আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

থানায় গিয়ে স্বামী বললো : আমি স্ত্রীকে হত্যা করে এসেছি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | ৬৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঘড়ির কাটায় তখন রাত ঠিক সাড়ে ৮টা। খালি গায়ে লুঙ্গি পরিহিত এক ব্যক্তি উদভ্রান্তের মতো ছুটে আসেন কুষ্টিয়া মডেল থানায়। থানার বারান্দায় দাঁড়ানো কর্তব্যরত পুলিশ কনস্টেবলকে বলেন, তার নাম রনি বিশ্বাস (৪২)। বাড়িতে তিনি তার স্ত্রী রত্না খাতুনকে (৩৫)  হত্যা করে এসেছেন। কথা শুনে হতবাক পুলিশ। প্রথমে ওই ব্যক্তিকে মানসিক বিকারগ্রস্ত ভেবে বিষয়টি আমলে নেয়নি পুলিশ।

বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই ব্যক্তি বলেন, আমাকে সঙ্গে নিয়ে চলেন, লাশ দেখাব।’ এ কথা শুনে কিছুটা নড়েচড়ে বসে পুলিশ। টহল পুলিশের গাড়িতে করে ওই ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় গিয়ে পাওয়া যায় লাশ।

বুধবার রাতে কুষ্টিয়া শহরের কোটপাড়া এলাকায় রাজু আহম্মেদ সড়কে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ রাতেই দুই সন্তানের জননী রত্না খাতুন নামের ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহত রত্না জেলার মিরপুর উপজেলার চারমাইল এলাকার নাজিম উদ্দীনের মেয়ে। তার স্বামী রনি হোসেন (৪২) কুষ্টিয়া শহরের বটতৈল এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন ইজিবাইক চালক।

কুষ্টিয়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নিশিকান্ত সরকার বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে এক ব্যক্তি থানায় প্রবেশ করেন। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে (সেন্ট্রি) জানান, তিনি বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করে এসেছেন। প্রথমে পুলিশ সদস্য বিষয়টি বিশ্বাস করেনি। ওই ব্যক্তি নিজের নাম রনি হোসেন ও বটতৈল এলাকায় বাড়ি পরিচয় দিয়ে আবারও স্ত্রীকে হত্যা করার কথা জানান।

নিশিকান্ত সরকার বলেন, ওই ব্যক্তি একপর্যায়ে তার কাছে এসেও স্ত্রীকে হত্যা করার কথা বলেন। নিশিকান্ত জানান, আমিও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এভাবে কেউ হত্যা করে নিজে থেকে থানায় ছুটে আসে নাকি? রনি এ সময় সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলেন। একপর্যায়ে টহল পুলিশের গাড়িতে করে ওই ব্যক্তিকে নিয়ে শহরের কলেজমোড় এলাকায় রাজু আহম্মেদ সড়কের একটি তিনতলা বিশিষ্ট ভবনের তৃতীয় তলার ডান পাশের ফ্ল্যাটে যাওয়া হয়। সেখানে বাসার শৌচাগারের ভেতরে রত্না খাতুনের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। হাত দিয়ে গলাটিপে হত্যার পর লাশ শৌচাগারে রেখেছিলেন বলে দাবি করেন রনি।

ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে পরিদর্শক নিশিকান্ত সরকার আরও বলেন, হত্যার প্রাথমিক কারণ হিসেবে রনি বিশ্বাস দাবি করেছেন, পারিবারিক কলহের কারণে তিনি তার স্ত্রী রত্নাকে একাই গলাটিপে হত্যা করেছেন তারা শহরতলীর বটতৈল এলাকায় থাকেন। বুধবার সন্ধ্যায় শহরের কলেজ মোড় এলাকায় রনির মায়ের ভাড়া বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে কৌশলে তাকে গলাটিপে হত্যা করেন।

পুলিশ এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রনি বিশ্বাসের মা লিলি বেগমকেও (৫৫) থানায় নিয়ে এসেছে। নিশিকান্ত জানান, রনি ও তার মাকে আরো জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত পরে জানানো হবে। 


আরও খবর



দোকানি বাবু হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | ৩৫৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকার মিরপুরে দোকানি কাজী জহুরুল ইসলাম বাবু হত্যার মামলার এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ১০ নম্বর বিশেষ দায়রা আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন।

চার আসামির মধ্যে মো. এমাদুল হক ওরফে গণ্ডারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। আর শহীদুল্লাহ, মনির ও আজাদুলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামিদের মধ্যে শহীদুল্লাহ পলাতক; বাকিরা রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মাহবুবুল হাসান জানান, কাজী জহুরুল ইসলাম বাবু মধ্য মনিপুরে সুমন রকমারি বিপণি নামে একটি স্টেশনারি দোকান চালাতেন। একটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় এমাদুল হক এবং তার কয়েকজন সহযোগীকে র‌্যাবের হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এর প্রতিশোধ নিতে ২০১৩ সালের ১৭ জুলাই জহুরুলকে হত্যা করে আসামিরা।

মামলার বিবরণে বলা হয়, শহীদুল্লাহ সেদিন জহুরুলকে বাসা থেকে তার দোকানে ডেকে নেন। সেখানে আসামিরা জহুরুলকে মারধর শুরু করেন। এক পর্যায়ে এমাদুল তার হাতে থাকা ছুরি দিয়ে জহুরুলের পিঠে ও পেটে আঘাত করেন। জহুরুল চিৎকার দিয়ে রাস্তায় পড়ে গেলে হামলাকারীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

আহত জহুরুলকে প্রথমে গ্যালাক্সি হাসপাতালে, পরে সেখান থেকে শমরিতা হাসপাতালে এবং সবশেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনায় জহুরুলের ভাই কাজী তাজুল ইসলাম সেদিনই মিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেখানে এমাদুল, মনির, আজাদুল ও শহীদুল্লাহর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র হলে আদালত তাদের বিচার শুরু করে।


আরও খবর



চালের দাম বৃদ্ধি নিয়ে অ্যাকশনে যাওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | ৫৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভরা মৌসুমে বাড়ছে চালের দাম। এক মাসের ব্যবধানে মান ভেদে প্রতি কেজি চালের দাম ৫-১৫ টাকা বেড়েছে। এ অবস্থায় চালের দাম বৃদ্ধি নিয়ে অ্যাকশনে যেতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কেউ অবৈধভাবে চাল মজুত করলে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৩০ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ নির্দেশ দেন তিনি । বৈঠক শেষে বিকেল সাড়ে ৩টায় সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, চাল ও তেল নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। মার্কেট সার্ভে করে দ্রুত অ্যাকশনে যেতে বলা হয়েছে। তেলের মতো চাল ইস্যুতেও অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। মজুত করলে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বাণিজ্য, খাদ্য এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং সচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত রোববার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় চালের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারও।

ওই দিন তিনি বলেছিলেন, ধান কিনে মজুত করার অসুস্থ প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে। সবাই প্রতিযোগিতা করে ধান কিনছে, ভাবছে ধান কিনলেই লাভ। এ অসুস্থ প্রতিযোগিতা ভালো পরিণতি আনবে না। অধিকাংশ মিল মালিক বাজার থেকে ধান কিনলেও তারা উৎপাদনে যাচ্ছেন না। বাজারে নতুন চাল এখনও আসছে না। এখন বাজারে যে চাল পাওয়া যাচ্ছে তা গত বছরের পুরোনো। তাহলে নতুন ধান যাচ্ছে কোথায়?

এ অবস্থা চলতে দেওয়া হবে না। কে কত পরিমাণ ধান কিনছেন এবং কে কত পরিমাণ চাল ক্রাশিং করে বাজারে ছাড়ছেন তা খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের রিপোর্ট আকারে পাঠানোর কথা বলেন মন্ত্রী।


আরও খবর



পাকিস্তানে নিরাপত্তা কোম্পানি খুলতে চায় চীন

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে একটি নিরাপত্তা কোম্পানি খুলতে চায় চীন। তবে সে বিষয়ে চীনের একটি অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন শেহবাজ শরীফের সরকার। পাকিস্তানের স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম এই তথ্য সামনে এনেছে বলে শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই। পাকিস্তানের এআরওয়াই নিউজের বরাত দিয়ে দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, অন্য কোনো দেশ পাকিস্তানে নিরাপত্তা কোম্পানি খুলতে পারবে না বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ।

বেশ কয়েকটি সূত্রের বরারত দিয়ে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, পাকিস্তানে একটি নিরাপত্তা কোম্পানি গঠনের অনুরোধ করেছিল চীন। চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইসলামাবাদ সরকারের কাছে ওই অনুরোধ পাঠানো হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চীনা সরকারের সেই অনুরোধে আপত্তি জানিয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে নানা অসামঞ্জস্যতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এছাড়া সম্প্রতি দেশটিতে চীনা নাগরিকদের ওপর হামলা বেড়েছে। বেলুচ বিদ্রোহীরা নিয়মিত চায়না পাকিস্তান ইকোনোমিক করিডোর (সিপিইসি) অবকাঠামো প্রকল্পগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা করছে। এর আগে করাচি শহরে আত্মঘাতী হামলায় তিন চীনা নাগরিকসহ চারজন নিহত হয়। পরে একটি বেলুচ গোষ্ঠী সেই হামলার দায় স্বীকার করে। এসব আক্রমণের পরই ইসলামাবাদ পুলিশ সম্প্রতি প্রয়োজনীয় কর্মী ও সরঞ্জাম-সহ একটি বিদেশি নিরাপত্তা সেল গঠন করে। মূলত পাকিস্তানে ক্রমাগত চীনা নাগরিকদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া থেকে সুরক্ষিত রাখতেই ওই নিরাপত্তা সেল গঠন করা হয়।

একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন জানিয়েছে, বিদেশি বিশেষ করে চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য ইসলামাবাদ পুলিশের নিরাপত্তা সেলের কর্মক্ষমতা পর্যালোচনা করার পর একটি বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচলের সময় চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তার কাজে পুলিশ স্টেশনের এসএইচও, নিরাপত্তা বিভাগ বা টহল ইউনিট নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া চীনা নাগরিকদের আবাসনের চারপাশে টহল কর্মীদের মোতায়েন নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরাপত্তারক্ষীদের বিবরণ পরীক্ষা ও যাচাই করবে পাকিস্তানের পুলিশ।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া গত সপ্তাহে একটি পাকিস্তানি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে চীন সফর করেন এবং সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।

নিউজ ট্যাগ: পাকিস্তান

আরও খবর



‘ক্রয়ক্ষমতা বাড়ায় গ্রামের মানুষ সকালে উঠেই চা খান’

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ জুন ২০২২ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
দেশের উত্তরাঞ্চলে প্রধানমন্ত্রীর নিজের ভাবনা থেকে চায়ের চাষ শুরু হয়। আজ অভ্যন্তরীণ চাহিদার ১৫ শতাংশ আসছে। চা পাতার কারণে আজ উত্তর এলাকার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে। টিসিবির লাইনে এখন উত্তর এলাকায় মানুষ পাওয়া যাচ্ছে না। চা বাগানে কাজ করার কারণে তাদের আয় আরও অনেক বেড়ে গেছে

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেনর, গ্রামের মানুষেরা এখন সকালে উঠেই দোকানে চা খান। এতে বোঝা যায় মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। মানুষের আয় বেড়েছে, তাই আগে যে এক কাপ চা খেতেন, এখন সে দুই কাপ চা খান। এখন দেশে দিনে ১০ কোটি কাপ চা খাওয়া হয়।

আজ শনিবার রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে চা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে বাংলাদেশ চা বোর্ড।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, চায়ের উৎপাদন বাড়ানো নিয়ে আমরা চিন্তা করি। জাতির পিতার স্পর্শ পেয়েছে এই চা শিল্প। তার অবদানের কারণে এ শিল্প অনেক এগিয়েছে। তিনি যেখানে হাত দিয়েছেন সেখানে ইতিহাস হয়েছে, সাফল্য এসেছে। প্রতি বছর ৪-৫ শতাংশ চা উৎপাদন বাড়ছে। তবে মানুষের চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম, এ জন্য রপ্তানি করতে পারছি না।

টিপু মুনশি বলেন, দেশের উত্তরাঞ্চলে প্রধানমন্ত্রীর নিজের ভাবনা থেকে চায়ের চাষ শুরু হয়। আজ অভ্যন্তরীণ চাহিদার ১৫ শতাংশ আসছে। চা পাতার কারণে আজ উত্তর এলাকার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে। টিসিবির লাইনে এখন উত্তর এলাকায় মানুষ পাওয়া যাচ্ছে না। চা বাগানে কাজ করার কারণে তাদের আয় আরও অনেক বেড়ে গেছে।

চা বাগান মালিকদের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চা বাগানে ভালো মানের রিসোর্ট তৈরি হচ্ছে। এগুলো ব্যবসার জন্য ভালো। ক্রেতাকে রিসোর্টে রেখে এক বেলা খাওয়ালে, কারখানাগুলোর পরিবেশ দেখালে লোকসান নেই। এতে ক্রেতারা খুশি হয়, ব্র্যান্ডিং হয় নিজ পণ্যের।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ বলেন, অনাবাদী জমিতে ক্ষুদ্রাকার জমিতে চা উৎপাদন এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আমাদের চা শিল্পের উন্নয়নে ৯০ ভাগ অবদান আমাদের শ্রমিকদের। আমরা শ্রমিকদের আরও ট্রেনিং দিয়ে তাদের দেশের বাইরে পাঠাতে উদ্যোগ নিতে চাই, এতে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা প্রয়োজন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আশরাফুল ইসলাম, বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান এম শাহ আলম, টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ওমর হান্নান।


আরও খবর



মিরপুরে কিশোরীকে ৪ দিন আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ জুন 20২২ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের বাউনিয়া বাঁধের ডি ব্লকে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে চারদিন আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মহসিন কাজী নামে এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহযোগিতায় আরও দুই ব্যক্তিকে নিয়ে ওই কিশোরীকে কয়েক দফা সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছেন বলে জানা গেছে। মহসিনের স্ত্রীর নাম মর্জিনা। এ ঘটনায় ওই কিশোরীর বাবা হানিফ গত ১৯ জুন চারজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরী ৮ বছর ধরে ভাসানটেকের এক বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করত। গত ১৫ জুন রাতে সে ওই বাসা থেকে পালিয়ে ভাসানটেকের দেওয়ান পাড়ার একটি ব্রিজের কাছাকাছি দাঁড়িয়েছিল।এ সময় মহসিন ও মর্জিনা ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। কিশোরী তাদেরকে ভালো মানুষ মনে করে এক রাতে থাকার জন্য তাদের কাছে আশ্রয় চায়।

তখন তারা ওই কিশোরীকে আশ্রয় দেন। একপর্যায়ে চারদিন আটকে রেখে মর্জিনার সহযোগিতায় ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন মহসীন। শুধু তাই নয়, মহসিন ও মর্জিনার সহযোগিতায় মাসুদ রানাসহ অজ্ঞাত আরও এক ব্যক্তি কিশোরীকে কয়েক দফা ধর্ষণ করে। ৪ দিন পর সেখান থেকে ওই কিশোরী পালিয়ে আসে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) উদয় কুমার মন্ডল বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে ওই কিশোরীর ধর্ষণের আলামত পেয়েছি। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছে। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে রিপোর্ট আসবে। ইতোমধ্যে চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর