আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

স্বরূপকাঠিতে ফুপার লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল যুবকের

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | ১৩৪৭০জন দেখেছেন
হযরত আলী হিরু, স্বরূপকাঠি

Image

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফুপার লাঠির আঘাতে নাজমুল ইসলাম নাইম (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বিন্না গ্রামে মঙ্গলবার দুপুরে ওই ঘটনা ঘটে। ওই দিন রাতেই চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে নাঈমের মৃত্যু হয়।

বুধবার দুপুরে নিহতের স্বজনরা লাশ নিয়ে স্বরূপকাঠি বাসষ্ট্যান্ডে পৌঁছালে নেছারাবাদ থানা পুলিশ সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল বাহাদুর ও প্রতিবেশিদের মাধ্যমে জানা গেছে, উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের বিন্না গ্রামে মো. আলিমের ঘরে তার মেয়ের ননদ মুন্নি বেড়াতে আসে। সেই ঘর থেকে মুন্নির একটি মোবাইল হারিয়ে যায়। হারিয়ে যাওয়ার সময় ওই ঘরে আলিমের বোনের ছেলে সাগর উপস্থিত ছিল। এ সূত্র ধরে আলিমের ছেলে নাঈম তার ফুপাতো ভাই সাগরের কাছে মোবাইলের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথার কাটাকাটি হয়। তাদের কথা কাটাকাটির মধ্যে সাগরের বাবা কাঞ্চন মিয়া এসে উপস্থিত হয়। এক পর্যায়ে কাঞ্চন ছেলের পক্ষ নিয়ে একটি কাঠের বাটলা দিয়ে নাইমের মাথায় আঘাত করে। সাথে সাথে নাইম মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। সেখান থেকে স্বজনরা নাঈমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে দ্রুত বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানকার ডাক্তার সাগরের অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যেতে বলে। রাতে ঢাকায় নেয়ার পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর থেকেই কাঞ্চন ও তার পরিবারের লোকজন পালাতক রয়েছে।

নেছারাবাদ থানার ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন জানান, লাশের সুরাতহাল করা হয়েছে ময়না তদন্তের জন্য পিরোজপুর মর্গে প্রেরণ করা হবে। নিহতের পরিবারকে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাস কোম্পানিগুলো। টিকিট বিক্রির প্রথম দিন অগ্রিম টিকিট কাটতে আসা যাত্রীদের খুব একটা ভিড় লক্ষ করা যায়নি কাউন্টারগুলোতে। তবে পরিবহনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, যাত্রীদের মধ্যে ৭ জুলাই তারিখের টিকিটের চাহিদা বেশি।

আজ শুক্রবার (২৪ জুন) সকাল থেকে একযোগে গাবতলী ও কল্যাণপুরের বিভিন্ন কোম্পানির বাস কাউন্টার থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। কিন্তু কাউন্টারে যাত্রীদের টিকিটের জন্য লম্বা লাইনে অপেক্ষা করে থাকতে দেখা যায়নি। ফলে টিকিট কাটতে আসা যাত্রীরা কোনো ঝামেলা ছাড়াই টিকিট কেটে চলে যেতে পারছেন।

গাবতলীতে বিভিন্ন বাসের অগ্রিম টিকিট কাউন্টার ঘুরে দেখা যায়, পূর্বঘোষণা থাকলেও অনেক যাত্রী অভিযোগ করছেন, আজ অগ্রিম টিকিট দেওয়া হবে, সেটা তাঁরা জানতেন না। তা ছাড়া চাহিদা অনুযায়ী টিকিট না পাওয়ারও অভিযোগ ছিল যাত্রীদের। কোনো কাউন্টারে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়নি টিকিট নিতে।

গাবতলীতে হানিফ পরিবহনের বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে আসা জিনারুল ইসলাম নামের এক যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, সকালের দিকে মানুষের কিছুটা ভিড় ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা একেবারেই কমে গেছে। রংপুরের টিকিট পেয়েছি ৭ তারিখের। কিন্তু বাসের সামনের দিকের কোনো সিটি খালি নেই, কাউন্টার থেকে বলা হচ্ছে পেছনের লাইনে সিট আছে। বাধ্য হয়ে তা কিনতে হয়েছে। আমাদের চাহিদা অনুযায়ী সিট ও টিকিট পাওয়া অনেক কঠিন।

এদিকে রবিউল ইসলাম নামের আরেক যাত্রী জানান, ঢাকা থেকে নীলফামারী যাওয়ার জন্য অগ্রিম টিকিট কাটাতে এসেছি। আমার চারটা টিকিট দরকার ৭ জুলাইয়ের। কিন্তু আমাকে বলা হয়েছে ৭ তারিখের কোনো টিকিট নেই, অন্যান্য দিনের টিকিট আছে। টিকিট ছাড়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ৭ তারিখের টিকিট কীভাবে শেষ হয়ে যায়? এখন টিকিট বিক্রি করবে না, পরে ঠিকই বেশি দামে টিকিট পাওয়া যাবে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে হানিফ পরিবহনের জেনারেল ম্যানেজার মোশারফ হোসেন বলেন, অগ্রিম টিকিট বিক্রির চাপ নেই। যারাই টিকিট কাটতে আসছেন, সবারই চাহিদা ৭ তারিখ রাতের। ৭ তারিখ রাতে প্রতিটি গন্তব্যে হয়তো চারটা করে গাড়ি যাবে। তাহলে সবাইকে তো আমরা ৭ তারিখ রাতের টিকিট দিতে পারব না। এ ছাড়া অন্যান্য দিনের কোনো টিকিট বিক্রি হচ্ছে না। তা ছাড়া বন্যা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সব মিলে মানুষের বাড়ি যাওয়ার প্রতি আগ্রহও কম।

ঈদে সড়কের অবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, ঈদের আগে রাস্তাঘাটের অবস্থা খুব একটা ভালো না। এবার কোরবানির ঈদে গরুর ট্রাক আসবে, আবার যাত্রী নিয়ে বাসও যাবে। সে ক্ষেত্রে যানজট হওয়ার সম্ভাবনা আরও বেশি। ফলে স্বাভাবিক রুটিন অনুযায়ী গাড়ি চলবে। বিশেষ কোনো ট্রিপ চালানোর এখনো চিন্তা-ভাবনা করছি না আমরা। পরিস্থিতি ও চাহিদা বিবেচনা করে দেখব বাড়তি ট্রিপ চালানো যায় কি না।


আরও খবর



ফল বাঁচাতে ফাঁদ পেতে মারা হচ্ছে শত শত পাখি

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বরগুনা সদর উপজেলার একটি ফলের বাগানে ফল রক্ষা করতে গিয়ে হত্যা করা হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির শত শত পাখি। এসব পাখির মধ্যে শালিক, ফিঙ্গে ও বুলবুলির সংখ্যা বেশি। এতে হুমকির মুখে পড়ছে জীববৈচিত্র্য। অবাধে এভাবে পাখি হত্যা বন্ধ করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে জেলার পাখি ও প্রকৃতিপ্রেমীরা।

জানা যায়, সদর ইউনিয়নের কড়ইতলা গ্রামের আহসান হাবিব প্রবাসী ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি ২০০৮ সালে বাড়ির পেছনে দেড় একর জমিতে বিভিন্ন জাতের বৃহৎ ফলের বাগান গড়ে তোলেন। বাগানে ৮০ আম, ৪০টি জাম ও লিচুগাছ রয়েছে। এই বাগানে পাখি ঢুকে ফলসহ বিভিন্ন পোকামাকড় খেয়ে থাকে। এসব গাছের ফল রক্ষায় বাগানমালিক গাছে জাল দিয়ে আটকে রেখেছেন। এতে মারা পড়ছে শত শত পাখি।

সরেজমিনে দেখা যায়, আহসান হাবির নামে এক চাষি বাড়ির পেছনে দেড় একর জমিতে আম ও জামের বাগান করেছেন। এই বাগানে প্রতিদিন শালিক, বুলবুলি, দোয়েল ও ফিঙ্গেসহ নানা প্রজাতির বহু পাখি আসছে। পাখির হাত থেকে ফল রক্ষা করতে গাছগুলোতে ছোট ফাঁসের জাল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। জালের ভেতরে পাখি প্রবেশ করতে পারলেও আর বের হতে পারছে না। আটকে পড়ে পাখিরা মার যাচ্ছে। এতে হুমকিতে পড়ছে জীববৈচিত্র্য।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর বাগানের ফল পাখির হাত থেকে রক্ষার জন্য এভাবেই জাল দিয়ে ফাঁদ পেতে রাখেন বাগানমালিক। ফাঁদে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি আটকে গিয়ে মারা যায়। এসব মরা পাখি পচে গিয়ে আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এসব বন্য পাখি ফসলের ক্ষতিকারক পোকা খেয়ে থাকে। এভাবে নির্বিচারে পাখি মারা হলে ফসলে পোকার উপদ্রব বেড়ে যাবে।

এ বিষয়ে বাগানটির মালিক আহসান হাবিবের কাছে বলেন, বাগানের ফল রক্ষার জন্য জাল দেওয়া হয়েছে। আমি কোনো পাখি হত্যা করছি না। কিছু পাখি জালে আটকে গেলে শিশুরা ধরে নিয়ে যায়। জাল দিয়ে পাখির উপদ্রব কমানো যাচ্ছে না, বাগানের ফল নষ্ট করেই যাচ্ছে।

ইমরান টিটু নামে এক প্রকৃতিপ্রেমী বলেন, এসব পাখি ফলসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে থাকে। এতে আমরা উপকৃত হই। ফলবাগানটি আমি ঘুরে দেখেছি, যেভাবে পাখি হত্যা করা হচ্ছে, এটা মারাত্মক অন্যায়। এতে প্রকৃতি ভারসাম্য হারাবে। হুমকিতে পড়বে আমাদের জীববৈচিত্র্য।

অ্যানিমল লাভারস বরগুনার সদস্যসচিব জাহিদুল ইসলাম বলেন, পৃথিবীতে সব প্রাণীর মুক্ত ও স্বাধীনভাবে বেঁচে থকার অধিকার রয়েছে। বাগানটিতে নির্বিচারে পরিকল্পিতভাবে পাখি হত্যা করা হচ্ছে। আমরা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছি। শিঘগিরই ওই ফল-বাগানে অভিযান চালিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তারা জানিয়েছেন।

বরগুনার সহকারী বন সংরক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, বন্য প্রাণী আইনে ফাঁদ পেতে কোনো প্রাণী হত্যা দণ্ডনীয় অপরাধ। ওই বাগানের পাখি হত্যার বিষয়টি জানা ছিল না। স্থানীয় বন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে প্রশাসনের সহায়তায় অল্প সময়ের মধ্যেই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

নিউজ ট্যাগ: বরগুনা

আরও খবর



রাশিয়ার গ্যাস না পেয়ে কয়লা ব্যবহারের ঘোষণা জার্মানির

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ জুন ২০22 | ২৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একজোট হয়েছে ইউরোপীয় অনেক দেশ। যতটা সম্ভব, এর পাল্টা জবাব দিচ্ছে রাশিয়া। জ্বালানিকে তারা ব্যবহার করছে হাতিয়ার হিসেবে।

রাশিয়া গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার আশঙ্কায় আবারও কয়লার দিকে ঝুঁকছে জার্মানি। ইউরোপের প্রভাবশালী এই দেশটি ইতোমধ্যেই বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে কয়লা ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার সীমিত করার বিষয়ে রোববার ঘোষণা দিয়েছেন জার্মানির অর্থমন্ত্রী।

সম্প্রতি পশ্চিম ইউরোপে পাইপলাইনের মাধমে সরবরাহকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রবাহ ব্যাপকভাবে কমিয়ে দিয়েছে রাশিয়া। এরপরই ইউরোপজুড়ে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে। মূলত এরপরই বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে কয়লার ব্যবহার ফের শুরু করার পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি।

জার্মানির অর্থমন্ত্রী রবার্ট হ্যাবেক বলেছেন, গ্যাসের ব্যবহার কমানোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে কম গ্যাস ব্যবহার করতে হবে। এর পরিবর্তে কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে আরও বেশি করে ব্যবহার করতে হবে।


আরও খবর



ছাত্রলীগের অবরোধে চবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

প্রকাশিত:বুধবার ০১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ জুন ২০২২ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) দুই নেতার ওপর হামলার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ শুরু করেছে ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই দিন সকাল থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়। এ সময় বন্ধ করে দেওয়া হয় শাটল ট্রেন ও শিক্ষকদের বাস।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩১ মে) রাত ১টার দিকে ছাত্রলীগের ভিএক্স গ্রুপের নেতা প্রদীপ চক্রবর্তী দু্র্জয় ও মোহাম্মদ রাশেদ মোটরসাইকেলে ক্যাম্পাসে আসার সময় অতর্কিত হামলার শিকার হন। এ সময় প্রতিপক্ষের একটি দল মোটরসাইকেল আটক করে তাদের মারধর ও মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করে। পরে এ সংবাদ ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এদিকে আজ বুধবার সকাল থেকে ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ করে দিয়ে অবরোধ শুরু করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুল হাসান জানান, আজ বুধবার সকালে অবরোধের কারণে শিক্ষকরা শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছাতে পারেননি। শাটল ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মহিউদ্দীন সুমন বলেন, মঙ্গলবার (৩১ মে) রাতে শাখা ছাত্রলীগের দুই নেতার ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেছে। ১ নম্বর গেট থেকে ফেরার সময় এই হামলা হয়। তাদের মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়েছে। তখন থেকেই মূল গেটে তালা।


আরও খবর



ফের বাড়ছে করোনা, শনাক্ত ১০০ ছাড়াল

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যাননি। এই সময়ে ১০৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। রবিবার (১২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

১১ সপ্তাহ পর দেশে করোনা শনাক্ত ১০০ ছাড়ালো এর আগে ২৫ মার্চ একশর বেশি কোভিড রোগী শনাক্ত হয়েছিল দেশে। সেদিন ১০২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

এ নিয়ে টানা ১০ দিন করোনা শনাক্তের সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী। ২ জুন ২২ জন, ৩ জুন ২৯ জন,  ৪ জুন ৩১ জন,  ৫ জুন ৩৪ জন,  ৬ জুন ৪৩ জন, ৭ জুন ৫৪ জন, ৮ জুন ৫৮ জন, ৯ জুন ৫৯ জন, ১০ জুন ৬৪ জন ও ১১ জুন ৭১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ২৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হারও বেড়ে ২ দশমিক ০৬ শতাংশ হয়েছে।

এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ১৯ লাখ ৫৪ হাজার ১১৫ জনের করোনা শনাক্ত হলো এবং তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৯ হাজার ১৩১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯১ জন সুস্থ হয়েছেন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫ হাজার ২৬৬ জন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের শেষে চীনের উহানে প্রথম করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর কয়েক মাসের মধ্যে এ ভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। আর প্রথম মৃত্যু হয় একই বছরের ১৮ মার্চ।


আরও খবর