আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

টানা তিনদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

Image

পৌষের হাড় কাঁপানো শীতে কাপছে চুয়াডাঙ্গা। অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। গত দুদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় এ জেলায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললেও নেই কোনো উত্তাপ। এতে কষ্টে আছেন খেটেখাওয়া ছিন্নমূল মানুষ। সকালে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন অনেকে।

রোববার (৮ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রকিবুল হাসান জানান, গত দুদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় এ জেলায়। আজ রোববারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়, যা ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত ছিল। এখন তাপমাত্রা কমে তা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিয়েছে। তাপমাত্রা আরও কমে গিয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকা ওয়াসা’র ‘বার্ষিক উন্নয়ন প্রতিবেদন’ হস্তান্তর করলেন এমডি

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খান।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) গণভবনে সাক্ষাতকালে ওয়াসা এমডি প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকা ওয়াসাবার্ষিক উন্নয়ন প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।

ঢাকা ওয়াসার উপ প্রধান জনতথ্য কর্মকর্তা এ এম মোস্তফা তারেক জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার চলমান কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নিকট থেকে বিস্তারিত অবহিত হন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।

জানা যায়, রাজধানীতে সবার জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিবেশ বান্ধব টেকসই ও গণমুখী পানি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সে লক্ষ্যে ঢাকা ওয়াসা গত দেড় দশকে রাজধানীবাসীর জন্য সুপেয় পানি ও পয়ঃ সেবা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় ঢাকা ওয়াসার অর্জনসমূহ এবং উত্তম চর্চাগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার অর্জন ধরে রাখার এবং উত্তম চর্চাগুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আহবান জানান বলেও জানান উপ প্রধান জনতথ্য কর্মকর্তা।


আরও খবর



ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি দুই যুবক নিহত হয়েছেন। রবিবার বিকেলে উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের কালাইরাগ সীমান্তের নাজিরেরগাঁও (১২৫২ নং পিলার) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের কালাইরাগ গ্রামের মৃত ফজর আলীর ছেলে আলী হোসেন (৩২) ও মৃত সুন্দর আলীর ছেলে কাওসার আহমদ (৩০)।

উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. ফয়জুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে আলী হোসেন ও কাওসার নামে দুজন মারা গেছেন। আরও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে নিহতের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আসাদুল ইসলাম জানান, সীমান্ত এলাকায় ২ জন নিহত হওয়ার খবর পুলিশ পেয়েছে। কিন্তু বিজিবির পক্ষ থেকে নিহতের খবর নিশ্চিত করা হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে ৪৮ বিজিবির কালাইরাগ ক্যাম্পের কমান্ডারের সরকারি মোবাইল নম্বরে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।


আরও খবর



চট্টগ্রামে নারী পাচার চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার সাম্প্রতিক সময়ের চাঞ্চল্যকর মানবপাচার মামলার সাথে সম্পৃক্ত দুইজন আসামিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৭। গ্রেপ্তারকৃত ঝুমু (৩০) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার জালিয়া পাড়া গ্রামের মো. তারেকের স্ত্রী। আর পারভিন আক্তার (২৫) বায়েজিদ বোস্তামীর বালুচড়া এলাকায় থাকেন।

শুক্রবার (২৮ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান সংস্থাটির সিনিয়র সহকারী পরিচালক শরীফ-উল আলম।

র‍্যাব জানায়, ভারতের পতিতালয়ে বিক্রি হওয়ার পর একজন ভুক্তভোগী নারী পালিয়ে আসে নিজ দেশে। তার লোমহর্ষক বর্ণনায় বেরিয়ে আসে নারী পাচার চক্রের ভয়াবহ কথা। এই চক্রে সক্রিয় দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামি ঝুমু এবং পারভিন আক্তার বায়েজিদ বোস্তামী থেকে পালিয়ে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন বালুচড়া এলাকার নতুনপাড়া সিএনজি স্টেশনে অবস্থান করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সাড়ে ৩টার দিকে তাদের আটক করেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানার নারী শ্রমিকদের সঙ্গে সখ্যতা মাধ্যমে বেশি বেতনে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে পাচার করে আসছিল। মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি মো. তারেককে গত ২৪ জুন বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আসামীদের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



নিখোঁজের ২৭দিন পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নিখোঁজের ২৭ দিন পর সাইফুল আজম ইরফান (২৯) নামে এক যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব পাহাড়ি এলাকা থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়।

সাইফুল উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের মোকামিপাড়া এলাকার আবদুল জলিলের ছেলে।

জানা যায়, গত ১১ জুন দুপুরে জোহরের নামাজ আদায় করতে বাড়ি থেকে বের হন ইরফান। পরে আর তিনি বাড়িতে ফেরেননি। তখন থেকে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। একপর্যায়ে সাইফুলের কোনো খোঁজখবর না পেয়ে বাঁশখালী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তার বাবা আবদুল জলিল। ২৭ দিন পর সোমবার বিকেলে স্থানীয়রা সাধনপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব পাহাড়ি এলাকায় ঝুলন্ত কঙ্কাল দেখতে পেয়ে পরিবারকে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে আবদুল জলিল পোশাক দেখে তা ছেলের কঙ্কাল বলে দাবি করেন।

আবদুল জলিলের দাবি, কেউ তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে।

রামদাস মুন্সির হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ তপন কুমার বাগচী বলেন, আমরা তো এক ঘণ্টা খোঁজাখুঁজি করে কোথাও লাশ বা কঙ্কাল দেখতে পাইনি। তবে ইরফানের পরিবারের একজন জানিয়েছে তাদের ছেলের কাপড়-চোপড় ও গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় একটি কঙ্কালের সন্ধান পাওয়া গেছে।

বাঁশখালী থানার ওসি তোফায়েল আহমেদ জানান, সাধনপুর পূর্ব পাহাড়ি এলাকায় এক ব্যক্তির কঙ্কাল দেখার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।


আরও খবর



এনবিআর সচিব ফয়সালের শ্বশুর-শাশুড়ির নামে ১৮ ব্যাংক হিসাব

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রথম সচিব কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের শ্বশুর ও শাশুড়ির নামে ১৮টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। এসব ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১৯ কোটি টাকা জমা এবং পরে তার বড় অংশ উত্তোলনের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)।

আদালতে জমা দেওয়া দুদকের নথি থেকে জানা যায়, ফয়সালের শ্বশুরের নাম আহম্মেদ আলী। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা। তার শাশুড়ি মমতাজ বেগম পেশায় গৃহিণী।

দুদক বলছে, শ্বশুর ও শাশুড়ির নামের ব্যাংক হিসাবে যে অর্থ লেনদেন হয়েছে, তা ফয়সালেরই অপরাধলব্ধ আয়। ফয়সাল ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ নিজের ও স্ত্রীর নামে রাখার পাশাপাশি স্বজনদের নামেও রেখেছেন।

দুদক আরও বলছে, ফয়সাল ও তার ১১ স্বজনের নামে ১৯টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ৮৭টি হিসাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করা হয়েছে। তার শ্বশুর-শাশুড়ির ব্যাংক হিসাবে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে।

দুদক আদালতে জানিয়েছে, ফয়সাল তার অপরাধলব্ধ আয় লুকানোর জন্য স্বজনদের নামে ৭০০টির মতো ব্যাংক হিসাব খুলেছিলেন। এর মধ্যে ৮৭টি ব্যাংক হিসাবে লেনদেনের সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছে দুদক।

জানা গেছে, ফয়সাল ২০০৫ সালে বিসিএস (কর) ক্যাডারে সহকারী কর কমিশনার হিসেবে যোগ দেন। বর্তমানে এনবিআরের আয়কর বিভাগের প্রথম সচিব (ট্যাক্সেস লিগ্যাল অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।

ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছর ফয়সালের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে গত বৃহস্পতিবার ফয়সাল ও তার আত্মীয়স্বজনের নামে সম্পদের বিবরণী আদালতের কাছে তুলে ধরে সংস্থাটি।

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফয়সাল ও তার স্ত্রীর নামে থাকা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে ৫ কাঠার দুটি প্লট, শ্বশুরের নামে থাকা ঢাকার রমনা এলাকায় একটি ফ্ল্যাট, খিলগাঁওয়ে শাশুড়ির নামে ১০ কাঠার প্লট জব্দ এবং ৮৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন।

দুদকের নথিতে ফয়সাল, তার স্ত্রী আফসানা জেসমিন, ফয়সালের ভাই কাজী খালিদ হাসান, শ্বশুর আহম্মেদ আলী, শাশুড়ি মমতাজ বেগম, শ্যালক আফতাব আলী, খালাশাশুড়ি মাহমুদা হাসান, মামাশ্বশুর শেখ নাসির উদ্দিন, আত্মীয় খন্দকার হাফিজুর রহমান, ফারহানা আফরোজ ও রওশন আরা খাতুনের ব্যাংক হিসাবে লেনদেনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

আদালতে জমা দেওয়া দুদকের তথ্য বলছে, ফয়সালের নামে ছয়টি ব্যাংক হিসাবে ৫ কোটি ২১ লাখ টাকা জমা হয়। ফয়সালের স্ত্রী আফসানা জেসমিনের পাঁচটি ব্যাংক হিসাবে জমা হয় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ফয়সালের শ্বশুর আহম্মেদ আলীর আটটি ব্যাংক হিসাবে জমা হয় ১১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। তার নামের আটটি ব্যাংক হিসাবের দুটি ২০০৭ ও ২০১০ সালে খোলা। বাকিগুলো খোলা হয় ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে। ফয়সালের শাশুড়ি মমতাজ বেগমের নামে ১০টি ব্যাংক হিসাবে ৭ কোটি টাকা জমা হয়। তার নামের ব্যাংক হিসাবগুলোর মধ্যে একটি ২০০৯ সালে খোলা হয়। বাকিগুলো খোলা হয়েছে ২০১৬ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে। ফয়সালের শ্যালক আফতাব আলীর ৬টি ব্যাংক হিসাবে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা জমার তথ্য পেয়েছে দুদক।

বিভিন্ন সময়ে এসব টাকা জমা হয়েছে। পরে তার বড় অংশ তুলে নেওয়া হয়েছে। জমা ও উত্তোলনের পর ফয়সাল, তার স্ত্রী, শ্বশুর ও তার স্বজনদের ১৯টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে রয়েছে প্রায় ৭ কোটি টাকা। তাদের নামে রয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র।


আরও খবর