আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

টেকনাফে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযানে র‍্যাব

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৮ আগস্ট ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারের টেকনাফে দুর্গম পাহাড়ে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৫)।

শুক্রবার (১৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি জানান, টেকনাফের রঙ্গিখালী এলাকার দুর্গম পাহাড়ে অস্ত্র তৈরির কারখানা ও ডাকাত দলের আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করছে র‍্যাব-১৫। অভিযান শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

নিউজ ট্যাগ: টেকনাফ

আরও খবর



দিল্লিতে তাপমাত্রা ৫৩ ছুঁইছুঁই, একজনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে দিল্লিবাসী। ভারতের রাজধানীর তাপমাত্রা গতকাল বুধবার রেকর্ড ৫২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছিল। দেশটির ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ গরম। তীব্র গরমে একজন হিটস্ট্রোক করে মারাও গেছেন।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মারা যাওয়া ওই ব্যক্তির বয়স ৪০। তিনি বিহারের বাসিন্দা। ডাক্তার জানিয়েছেন, তীব্র জ্বর নিয়ে ওই ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন। তার জ্বর ১০৭ ডিগ্রিতেও পৌঁছায়।

গরমের সঙ্গে সঙ্গে দিল্লিতে বেড়েছে বিদ্যুতের চাহিদা। গতকাল বুধবার দুপুর পর্যন্ত ৮ হাজার ৩০২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বিদ্যুৎ বিভাগ। ভারতের পশ্চিমাংশেও একই রকম তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি রয়েছে। রাজস্থানের ফালোডিতে এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, হরিয়ানার সারসায় ৫০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদেরা জানাচ্ছেন, আগামীকাল শুক্রবারের পর থেকে উত্তর ভারতে ধীরে ধীরে তাপপ্রবাহ কমবে।


আরও খবর



ছোট ও মাঝারি গরুতে আগ্রহ বেশি ক্রেতাদের

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

কোরবানির ঈদের অন্যতম আকর্ষণ পশু কেনা। পশু ক্রয়ে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জে পড়তে হয় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের। বাজেট ও সাধের সমন্বয় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। যে কারণে পরিকল্পনার শুরু থেকেই তাদের লক্ষ্য থাকে মাঝারি ও ছোট আকারেরে গরু কোরবানি দেওয়া। অনেকে আবার মাংসের স্বাদের বিবেচনায় দেশীয় গরু কিনতে চান।

সবকিছু মিলিয়ে তুলনামূলক মাঝারি কিংবা ছোট গরুর চাহিদা বেশি বাজারে। বিক্রিও বেশি হচ্ছে। গত কয়েকদিনের তুলনায় আজকে গরু বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে।

আজ রাজধানীর তেজগাঁও টেকনিক্যাল মাঠের গরুর হাট ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। দুপুরে হাটে গিয়ে দেখা যায়, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলজুড়ে এ হাট বসানো হয়েছে। হাটে ৬০ হাজার থেকে ৬ লাখ টাকার গরু উঠেছে। বেশিরভাগ ক্রেতাই বিক্রেতাদের সঙ্গে দামাদামি করছেন। মনের মতো দাম না পেলে গরু ছাড়ছেন না তারা। অনেক ক্রেতা শেষ মুহূর্তে দাম কমতে পারে সেই আশায় অপেক্ষা করছেন। যদিও আজ সকাল থেকে গরু বিক্রি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

শেরপুর থেকে ২২টি গরু এনেছেন ব্যবসায়ী আরশাদ। তিনি বলেন, আমার কাছে মাঝারি ও ছোট গরুর সংখ্যা বেশি ছিল। গতকাল তেমন বিক্রি না হলেও আজ সকালেই ৮টি গরু বিক্রি করেছি। আমি আগামীকালের আশায় থাকতে চাচ্ছি না। মোটামুটি লাভ হলেও গরু ছেড়ে দেব।

মাঝারি সাইজের দুটি গরু কিনেছেন নিজামুল হক। তিনি বলেন, হাজীপাড়া থেকে এখানে এসেছি। প্রথমে ইচ্ছে ছিল বড় আকারের গরু কিনব। পরে আমার অংশীদারদের পরামর্শে ছোট আকারের দুটি গরু ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকায় কিনেছি। দেশি গরু দেখতে ছোট হলেও মাংস ও স্বাদ বেশি। এ কারণে ছোট আকারের গরু কিনলাম। 

তেজগাঁও হাটের ইজারাদার হোসেন খান বলেন, প্রথম দিকে গরু-ছাগল বিক্রির পরিমাণ কম হলেও বর্তমানে পশু বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে। দামও আগের তুলনায় কমেছে। মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা তুলনামূলক বেশি। চলছেও বেশি। আমরা ৫ শতাংশ হারে হাসিল আদায় করছি। 


আরও খবর



রাত পোহালেই ভোটগ্রহণ, কঠোর নিরাপত্তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মো.আমজাদ হোসেন, আনোয়ারা

Image

রাত পোহালেই শুরু হবে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩য় ধাপে আনোয়ারায় নির্বাচন । অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণের জন্য ব্যাপক নিরাপত্তার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম। ভোর চারটায় পাঠানো হবে ব্যালট পেপার। সাথে থাকবে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

জানা গেছে, ২৯ মে আনোয়ারার ১১টি ইউনিয়নের ৭৪টি ভোট কেন্দ্রে ব্যালেট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপজেলায় ২ লাখ ৩৩ হাজার ১০৯ জন ভোটার সংখ্যা রয়েছে। এরমধ্যে ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৮৮জন পুরুষ এবং ১ লাখ ৯ হাজার ২২১জন মহিলা ভোটার। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নিবার্চন অফিস সূত্র জানায়, অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে বিবেচিত কেন্দ্রগুলোতে ৪৯ হাজার ৮৪১ জন জন ভোটার রয়েছে। যা মোট ভোটারের প্রায় ২২ শতাংশ। তবে ভোটারেরা যাতে নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে যেতে পারে ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে নিবার্চন কমিশন। সোমবার থেকে মাঠে নেমেছে বডার্র গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

ভোটের মাঠে থাকবে ১৪ জন ম্যাজিস্ট্রেট, মোবাইল টিম, ১ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ১১টি পুলিশ স্ট্রাইকিং টিম, ৪ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাব ফোর্স। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি রিজার্ভ ফোর্স রাখা হয়েছে।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আনোয়ারা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু জাফর ছালেহ জানান, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণের জন্য আনোয়ারায় ব্যাপক নিরাপত্তার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে বলা চলে আনোয়ারায় নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে নেওয়া হয়েছে। আশা রাখি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হবে না।

আরও খবর



অতিরিক্ত ভাড়ায় ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক পিকআপে ছুটছে মানুষ

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

প্রিয়জনের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগ করে নিতে গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অতিরিক্ত ভাড়ায় ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক, পিকআপে বাড়ি ফিরছে মানুষ।

শনিবার (১৫ জুন) সকাল থেকে গাজীপুরের চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, কোনাবাড়ি, চান্দনা চৌরাস্তা, ভবানীপুর, পল্লী বিদ্যুৎ মোড় ও মাওনা চৌরাস্তা এলাকা থেকে যাত্রীদের ট্রাক, পিকআপে যেতে দেখা যায়।

ভবানীপুর এলাকার একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী মাহমুদুল হাসান। বাসে অতিরিক্ত ভাড়া এড়াতে তিনি পিকআপে করে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে রওনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেও বাস পাইনি। বাস পেলেও তিনগুণ চারগুণ ভাড়া দাবি করছে। যা বোনাস পেয়েছি তা বাস ভাড়াতেই খরচ হয়ে যাবে। তাই যাতায়াত খরচ কমাতে পিকআপে উঠেছি।

চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ময়মনসিংহের ভাড়া ১০০ থেকে ১২০ টাকা। কিন্তু ঈদ যাত্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করছে জানিয়ে আরেক যাত্রী নাইমুল ইসলাম বলেন, ঢাকা থেকে যেসব বাস চলাচল করছে তার অধিকাংশই ফেরার পথে গাড়িভর্তি যাত্রী নিয়ে আসছে। কোনো বাস পাওয়া গেলেও দেখা যাচ্ছে সিট ছাড়াই ৪০০/৫০০ টাকা দাবি করছে। লোকাল বাসের চিত্রও একই। তাই পরিবার নিয়ে পিকআপেই রওনা দিয়েছি।

সালনা হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কোথাও কোনো সমস্যা নেই। গাড়িগুলো সুন্দরভাবে চলাচল করছে। তবে মহাসড়কের গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি, বাঘেরবাজার এলাকায় গাড়ির কিছুটা চাপ রয়েছে। যেসব ট্রাক, পিকআপ যাত্রী পরিবহন করছে আমাদের সামনে পড়া মাত্রই আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

নিউজ ট্যাগ: গাজীপুর

আরও খবর



যে কারণে বাজেটে নজর থাকবে সাধারণ মানুষের

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আয়-ব্যয়ের বিপুল ঘাটতির তোয়াক্কা না করে প্রতি বছরই বাড়ছে হুড়হুড় করে বাড়ছে বাজেটের আকার। যার প্রভাব পড়ছে দেশের সাধারণ মানুষের ওপর।

বৃহস্পতিবার (৫ জুন) ঘোষণা হবে বাংলাদেশের ৫৩তম বাজেট। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করবে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। স্বাভাবিকভাবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর বাজেটের প্রভাব পড়ে।

সম্প্রতি প্রকাশ হওয়া পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী দেশের চলতি বছরের মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়লেও মানুষের বেতন সে অনুপাতে বাড়ছে না। কিন্তু হিসাবনিকাশ বলছে নতুন বাজেটে সাধারণ মানুষের উপর আবারও বাড়তে পারে করের বোঝা। একইসঙ্গে মূল্যস্ফীতির বৃদ্ধির ফলে নতুন করে দারিদ্র্যতা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

বিবিসি বাংলার সঙ্গে আলাপকালে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আব্দুল বায়েস বলেছেন, যারা গরীব তাদের জন্য এটা কষ্টদায়ক। মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে হতদরিদ্রদের ওপর।

মূল্যস্ফীতি বাড়লেও বিপরীতে কমছে দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি। এর প্রভাব নতুন বাজেটে পড়তে পারে বলে ধারণা দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা।

আব্দুল বায়েস বলেন, অর্থনীতির এই জটিল হিসাবনিকাশ সাধারণ মানুষরা বোঝেন না। তারা বোঝেন প্রতি বার বাজেট মানেই ব্যয়ের নতুন নতুন খাত তৈরি হওয়া।

বাজেটের আগে বিবিসি বাংলার সঙ্গে আলাপকালে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মজীবী বলেন, আমাদের কাছে বাজেট মানেই এক দফায় দাম বৃদ্ধি। বাজেট আসলেই আমাদের চিন্তা করতে হয় কোন খরচ বাদ দিয়ে কোন খরচ মেটাবো।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, প্রতি বছর বাজেটের পরই জিনিসপত্রের দাম বাড়লে বেশি চাপে পড়েন খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ। আসছে বাজেটের পর নতুন করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লে নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট আরও বেড়ে যাবে।

অর্থনীতিবিদ ড. গোলাম মোয়াজ্জেম বিবিসি বাংলাকে বলেন, জনগণের প্রতিনিধিদের বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত। যে কারণে তাদের চাহিদার তেমন কোনো প্রতিফলন দেখা যায় না বাজেটে। তবে কর আরোপ, কর্মসংস্থান, করমুক্ত আয়সীমা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের মতো বিষয়গুলোর কারণে বাজেটে নজর থাকে সাধারণ মানুষের।

বিবিসি বাংলাকে ড. গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, নিত্যপণ্যের আমদানি শুল্ক কমলে বাজারে এই ধরনের পণ্যের দাম কমতে পারে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, করের শুল্ক সরকার কমালেও অনেক সময় খুচরা পর্যায়ে তার প্রভাব দেখা যায় না নানা কারণে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারের সঠিক তদারকি না থাকার কারণে বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। যে কারণে বাজেটে কম আয়ের মানুষের আয় ব্যয়ের হিসাব মেলানো কঠিন হয়ে পড়ে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

নিউজ ট্যাগ: বাজেট

আরও খবর