আজঃ রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

স্বরূপকাঠিতে গুমের মামলা তুলে না নেয়ায় বাদীকে পিটিয়ে আহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | ১০০৫জন দেখেছেন

Image

স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে মেয়েকে অপহরণ করে গুম করার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলা তুলে না নেয়ায় মামলার প্রধান আসামী সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়েছে মামলার বাদী অপহৃত মেয়েটির মা।

নির্যাতনে শিকার ওই হতভাগ্য মায়ের নাম বিউটি বেগম (৬০) তিনি উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের পাটিকেল বাড়ি এলাকার মো. তোফাজ্জেল হোসেনের স্ত্রী। নির্যাতনকারী হারুন অর রশিদ গাজী ওরফে হিরন (৫৫) একই এলাকার আনোয়ার হোসেন গাজীর ছেলে সে স্বরূপকাঠি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জনস্বাস্থ্য পরিদর্শক।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহবধু বিউটি বেগম জানায়, ২০২০ সালে তার মেয়ে তানিয়ার সাথে জনস্বাস্থ্য পরিদর্শক হিরনের ছোট ভাই মিজানুর রহমান মিরনের বিবাহ হয়। তাদের এই বিয়েকে মানতে পারেনি হিরণ সে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য তানিয়াকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিত। বিয়ের তিন মাসের মাথায় তানিয়া নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় তানিয়ার মা বিউটি বেগম বাদী হয়ে বরিশাল বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন বিশেষ আদালতে হিরনকে প্রধান করে নামীয় ৪ জন ও অজ্ঞাত ৫ জনকে আসামী করে একটি অপহণ গুমের মামলা দায়ের করেন। সেই মামলা তুলে নিতে বিউটি বেগমকে বিভিন্ন সময় চাপ প্রয়োগ করে হুমকি দিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বিউটি বেগম তার এক আত্মিয়ের বাড়ি বেড়াতে যাবার সময় গুয়ারেখা এগারোগ্রাম সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কাছে পৌছুলে হিরন বিউটির উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় হিরনের এলাপাথাড়ি পিটানে বিউটি চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলে হিরন পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে বিউটির স্বামি তোফাজ্জেল হোসেন নেছারাবাদ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

নিখোঁজ গৃহবধু তানিয়ার স্বামি মিজানুর রহমান মিরন জানায় তার ভাই হিরন একজন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। হিরন তার স্ত্রীকে গুম করেছে এখন মামলা তুলে নিতে তার শাশুড়ীকে মেরে আহত করেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জনস্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. হারুন অর রশিদ হিরন ওই গৃহবুর উপর হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে উল্টো তার উপর গৃহবধু বিউটি এবং তার ছেলে সোহান হামলা করেছে এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপহরণ গুমের মামলা দেয়া হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন। আমার উপর হামলা করেছে।

নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবির মোহাম্মদ হোসেন জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



বাংলাদেশের জনগণই ‘এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড’র প্রকৃত অংশীদার

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের জনগণই এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড-এর প্রকৃত অংশীদার বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, এ পুরস্কার শত প্রতিকূলতার মাঝেও বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে যেমন বিশ্ব দরবারে তুলে ধরছে, তেমনি বাংলাদেশের সক্ষমতার ওপর বিশ্ববাসীর আস্থাকে দৃঢ়তর করছে। আমি মনে করি, বাংলাদেশের জনগণই এ পুরস্কারের প্রকৃত অংশীদার।

প্রধানমন্ত্রী বুধবার (১৭ নভেম্বর) সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনা মহামারিতে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকোচন, ভ্যাকসিন বৈষম্য প্রভৃতি বিশ্বের অনেক দেশেরই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করেছে। এ মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশ যে অবিচলভাবে টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে, এ পুরস্কার তারই বিশ্ব স্বীকৃতি।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জন থেকে আজকের যতো অর্জন, সবই হয়েছে দেশের মানুষের সমর্থন ও ভালোবাসার জন্য। আমি দেশের জনগণকে এ পুরস্কার উৎসর্গ করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসডিএসএনের প্রেসিডেন্ট প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ প্রফেসর জেফ্রি স্যাক্সের নিকট হতে বাংলাদেশের পক্ষে আমি এ সম্মাননাটি গ্রহণ করি। সম্মাননা প্রদানকালে করোনা মহামারির এ কঠিন সময়ে বাংলাদেশ ও বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য আমাকে জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন বলে অভিহিত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সর্বজনীন আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের সঠিক পথে অগ্রসরের জন্য এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য এ পুরস্কারপ্রাপ্তি বাংলাদেশের এক অনন্য অর্জন।


আরও খবর



বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় পা ভাঙল প্রিয়াঙ্কার!

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ | ২১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শ্যুট চলাকালীন গুরতর আহত হলেন টলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার। শুক্রবার রাতে রাজারহাটে চলছিল শ্যুটিং। আর সেটেই আঘাত পান তিনি। জানা গিয়েছে, চোট পেয়েছেন প্রিয়াঙ্কার সহ-অভিনেতা অর্জুন চক্রবর্তীও। তবে, তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

রাজারহাটের রাস্তায় মহাভারত মার্ডারস নামের একটি ওয়েব সিরিজের শ্যুট চলছিল শুক্রবার রাত ১১-১২ টা নাগাদ। আর সেই সময়ই সেটেআচমকাই ঢুকে পড়ে এক বেপরোয়া বাইক। যার চালক মত্ত অবস্থায় ছিলেন। বাইকটি কর্ডন ভেঙে সরাসরি ধাক্কা মারে প্রিয়াঙ্কা এবং অর্জুনকে।

সেই আচমকা ধাক্কায় দু'জনেই ছিটকে পড়েন রাস্তায়। সাথে সাথে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর বাইপাসের ধারের বেসরকারি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রিয়াঙ্কার চোট গুরতর। পায়ে মারাত্মক আঘাত পেয়েছেন তিনি। পায়ের হাড় ভেঙে টুকরো হয়ে গিয়েছে। করতে হবে অস্ত্রোপচার। আজই তা হওয়ার কথা রয়েছে। তবে, অর্জুনকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয় হাসপাতাল থেকে। আচমকা বিপর্যয়ে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে শ্যুট। ধাক্কা মেরে পালিয়ে যাওয়া বাইক চালকের খোঁজ করছে পুলিশ।

দিনকয়েক আগেই 'নির্ভয়া' ছবির জন্য তেলেঙ্গানা বাংলা চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রী (পপুলার) হিসেবে পুরস্কার জিতে নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা সরকার। পুরস্কার পেয়ে রীতিমতো আপ্লুত হন তিনি। অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের সাথেও তাঁর অভিনয় করার কথা আছে।


আরও খবর



মানিলন্ডারিং মামলায় লোকমান-আরমানের বিচার শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের ডিরেক্টর ইনচার্জ ও বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন ভূইয়ার নামে ক্যাসিনো থেকে

মানিলন্ডারিং আইনে করা মামলায় মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের ডিরেক্টর ইনচার্জ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক (বিসিবি) লোকমান হোসেন ভূঁইয়া এবং বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের সহযোগী এনামুল হক আরমানসহ নয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের ফলে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু হয়েছে।

রোববার (২১ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক নজরুল ইসলাম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৫ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

মামলায় উল্লেখ অপর আসামি হলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা এ কে এম মমিনুল হক সাঈদ।

আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মাহবুবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২০১৯ সালের ১৯ নভেম্বর রাজধানীর মতিঝিল থানায় লোকমান হোসেন ভূঁইয়ার মানি লন্ডারিংয়ের মামলা দায়ের করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের ডিরেক্টর ইনচার্জ ও বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন ভূইয়ার নামে ক্যাসিনো থেকে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে অস্ট্রেলিয়ার দুটি ব্যাংকে পাচারের সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এ বিষয়ে এরই মধ্যে অনুসন্ধান করে লোকমান হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে অবৈধভাবে ক্যাসিনো, মাদকব্যবসা পরিচালনার সত্যতা মিলেছে।

অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ নিয়মবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন ব্যাংকে স্থানান্তর, নামে-বেনামে অন্য প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর ও হস্তান্তরসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগে তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। তদন্ত শেষে লোকমানসহ নয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে সিআইডি।

নিউজ ট্যাগ: লোকমান-আরমান

আরও খবর



মডেল তিন্নি হত্যা মামলার রায় আজ

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ নভেম্বর ২০২১ | ৫১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মডেল সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যা মামলার রায় ঘোষণার তারিখ আজ। আজই জানা যাবে মামলাটির একমাত্র আসামি জাতীয় পার্টি সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভির শাস্তি হবে কি-না। তিন্নি হত্যার ১৯ বছর পর ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ কেশব রায় চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করবেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ভোলানাথ দত্ত বলেন, সোমবার (আজ) মামলাটির রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। আশা করছি, রায়ে আসামির সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদন্ড হবে। এর আগেও কয়েক দফা পেছানো হয় আলোচিত এ হত্যা মামলার রায়। সবশেষ ২৬ অক্টোবর মামলাটির রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছিল, কিন্তু সেদিন রায়ের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়।

কেরানীগঞ্জের বুড়িগঙ্গা নদীর ১ নম্বর চীন-মৈত্রী সেতুর ১১ নম্বর পিলারের পাশে ২০০২ সালের ১০ নভেম্বর অজ্ঞাতপরিচয় এক মরদেহ পায় পুলিশ। পরদিন পত্রিকায় ছবি প্রকাশ হলে সেটি মডেল সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নির বলে শনাক্ত করেন তার স্বজনরা। পরদিন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন কেরানীগঞ্জ থানার তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. সফি উদ্দিন। ২০০২ সালের ২৪ নভেম্বর মামলাটির তদন্তভার সিআইডিতে ন্যস্ত করা হয়।

আর তদন্তের দায়িত্ব পান তৎকালীন সিআইডির পরিদর্শক ফজলুর রহমান। এরপর মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডির পরিদর্শক সুজাউল হক, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) গোলাম মোস্তফা, এএসপি আরমান আলী, এএসপি কমল কৃষ্ণ ভরদ্বাজ এবং এএসপি মোজাম্মেল হক।

সবশেষ তদন্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হকই ২০০৮ সালের ৮ নভেম্বর সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম ফারুক অভিকে একমাত্র আসামি করে আদালতে মামলাটির অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০১০ সালের ১৪ জুলাই অভির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গঠন করে আদালত। চার্জশিটভুক্ত ৪১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: মডেল তিন্নি

আরও খবর



পাহারা দিয়ে নির্বাচনী সহিংসতা ঠেকানো যায় না: সিইসি

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | ৬৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ঘরে ঘরে, মহল্লায় মহল্লায় পুলিশি পাহারা দিয়ে নির্বাচনী সহিংসতা ঠেকানো যায় না। এটি ঠেকানোর একমাত্র উপায়, যারা নির্বাচনে অংশ নেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যারা আছেন, তাদের সহনশীলতা এবং আচরণবিধি মেনে চলা।

বুধবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ৮৯তম কমিশন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

নির্বাচনে মৃত্যু ও সহিংসতা সম্পর্কে সিইসি বলেন, আমরা পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছি। যার যার দায়িত্ব সে সে পালন করে যাচ্ছে। বিশেষ করে তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখছেন বলে আমি বিশ্বাস করি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অজান্তে এসব ঘটনা ঘটে, তাদের অনুপস্থিতিতে এটা ঘটে যায়। এটা এত বড় একটা নির্বাচন, যেখানে হাজার হাজার, লাখ লাখ লোক নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।

তিনি বলেন, আমি প্রথমেই বলেছি নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার একমাত্র উপায় হলো যারা ভোটের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকেন তাদের সহনশীলতা। সুতরাং এটার দায়দায়িত্ব প্রশাসনের অথবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অথবা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া যায় না। এরাই দায়ী এ কথা বলার কোনো সুযোগ নেই।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, অনেক ঘটনা একেবারে এলাকাভিত্তিক ঘটেছে। কাজী বংশ, খান বংশ, চৌধুরী বংশ, তালুকদার বংশ এরকম হয়। রাস্তার এপার ওপার এরকম হয়। এছাড়া দলীয় কোন্দলে হয়, পূর্বশত্রুতার কারণে হয়। কতগুলো ঘটনার বিশ্লেষণ করে দেখেছি তারা প্রায় প্রত্যেকেই বলেছেন স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ও পূর্বশত্রুতার জেরে ঘটনাগুলো ঘটেছে। এসবের দায়দায়িত্ব এখন কাকে দেবো। আমার তো মনে হয় যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন তাদের যদি সহনশীল ভূমিকা থাকে তাহলে আমাদের এত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকের দরকার হয় না। আমাদের এত তৎপরতার দরকার হয় না।

সিইসি বলেন, এজাতীয় ঘটনা পাহারা দিয়ে ঠেকানো যায় না। বাস্তবতা হলো এটাই। এটা আপনাদের বুঝতে হবে। ঘরে ঘরে, মহল্লায় মহল্লায় পুলিশি পাহারা দিয়ে এ জাতীয় সহিংসতা ঠেকানো যায় না।


আরও খবর