আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

তৃতীয় দফায় বেনজিরের ৮ ফ্ল্যাট, ৯১ একর জমি ক্রোকের নির্দেশ

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজির আহমেদের পরিবারের সদস্যদের নামে আরও সম্পত্তি ও ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১২ জুন) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

জব্দ হওয়া সম্পদ ও ফ্ল্যাটের মধ্যে- রুপগঞ্জে ২৪ কাঠা জমি, উত্তরায় ৩ কাঠা, বাড্ডায় ৩৯ দশমিক ৩০ জমির ওপর দুটি ফ্ল্যাট, বান্দরবান জেলায় ২৫ একর জমি, স্ত্রী জিসানের নামে আদাবর থানার পিসিকালচার এলাকায় ৬টি ফ্ল্যাট, গুলশানে বাবার কাছ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি মূলে সম্পত্তিতে ৬ তলা ভবন, সিটিজেন টিভির শেয়ার ও টাইগার এপারেলসের শেয়ার রয়েছে।

মামলার অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচাল হাফিজুল ইসলাম এ আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজির আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ নামে, স্ত্রী জীশান মীর্জা ও কন্যাদের নামে দেশ-বিদেশে শত শত কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছে।

অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্তসূত্রে জানা যাচ্ছে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের মালিকানাধীন ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন। যা করতে পারলে মামলার অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় মামলা দায়ের, চার্জশিট দাখিল, আদালত কর্তৃক বিচার শেষে সাজা অংশ হিসেবে অপরাধলব্ধ আয় থেকে অর্জিত সম্পত্তি সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্তকরণসহ সকল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে।

তাই অনুসন্ধান শেষে মামলা দায়ের, তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিল, এরপর আদালত কর্তৃক বিচার শেষে সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের সুবিধার্থে তথা সুষ্ঠু অনুসন্ধান ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে স্থাবর সম্পত্তিসমূহ ক্রোক ও অস্থাবর সম্পত্তি ফ্রিজ করা একান্ত প্রয়োজন। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর।

এর আগে গত ২৩ ও ২৬ মে দুই দফায় বেনজির আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের ৬২১ বিঘা জমি জব্দের আদেশ দেন আদালত। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জমির মালিক বেনজিরের স্ত্রী জীশান মীর্জা। তার নামে প্রায় ৫২১ বিঘা জমি খুঁজে পেয়েছে দুদক। বাকি ১০০ বিঘার মতো জমি রয়েছে বেনজির, তার তিন মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজির, তাহসিন রাইশা বিনতে বেনজির ও জারা জেরিন বিনতে বেনজির এবং স্বজন আবু সাঈদ মো. খালেদের নামে।

বেনজির আহমেদের স্ত্রী জীশান মীর্জার নামে মাদারীপুরের সাতপাড় ডুমুরিয়া মৌজায় ২৭৬ বিঘা জমি পাওয়া গেছে। ২০২১ ও ২০২২ সালের বিভিন্ন সময় ১১৩টি দলিলে এসব জমি কেনা হয়। দলিলমূল্য দেখানো হয় মোট ১০ কোটি ২২ লাখ টাকা। ৮৩টি দলিলে ৩৪৫ বিঘা জমি জব্দের আদেশ দেন আদালত। যার দলিলমূল্য দেখানো হয়েছিল ১৬ কোটি ১৫ টাকার কিছু বেশি।

এছাড়া বেনজির আহমেদের পরিবারের সদস্যদের নামে গুলশানে যে চারটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দেন আদালত। তার মধ্যে তিনটি তার স্ত্রীর নামে এবং একটি ছোট মেয়ের নামে। দুটি ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৩৫৩ বর্গফুট, দাম ৫৬ লাখ টাকা করে। বাকি দুই ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ২৪৩ বর্গফুট করে, দাম সাড়ে ৫৩ লাখ টাকা করে। চারটি ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে একই দিন একই ভবনে। ভবনটির নাম র‍্যানকন আইকন টাওয়ার।

নিউজ ট্যাগ: ড. বেনজির আহমেদ

আরও খবর
কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রোববার

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




মাকে অপহরণ নাটক: সেই রহিমা-মরিয়মদের ভাগ্যে যা ঘটলো

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
খুলনা প্রতিনিধি

Image

জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মা রহিমা বেগমকে আত্মগোপনে রেখে অপহরণের নাটক সাজান মরিয়ম মান্নান। তাদের করা মামলায় জেলও খেটেছেন পাঁচ প্রতেবিশী।

এদিকে রহিমা বেগম ও তার মেয়েদের অপরণ নাটকের বিষয়টি প্রকাশ পেলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী এক প্রতিবেশী। মামলাটি আমলে নিয়ে চারজনের বিরুদ্ধেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। শুক্রবার (৫ জুলাই) বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট পারভেজ আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২০২২ সালের ২৭ আগস্ট খুলনার মহেশ্বরপাশা এলাকার বাড়ি থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন রহিমা বেগম। সেসময় তাকে অপহরণের অভিযোগ তুলে পরদিন মামলা করেন মেয়ে আদুরি আক্তার। ওই দিন রাত ২টার দিকে খুলনা নগরের দৌলতপুর থানায় মায়ের অপহরণের অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন রহিমা বেগমের ছেলে মিরাজ আল সাদী। আর পর দিন একই অভিযোগ তুলে ওই থানায় মামলা করেন রহিমা বেগমের মেয়ে আদুরি আক্তার।

মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের প্রতিবেশী মঈন উদ্দিন, গোলাম কিবরিয়া, রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ জুয়েল ও হেলাল শরিফের নাম উল্লেখ করা হয়। পরে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে তারা জামিনে রয়েছেন। ওই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে রহিমা বেগমকে পুলিশ উদ্ধার করলে বেরিয়ে আসতে থাকে সাজানো নাটকের বিষয়টি।

২০২৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে তাদের দেয়া প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে মামলার বাদী আদুরি আক্তার আদালতে নারাজি আবেদন করলে সেটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন বিচারক।

খুলনা সিআইডির পরিদর্শক মো. রবিউল ইসলাম মামলাটি তদন্ত শেষে অপহরণের ঘটনাটি মিথ্যা উল্লেখ করে চলতি বছরের ১৩ মে আদালতে সম্পূরক চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন। এরপরই অপহরণ মামলা থেকে অব্যাহতি পান ভুক্তভোগীরা। এদের মধ্যে একজন মো. রফিকুল আলম পলাশ মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে ২৬ জুন খুলনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলার আবেদন করেন। এতে রহিমা বেগম, তার মেয়ে আদুরী আক্তার (২২), অপহরণ নাটকের মাস্টারমাইন্ড রহিমা বেগমের আরেক মেয়ে মরিয়ম মান্নান (২৮) এবং বড় মেয়ে কানিজ ফাতেমাকে (৩২) আসামি করা হয়। আদালত ওইদিনই মামলাটি আমলে নিয়ে চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

ভুক্তভোগী পলাশ বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে তারা আমাকে অপহরণ মামলায় আসামি করে। আমি দেড় বছর হয়রানি শিকার হয়েছি, জেল খেটেছি। প্রতারণা এবং মিথ্যাচার করার জন্য এদের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, আদালত থেকে এখনও গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কাগজ আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। নথি পাওয়া মাত্রই আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।


আরও খবর



নরসিংদীতে পিকাপ ও কাভার্ডভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নরসিংদী প্রতিনিধি

Image

নরসিংদীর রায়পুরার মাহমুদাবাদ নামক স্থানে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে মালবাহী কাভার্ডভ্যান-পিকাপের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জন চালক নিহত হয়েছে। গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন পিকাপের চালকের সহকারী। ঘটনার পর থেকে মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার জোরে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। বেলা ৩ টায় যান চলাচল শুরু করে।

শুক্রবার রায়পুরা উপজেলার মাহমুদাবাদের নামাপাড়া ঢাকা সিলেট মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো বাচ্চু মিয়া (আনুমানিক ৩০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার নয়নপুর গ্রামের বাসিন্দা। আহত ফয়সাল (২৩) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার মুদ্রম এলাকার করিম মিয়ার ছেলে। তারা পিকাপের চালক ও চালকের সহকারী ছিলেন। গুরুতর আহত এক পিকাপের চালকের সহকারীকে পুলিশ ও স্থানীয়রা উদ্ধার করে স্থানীয় ভৈরব হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতকে প্রথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ভৈরব হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে চেড়ে আসা মাল বুজাই কুরিয়ার সার্ভিসেস একটি কাবার্ডভ্যান মহাসড়কের মাহমুদাবাদ নামাপাড়া এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিখ (ভৈরব) থেকে ছেড়ে আসা একটি মালবাহী পিকাপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় দুটি গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই পিকাপের চালাক ভেতরে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন। এ সময় পিছনে থাকা যাত্রীবাহী লেগুনা কাভার্ড ভ্যানের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে লেগুনার সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার পর থেকে কাবার্ডভ্যান ও লেগুনার চালক পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত পিকাপের চালকের সহকারীকে পুলিশ উদ্ধার করে স্থানীয় ভৈরব হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে খবর পেয়ে ভৈরব হাইওয়ে পুলিশ ও ভৈরব ফায়ারসার্ভিস কর্মীরা সকালে ঘটনাস্থলে এসে দীর্ঘ দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া ট্রাকের ভেতর চাপা পরে আটকা পড়া নিহত চালককে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে ভৈরব হাইওয়ে থানার নিয়ে আসা হয়েছে। দুমড়ে মুচড়ে যায় ট্রাক দুটো উদ্ধার করে ভৈরব হাইওয়ে থানার জব্দকরে নিয়ে আসে পুলিশ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, মহাসড়কে সিএনজিসহ নিষিদ্ধ যানবাহন পুলিশের সামনেই সময় অসময়ে চলাচল করে। সিএনজির কারণেই প্রায়ই দুর্ঘটনা গুলো ঘটছে। কিছুদিন পর পর ছোট বড় দুর্ঘটনায় মানুষ মারাও যায়। এ যেন দেখেও দেকার কেউ নেই। এই রখম দুর্ঘটনা থেকে মুক্তি চাই।

ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের লিডার মো রাশেদ বলেন, বেলা ১টা ৪০ মিনিটে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দীর্ঘ দেড় ঘন্টার চেষ্টায় চাপাপড়া নিহত চালকের মরদেহ উদ্ধার করি। লাশ ভৈরব হাইওয়ে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

ভৈরব হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট সাকের আহমেদ বলেন, বেলা ১ টা ৩০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দীর্ঘদিন দেড় ঘন্টার চেষ্টায় পিকাপে চাপা পড়া চিহ্ন বিচিহৃ চালকের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাচ্ছি। তিনটি গাড়ি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসি। এ সংক্রান্ত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও গত ছয় মাসে ওই এলাকায় একই স্থানে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত হন। এর আগেও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় পাঁচজন সবজির ক্রেতা-বিক্রেতাসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: নরসিংদী

আরও খবর



বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগে আন্দোলনকারীরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল করে ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগে গেছেন শিক্ষার্থীরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেখানে তারা সমাবেশ করছেন।

আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে লাইব্রেরির সামনে জড়ো হতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সোয়া ৫টার দিকে তারা সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে টিএসসি সড়কদ্বীপ হয়ে শাহবাগের যায়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আজকের কর্মসূচি অনুযায়ী, কোটা বাতিলের দাবিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবেন শিক্ষার্থীরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ঢাবি শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম গতকাল রাতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এর আগে গতকাল বিকেলে দেশব্যাপী অবরোধ কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধা দেয় ও হামলা চালায়।


আরও খবর



৫৪ ওমরাহ কোম্পানিকে কালো তালিকাভূক্ত করলো সৌদি আরব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

অনিয়মের অভিযোগে ৫৪ ওমরাহ কোম্পানিকে কালো তালিকাভূক্ত করেছে সৌদি আরব। এর মধ্যে আরব ও ইসলামিক দেশের ১৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে গালফ নিউজ।

গত মাসে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় হজ পালন করতে এসে অনেক হজযাত্রী মারা যান। এদের মধ্যে অনেকে সৌদি আরবে ভ্রমণ ভিসায় এসে হজ পালন করেন। আর এসব হজযাত্রীদের নিয়ম ভঙ্গে সহযোগিতা করে অনেক ট্রাভেল এজেন্সি। যার ফলে এবার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সৌদি আরবের আল ওয়াটন সংবাদমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, অনেক কোম্পানি সৌদি আরবের নিরাপত্তা এজেন্সির সঙ্গে মিলে নীতি ভঙ্গ করেছে।

অসমর্থিত সূত্রের বরাদ দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকে মানবপাচারের সঙ্গেও জড়িত। আবার অনেক প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন নেই। ফলে তারা অবৈধভাবে অনেককে ওমরাহ ভিসা দিয়েছে।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক উপমন্ত্রী আব্দুল ফাতাহ মাসাত সম্প্রতি ওমরাহ বিষয়ক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন ওমরাহ মৌসুম নিয়ে আলোচনা করেছেন। গত মাসে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় ১৮ লাখ মুসল্লি পবিত্র হজ পালন করেন। এরপর থেকেই ওমরাহ পালনের মৌসুম শুরু হয়েছে।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ইসরায়েলে রকেট-বিস্ফোরক রপ্তানি করছে ভারত

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের গাজায় প্রায় আট মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলা। হামাসকে নির্মূল করার জন্যই মূলত এই হামলা চালানো হচ্ছে। এই হামলার মধ্যে ইসরায়েলের কাছে রকেট ও বিস্ফোরক রপ্তানি করেছে ভারত। বুধবার (২৬ জুন) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য জানিয়েছে।

বোরকাম নামের একটি মালবাহী জাহাজ গত ১৫ মে ভোরে স্পেনের কার্তাহেনা বন্দরের উপকূলে এসে পৌঁছায়। পরে ফিলিস্তিনি পতাকা উড়িয়ে জাহাজটির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রকাশ করে স্পেনের জনগণ। তাদের অভিযোগ, জাহাজে করে ইসরায়েলের জন্য অস্ত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ জন্য তারা কর্তৃপক্ষের কাছে এই সন্দেহজনক জাহাজ পরিদর্শন করার আহ্বান জানায়।

তবে এই বিষয়ে দেশটির সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই বোরকাম নামের জাহাজটি স্লোভেনিয়ার বন্দর কোপারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যায়। তাই বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। আল জাজিরার হাতে কিছু নথি এসেছে, যা থেকে জানা গেছে জাহাজটিতে ভারত থেকে নিয়ে আসা বিস্ফোরক উপকরণ বোঝাই করা ছিল। আর এর শেষ গন্তব্য ছিল ইসরায়েলি বন্দর আশদোদ, যা গাজা উপত্যকা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে।

গত ২ এপ্রিল চেন্নাই থেকে ছেড়ে আফ্রিকার পাশ দিয়ে ঘুরে গেছে জাহাজটি এবং লোহিত সাগরে হুতিদের সম্ভাব্য হামলা এড়াতে এই বিকল্প ব্যবহার করা হয় বলে মেরিন ট্র্যাকিং সাইটের তথ্য থেকে জানা গেছে।

সলিডারিটি নেটওয়ার্ক এগেইন্সট দ্য প্যালেস্টিনিয়ান অকুপেশান (রেসকপ) এসব নথি অনানুষ্ঠানিকভাবে সংগ্রহ করেছে। যা থেকে জানা গেছে, ওই জাহাজে ২০ টন রকেট ইঞ্জিন, সাড়ে ১২ টন বিস্ফোরক-যুক্ত রকেট, দেড় হাজার কেজি বিস্ফোরক এবং ৭৪০ কেজি চার্জ ও কামানের প্রপেলান্ট বোঝাই করা হয়েছিল।

জার্মানের প্রতিষ্ঠান এমএলবি ম্যানফ্রেড লতারজুং বেফ্রাখতুং বোরকাম জাহাজটির বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে। এক বিবৃতিতে আল জাজিরাকে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, জাহাজে এমন কোনো অস্ত্র বা মাল বোঝাই করা হয়নি যেটার গন্তব্য ইসরায়েল।

গত ২১ মে কার্তাহেনা বন্দরে ভারতের দ্বিতীয় একটি জাহাজ এসে পৌঁছালেও নোঙর করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে মানুয়েল আলবারেস বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ইসরায়েলের জন্য সামরিক পণ্য বহনকারী জাহাজটিকে স্পেনের বন্দরে ভিড়ার অনুমত দেওয়া হয়নি।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিপরি) গবেষক জেইন হুসেন আল জাজিরাকে বলেন, যাচাই করার মতো তথ্যের অভাবে এ ধরনের লেনদেন আদৌ ঘটেছে কী না, তা নিশ্চিত করে বলা খুবই কঠিন। তবে বেশ কয়েক বছর ধরে ইসরায়েল ও ভারতের সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটছে, তাই ভারতীয় অস্ত্র বা উপকরণ ইসরায়েলের হাতে এসে পৌঁছানোর এবং তা গাজায় ব্যবহার অসম্ভব কিছু নয়।

এসব ঘটনা থেকে মোটামুটি নিশ্চিত যে, ভারত ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র রপ্তানি করছে, যা দেশটির সামরিক উদ্যোগ নয়, সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের পররাষ্ট্রনীতির পরিপন্থী। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতে আমদানি-রপ্তানি বিষয়ে স্বচ্ছতার অভাব থাকায় এ ধরনের লেনদেন সম্ভব হয়ে থাকতে পারে।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪