যায়। তখন জাকারিয়া ফরহাদ হোসেনের মাথা বরাবর হাতুরি দিয়ে আঘাত করলে সাথে সাথে ফরহাদ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এর পরপর জাকারিয়া তার হাতের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফরহাদকে বুকের মাঝে আরেকটি আঘাত করে। তখন ফরহাদ শুধু ঘোনরাইতে থাকে। এই সময় বাজারের লোকজন দৌড়িয়ে এসে জাকারিয়াকে আটক করে এবং ফরহাদকে উদ্ধার করে ধামরাই সরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এই বিষয়ে মিজানুর রহমান বাবু বলেন, আমরা শুক্রবার সন্ধ্যায় গাংগুটিয়া বাজারে বসে আলাপ করছিলাম। এই সময জাকারিয়া তার বাহিনী নিয়ে মতিউর রহমানকে মারতে গেলে আমি ও ফরহাদ থামাতে যায়। সেখানে জাকারিয়ার হাতে থাকা হাতুরি দিয়ে ফরহাদের মাথা আঘাত করলে ফরহাদ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এরপর ফরহাদকে উদ্ধার করে ধামরাই সরকারী হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

এই বিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আরাফাত হোসেন বলেন, গাংগুটিয়া ইউনিয়নে মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্র জাকারিয়ার আঘাতে ফরহাদ হোসেন নিহত হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে জাকারিয়াকে আটক করে থানায় আসি। লাশের ছোরতহাল করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এই ব্যাপারে একটি হত্যা মামলার প্রস্ততি চলমান।

নিউজ ট্যাগ: নিহত ধামরাই

আরও খবর



টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটে বন্যা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেট ও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে টানা বৃষ্টিপাতে পাহাড়ি ঢলের পানি বাড়তে শুরু করেছে সিলেট শহরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলায়। এতে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলার বেশ কয়েকটি জায়গা প্লাবনের কবলে পড়েছে। অনেক জায়গায় বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। এদিকে গত পাঁচ থেকে ছয় দিনের অবিরাম বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে সুরমার পানির বিপৎসীমা যেখানে ১২ দশমিক ৭৫ মিটার, সেখানে সোমবার বিকেল ৩টায় পাওয়া গেছে ১৪ দশমিক ২৭ মিটার।

সরেজমিনে দেখা যায়, সিলেট নগরীর মাছিমপুর, ছড়ারপার, কালীঘাট, কাজিরবাজার, শেখঘাট, মোল্লাপাড়া, ঘাসিটুলা লামাপাড়া, লালদীঘিরপাড় এলাকায় ঢুকে পড়েছে বন্যার পানি।

নগরীর লালদীঘির পাড় এলাকার বাসিন্দা মামুন আহমদ বলেন, দুপুরের পর থেকেই আমাদের এলাকার বিভিন্ন জায়গায় পানি বাড়তে শুরু করেছে। এই পানি বাড়ার হার অনেক বেশি মনে হচ্ছে। অনেকের বাসাবাড়িতে পানি ঢুকেছে বলেও জানান তিনি। জৈন্তাপুর, কোম্পানিগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাটের বিভিন্ন নদ-নদী ও খালের পানি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এসব জায়গায় নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া সিলেট সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন হাওরের পানিও বেড়েছে।

আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে সিলেটের আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ সাঈদ চৌধুরী বলেন, গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণের কারণেই মূলত সিলেটের বিভিন্ন জায়গায় পানি বেড়েছে। গতকাল থেকে সিলেটে বৃষ্টিপাত তুলনামূলক কম হওয়ায় আজকের আবহাওয়া দুই দিন ধরে ভালো।

এদিকে উজানী ঢলের কারণে হঠাৎ বেড়েছে সিলেটের সুরমা নদীর পানি। তিন দিন আগেও যেখানে পানি নদীর পাড় থেকে কয়েক ফুট নিচে ছিল, সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সিলেট জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসিফ আহমদ বলেন, সিলেটের নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে, এটি দুশ্চিন্তার কারণ। তিনি আরও জানান, ভারতের মেঘালয় রাজ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আর সেই পানি উজান বেয়ে বাংলাদেশে আসছে। যদি ভারতের মেঘালয় রাজ্যে বৃষ্টি না কমে, এই পানি কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।

এই পানি বাড়াকে আগাম বন্যা হিসেবে চিহ্নিত করবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গ্রীষ্মকালে এ রকম বৃষ্টিপাত ও নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া নিঃসন্দেহে একটু চিন্তার বিষয়। এ সময় সাধারণত উজানের পানির ঢল নামলে সাময়িকভাবে কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়ে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। কিন্তু টানা বর্ষণ আর ঢলের কারণে সিলেটের সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ৫ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সুরমার পানির বিপৎসীমা যেখানে ১২ দশমিক ৭৫ মিটার, সেখানে আজ বিকেল ৩টায় পাওয়া গেছে ১৪ দশমিক ২৭ মিটার।

নিউজ ট্যাগ: সিলেটে বন্যা

আরও খবর