আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

টাইম ম্যাগাজিনের বর্ষসেরা অ্যাথলেট মেসি

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

টাইম ম্যাগাজিনের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হয়েছেন লিওনেল মেসি। মঙ্গলবার রাতে সাময়িকীটি তাদের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হিসেবে মেসির নাম ঘোষণা করে।

মূলত পিএসজি ছেড়ে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর তিনি যে প্রভাব সৃষ্টি করেছেন সে কারণেই তাকে বর্ষসেরা নির্বাচন করা হয়েছে।

২০২৩ সালের জুলাইতে মেসি মায়ামিতে যোগ দিয়ে বদলে দেন ক্লাবটিকে। তার আগমনে উজ্জীবিত হয়ে তারা প্রথম শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়ে।

যেদিন তার অভিষেক হয় সেদিন অ্যাপল নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ১ লাখ ১০ হাজার সাবস্ক্রাইবার পায়। শতকরা হিসেবে যেটার বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ১৭০০%। সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, মেক্সিকো ও ইউরোপেও বৃদ্ধি পায়।

আর্জেন্টাইন অধিনায়কের আগমনে এমএলএসর আলোড়ন তৈরি হয়। তাতে করে যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল খেলার প্রতি আলাদা আগ্রহ ও উদ্দীপনা তৈরি হয়।

লিওনেল মেসির আগে ২০২২ সালে বেসবল খেলোয়াড় অ্যারন জাজ, ২০২১ সালে জিমন্যাস্ট সিমন বাইলস ও ২০২০ সালে বাস্কেটবল খেলোয়াড় লেব্রন জেমস হয়েছিলেন টাইমসের বর্ষসেরা খেলোয়াড়।


আরও খবর



সীমান্তে মিললো আরও একটি অবিস্ফোরিত মর্টার শেল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বান্দরবান প্রতিনিধি

Image

মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা তুমব্রু বাজারের পার্শবর্তী রাস্তার কাছে আরও একটি অবিস্ফোরিত মর্টারের গোলা পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপরে অবিস্ফোরিত গোলাটি পথচারীরা দেখতে পেয়ে বিজিবিকে খবর দেয়। বর্তমানে ওই স্থানে জনসাধারণ ও যান চলাচল সীমিত করেছে বিজিবি সদস্যরা।

অপরদিকে, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তের নোয়াপাড়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্বার করা অবিস্ফোরিত মর্টারের গোলাটি নিষ্ক্রিয় করেছেন সেনা বোমা বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা। আজ সকালের দিকে রামু সেনানিবাস থেকে আসা সেনা বোমা বিশেষজ্ঞ দল মর্টারের গোলাটি ধ্বংস করে নোয়াপাড়া এলাকায়।

স্থানীয় পথচারী সাইফুল ইসলাম জানান, বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার পথে অবিস্ফোরিত মর্টারের গোলাটি দেখতে পাওয়া যায়। বর্তমানে সীমান্তের পরিস্থিতি মোটামোটি শান্ত অবস্থায় রয়েছে। তবে মাঝে-মধ্যে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ এলাকায় কিছু কিছু গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহাংগীর আজিজ জানান, সীমান্ত পরিস্থিতি মোটামোটি শান্ত। তবে বিভিন্ন জায়গায় পরিত্যক্ত অবিস্ফোরিত গোলা পড়ে থাকায় শংকিত রয়েছে জনগণ। তাছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক মনে হচ্ছে। গত ২ দিন ধরে আশ্রয়কেন্দ্রের আশ্রিত স্থানীয়রা নিজ বসতঘরে ফিরেছে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ধামরাইয়ে ধনিয়া ফুল থেকে মৌমাছির মধু সংগ্রহ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
ধামরাই প্রতিনিধি

Image

মৌমাছি মৌমাছি ,কোথা যাও নাচি নাচি, দাঁড়াও না একবার ভাই,ওই ফুল ফোটে বনে,যাই মধু আহরণে, দাঁড়াবার সময় তো নাই। নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের এই কবিতার মত ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের দেউলি গ্রামে মৌমাছিরা এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ধনিয়া ক্ষেতের ধনিয়া ফুল থেকে মধু আহরণে।

ধনিয়া ক্ষেতের সুগন্ধি ও ফুলের অপরূপ দৃশ্য যেন মনমুগ্ধকর । এই সুযোগে ফসলের জমির পাশে পোষা মৌমাছির বাক্স নিয়ে হাজির হয়েছেন মৌয়ালরা। ওই সব বাক্স থেকে হাজার হাজার মৌমাছি উড়ে গিয়ে মধু সংগ্রহে ঘুরে বেড়াচ্ছে সরিষা ফুলের মাঠে।

ধনিয়া ফুলের মধুর বৈশিষ্ট এটা সংগ্রহের পর দেখতে সাদা পানির কালার মত দেখায়, এটা সংগ্রহ করা হয় সাধারণত জানুয়ারী মাসের শেষে থেকে ফেব্রুয়ারী মাস জুড়ে তবে সময়ের কম বেশি হতে পারে। এই মধুটি অন্যান্য মধুর মত কালার ও স্বাদের পরিবর্তন হয় দীর্ঘ সময় পার হওয়া পর। ধনিয়া ফুলের মধুর প্রধান বৈশিষ্ট এটা সরিষা ফুলের মত জমে বা বসে যায়। এই মধুটি আমাদের দেশে উৎপাদন পরিমান খুবই সীমিত।

চাষীরা সাধারণত পছন্দের একটি ধনিয়া ক্ষেতের পাশে খোলা জায়গায় চাক ভরা বাক্স ফেলে রাখেন। একেকটি বাক্সে মোম দিয়ে তৈরি ছয় থেকে সাতটি মৌচাকের ফ্রেম রাখা হয়। আর তার ভেতর রাখা হয় একটি রাণী মৌমাছি। রাণী মৌমাছির কারণে ওই বাক্সে মৌমাছিরা আসতে থাকে। মৌমাছিরা ফুল থেকে মধু এনে বাক্সের ভেতরের চাকে জমা করে। আর এই চাক থেকেই মধু সংগ্রহ করেন মৌচাষীরা। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মৌ-চাষিরা এসব মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ করেন। মৌ চাষের মাধ্যমে চাষীরা একদিকে যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, অন্যদিকে দূর হচ্ছে বেকারত্ব।

ময়মনসিংহ থেকে আসা মৌ-চাষী জিহাদ বলেন, ধনিয়া ক্ষেতের পাশে মধু সংগ্রহের জন্য ২৬টি বাক্স বসানো হয়েছে।ওইসব বাক্স থেকে হাজার হাজার মৌমাছি উড়ে গিয়ে মধু সংগ্রহে ঘুরে বেড়াচ্ছে ধনিয়া ফুলের ক্ষেতে । তবে আবহাওয়া কিছুটা খারাপ হওয়ার কারণে মধু কম সংগ্রহ হয়েছে।

ধামরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আরিফুর রহমান জানান, ধনিয়া ক্ষেতের পাশে মৌমাছির চাষ হলে ফলন বেড়ে যায় ফলনও ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বাক্স পদ্ধতি ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভাবে এসব মধু সংগ্রহ করা হচ্ছে। এতে মৌমাছি ব্যবসায়ীরা যেমন একদিকে মধু বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, অন্যদিকে ক্ষেতে মধু চাষ করায় ফলনও বাড়ছে।

নিউজ ট্যাগ: মৌমাছি

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইজতেমায় অংশ নিতে আসা দুই মুসল্লির মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমা শুরু হচ্ছে আগামীকাল শুক্রবার। এরই মধ্যে মুসল্লিদের আগমনে মাঠ পূর্ণ হয়ে গেছে। আগতদের মধ্যে দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে ইজতেমা মাঠে।

বুধবার সন্ধ্যায় ও মধ্যরাতে ইজতেমা ময়দানে ওই ২ মুসল্লির মৃত্যু হয়। তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের লাশের জিম্মাদার প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন।

মো. জামান (৪০) ও ইউনুছ মিয়া (৬০) নামে ২ মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। মো. জামান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সদরের চৌহরদিটোলা গ্রামের বাসিন্দা সাইফুল ইসলামের ছেলে। অপরজন ইউনুছ মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে আসছিলেন।

মো. জামানের সঙ্গে থাকা মুসল্লি জনি বলেন, মাগরিবের নামাজের পর খেদমতের (রান্নার) কাজ করছিলেন জামান। কিছুক্ষণ পর তাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে মুসল্লিরা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই মুসল্লিকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ফারহানা তাসনিম বলেন, মৃত অবস্থায় ওই মুসল্লিকে (জামানকে) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

অপরদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গাজীপুরের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে আসার পথে ইউনুছ মিয়া (৬০) নামে এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাত আড়াইটার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




‘সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ-মাদকের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে চাই’

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের ১৭ কোটি মানুষের দেশ। কাজেই এই মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা, আর্থ সামাজিক উন্নতি করা এবং তাদের নিরাপত্তা বিধান করা, এটাই আমাদের কাজ। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক এর হাত থেকে আমরা দেশকে রক্ষা করতে চাই। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান সব সময় অব্যাহত থাকবে।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সফিপুর আনসার একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ৪৪তম জাতীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত স্মার্ট সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ করব। নিরাপদ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব সহনীয় সমৃদ্ধশালী ব-দ্বীপ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে শতবর্ষ মেয়াদি ডেল্টা প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ যেন সুরক্ষিত থাকে, উন্নত জীবন পায় এবং প্রত্যেকে যেন নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে সেজন্য আমরা কাজ করছি। বিশেষ করে আমাদের তরুণ সমাজ, তারাই হবে আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট নাগরিক।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রাম পর্যায়ে মানুষের কর্মসংস্থানে, গ্রামভিত্তিক আপনারা আরও দক্ষতার সঙ্গে মানুষকে সম্পৃক্ত করে কাজ করে যাবেন। যা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রেখে যাবে।

অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম আমিনুল হক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম উদ্দিন, আনসার ও ভিডিপি একাডেমির কমান্ড্যান্ট মো. নূরুল হাসান ফরিদী, বাহিনীর উপ-মহাপরিচালক।

প্রতিবছর ১২ ফেব্রুয়ারি আনসার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমিতে জাতীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এ উপলক্ষ্যে আনসার ভিডিপি একাডেমিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



চিনির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রমজানের আগে সরকারি চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)। এর কয়েক ঘণ্টা পরই চিনির দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল শিল্প মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, রমজান মাস ও জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে চিনির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে সরকার। ফলে পূর্বের নির্ধারিত কেজি প্রতি সর্বোচ্চ খুচড়া মূল্য ১৪০ টাকা বহাল রইলো।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা আজ রাতে এ তথ্য জানান।

এর আগে আজ সকালে খুচড়া পর্যায়ে প্যাকেটজাত চিনি কেজি প্রতি ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৬০ টাকা কেজি নির্ধারণ করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন নোটিশ জারি করে।

বিএসএফআইসির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে করপোরেশনের ৫০ কেজি বস্তাজাত চিনির মিলগেট বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা (এক কেজি) ও ডিলার পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ১৫৭ টাকা (এক কেজি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া করপোরেশনের এক কেজি প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট বা করপোরেট সুপারশপ বিক্রয়মূল্য ১৫৫ টাকা। পাশাপাশি বিভিন্ন সুপারশপ, চিনি শিল্প ভবনের বেজমেন্টে ও বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৬০ টাকা।

প্রসঙ্গত, সবশেষ প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনির দাম ১৪০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিএসএফআইসি।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪