আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনে বেপরোয়া সিগারেট কোম্পানি

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ অক্টোবর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
ফয়সাল আহম্মেদ, নওগাঁ প্রতিনিধি

Image

দেশব্যাপী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘন ও সিগারেট কোম্পানির বেপরোয়ার প্রতিবাদে নওগাঁয় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকাল ১১ টায় জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তামাক বিরোধী জোট ও রুরাল এ্যাসোসিয়েশন ফর নিউট্রিশন ইমপ্রুভমেন্ট এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তামাক বিরোধী জোট এর সদস্য ফজলুল হক খান বলেন, তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার কমিয়ে আনতে ও নতুনদের তামাক ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে ২০০৫ সালে ধূমপান ও তামাকজাত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন প্রনয়ন করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদশকে তামাকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু সিগারেট কোম্পানিগুলো তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘন করে বেপরোয়া হয়ে বিভিন্নভাবে বিজ্ঞাপন, প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে। তরুণ সমাজকে ধূমপানে আকৃষ্ট করে ব্যবসা করাই তাদের উদ্দেশ্য। তাই আগামী প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও সরকার প্রধানের প্রতিশ্ররুতি বাস্তবায়নে আইন লঙ্ঘনকারী বেপরোয়া সিগারেট কোম্পানিগুলোকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান তিনি।

এসময় তামাক বিরোধী জোট এর সদস্য আকরামুল ইসলাম, শামিমা হোসেন, মর্জিনা বেগম, মহিবুর রহমানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বেতাগীতে মরিচ চারার দামে আগুন

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ জানুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জানুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না, বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি

Image

দেশের কৃষিসমৃদ্ধ উপকূলীয় জনপদ বরগুনার বেতাগী। এই উপজেলায় চাষিদের একটি অংশ মরিচ চাষের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু এবার তারা হতাশ। কারণ, দেশীয় জাতের মরিচের চারার দাম দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়ে দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে গেছে।

বেতাগী বন্দরের চারার পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে এই চিত্র পাওয়া গেছে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, বাজারে চারার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ দাম বাড়লেও তা সাময়িক। এখন চাষিদের নাগালের বাইরে থাকলেও এক পর্যায়ে দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দাম বেড়ে প্রতি পণ (৮০টি) হিসাবে ১৬ পণ ১ কাউন (১ হাজার ২৮০টি) মরিচের চারা বতর্মানে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। বাজারভেদে তা কোথাও কোথাও আরও কম-বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। অথচ মৌসুমের শুরুতে ও আগে কাউনপ্রতি মরিচের চারা বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়।

বেতাগী বাজারে সকালের দিকে মরিচের চারা বিক্রি হয় ৩০০ টাকা দরে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চারা বিক্রি বাড়তে থাকে। তখন দামও হয় চড়া। বেলা ১১টার দিকে দাম গিয়ে ৪০০ টাকায় ঠেকে। অথচ গত বছরের এই দিনে চাষিরা পাইকারি বাজারে এ মরিচের চারা বিক্রি করেছেন প্রতি কাউন ৮০ থেকে ১০০ টাকা। আর খুচরা হিসাবে ১১০ থেকে ১২০ টাকা।

একাধিক ক্রেতার অভিযোগ, বর্তমান রবি মৌসুমের এ সময়টি মরিচ আবাদের গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ ও উপযোগী। তাই পাইকাররা যোগসাজশ করে চারার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর অজুহাত হিসেবে দেখাচ্ছেন অসময়ের বন্যা ও বৃষ্টি এবং নদী-খালেনদী-খালে পানি বলি। অথচ চারার আমদানি বেশ ভালো। বাড়তি দামে মরিচের চারা কিনতে গিয়ে অনেকেই দিশেহারা।

উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়ন বড় বাড়ি গ্রামের চাষি আব্দুল লতিফ বলেন, এ বছর কাঁচামরিচের চারার আকাশচুম্বী দাম। এত দামে কিনে পোষানো যাবে না। তাই বিকল্প হিসেবে বাদাম আবাদের চেষ্টা করছেন তিনি।

বিবিচিনি ইউনিয়নের দেশান্তরকাঠি গ্রামের হোমিও চিকিৎসক জাকির হোসেন মরিচের আবাদ করেন। তিনি এবার ১০ শতাংশ জমিতে মরিচ চাষের পরিকল্পনা নিয়ে আবাদ শুরু করেন। কিন্তু এখন হতাশ। কারণ হিসেবে তিনি জানালেন, শুরুতে ১০০ টাকা দরের চারা এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়।

বিক্রেতাদের ভাষ্য, স্থানীয়ভাবে চারার উৎপাদন কম। এ কারণে বাজারে সরবরাহ কম হওয়ায় দামও বেড়ে গেছে। চারা বিক্রেতা আজমল হোসেন বলেন, চারা উৎপাদন কমে যাওয়ায় আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। এ কারেণ স্থানীয় বাজারে চারার দাম বেশি।

প্রতি পণ (৮০টি) হিসাবে ১৬ পণে ১ কাওন (১২৮০টি) চারা বতর্মানে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায় অথচ মৌসুমের শুরুতে ও আগে কাওন প্রতি মরিচের চারা বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়

তবে চাষিরা দাবি করেন, চারা উৎপাদনের পরিমাণ যতটা কম বলা হচ্ছে, আসলে ততটা নয়। চাষি আতাহার হোসেন বলেন, এখন এক কাউন মরিচের চারার দাম ৪০০ টাকা। অথচ গত বছর একই চারা কিনেছিলেন ১০০ টাকায়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে ১০০ টাকা দরে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ এবং শুকনো মরিচ ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হলেও ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা দরে কাঁচামরিচ বিক্রি হয়। এ কারণে এখানকার চাষিরা মরিচ চাষে ঝুঁকে পড়েছেন।

বাজারে মরিচের দাম চড়া এবং কৃষি বিভাগের উদ্বুদ্ধকরণের ফলে এখানকার চাষিরা দিন দিন মরিচ আবাদে আগ্রহী হয়ে উঠছেন জানিয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানজিলা আহম্মেদ বলেন, চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ চারার দাম বাড়লেও তা সাময়িক। এখন চাষিদের নাগালের বাইরে থাকলেও এক পর্যায়ে দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।

চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৪০০ হেক্টর জমি দেশীয় উন্নত জাতের মরিচ আবাদের আওতায় আনা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: বেতাগী

আরও খবর



বহুভাষার সংস্কৃতির মেলবন্ধন শান্তির পৃথিবী গড়বে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ সকল ভাষা সংরক্ষণের প্রেরণা। আর বহুভাষার সংস্কৃতির মেলবন্ধন পৃথিবীতে শান্তি, সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার (২১শে ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে বহুভাষায় শিক্ষা: শেখা এবং প্রজন্মান্তরের শিক্ষার সোপান প্রতিপাদ্য নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে মন্ত্রী ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে শহিদ সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ সকল ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের ইতিহাস তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তখনকার তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান সেই সময় ভাষার দাবিতে আন্দোলনের কারণেই জেলে বন্দি ছিলেন। জেলখানায় বসে সহযোগীদের সঙ্গে সভা করে তিনি সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন ২১ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ দিবস পালিত হবে।

একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে জাতিসংঘে স্বীকৃত হওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ড. হাছান বলেন, কানাডা প্রবাসী দুজন বাঙালি রফিক ও সালামের উদ্যোগ এবং বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্বরিৎ সিদ্ধান্তে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাঠানোর পর ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর এক ঘোষণায় ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়। 

আরও পড়ুন>> বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী

এর মধ্য দিয়ে বাঙালির সেই আত্মত্যাগের দিনটি বিশ্বের প্রতিটি মানুষের মায়ের ভাষার অধিকার রক্ষার দিন হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে এবং মানুষ বহুভাষাকে সযত্ন ধারণের প্রেরণা পেয়েছে, বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, সামুদ্রিক বিষয় ইউনিট সচিব রিয়ার এডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম, অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব ড. মুহ. নজরুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ও বিদেশি কূটনীতিক এবং তাদের পরিবারবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পররাষ্ট্র সচিব তার বক্তৃতায় মাতৃভাষা দিবসটিকে বিভিন্ন ভাষাভাষীর সম্প্রীতির দিন হিসেবে বর্ণনা করেন। ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর মাশ্‌ফী বিন্তে শাম্‌স্ স্বাগত বক্তব্য দেন।

বহুভাষা নির্ভর এ অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা অণুবিভাগের পরিচালক সামিয়া ইসরাত রনির পরিচালনায় কর্মকর্তা-শিল্পীবৃন্দের পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া, রাশিয়া ও ফ্রান্স দূতাবাসের শিল্পীরা গান ও কবিতাসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে। আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি গানটি বাংলা, পর্তুগিজ ও আরবিতে পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

এর আগে সকালে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে এবং এরপর বিদেশি কূটনীতিকরা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে স্থাপিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে অমর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।


আরও খবর
দেশে ৩০ শতাংশ খাদ্য অপচয় হয়: কৃষিমন্ত্রী

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মিয়ানমারের মর্টারশেলে বিধ্বস্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বান্দরবান প্রতিনিধি

Image

আবারও মিয়ানমারের ছোড়া একটি মর্টারশেল নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের অভ্যন্তরে বিস্ফোরিত হয়েছে। এতে কেউ হতাহত না হলেও এক বীর মুক্তিযোদ্ধার ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের বাড়িতে এসে মর্টারশেলটি পড়ে। বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামে ছেলে মনিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মনিরুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বসতবাড়িতে একটি মর্টারশেল বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এ সময় বসতঘর ও গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রচণ্ড শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এতে কেউ আহত হননি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিজিবি সদস্যরা এসে মর্টারশেলের অংশ নমুনা হিসেবে নিয়ে যায়।

এর আগে সোমবার দুপুরে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জলপাইতলি এলাকায় তুমব্রু সীমান্তে মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টারশেলের আঘাতে বাংলাদেশিসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এতে ঘটনাস্থলেই এক রোহিঙ্গা শ্রমিক (৫৫) নিহত হন। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান হোসেন আরা। তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী বাদশা মিয়ার স্ত্রী।


আরও খবর



মুক্তির আগেই রাম চরণের সিনেমার আয় ৩৩০ কোটি টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ভারতের দক্ষিণী সিনেমার মেগাস্টার রাম চরণ। তার বড় বাজেটের আরেকটি সিনেমা গেম চেঞ্জার। ২০২১ সালের শেষ লগ্ন থেকে আলোচনায় এই সিনেমা। এতে শর্ট টেম্বার চরিত্রে অভিনয় করছেন রাম চরণ। তার বিপরীতে রয়েছেন কিয়ারা আদভানি।

এস. শংকর নির্মিত গেম চেঞ্জার চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে মুক্তির কথা রয়েছে। মুক্তির আগেই সিনেমাটির ডিজিটাল স্বত্ব মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বিক্রি হয়েছে। 

সিয়াসাত ডটকম জানিয়েছে, গেম চেঞ্জার সিনেমার ডিজিটাল স্বত্ব ২৫০ কোটি রুপিতে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৩০ কোটি ২১ লাখ টাকার বেশি) কিনে নিয়েছে জি৫। সিনেমাটির শুটিং শেষ হওয়ার আগেই মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ডিজিটাল স্বত্ব বিক্রি করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চলতি বছরের গ্রীষ্মে সিনেমাটি মুক্তির কথা রয়েছে।

টলিউড ডটনেট এক প্রতিবেদনে জানায়, এ সিনেমায় রাম চরণকে দুটি চরিত্রে দেখা যাবে। একটিতে রাম চরণকে শর্ট টেম্পার চরিত্রে দেখা যাবে। তার এই মাথা গরম স্বভাবের চরিত্রটি দেখে দর্শক মুগ্ধ হবেন। আর অন্য চরিত্রটি গ্রামের একজন রাজনৈতিকের। পরিচালক এস শংকর এ দুটো চরিত্রই নির্ভুলভাবে তৈরি করেছেন।

পলিটিক্যাল-ড্রামা ঘরানার এ সিনেমার বাজেট ৪৫০ কোটি রুপি। রাম চরণ-কিয়ারা ছাড়াও অভিনয় করছেন অঞ্জলি, জয়রাম, সুনীল, শ্রীকান্ত, নবীন চন্দ্র প্রমুখ।


আরও খবর
আজ গোয়াতে চার হাত এক হবে রাকুল-জ্যাকির!

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

জয়ার ইরান জয়

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সংসদে মারমারিতে জড়ালেন মালদ্বীপের এমপিরা

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মালদ্বীপের কয়েকজন এমপি সংসদের ভেতর মারমারিতে জড়িয়েছেন। রোববার (২৮ জানুয়ারি) প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জোর মন্ত্রীসভার সদস্যদের অনুমোদন দিতে সংসদের বিশেষ অধিবেশন বসে। সেখানেই দুজন এমপি চুল ধরে টানাটানি ও ধস্তাধস্তিতে জড়ান।

মারামারি ঘটনা ঘটে ক্ষমতাসীন জোট ও বিরোধী দলের মধ্যে। এ মারামারির কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

মালদ্বীপের অনলাইন সংবাদমাধ্যম আধাদু জানিয়েছে, এমপিরা একে-অপরকে কিল ঘুষিও মেরেছেন।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, সরকার দলের এমপিরা বিরোধী দলের এমপিদের চেম্বারে প্রবেশের বাধা দেন। বিরোধী দলের এমপিরা নতুন চার মন্ত্রীকে মন্ত্রীসভায় যোগদানের বিলে অসম্মতি জানান। এরপরই বিরোধী দল ও সরকারি দলীয় এমপিদের মধ্যে মারামারি লেগে যায়। তারা তাদের চেম্বারে আর প্রবেশ করতে দিচ্ছিলেন না।

এ ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট মুইজ্জোর জোট একটি বিবৃতি দিয়েছে। তারা বলেছে, মন্ত্রীসভার সংযোজন বিলে সম্মতি না দিয়ে সাধারণ মানুষের ইচ্ছাকে বাধাগ্রস্ত করেছে বিরোধী দলের এমপিরা। তারা স্পিকারের পদত্যাগও দাবি করেছে।

যেসব ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেগুলোতে দেখা যাচ্ছে, বিরোধী দলের এমপি ইসাকে বাধা দিচ্ছেন সরকারি জোটের এমপি আব্দুল্লাহ শাহীম। ওই সময় আব্দুল্লাহ শাহীমের চুল ধরে টানাটানি করেন ইসা। এছাড়া তাকে লাথিও মারেন তিনি।

অপর একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সরকারি দলের এমপি আব্দুল্লাহ শাহীম স্পিকারের কানের কাছে জোরে জোরে বাঁশি বাজাচ্ছেন। যেন স্পিকার সংসদের কার্যক্রম চালাতে না পারেন।


আরও খবর