আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৬৬৫জন দেখেছেন

Image

ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদী থেকে ড্রেজার মেশিন দ্বারা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় আশিকুর রহমান (২৩)কে এক লক্ষ টাকা জরিমানা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (১০ই মে) সকালে উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চর খড়িবাড়ি আনন্দবাজার এলাকায় বালু উত্তোলনকারীদের এ সাজা দিয়েছেন উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা (এসিল্যান্ড) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ইবনুল আবেদীন।

ইবনুল আবেদীন বলেন, ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের তিস্তা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিলো স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি। অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করি। এসময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার দায়ে বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনের ২০১০এর চার ধারায় আশিকুর রহমান (২৩)কে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।

তিনি আরো বলেন, নদী থেকে অবৈধভাবে যারা বালু উত্তোলন করবে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে ডিমলা থানার এএসআই সাহাবুল আলম'র নেতৃত্বে একদল পুলিশের সদস্যরা ভ্রাম্যমান আদালতকে সহযোগিতা করেন।


আরও খবর



কলকাতার সিনেমায় তাসনিয়া ফারিণ

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলা নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। দক্ষ অভিনয়ের সুবাদে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর মতো নির্মাতার প্রজেক্টে কাজ করেছেন এই অভিনেত্রী। এবার আরও একধাপ এগিয়ে টালিউডের প্রশংসিত নির্মাতা অতনু ঘোষের পরিচালনায় নির্মিতব্য সিনেমায় নাম লিখিয়েছেন ফারিণ। সিনেমাটির নাম আরও এক পৃথিবী

অতনু ঘোষ বরাবরই ভিন্ন ধাঁচের গল্প নিয়ে আসেন পর্দায়। তার নির্মিত রোববার সিনেমায় অভিনয় করে ভারতের ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন বাংলাদেশের জয়া আহসান। এবার তারই নির্দেশনায় অভিষেক হতে যাচ্ছে ফারিণের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে, এ সিনেমার প্রেক্ষাপট লন্ডনকে ঘিরে। তাই পুরো শুটিং সেখানেই হবে। এসকে ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত হবে এটি। এখানে কলকাতার খ্যাতিমান নির্মাতা-অভিনেতা কৌশিক গাঙ্গুলিও অভিনয় করবেন। এছাড়াও থাকছেন সাহেব ভট্টাচার্য, অনিন্দিতা বসু প্রমুখ।

অতনু ঘোষ জানান, আরও এক পৃথিবী সিনেমা মূলত চারজনের গল্প বলবে। যে চারজন মানুষের মাথার ওপর নিজস্ব ও বিশ্বস্ত ছাদ নেই। সেই ছাদ খোঁজার গল্প ফুটে উঠবে সিনেমায়। আবার চারটি আলাদা চরিত্র এক সুতোয় বাঁধা পড়বেন গল্পের প্রয়োজনেই।

গুণী এই নির্মাতা বলেন, কয়েক দিন আগে ফোর ফিট আন্ডার নামে একটা বই পড়েছিলাম। সেখান থেকেই ভাবনাটা। এই সিনেমায় লন্ডন একেবারে অন্যভাবে ধরা পড়বে। এতদিন সিনেপর্দায় যেভাবে লন্ডন দেখানো হয়েছে- সেটার চেয়ে অনেক আলাদা।

নিউজ ট্যাগ: তাসনিয়া ফারিণ

আরও খবর



রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আজ ১৬১তম জন্মবার্ষিকী

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ৪৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ ২৫ বৈশাখ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মবার্ষিকী। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের (৭ মে ১৮৬১ খিষ্টাব্দ) এ দিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বাংলা সাহিত্যের অনন্য ব্যক্তিত্ব ও কালজয়ী এ কবি।

মানবতার সংকট ও রবীন্দ্রনাথ স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে এ বছর জাতীয় পর্যায়ে বিশ্বকবির জন্মবার্ষিকী উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে সরকার।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বসাহিত্যের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ প্রতিভাদের একজন। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে যার অবদান অসামান্য। তার হাত ধরেই বাংলা সাহিত্য পায় নতুন রূপ। ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মননশীলতা দিয়ে বিশ্ব অঙ্গনে বিরল সম্মান আর্জন করেন তিনি।

বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তার অভিলাষ কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা।

১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান। ১৮৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তার পত্নীবিয়োগ হয়।

১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করে। কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।

১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন। ১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়।

রবীন্দ্রনাথের কাব্যসাহিত্যের বৈশিষ্ট্য ভাবগভীরতা, গীতিধর্মিতা চিত্ররূপময়তা, অধ্যাত্মচেতনা, ঐতিহ্যপ্রীতি, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম, বিশ্বপ্রেম, রোম্যান্টিক সৌন্দর্যচেতনা, ভাব, ভাষা, ছন্দ ও আঙ্গিকের বৈচিত্র্য, বাস্তবচেতনা ও প্রগতিচেতনা। রবীন্দ্রনাথের গদ্যভাষাও কাব্যিক।

ভারতের ধ্রুপদি ও লৌকিক সংস্কৃতি এবং পাশ্চাত্য বিজ্ঞানচেতনা ও শিল্পদর্শন তার রচনায় গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল। কথাসাহিত্য ও প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে নিজ মতামত প্রকাশ করেছিলেন। সমাজকল্যাণের উপায় হিসেবে তিনি গ্রামোন্নয়ন ও গ্রামের দরিদ্র জনসাধারণকে শিক্ষিত করে তোলার পক্ষে মতপ্রকাশ করেন।

পাশাপাশি সামাজিক ভেদাভেদ, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধেও তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন- রবীন্দ্রনাথের দর্শনচেতনায় ঈশ্বরের মূল হিসেবে মানব সংসারকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে; রবীন্দ্রনাথ দেববিগ্রহের পরিবর্তে কর্মী অর্থাৎ মানুষ ঈশ্বরের পূজার কথা বলেছিলেন। সংগীত ও নৃত্যকে তিনি শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ মনে করতেন।

রবীন্দ্রনাথের গান তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি। তার রচিত আমার সোনার বাংলাজনগণমন-অধিনায়ক জয় হে গানদুটি যথাক্রমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীত। এছাড়া শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীতের কথাও তার গানের অনুবাদ।


আরও খবর



যেসব কারণে ভেড়া পালন লাভজনক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আমাদের দেশে ভেড়া পালন বেশ লাভজনক। ভেড়া ঘাস খেতে খুব পছন্দ করে এবং দলগতভাবে ঘুরে বেড়ায়। তাই এটি পালন করা খুব সহজ। এদের প্রজনন ক্ষমতাও বেশি। এটি ১৫ মাসে ২ বার বাচ্চা দেয়। তাই ভেড়া পালন শুরু করলে কয়েক বছরের মধ্যে খামারের আকার বড় হয়ে উঠে। অন্যদিকে এটি পালন করে লাভবান হওয়া যায়। ভেড়া শুধু ঘাস খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে। তবে কিছু দানাদার খাদ্য সরবরাহ করলে ভালো উৎপাদন পাওয়া যায়। ভেড়া পশম ও মাংসের জন্য পালন করা হয়। আমাদের দেশে ভেড়ার তেমন কোনো ভালো জাত নেই। বাংলাদেশের ভেড়া মোটা পশম উৎপাদন করে। তাই এরা পশমের জন্য জনপ্রিয় নয়। আমাদের দেশে ভেড়া মাংসের জন্য উৎপাদন করা হয়ে থাকে।

ভেড়া খাবারের জন্য সারাদিন মাঠে ঘুরে বেড়ায়। এদের বাসস্থান প্রয়োজন হয়। বাসস্থানের প্রয়োজন বিশেষ করে রাতে ভেড়ার বিশ্রাম নেওয়ার জন্য। তাছাড়া বন্য প্রাণীর হাত থেকে রক্ষা করার জন্যও বাস স্থানের দরকার। ঝড় ও বৃষ্টি থেকে রক্ষা করার জন্য ও বেশি উৎপাদনক্ষম ভেড়ার দুগ্ধ দোহন করার জন্য বাসস্থানের প্রয়োজন। অন্যদিকে গর্ভবতী, প্রসূতি ও বাচ্চা ভেড়ার পরিচর্যার জন্যও বাসস্থান জরুরি।

ভেড়া পালনের জন্য তিন ধরনের ঘর ব্যবহার করা হয়। যেমন,- উন্মুক্ত, আধা উন্মুক্ত ও আবদ্ধ ঘর। আবহাওয়া ও জলবায়ুর কথা চিন্তা করে রাতে আশ্রয়ের জন্য ভেড়ার ঘর তৈরি করা হয়। ভেড়ার ঘরের মেঝে ভূমি সমতলে বা মাচার তৈরি হয়ে থাকে। যেসব অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম হয় সেখানে এ ধরনের ঘর উপযোগী। একটি নির্দিষ্ট জায়গার চারিদিকে বেড়া দিয়ে উন্মুক্ত ঘর তৈরি করা হয়। এধরনের ঘরে কোনো ছাদ থাকে না। সারাদিন বাইরে খাওয়ার পর রাতে ভেড়ার পাল এখানে আশ্রয় নেয়। এখানে মেঝেতে খড় ব্যবহার করা হয়। উন্মুক্ত ঘরের নির্দিষ্ট স্থানের এক কোনে কিছু জায়গা যখন ছাদসহ তৈরি করা হয় তখন তাকে আধা উন্মুক্ত ঘর বলে। যেসব এলাকায় মাঝে মধ্যে বৃষ্টি হয় সেখানে আধা, উন্মুক্ত ঘর ব্যবহার করা যেতে পারে।

যেসব অঞ্চলে প্রচুর ঝড়-বৃষ্টি হয়, সেখানে এ ঘর বেশি উপযোগী। আবদ্ধ ঘরের পুরা অংশেই ছাদ থাকে। ঘরের পাশ দিয়ে প্রচুর আলো বাতাস প্রবাহের ব্যবস্থা থাকে। আবদ্ধ ঘরের মেঝে পাকা ও আধা পাকা হয়ে থাকে। ভেড়াকে সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম রাখার জন্য এবং এদের থেকে বেশি উৎপাদন পেতে হলে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে হবে। নিয়মিত ব্রাশ দিয়ে ভেড়ার পশম পরিষ্কার করতে হবে। এতে পশমের ময়লা বেরিয়ে আসবে। ভেড়ার দেহে মাঝে মধ্যে পরজীবীনাশক প্রয়োগ করতে হবে। ভেড়ার পশম কাটার আগে গোসল করাতে হবে।

ভেড়া যে কোনো ধরনের খাদ্য খেতে খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে। এটি গরু, মহিষ ও ছাগলের মতোই জাবরকাটা প্রাণী। ভেড়ার খাদ্যের শ্রেণিবিন্যাস গরু ছাগলের মতোই। এদের খাদ্য তালিকায় আঁশযুক্ত খাবারের পরিমাণ দানাদার খাদ্যের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে। গর্ভবতী ভেড়ির তুলনায় প্রসূতির খাদ্য তালিকায় অধিক পরিমাণে দানাদার খাদ্য প্রদান করা হয়। বাচ্চা প্রসবের একমাস পূর্ব থেকে ভেড়ির খাদ্য তালিকায় দৈনিক ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম হারে দানাদার খাদ্য যোগ করতে হয়। ভেড়াকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রাখতে হবে। সব বয়সের ভেড়াকে নিয়মিত কৃমিনাশক খাওয়াতে হবে ও সময় মতো টিকা প্রদান করতে হবে। ভেড়া বাদলা, তড়কা, ম্যাস্টাইটিস, খুরা রোগ, চর্মরোগ, কৃমি ইত্যাদিতে বেশি আক্রান্ত হয়। রোগাক্রান্ত ভেড়াকে পশু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা দিতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: ভেড়া পালন

আরও খবর



রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় চার ডাকাত আটক

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে চার ডাকাতকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ। এসময় ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-২২-৫৮১৪) জব্দ করা হয়।

আটকরা হলেন- মো. রফিক খান, মো. কামাল, মো. ইমরান হোসেন ও মো. মশিউর রহমান লিটন। এসময় তাদের কাছ থেকে চাপাতি ও দুটি চাকু জব্দ করা হয়। 

বুধবার (২৭ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেন গোয়েন্দা পুলিশ। গোয়েন্দা শাখার মতিঝিল বিভাগের অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক নিয়ন্ত্রণ টিমের প্রধান অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান,

গত ২৬ এপ্রিল দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যাত্রাবাড়ী থানার ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে রোড এলাকায় কতিপয় ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ট্রাকে করে ডাকাতির উদ্দেশে অবস্থান করছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে ট্রাকের ভেতরে থাকা চাপাতি ও চাকুসহ রফিক, কামাল, ইমরান ও লিটনকে আটক করা হয়। ট্রাকে থাকা ডাকাত দলের আরও চারজন পালিয়ে যায়। পলাতকদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তাদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পারে, তারা ট্রাকে করে দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করতো। আটকদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ডাকাত আটক

আরও খবর



এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সীমা ৯ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। রোববার রাতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফরম পূরণের বর্ধিত সময়কাল সোমবার (৯ মে) থেকে ১৬ মে এবং অনলাইনে ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৭ মে।

এবার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি ১ হাজার ৬১৫ টাকা, ব্যবসায় শিক্ষায় ১ হাজার ৪৯৫ টাকা ও মানবিকে ১ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের বেতন ও সেশনচার্জ ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিশোধ করতে হবে।

কোনো শিক্ষার্থীর নবম ও দশম শ্রেণির সর্বমোট ২৪ মাসের বেশি বেতন নেওয়া যাবে না। রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীসহ আবশ্যিক ও নৈর্বাচনিক এক থেকে চার বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। এ জন্য ব্যবহারিক ছাড়া ৩৫০ টাকা আর ব্যবহারিকসহ ৪০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস (পাঠ্যসূচি) অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে শিক্ষার্থীরা (নিয়মিত ও অনিয়মিত) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। সব শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান, খেলাধুলা ও ক্যারিয়ার এডুকেশন বিষয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় নৈর্বাচনিক সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে এবং জিপিএ-৫ এর কম পেয়েছে এমন পরীক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকলে ২০২২ সালের পরীক্ষায় জিপিএ উন্নয়নের জন্য অংশ নিতে পারবে। তাদেরকে সব বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এ পরীক্ষায় জিপিএ উন্নয়ন হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে। অন্যথায় আগের ফলাফল বহাল থাকবে।

এছাড়া আগের বছরের বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের শাস্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে ও রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকলে তারা ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নিতে পারবে। তাদেরকে সব বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

গত ২৭ এপ্রিল এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয়ক কমিটি। আগামী ১৯ জুন সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্রদিয়ে শুরু হবে পরীক্ষা। চলবে ১৩ জুলাই পর্যন্ত। এছাড়াও এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ১৪টি নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।


আরও খবর