আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মদ-বিয়ার জব্দ

প্রকাশিত:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কক্সবাজারের টেকনাফে ৪০৩ ক্যান বিয়ার ও ১৭২ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। গত বৃহস্পতিবার রাতে নাফ নদী সংলগ্ন বরইতলী এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব জব্দ করা হয়। গতকাল শুক্রবার দুপুরে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি গণমাধ্যমে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের অধিনস্থ বিসিজি স্টেশন একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন নাফ নদী সংলগ্ন প্যারাবনের মধ্যে সন্দেহজনক কিছু ব্যক্তিকে কোস্টগার্ড সদস্য কর্তৃক নদী থেকে তাদেরকে টর্চ লাইট এবং বাঁশির মাধ্যমে থামার সংকেত দেয়া হয়। এসময় কোস্ট গার্ড সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজন ব্যাক্তিরা দ্রুত পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে কোস্টগার্ড সদস্যরা নদী সংলগ্ন প্যারাবনে অভিযান চালিয়ে ১২টি বস্তা উদ্ধার করে এবং বস্তাগুলো তল্লাশি করে ৪০৩ ক্যান আন্দামান গোল্ড বিয়ার এবং ১৭২ বোতল গ্র্যান্ড মাস্টার হুইস্কি জব্দ করেন।

এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভর হয়নি বলে জানিয়ে তিনি বলেন, জব্দকৃত বিয়ার এবং হুইস্কি পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




গাইবান্ধার ডিসিকে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন সড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

Image

অসৌজন্যমুলক আচরণের অভিযোগে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক (ডিসি) কাজী নাহিদ রসুলকে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার জেলা শহরের ডিবি রোডের নাট্য সংস্থার সামনে গাইবান্ধা সচেতন নাগরিক ও সুশীল সমাজ ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন রচিত হয়।

পরে আন্দোলনকারীরা শহরের ব্যস্ততম ডিবি রোডের গানাসাস মার্কেটের সামনে কিছু সময়ের জন্য সড়ক অবরোধ করে রাখে। তারা ব্যানার ধরে সড়কের উপর বসে দাঁড়িয়ে এই কর্মসূচি পালন করে। এ সময় উভয় পাশে কিছুক্ষণের জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। এতে আইনজীবি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন সংগঠনের দেড় শতাধিক নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র সাংবাদিক সিদ্দিক আলম দয়াল। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ওয়াকার্স পার্টির পলিট বুরোর সদস্য আমিনুল ইসলাম গোলাপ, জাতীয় শ্রমিক জোটের গাইবান্ধা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ বাবু, বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় সাধারণ সস্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন, আইনজীবী সালাউদ্দিন কাশেম, মানবাধিকার কর্মী দিবা বেগম, সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ নুরুল আলম জাহাঙ্গীর, শামীম আল সাম্য, কায়ছার প্লাবন, ওমর ফারুক রনি, বিপ্লব ইসলাম, জাভেদ হোসেন, ডিপটি প্রধান, মিলন মন্ডল, ফারহান শেখ, মানিক সাহা, রফিক খন্দার, ইমরান মাসুদ প্রমুখ।

 জেলা প্রশাসকের বদলির দাবি তুলে বক্তারা বলেন, গাইবান্ধায় যোগদানের পর থেকে জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল স্থানীয় সুশীল সমাজ, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে অসৌজন্যমুলক আচরণ করে আসছেন। নানা প্রশাসনিক কাজে তাঁর কক্ষে দেখা করতে গেলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দর্শনার্থীরা তাঁর নিয়োগকৃত এপিএস (সহকারি কমিশনার) এর কাছে স্লিপের মাধ্যমে সাক্ষাতের কারণ উল্লেখ করতে হয়।

স্লিপ পাঠিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করার পরও তাঁর সাথে স্বাক্ষাতের অনুমতি পাওয়া যায় না। সপ্তাহে একদিন গণশুনানি করা বাধ্যতামূলক। তিনি যোগদানের পর থেকে নিয়মিত গণশুনানি হচ্ছে না।

বর্তমানে জেলায় শতাধিক অবৈধ ইটভাটা চললেও অজ্ঞাত কারণে দুই-চারটি ছাড়া বেশিরভাগ ভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। জেলা প্রশাসকের আচরণের কারণে তাঁর কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারির আচরণও নেতিবাচক পরিলক্ষিত হচ্ছে। জেলা প্রশাসকের আচরণের কারণে সরকার ও জনপ্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। তাই তাঁকে বদলি করা গাইবান্ধার মানুষের কাছে সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তারা আরও বলেন, অবিলম্বে জেলা প্রশাসনককে বদলি করতে হবে। না হলে নানা কর্মসূচিসহ বৃহত্তর কর্মসুচি ঘোষণা করা হবে।

মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেও জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের নির্বাচনী তথ্য প্রদানে অসহযোগিতা করেন। এ সব ঘটনায় গতবছরের ৩১ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুলকে বদলির দাবি জানিয়ে দেশের প্রথম সারির জাতীয় পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেল, স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ার ২১ জন সাংবাদিক প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আবেদন জানান। যা প্রতিবেদন আকারে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

এ ছাড়া একই দাবিতে গত ৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী, ১১ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং জনপ্রশাসন সচিব বরাবারে মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন সংগঠনের ৪২ নেতৃবৃন্দ স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র পাঠানো হয়। বিভিন্ন সংগঠনের ৪২ নেতৃবৃন্দ স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র পাঠানো হয়। তাতে কোন কাজ হয়নি।

মানববন্ধন থেকে সাংবাদিকরা জেলা প্রশাসকের সংবাদ প্রচার না করার ঘোষণা দেন। তারা বলেন, জেলা প্রশাসকের বদলি না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

নিউজ ট্যাগ: গাইবান্ধা

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ময়মনসিংহ স্টেশনে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যাত্রী নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

Image

ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন স্টেশন এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্টেশনের ৩ নম্বর প্লাটফর্মের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম গোপাল পাল। তিনি নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। তিনি মোহনগঞ্জ থেকে ঢাকায় যাচ্ছিলেন।

রেলওয়ে থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক দীপক পাল জানান, ঢাকাগামী মহুয়া কমিউটার ট্রেনটি সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ জংশনে প্রবেশ করে। এসময় ট্রেনের যাত্রী গোপাল পাল প্রস্রাব করতে ৩ নম্বর প্লাটফর্মের বিপরীতে পরিত্যক্ত বগির পেছনে যান। ফেরার পথে তিনি ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। এসময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে গোপাল গুরুতর আহত হন।

তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সিগারেট কেনার ৫০ টাকা না দেওয়ায় বন্ধুকে হত্যা

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নোয়াখালী প্রতিনিধি

Image

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সিগারেট কেনার ৫০ টাকা না দেওয়ায় অটোরিকশা চালক বন্ধুকে ইটের আঘাতে হত্যা করার বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন আসামি।

রবিবার (২৮ জানুয়ারি) বিকালে জেলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট মো. ইকবাল হোসাইন এ জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

বেগমগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) বিজয়া সেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। 

নিহত মামুনুর রশিদ বেগমগঞ্জ উপজেলার রাজাগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাকীপুর গ্রামের বাসিন্দা। অপরদিকে আসামি সোহাগ বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ দোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

বেগমগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) বিজয়া সেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। 

তিনি বলেন, গত ২২ তারিখ থেকে অটোরিকশা চালক মামুন নিখোঁজ ছিল। গত ২৬ জানুয়ারি সকাল ১০টায় উপজেলার রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাকীপুর গ্রামের একটি সুপারি বাগান থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজগঞ্জ ইউনিয়নের মামুন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মূলত তাদের মধ্যে একবছর ধরে বন্ধুত্ব। তারা একসঙ্গে নেশা করত। হত্যাকাণ্ডের কারণ ৫০ টাকার সিগারেট ক্রয়ের টাকা না দেওয়া। মামুন গাঁজা খেতে চাওয়ায় ৫০ টাকার সিগারেট আনেন সোহাগ। কিন্তু সেই টাকা না দেওয়ায় কথা-কাটাকাটি হয় তাদের মধ্যে। একপর্যায়ে সোহাগ ইট দিয়ে মামুনের মাথায় আঘাত করেন। তারপর ইটটি পাশে থাকা পুকুরে ফেলে পালিয়ে যান।

তিনি আরও বলেন, সুরতহাল করার সময় ভুক্তভোগীর মাথার পিছনের ডান পাশে, কপালের বাম পাশে জখমের চিহ্ন দেখা যায়। মরদেহ আংশিক পঁচা, পেট ফোলা ও মুখমন্ডল বিকৃত অবস্থায় দেখা যায়। আমরা আলামত হিসেবে মাথায় আঘাত করা ইটটি পুকুর থেকে উদ্ধার করি। ঘটনাস্থলের পাশে বাগান হতে ভুক্তভোগীর পরিহিত স্যান্ডেল উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। আসামিকে চরজব্বর থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে এক পুরিয়া গাঁজা জব্দ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফরিদুল আলম, থানার এসআই (নিরস্ত্র) ফিরোজ আহমেদ ও তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) আওলাদ হোসেন রিকাবদার প্রমুখ।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পিঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারত

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

পিঁয়াজ রপ্তানি থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নেতৃত্বে মন্ত্রীদের কমিটি রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পিঁয়াজ রপ্তানির উপর আরোপিত এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে মহারাষ্ট্রের কৃষকরা। তাদের আশা এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম পাওয়া যাবে।

এই বৈঠকে মন্ত্রীদের কমিটি ৩ লাখ মেট্রিক টন পিঁয়াজ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য ৫০ হাজার টন পিঁয়াজ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং বিজেপির দিন্ডোরির (নাসিক গ্রামীণ) কেন্দ্রের সাংসদ ভারতী পাওয়ার জানান, রবিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীদের (জিওএম) একটি বৈঠক হয়, সেখানে পিঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার সম্পর্কিত বিভিন্ন শর্তাবলীর বিষয়ে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

পাওয়ার আরও জানান, রপ্তানি ফের নতুন করে শুরু হলো। সরকারের এই সিদ্ধান্ত পিঁয়াজ চাষিদের কাছে একটি বিশাল স্বস্তি দেবে এবং পাইকারি পিঁয়াজের দামের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এতে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের দাম পাওয়া যাবে।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত, রপ্তানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার অন্যতম কারণ হলো গুজরাট এবং মহারাষ্ট্রে পিঁয়াজের বিশাল মজুদ জমে যাওয়া।

মহারাষ্ট্র স্টেট অনিয়ন প্রডিউসারস ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ভারত দিঘোল বলেন, একবার রপ্তানি শুরু হলে আমরা আশা করি আন্তর্জাতিক বাজারে ভালো দাম পাওয়া যাবে।

মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস জানান, পিঁয়াজ রপ্তানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ। পিঁয়াজ উৎপাদকদের বিভিন্ন প্রশ্নের বিষয়ে আমরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলাম।

গত বছর খরা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে পিঁয়াজের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বাজারে পিঁয়াজের ঘাটতির কারণে দাম প্রায় আকাশ ছোঁয়া ছিল। গত বছরের ডিসেম্বর মাসেই প্রায় ১০০ রুপিতে বিক্রি হয়েছিল পিঁয়াজ। এই দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকে পিঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারত।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থেই বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে : কুবি উপাচার্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

নিজের বক্তব্য তিনটি দৈনিক পত্রিকায় প্রচারের অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের বিরুদ্ধে। তবে উপাচার্য বলছেন, এটা আমার নিজস্ব কোনো বক্তব্য না। আমাকে জড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানহানী করে যে বিকৃত সংবাদ পরিবেশন হয়েছিল সে অবস্থান পরিষ্কার করতেই এই ব্যাখ্যা ছাপানো হয়েছিল।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বছরের ১৩ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিক এবং একটি স্থানীয় দৈনিকে একটি সংবাদের ব্যাখ্যা ছাপানো হয়। এরপর ১৪ আগস্ট আরেকটি জাতীয় দৈনিকে একই ব্যাখ্যা ছাপানো হয়। এই ব্যাখ্যা ছাপানোর ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মোট দুই লাখ ১৩ হাজার ৮০ টাকা (ভ্যাট, ট্যাক্স সহ) খরচ করে।

এর আগে ২০২৩ সালের ৩১ জুলাই কয়েকটি দৈনিক ও অনলাইন মাধ্যমে দুর্নীতি হচ্ছে তাই বাংলাদেশে উন্নয়ন হচ্ছে : কুবি উপাচার্য শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরই প্রেক্ষিতে উপাচার্য তিনটি আঞ্চলিক ও জাতীয় দৈনিকে নিজের বক্তব্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার বিপরীতে মন্তব্য প্রচার করেন তিনি।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, এ ব্যাপারে কোন নীতিমালা নেই। উপাচার্যের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানও জড়িত। সেই জায়গা থেকে বহুল প্রচারিত দৈনিকগুলোতে সংবাদের বাখ্যা প্রচার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কোষাধক্ষ্য অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, উপাচার্য স্যার কোনো পাবলিক প্লেইসে তার বক্তব্য দেননি। বরং তিনি একটি বিভাগের অনুষ্ঠানে শুধু সেই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এই বক্তব্য দেন। ফলে তা বিকৃত করে উপস্থাপন বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করারই প্রচেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সংবাদ প্রচার করে উপাচার্য স্যারের বক্তব্য বিকৃত করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়েরই সুনাম নষ্ট করা হয়েছে। এ প্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য স্যার তার বক্তব্য উপস্থাপন করে তার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। কিছু দুষ্কৃতিকারী যে মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করেছেন, এখন আমাদেরও তো সে মাধ্যমেই আমাদের অবস্থান জানাতে হবে। সে দিক থেকে আমার মনে হয়না গণমাধ্যমে এভাবে বক্তব্য উপস্থাপন ভুল কিছু। এটা বিশ্ববিদ্যালয়েরই স্বার্থেই করা কাজ।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন জানান, শিক্ষার্থীদের এক অনুষ্ঠানে ক্রিটিক্যাল থিংকিং বিষয়ে বোঝাতে গিয়ে আমি একটি বক্তব্য দিয়েছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে আমি শিক্ষার্থীদের বলেছিলাম তারা যেন মুখস্ত বিদ্যার পরিবর্তে তাদের ক্রিটিকাল থিংকিং গড়ার প্রতি জোড় দেয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আমার বক্তব্য অনুধাবন করলেও কতিপয় সাংবাদিক; যারা বিভিন্ন সময়ে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উন্নয়নের পথে বাঁধা দিয়েছে, তারা আমার বক্তব্যকে বিকৃত ও খণ্ডিতভাবে প্রচার করে। যা জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেজ নষ্ট করেছে।

তিনি আরও বলেন, আমাকে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে জড়িয়ে এমন প্রচারণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও প্রতিবাদ করেছেন। পরে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ওই সংবাদপত্রে প্রতিবাদলিপি দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের প্রতিবাদ প্রকাশ করেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দেয়া আমার বক্তব্যেকে বিকৃত, খণ্ডিত ও মিসলিডিং করে যে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, মানুষকে সে সম্পর্কে সঠিক বক্তব্য জানানোর জন্য আমাদের বিকল্প পথ অনুসরণ করতে হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোন অপপ্রচার সম্পর্কে দেশের নাগরিকদের সঠিক তথ্য অবগত করার ক্ষেত্রে কোনও বাঁধা থাকার কথা নয়।


আরও খবর