আজঃ শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪
শিরোনাম

স্বরূপকাঠিতে ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথগ্রহণ

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
হযরত আলী হিরু, স্বরূপকাঠি

Image

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে নির্বাচিত ১০ টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নব নির্বাচিত ১০জন চেয়ারম্যানকে শপথ বাক্য পাঠ করান পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন। আর ৯০ জন সাধারণ সদস্য ও ৩০ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্যদের শপথ পড়ান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোশারেফ হোসেন।

উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন নব নির্বাচিতদের সরকারি বিধি-বিধান মেনে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির উর্দ্ধে উঠে সততা ও নিষ্ঠার সাথে জনকল্যাণে কাজ করার নির্দেশনা দেন।

ইউএনও মো. মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো জাহিদ হোসেনের সঞ্চালনে সংক্ষিপ্ত এ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হক, পৌর মেয়র গোলাম কবির, ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো.আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট এস এম ফুয়াদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রনি দত্ত, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার কাজী মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রেসক্লাব সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম ও  নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো.আল আমিন প্রমুখ।

উল্লেখ্য, প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বরূপকাঠি উপজেলায় বলদিয়া ইউনিয়নে মো. সাইদুর রহমান, সোহাগদল ইউনিয়নে মো. আব্দুর রশিদ, স্বরূপকাঠি ইউনিয়নে মো. আল আমিন, আটঘর কুড়িয়ানা ইউনিয়নে মিঠুন হালদার, জলাবাড়ি ইউনিয়নে মো. তৌহিদুল ইসলাম, দৈহারী ইউনিয়নে মো. জাহারুল ইসলাম, গুয়ারেখা ইউনিয়নে মো. আব্দুর রব সিকদার, সমুদয়কাঠি ইউনিয়নে মো. হুমায়ুন কবির, সুটিয়াকাঠি ইউনিয়নে মো. রুহুল আমিন অসীম ও সারেংকাঠি ইউনিয়নে মো. নজরুল ইসলাম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




কৈলাশটিলায় ফের এলপি গ্যাস উৎপাদন শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতায় কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টে পুনরায় উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পেট্রোবাংলা এ তথ্য জানিয়েছে।

পেট্রোবাংলা জানায়, পেট্রোবাংলার মালিকানাধীন সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতায় পরিচালিত কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডের অপরিশোধিত গ্যাস, এলপিজির কাঁচামাল এনজিএল (ন্যাচারাল গ্যাস লিকুইড) সমৃদ্ধ। ১৯৯৫ সালে এই ফিল্ড থেকে উৎপাদিত গ্যাস থেকে এনজিএল আহরণের জন্য দেশের একমাত্র মলিকুলার সীভ টার্বো-এক্সপান্ডার (এমএসটিই) প্রসেস প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়।

ওই প্ল্যান্টে উৎপাদিত এনজিএল পেট্রোবাংলার অপর কোম্পানি রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টে ফ্র্যাকশনেশন করে এলপিজি ও পেট্রোল (অকটেন নম্বর ৮১) উৎপাদন করা হতো এবং বিপিসির মাধ্যমে বাজারজাত করা হতো।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিএসটিআই কর্তৃক বাজারজাত পেট্রোলের অকটেন নম্বর ৮৯ নির্ধারণ করায় এবং বিপিসি কর্তৃক এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোল উত্তোলন না করায় প্ল্যান্টটি বন্ধ রাখতে হয়। আরপিজিসিএল কর্তৃক বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেও পেট্রোলের অকটেন নম্বর বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়নি।

এলপিজি প্ল্যান্ট না চালানোর কারণে এমএসটিই প্ল্যান্টটি ভিন্ন মোডে পরিচালনা করে এনজিএল-এর পরিবর্তে কনডেনসেট উৎপাদন করতে হতো। এজন্য এলপিজির উপাদানগুলো ফ্লেয়ার করতে হতো। ফলে একদিকে যেমন প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় হতো তেমনি অন্যদিকে পরিবেশের ক্ষতি হতো।

গত ৩০ মে কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টটি এসজিএফএলের নিকট হস্তান্তর করা হয়। প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ শেষে এসজিএফএল কর্তৃক ২ জুন এলপিজি প্লান্টটি চালু করা সম্ভব হয়। এই প্ল্যান্টে উৎপাদিত এলপিজি কৈলাশটিলায় অবস্থিত বিপিসির একটি প্রতিষ্ঠান এলপি গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের বটলিং প্লান্টে সরবরাহ করা হবে।

মৌলভীবাজার জেলার বাহুবল উপজেলার রশিদপুরে এসজিএফএলেএর দুটি কনডেনসেট ফ্র্যাকশনেশন প্ল্যান্ট এবং একটি অকটেন উৎপাদনকারী ক্যাটালাইটিক রিফরমিং ইউনিট (সিআরইউ) রয়েছে। এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোল (অকটেন নম্বর ৮১)-কে এসজিএফএল-এর ফ্র্যাকশনেশন প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোলের সঙ্গে মিশ্রণ করে অতঃপর সিআরইউ-এর মাধ্যমে অকটেন নম্বর বৃদ্ধি করে বিপিসির মাধ্যমে বাজারজাত করা হবে।

এতে এলপিজি উৎপাদন যেমন নিশ্চিত হবে তেমনি কৈলাশটিলা এমএসটিই প্ল্যান্ট স্বাভাবিকভাবে চালানোর ফলে প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় ও পরিবেশের ক্ষতি রোধ হবে। এছাড়া প্রতি বছর এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত ৪০০০ মেট্রিক টন এলপিজি দেশের জ্বালানি খাতে যোগ হবে বলেও জানানো হয়।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




বেনজীর দেশত্যাগ করেছে কি না জানে না দুদক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবার দেশত্যাগ করেছে কি না সে বিষয়ে দুদকের কাছে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক। দুদকের তলবে হাজির না হতে পারলে বেনজীর ও তার পরিবার ১৫ দিন সময় চাইতে পারেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৪ জুন) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।

বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা দেশে রয়েছেন কি না জানতে চাইলে কমিশনার বলেন, দেশে আছে নাকি বিদেশে গেছেন এ সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য আমাদের কাছে নেই।

তলবের বিষয়ে জানতে চাইলে জহুরুল হক বলেন, দুদক কাউকে নোটিশ করলে তিনি আসতে বাধ্য কি না, সেটা আইনে সুস্পষ্ট বলা নেই। না এলে ধরে নিতে হবে তার কোনো বক্তব্য নেই। তবে তার সুযোগ আছে সময় চাওয়ার। সময় চাইলে দুদক ১৫ দিন সময় দিতে পারবে। এই এখতিয়ার কমিশনের রয়েছে।

দুদক কমিশনার আরও বলেন, সময় দেওয়ার পরও যদি তিনি দুদকে না আসেন তাহলে ধরে নিতে হবে তার কোনো বক্তব্য নেই। তখন নথিপত্র দেখে যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয় হবে, না হলে নয়।

অনুসন্ধানের স্বার্থে যা যা করণীয় সবই করা হচ্ছে উল্লেখ করে জহুরুল হক বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতেও বিচার হবে, এতে কোনো বাধা নেই।

গত ৩১ মার্চ বেনজীরের ঘরে আলাদীনের চেরাগ এবং ৩ এপ্রিল বনের জমিতে বেনজীরের রিসোর্ট শিরোনামে একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠে আসে। অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে বেনজীর আহমেদকে ৬ জুন এবং তার স্ত্রী জীশান মীর্জা ও দুই মেয়েকে ৯ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের আইজি ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র‌্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র‌্যাব এবং র‌্যাবের সাবেক ও বর্তমান যে সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দেয়, তাদের মধ্যে বেনজীরও ছিলেন বলে জানা গেছে।


আরও খবর



রুমায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কেএনএফের ৩ সদস্য নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বান্দরবান প্রতিনিধি

Image

বান্দরবানের রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএফ) তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু অস্ত্র। রবিবার (১৯ মে) ‍দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, যৌথ অভিযানে রোয়াংছড়ির রোনিন পাড়া ও রুমার পাইক্ষ্যং পাড়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এসময় কেএনএফ সন্ত্রাসীরা সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

পুলিশ আরও জানায়, সেনা সদস্যরাও পাল্টা গুলি করলে কেএনএফ এর তিন সন্ত্রাসী নিহত হন। পরে সেনাবাহিনীর অভিযানে বাকী সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, বেতার যন্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি পাওয়া যায়।

গত ২ ও ৩ এপ্রিল রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতি, অস্ত্র লুট এবং ব্যাংক কর্মকর্তাকে অপহরণ করে কেএনএফ সন্ত্রাসীরা। এরপর থেকে পাহাড়ে সন্ত্রাসবিরোধী যৌথ অভিযান চলছে।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




বিএনপি নেতা ইশরাকের ১০ দিনের রিমান্ড চায় ডিবি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

বাইডেনের ভুয়া উপদেষ্টাকাণ্ডে রাষ্ট্রদোহীর অভিযোগে রাজধানীর পল্টন থানার মামলায় বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের দশ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার (২৯ মে) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশ পরিদর্শক মো. কবির হোসেন হাওলাদার এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে, গত ১৯ মে ইশরাকের বিরুদ্ধে হওয়া ১২ মামলায় জামিন চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবী মো. তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন ১১ টি মামলায় জামিন দিলেও পল্টন থানার রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় নামঞ্জুর করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ২৬ মে মামলার ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনসহ আরো কোন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি জড়িত আছে কি না তাদের তথ্য সংগ্রহসহ গ্রেপ্তারের জন্য আসামীর দশ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার আসামি ইশরাকের উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগে গত ২৯ অক্টোবর মহিউদ্দিন শিকদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন থানায় মামলা করেন। মামলায় মিয়ান আরেফিসহ অবসরপ্রাপ্ত লে. জেনারেল হাসান সারওয়ার্দী এবং বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় গ্রেপ্তারের পর গত ৩০ অক্টোবর মিয়ান আরেফিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।গত ৩১ অক্টোবর সাভার থেকে হাসান সারওয়ার্দী গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির পূর্বঘোষিত মহাসমাবেশ উপলক্ষে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যলয়ে সারাদেশ থেকে বিএনপির নেতা কর্মীরা জড়ো হতে শুরু করে। বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে বিক্ষুদ্ধ বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করে। একপর্যায়ে বিক্ষুদ্ধ নেতা কর্মীরা কাকরাইল মোড় থেকে আরামবাগ মোড় পর্যন্ত পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রধান বিচারপতি বাসভবনসহ সরকারী স্থাপনা, ও সরকারী গাড়ীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অগ্নি সংযোগ করে। সংঘর্ষের ফলে পুলিশের ৪১ জন সদস্য আহতসহ একজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়। একপর্যায়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ৩ টার সময় মহাসমাবেশ স্থগিত ঘোষণা করে।

এরপর পূর্বপরিকল্পনা মতে এজাহারনামীয় আসামী ইশরাকের যোগসাজসে মিয়ান আরেফি নিজেকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উপদেষ্টা পরিচয় দিয়ে বিএনপির নয়াপল্টনস্থ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে।

পরবর্তীতে বাংলাদেশের আমেরিকান দূতাবাস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান যে প্রেসিডেন্টের জো বাইডেনের উপদেষ্টা পরিচয়দানকারী ব্যক্তি মিয়ান আরাফী আমেরিকান নাগরিক হলেও সে জো বাইডেনের কোন উপদেষ্টা নয় এবং সে আমেরিকান সরকারের কেউ নয়। আসামি মিয়ান আরেফি, আসামি হাসান সারওয়ার্দী এবং আসামী মো. ইশরাফ হোসেনসহ পরস্পর যোগসাজসে প্রতারণা করে আসামিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উপদেষ্টা পরিচয় প্রদান করে সহায়তা করে। আসামি ইশরাকের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রাথমিকভাবে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।


আরও খবর



ঈদের পর মন্ত্রিসভায় রদবদলের আভাস, বাড়তে পারে আকারও

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে জোর গুঞ্জন চলছে। একই সঙ্গে জোর গুঞ্জন রয়েছে বর্তমান মন্ত্রিসভার আকার বৃদ্ধির। বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগ ঘরানার রাজনীতিতে চলছে আলোচনা।

মন্ত্রিসভার কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সদস্য, আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক নেতা এবং ১৪ দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তারা গণমাধ্যমকে বলেছেন, মন্ত্রিসভার আরেক দফা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই আলোচনা হচ্ছে। ঈদুল আজহার পর এ প্রক্রিয়া দৃশ্যমান হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়েকজন নতুন মুখ সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন। তালিকায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর কয়েক নেতার নামও রয়েছে। এর বাইরে অর্থ, পরিকল্পনাসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে রদবদল হতে পারে। তাতে বর্তমান মন্ত্রিসভার কারও কারও পদোন্নতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গত ৭ জানুয়ারির দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল বিজয় পায় আওয়ামী লীগ।

১১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৩৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। এরপর ১ মার্চ সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন সাতজন। এতে প্রধানমন্ত্রীসহ বর্তমান মন্ত্রিসভা দাঁড়ায় ৪৪ জনে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ মন্ত্রী ও ১৮ প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী আছেন দু’জন।

অবশ্য সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় কারা ঠাঁই পাচ্ছেন, তা কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। জানতে চাইলে দায়িত্বশীল নেতাদের প্রায় সবাই একবাক্যে বলেছেন, মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ কিংবা রদবদলের এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। ঈদুল আজহার পর মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীই এটি গঠন করবেন। অবশ্য কেউ কেউ বলেছেন, জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের পরে মন্ত্রিসভায় অদল-বদল হতে পারে।

সূত্র জানায়, অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং পরিকল্পনামন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালামকে অন্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। বর্ষীয়ান এই দুই নেতা ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় সামলাতে দক্ষতার পরিচয় দিলেও, বয়সজনিত কারণে তাদের অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে। ওই দুই মন্ত্রণালয় থেকেই দায়িত্বশীলরা অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আসবেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পূর্ণ মন্ত্রী দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের কেউ কেউ সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন। বিশেষ করে দলের সহযোগী সংগঠনের শীর্ষপদে থাকা ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু’জনের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান মন্ত্রিসভা থেকে কেউ বাদ পড়ছেন না। তারপরও মন্ত্রিসভার কারও কারও মধ্যে এক ধরনের দুশ্চিন্তা কাজ করছে। আবার প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে কেউ কেউ পেতে পারেন পদোন্নতি। অন্তত একজন প্রতিমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে।

ওই সূত্র আরও জানায়, ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে জাসদ ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির প্রতিনিধি সম্ভাব্য সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের নাম শোনা গেলেও, উড়িয়ে দিচ্ছে না নতুন মুখ আসার সম্ভাবনা। জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশাকে নিয়েও ব্যাপক আলোচনা চলছে। এ ছাড়া নতুন কয়েকজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন।

আওয়ামী লীগ ও সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত নীতিনির্ধারক নেতারা জানিয়েছেন, বর্ধিত মন্ত্রিসভায় ক্লিন ইমেজ ও অভিজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। দলের ত্যাগী ও জ্যেষ্ঠ নেতারা প্রাধান্য পেতে পারেন। তবে প্রবীণ ও তারুণ্যের সমন্বয় রাখা হলেও এগিয়ে থাকবেন একাধিকবার নির্বাচিত এমপিরা।

২০০৮ সালে নবম, ২০১৪ সালে দশম সংসদের মতো ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা তৃতীয়বার সরকারের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। দ্বাদশ সংসদের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের রেকর্ড গড়েছেন।


আরও খবর