আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

তালতলীতে ২০ লিটার চোলাই মদসহ আটক ২

প্রকাশিত:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | অনলাইন সংস্করণ
Image

তালতলী(বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার তালতলীতে ২০ লিটার চোলাই মদসহ এক মাদক কারবারি ও মোটরসাইকেল চালককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার(২ ডিসেম্বব) সকাল ৭টার দিকে তালতলী থানার সামনে সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটকৃতরা হলেন মাদক কারবারি মি.জয় রাখাইন (৩৫) ও মাদক বিক্রিতে সহযোগিতা করা মোটরসাইকেল চালক মো. মামুন হাওলাদার(২৪)। তারা দুইজনই উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নামিশেপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, উপজেলার নামিশেপাড়া রাখাইন পল্লীতে উৎপাদিত এ চোলাই মদ মোটরসাইকেল যোগে বিক্রির জন্য নেওয়া হচ্ছিল। এমন একটি গোপন সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি টিম থানার পশ্চিম পাশের সড়কে চেকপোস্ট বসানো হয়। পরে সকাল ৭টার দিকে মাদক কারবারি মি. জয় রাখাইন ও মোটরসাইকেল চাকল মামুনকে থামিয়ে চেক করা হয়। এ সময় তাদেরকে ২০ কেজি দেশিও চোলাই মদসহ আটক করা হয়। তাদের সাথে থাকা মাদক বহনকারী মোটরসাইকেলটিও জব্দ করে পুলিশ।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, মাদক কারবারী জয় রাখাইন দীর্ঘদিন ধরে মাদকের বিক্রী করছিল। এমন খবর পেয়ে পুলিশ দুইজনকে মদসহ আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।


আরও খবর



ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায় ব্রিটেন : ক্যামেরন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে চায় ব্রিটেন, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ফিলিস্তিনিদের একটি রাজনৈতিকক্ষেত্র দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। নভেম্বরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ার পর তিনি অঞ্চলটিতে চতুর্থবার সফর করবেন। বিবিসি মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ক্যামেরন ওয়েস্টমিনস্টারের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র কেমন হবে তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব যুক্তরাজ্যের। ফিলিস্তিনি জনগণকে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের দিকে অপরিবর্তনীয় অগ্রগতি দেখাতে হবে।

রক্ষণশীল মধ্যপ্রাচ্য কাউন্সিলকে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য জাতিসংঘসহ মিত্রদের সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে। এটি এই বিষয়টি বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করবে।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েলকে গাজায় আরও মানবিক সহায়তার অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি হাস্যকর, ব্রিটিশ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা সীমান্তে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

ডেভিড ক্যামেরন বলেন, গত ৩০ বছর ইসরায়েল তার নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। সেই ব্যর্থতা স্বীকার করলেই শান্তি ও অগ্রগতি হবে বলে তিনি দাবি করেন।

ব্রিটেন দীর্ঘদিন ধরে একটি দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানকে সমর্থন করেছে, যেখানে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিরা আলাদা দেশে পাশাপাশি থাকতে পারে। কিন্তু ক্যামেরন বলছেন, ব্রিটেন একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক ও কূটনৈতিক স্বীকৃতি দিতে পারে এবং তা চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে নয়, বরং আলোচনার সময়েই। একই সময়ে গাজা শাসন করতে সক্ষম টেকনোক্র্যাট এবং ভালো নেতাদের নিয়ে দ্রুত একটি নতুন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ গঠন করতে হবে বলেও জানান তিনি।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেছেন, এসবের সঙ্গে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ফিলিস্তিনি জনগণকে একটি রাজনৈতিকক্ষেত্র প্রদান করা, যাতে তারা দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের অপরিবর্তনীয় অগ্রগতি এবং গুরুত্বপূর্ণভাবে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা দেখতে পায়।

ক্যামেরন বলেন, সেখানে আমাদের একটি দায়িত্ব রয়েছে। কারণ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রটি কেমন হবে, এতে কী থাকবে, কিভাবে কাজ করবে এবং গুরুত্বপূর্ণভাবে জাতিসংঘসহ মিত্রদের সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা শুরু করা উচিত।

তিনি বলেন, এ ছাড়া একটি দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলের সব জিম্মিকে মুক্তি দিতে হবে, নিশ্চয়তা দিতে হবে যে হামাস ইসরায়েলের ওপর আক্রমণ চালাবে না এবং গোষ্ঠীটির নেতারা গাজা ছেড়ে চলে যাবে। এমন চুক্তি কঠিন হলেও অসম্ভব নয়।

গাজায় যুদ্ধের অবসানের চলমান প্রচেষ্টার বিষয়ে ক্যামেরন বলেন, যুদ্ধে একটি বিরতি এখন প্রয়োজন এবং আলোচনার বিষয়ে আশাজনক লক্ষণ রয়েছে। এমন একটি পথ আছে, যা আমরা এখন উন্মুক্ত দেখতে পাচ্ছি, যেখানে আমরা সত্যিই অগ্রগতি করতে পারি। শুধু সংঘাতের অবসান ঘটাতে নয়, বরং এমন একটি রাজনৈতিক সমাধান খোঁজার ক্ষেত্রে অগ্রগতি রয়েছে, যা কয়েক মাসের জন্য শান্তির পরিবর্তে বছরের পর বছর শান্তি আনতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আসল চ্যালেঞ্জ হবে যুদ্ধে ফিরে না গিয়ে সেই বিরতিটিকে একটি টেকসই যুদ্ধবিরতিতে পরিণত করা। যদিও এটি অবিশ্বাস্যভাবে কঠিন, যদিও অতীতে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তবে আমরা হাল ছেড়ে দিতে পারি না। গত ৩০ বছরে আমরা শুধু ব্যর্থতা দেখেছি। এটি ইসরায়েলের জন্য ব্যর্থতার গল্প। কারণ তাদের একটি ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি ছিল, তাদের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে, তারা প্রতিরক্ষা ও সুরক্ষায় বিনিয়োগ করেছিল। কিন্তু তারা একটি রাষ্ট্র দিতে পারেনি। প্রতিটি পরিবার নিরাপত্তা চায়। গত ৩০ বছর তারা ব্যর্থ হয়েছে।


আরও খবর
সাত দশক পর পাকিস্তানে প্রথম নারী মুখ্যমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাশিয়াকে ‘জুলফিকার’ ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে ইরান

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভালোবাসা দিবসে সেন্টমার্টিনে গিয়ে যে আট কাজ করতে ভুলবেন না

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ভ্রমণ ডেস্ক

Image

বছরের এই সময়ে সমুদ্র অনেকটাই থাকে শান্ত। সূর্যের মিষ্টি আলো দিনভর আনন্দ দেয়। সৈকতের ধারে মৃদু ঠাণ্ডার রাতগুলো দেয় অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। সবমিলিয়ে এ সময়টাতে সেন্টমার্টিন নিঃসন্দেহে আদর্শ গন্তব্য। প্রবাল এবং সুন্দর বালুকাময় সমুদ্রসৈকত, তাজা নীল জলরাশির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য অবাক করে দেবে ভ্রমণপিপাসুদের।

বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিন রুটে সাধারণত সরকারি অনুমোদন নিয়ে জাহাজ পরিচালনা করা হয়। এই সময়ে কক্সবাজার থেকে জাহাজে করে সেন্টমার্টিন যেতে পারেন। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘর্ষের কারণে টেকনাফ রুটটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এই মৌসুমে অনেক লোক সেন্টমার্টিন-এ ভ্রমণ করে তাই সম্ভাবনা বেশি যে আপনি আপনার পছন্দসই হোটেল পেতে সমস্যার সম্মুখীন হবেন। ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে হোটেল-রিসোর্টগুলো আগে থেকেই বুকিং করে রাখা ভালো।

সেন্টমার্টিনে জাহাজ থেকে নেমেই আপনি ছোট বাজারের মধ্য দিয়ে একটি দীর্ঘ হাঁটা পথ দেখতে পাবেন। কিছুটা এগিয়ে গেলেই গভীর নীল সমুদ্রের সাক্ষী হবেন। সাগরের বাতাস স্পর্শ করলেই আপনার সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে। সেন্টমার্টিনে থাকাকালীন অনেক কিছুই আছে, যা উপভোগ্য। আপনার ভ্রমণকে করবে মোহনীয়। এসব উপভোগের সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত না। সেই বিষয়গুলোই এই লেখায় তুলে ধরছি।

১. সাইকেল নিয়ে সমুদ্র সৈকতে ঘোরাঘুরি : সেন্টমার্টিনের সকালটা থাকে খুব মনোরম। সকালের দৃশ্য উপভোগের সময় সমুদ্র সৈকতে সাইকেল চালাতে পারেন। বাজার এলাকা থেকে প্রতি ঘণ্টায় সাইকেল ভাড়া নিতে পারেন। খেয়াল রাখবেন, সাইকেল নেওয়ার সময় সাইকেল মালিক সময়টা সঠিক লিখেছেন কি-না। সাধারণত প্রতি ঘণ্টা ভাড়া আনুমানিক ৬০-১০০ টাকা পর্যন্ত হয়। রাইড শেষ করার পরে সাইকেলটি দোকানে ফেরত দিতে ভুলবেন না।

২. বার বি কিউ পার্টি : সেন্টমার্টিনে থাকাকালীন সন্ধ্যেটা উপভোগ্য করে তুলতে চাইলে বার বি কিউ পার্টি হতে পারে অন্যরকম সুন্দর। দ্বীপটি রেস্টুরেন্ট দিয়ে ঘেরা। এসব খাবারের দোকান থেকে সামুদ্রিক মাছ কিনে নিতে পারেন। ওয়াটার পমফ্রেট, টুনা, স্যামন, গলদা চিংড়ি, কাঁকড়া এবং আরও অনেক ধরনের মাছ রয়েছে। যেটা আপনার পছন্দ হয়, কিনে নিতে পারবেন।

৩. ভ্যানে ঘোরা : দ্বীপটি এতই ছোট যে সেখানে খুব কম পরিবহনের বিকল্প পাওয়া যায়। এক গন্তব্য থেকে অন্য গন্তব্যে যেতে স্থানীয়রা বেশিরভাগই হাঁটা পছন্দ করেন। তবে হাঁটতে ভালো না লাগলে আপনি ভ্যান ভাড়া করতে পারেন। চার থেকে পাঁচজন ভ্যানে চড়ে দ্বীপের চারপাশটা দেখে আসতে পারেন।

৪. রোমাঞ্চকর চাঁদের আলো উপভোগ : আপনার সফরের তারিখগুলো যদি জ্যোৎস্নার সঙ্গে মেলে, তাহলে আপনি চাঁদের আলোর নিচে সবচেয়ে মোহনীয় অভিজ্ঞতা পেতে পারেন। চাঁদের আলো সবকিছুকে আরও একটু জীবন্ত করে তোলে। সেন্টমার্টিনে পূর্ণিমার সৌন্দর্য এমন একটি বিষয়, যা আপনি সেখানে পর্যবেক্ষণ করতে না যাওয়া পর্যন্ত বুঝতে পারবেন না।

৫. সমুদ্র সৈকতে একটি রাত : যদি আপনি চাঁদনী রাতের অভিজ্ঞতার সুযোগটি হাতছাড়া করেন, সৈকতের পাশে একটি রাত- আপনার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সেন্টমার্টিনে বিদ্যুৎ না থাকায়, নারকেল গাছের মৃদু আওয়াজসহ রাতগুলো আপনাকে শান্তি দেবে ভীষণ। সমুদ্রের শান্ত শব্দ পুরো সফরটিকে সার্থক করে তুলতে যথেষ্ট।

৬. সূর্যোদয় বা সূর্যাস্ত : সেন্ট মার্টিন দ্বীপে, আপনাকে অবশ্যই সকালে উঠতে হবে। প্রতিদিন সূর্যোদয় দেখাটা বাধ্যতামূলক। সূর্যোদয়ের সময় সকালের তাজা বাতাস বুক ভরে নিলে ঘুমের জন্য অনুশোচনা থাকবে না। অন্যদিকে, সূর্যাস্তও একইভাবে আকর্ষণীয়। সৈকতে দুর্দান্ত সব ছবি তোলার জন্য এটি উপযুক্ত সময়। এ সময়টাতে আকাশ রঙ পরিবর্তন করে এবং সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ।

৭. শুটকির জন্য যুদ্ধ : শুটকি মাছ উপকূলীয় মানুষের মধ্যে খুব জনপ্রিয়। স্থানীয় দোকানদাররা পর্যটকদের কাছে বেশি দাম দাবি করে। তাই স্বস্তায় পেতে কেনাকাটা করার সময় দর কষাকষি করতে ভুলবেন না।

৮. ছেড়াদ্বীপ : ছেড়াদ্বীপ, দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য। জোয়ারের সময় সেন্টমার্টিন থেকে এটি বিচ্ছিন্ন থাকে। ভাটার সময়, প্রায় দেড় ঘন্টা হেঁটে সেখানে যাওয়া সম্ভব। তবে নৌকা এবং মোটরবোটেও সেখানে যেতে পারবেন। সেজন্য বাজারেই ঘাঁটে নৌকার মালিকদের কাছ থেকে ভাড়া ঠিক করে নিতে হবে।


আরও খবর
সময় এখন ক্যাম্পিংয়ের

বুধবার ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ফি কমাল চীন

শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩




অনুমতি ছাড়া বিদেশ যেতে পারবেন না ড. ইউনূস : হাইকোর্ট

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

হাইকোর্টের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যেতে পারবেন না ড. ইউনূস। তাকে বিদেশ যেতে হলে আদালতকে জানাতে হবে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) হাইকোর্ট এ নির্দেশ দেন।

এদিকে ড. ইউনূসের ৬ মাসের সাজা স্থগিত কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।  বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

এর আগে রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাজা স্থগিত করে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে ৬ মাস সাজা স্থগিতের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর। বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদন করা হয়।

এছাড়া আদালতের অনুমতি ছাড়া যাতে বিদেশ যেতে না পারেন এবং শ্রম আপিল আদালতে ড. ইউনূসের মামলা ৬ মাসে নিষ্পত্তি যেন হয় হাইকোর্টে এমন আবেদনও করা হয়।

গত ২৮ জানুয়ারি শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় চ্যালেঞ্জ করে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনকে জামিন দেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন আদালত। সেদিন শ্রম আদালতের দেয়া সাজাও স্থগিত করেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে জামিন চেয়েছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলার রায়ে ৬ মাসের সাজার বিরুদ্ধে ২৫টি যুক্তি দেখিয়ে খালাস চেয়ে আপিলও করেছিলেন। ওইদিন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আপিল করেন ড. ইউনূস।


আরও খবর



বাংলাদেশে বছরে খাদ্য অপচয় ১ কোটি ৬ লাখ টন

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সারা দুনিয়াতে প্রতি বছর যত খাবার উৎপাদন হয় তার একটি বড় অংশ মাঠ থেকে আর খাবার টেবিল পর্যন্ত পৌঁছায় না। বাংলাদেশেও প্রতি বছর যত খাবার উৎপাদন হয়, তার একটি বড় অংশ যায় ডাস্টবিনে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) জানিয়েছে, বাংলাদেশে ফসলের মাঠ থেকে ভোক্তার পেটে যেতে খাদ্যশস্যের ২৫ শতাংশই অপচয় হয়। পরিমাণে যা বছরে ১ কোটি ৬ লাখ টন। সম্প্রতি এমন তথ্য দিয়েছে সংস্থাটি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অব্যবস্থাপনা আর অসচেতনতার কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অপচয় রোধ করা গেলে তা দিয়ে ১ কোটি মানুষের ১ বছরের খাদ্যের জোগান দেয়া সম্ভব বলে মনে করেন তারা।

রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাঠে ফসল ফলান কৃষকরা। বেশ কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে তা যায় ভোক্তাদের পেটে। এসময়ে ২৫ শতাংশই অখাদ্যে পরিণত হয়। এ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব কোটি মানুষের চাহিদা।

এফএও’র হিসাবে, ফসল সংগ্রহ, পরিবহন এবং ভোক্তা পর্যন্ত যেতে বার্ষিক নষ্ট হয় ১ কোটি ৬ লাখ টন। বিষয়টি নিয়ে পুষ্টিবিজ্ঞানী ড. মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, অসচেতনতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে এত খাদ্য অপচয় হয়। বাসাবাড়ি, অফিস, স্কুল কলেজে খাদ্যের একটা অংশ নষ্ট হয়। পরিবহনকালে অপচয় হয়। সুপারমার্কেট, কিচেন মার্কেটে নষ্ট হয়। প্রায় প্রত্যেক ধাপেই খাদ্যের অপচয় ঘটে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, অপচয় রোধে একটা বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা দরকার। শুধু শহরেই নয়, গ্রামেও বিপুল পরিমাণ খাবার অপচয় হয়। অবশ্য গ্রামাঞ্চলে নষ্ট খাদ্য গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি খেয়ে ফেলে। তবে শহরাঞ্চলের নষ্ট খাবার পুরোটাই চলে যায় ডাস্টবিনে। সেটা কোনো কাজেই লাগে না। কাজেই এক্ষেত্রে আমাদের খুব সচেতন হতে হবে।


আরও খবর
দেশে ৩০ শতাংশ খাদ্য অপচয় হয়: কৃষিমন্ত্রী

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দেশের উন্নয়নে চীনের আরও সহযোগিতার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশের উন্নয়ন মসৃণ করতে চীনের কাছে আরও সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) গণভবনে সরকার প্রধানের সঙ্গে দেখা করেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের ভাইস মিনিস্টার সান হাইয়ান। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচরাইটার এম. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।

সান হাইয়ান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে তার দেশের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিংয়ের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের সংগ্রাম এবং বাংলাদেশি জনগণের প্রতি ভালোবাসা ও মমতার কারণে শেখ হাসিনা পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে শি জিংপিং নিশ্চিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী কন্যা সায়মা ওয়াজেদ বিশ্বব্যাপী অটিজম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করবে বলেও আশা করেন।

চীনের এ উপমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং দেশকে সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশে রূপান্তরিত করার কাজ দ্রুত গতিতে চলবে। চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন তিনি। একইসঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারেও গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় সান হাইয়ানকে বাংলাদেশের 'প্রকৃত পরিবর্তন' দেখতে গ্রামীণ এলাকা ঘুরে দেখার পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে এবং দেশবাসীকে উন্নত জীবন দিয়ে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের এখনই সময়।


আরও খবর
দেশে ৩০ শতাংশ খাদ্য অপচয় হয়: কৃষিমন্ত্রী

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪