আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

স্বামীকে কাছে পেতে ওঝার কাছে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
Image

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বামীকে আপন করে পেতে ওঝার কাছে তদবীর নিতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। এ ঘটনায় ভুক্তভুগী ওই গৃহবধূর অভিযোগের ভিত্তিতে তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার ভোর রাতে উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউপির চরপাড়া এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করা হয়। ধৃত শহীদুল ইসলাম মুসুল্লী,মালেক হাওলাদার ও আলমগীর হোসেন এদের সকলের বাড়ি ওই ইউপির চরপাড়া গ্রামে। এছাড়া ভুক্তভোগী গৃহবধূর বাড়ি ঢাকার নারায়নগঞ্জ এলাকায়।

ওই তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, ২০১৯ সালে পারিবারিক ভাবে এক যুবকের সাথে বিয়ে হয় তার। বিয়ের পর দাম্পত্য জীবনে বিরোধের সৃষ্টি হলে তিনি তার বাবার বাসায় বসবাস শুরু করেন। আর সেখানেই বাবার বাসার পাশে একই ফ্লাটের বাসিন্দা অভিযুক্ত মালেক হাওলাদারের মেয়ে শিল্পীর সাথে পরিচয় হয় গৃহবধূর। তার সাথে সখ্যতার এক পর্যায়ে স্বামীর সাথে বুনিবোনা না হওয়ার বিষয়টি শিল্পীকে জানান ভুক্তভুগী। পরে ওঝার মাধ্যমে স্বামীকে বসে আনার পরামর্শ দেন শিল্পী। পরবর্তীতে অভিযুক্ত ওঝা শহীদুলকে গত রমজান মাসে ভুক্তভোগীর বাসায় নেয়া হলে সেখানে ২০ হাজার টাকায় সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি। এর পর থেকে টাকা নিয়ে তদবীর দেয়াসহ বিভিন্ন সময়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতেন শহীদুল। সর্বশেষ গৃহবধূকে তদবীর নিতে ওঝার নিজ বাড়ি চরপাড়ায় আসতে বলেন শহীদুল এবং তার কথানুযায়ী নারায়নগঞ্জ থেকে বাসযোগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর শহীদুলের বাড়িতে তদবীর নিতে আসেন ২২ বছর বয়সী ওই গৃহবধূ। তবে একদিন শহীদুলের বাড়িতে তার স্ত্রীর সাথে রাত্রী যাপনের পর পরের দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে অভিযুক্ত শহীদুল আলমগীর কৌশলে গৃহবধূকে মালেকের খালি বাসায় নিয়ে যায় এবং সেখানে ঘরের দোতালায় আটকে রেখে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের সহায়তায় জোরপূর্ব তিনজন মিলে তাকে গণধর্ষণ করে। এসময় ধর্ষণের কথা কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ধান খেতে লাশ গুম করার হুমকি দেয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেন ভুক্তভোগী ওই নারী। এছাড়া ওই রাতে তাকে শহীদুলের বাড়িতে রেখে পরেরদিন ঢাকায় পাঠায় অভিযুক্তরা। পরে ঢাকায় গিয়ে স্বজনদের কাছে বিস্তারিত জানালে তাদের পরামর্শনুযায়ী শুক্রবার কলাপাড়া থানায় এসে তিন জনের নাম উল্লেখসহ ৬ জনের নামে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ওই গৃহবধূ।

কলাপাড়া থানার ওসি মো. জসীম জানান, অভিযোগ পেয়ে শনিবার ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের আদালতে প্রেরণ করা হবে।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




তিন দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে এগিয়ে ইমরান খানের দল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে ২৬৫ আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৭০ আসনে বেসরকারি ফলাফল জানা গেছে। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন), সাবেক প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারির দল পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) মধ্যে।

কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী ২৪ আসনে জয় পেয়েছেন ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ১৮টি আসনে জয় পেয়েছেন নওয়াজ শরীফের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজে (পিএমএল-এন)। আর পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রার্থীরা জিতেছেন ২৪টি আসনে। অন্যদিকে অন্যান্য দল পেয়েছে চারটি আসন।

ডন পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে একই সময় পর্যন্ত ৩৯টি আসনে ফল ঘোষণার তথ্য পাওয়া গেছে। এতে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৯ আসনে, পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজে (পিএমএল-এন) ১৩টিতে এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) ১৫টি আসনে জয়লাভ করেছে। দুটি আসনে জিতেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদে ২৬৬ আসনে সরাসরি ভোট হয়। নির্বাচনের আগে দুর্বৃত্তের গুলিতে এক প্রার্থী নিহত হওয়ায় একটি আসনে ভোট স্থগিত করা হয়েছিল আগেই। তাই গতকাল বৃহস্পতিবার ভোট হয়েছে ২৬৫ আসনে।

পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়েছে, কোনো দল এককভাবে সরকার গঠন করতে চাইলে এবার ১৩৪টি আসনে জিততে হবে। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, পাকিস্তানে এবার কোনো দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নাও পেতে পারে।


আরও খবর



বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৬ মুসল্লির মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে। তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমা শুরুর আগে ও পরে ছয় মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মৃতদের মধ্যে পাঁচজন বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন। অপরজন ইজতেমা ময়দানে পৌঁছার সময় বাসের ধাক্কায় নিহত হন। তাদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বিশ্ব ইজতেমার ময়দানেই তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাদের তথ্য ও ঠিকানা পাওয়া গেছে তাদের স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ইজতেমায় অংশগ্রহণ করেন। চার দিন বিরতির পর মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু করেছেন। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।


আরও খবর
বেইলি রোডে আগুনে নিহত বেড়ে ৪৫

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




কারাগারগুলো বিএনপির নেতাকর্মীতে ঠাসা: রিজভী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ৭ জানুয়ারির বিরোধী দলহীন উদ্ভট ডামি নির্বাচন নির্বিঘ্ন ও কণ্টকমুক্ত করার জন্য গুম, খুন, গায়েবী মামলা, গ্রেপ্তার, হয়রানি ও বাড়িঘর ভাঙচুরের যে ভয়াবহতা চলছিল তা এখনো অব্যাহত রেখেছে একনায়ক ডামি সরকার। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে দেশজুড়ে বেপরোয়া গ্রেপ্তার অব্যাহত রয়েছে। দেশের কারাগারগুলো এখন বিএনপি নেতাকর্মীতে ঠাসা।

আজ শুক্রবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, গত ১৭ ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেছিলেন, নির্বাচনে বাধা দূর করতে বিএনপির ২০ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে জেলে রাখা হয়েছে। আমরা চিন্তা ভাবনা করেই এই কাজ করেছি। তাদেরকে জেলে না ভরলে দেশ অচল হয়ে যেত।

তিনি বলেন, কারা সেলগুলো একেকটি শ্বাসরুদ্ধকর কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পরিণত করা হয়েছে। প্রতিটি কারাগারে কারাবিধির সমস্ত সুযোগসুবিধা কেড়ে নিয়ে বন্দী নেতাকর্মীদের ওপর চালাচ্ছে বীভৎস নিপীড়ন। '

রুহুল কবির রিজভীর অভিযোগ, নির্যাতনে গত তিন মাসে কারাগারে বিএনপির ১৩ জন নেতার মৃত্যু হয়েছে। প্রত্যেকটি মৃত্যু পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। দেশের আইন আদালত, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন কোর্ট কাচারি-বিচার-আচার সবকিছুই আওয়ামী ডামি সরকার করতলে বন্দী। বিএনপিসহ বিরোধীদলের নেতাদের জামিনের সাংবিধানিক ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আদালতে জামিনের জন্য বারবার আবেদন করলেও নানা টালবাহানা করা হচ্ছে।'

রুহুল কবির রিজভী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে করে রাখা হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, আব্দুস সালাম পিন্টু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, হাবিবুর রহমান হাবিব, আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, লায়ন আসলাম চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আমিনুল হক, শরিফুল আলম, কাজী আবুল বাশার, রফিকুল আলম মজনু, সাইফুল আলম নীরব, আবু সাঈদ চাঁদ, শেখ রবিউল আলম রবি, সাইফুল ইসলাম পটু, ফজলুর রহমান খোকন, এস এম জাহাঙ্গীর, আমির এজাজ খান, অ্যাডভোকেট দুলাল হোসেন, শেখ ফরিদ উদ্দিন বাহার, মাহফুজন্নবী ডন, সিরাজুল আসলাম, হযরত আলী, আমজাদ হোসেন, মনিরুল ইসলাম, ইউসুফ বিন জলিল, আজিজুর রহমান মুসাব্বির, আমান উল্লাহ আমান (ছাত্রদল), খোরশেদ আলম সোহেল, পাভেল সিকদার, মেহেদী হাসান পলাশসহ হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে আমি অবিলম্বে তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর আহবান জানাচ্ছি।


আরও খবর



ছেলের সঙ্গে ক্যান্টিনে বসে খাওয়ার অপরাধে স্কুল থেকেই গ্রেফতার অভিভাবক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

নিয়ম মেনে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের আলোচনা হয় মাঝেমধ্যেই। সেই উদ্দেশ্যেই ছেলের স্কুলে গিয়েছিলেন এক অভিভাবক। আর শেখানেই ঘটে বিপত্তি, খিদে পেলে ছেলের সঙ্গে বসে স্কুলের ক্যান্টিনে খেতে যান তিনি। তার পরেই গ্রেফতার হতে হয় তাকে। বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) এই ঘটনাটি আমেরিকার পিট্সবার্গ এলাকার কাছে ওয়াশিংটন কাউন্টির একটি স্কুলে ঘটেছে।

স্থানীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যায়, বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় ১০টা ৪৫ মিনিটে স্কুলের ক্যান্টিন থেকে গ্রেফতার করা হয় অভিভাবককে। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, স্কুলের ক্যান্টিনে বসে তার ছেলের সঙ্গে খাওয়াদাওয়া করছিলেন ওই অভিভাবক। স্কুল চত্বরের ভিতর অনধিকার প্রবেশ নিষেধ বলে জানান কর্তৃপক্ষ। স্কুলের নিয়ম ভেঙে ক্যান্টিনে প্রবেশ করেছিলেন বলে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিভাবককে। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, এই ঘটনার ফলে স্কুলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা লঙ্ঘন করা হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যান্টিনের ভিতর থেকে অভিভাবককে হাতকড়া পরিয়ে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও পুলিশ এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। তবে ঘটনাটি নিয়ে নেটমাধ্যমে আলোচনা শুরু হলে স্কুল কর্তৃপক্ষের নিন্দা করেন নেট ব্যবহারকারীরা। কেউ বলেন, পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা অচেনা নন। তাঁরা ক্যান্টিনে প্রবেশ করলে কী-ই বা ক্ষতি হবে?

অন্য এক নেট ব্যবহারকারীর মন্তব্য, এমন অদ্ভুত নিয়ম কিসের? উনি তো ছেলের সঙ্গে বসে খাচ্ছিলেন। গ্রেফতার করার খুব প্রয়োজন ছিল কি?


আরও খবর



সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ

অনেক নাটকের পর বাংলাদেশ-ভারত যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

অনেক নাটকের পর বহুল আলোচিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় আসরে বাংলাদেশ ও ভারতকে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেছে আয়োজক সাফ। রাত সোয়া ৮ টায় শেষ হওয়া ফাইনালের ভাগ্য জানতে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে দর্শকদের। রাতে সাড়ে ১০ টায় মঞ্চে ওঠেন ফাইনালের প্রধান অতিথি যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। তখন আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দলকে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়।

ভারত মাঠের বাইরে চলে গেলেও পরে তারা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। দুই দলের অধিনায়ক ও সহকারী অধিনায়ক মঞ্চে উঠে প্রধান অতিথির হাত থেকে এক সঙ্গে ট্রফি গ্রহণ করেন।

রাত সোয়া ৮ টায় টাইব্রেকারের সাডেনডেথের স্কোর যখন ১১-১১ তখন হঠাৎ করেই শ্রীলংকান ম্যাচ কমিশনার ডি সিলভা জয়াসুরিয়া রেফারিকে ডেকে এনে টসের মাধ্যমে ফাইনাল নিস্পত্তি করতে বলেন। রেফারি তাড়াহুড়া করে দুই অধিনায়ককে ডেকে টস করতেই শিরোপা জয়ের উদযাপন করতে থাকে ভারতের মেয়েরা। এত বিস্মিত হন বাংলাদেশ অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার। কারণ, টসের তো কোনো নিয়ম নেই। পুরো বাংলাদেশ দল প্রতিবাদ করতে থাকে। অন্যদিকে শিরোপা জয়ের আনন্দ করতে থাকে ভারতের মেয়েরা।

কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম বয়সভিত্তিক নারী সাফের এই ফাইনাল উপহার দিয়েছে চরম নাটকীয়তা। ম্যাচ কমিশনার বাইলজ ঘেঁটে দেখেন টসের নিয়ম নেই, সাডেনডেথপর্ব চলমান থাকবে যতক্ষণ কোনো দল টাইব্রেকারের শট মিস না করে। ম্যাচ কমিশনার ভুল শিকার করে টাইব্রেকার চলমান রাখার সিদ্ধান্ত দেন এবং ভারতকে মেনে নিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু ভারত রেফারির সিদ্ধান্ত না মেনে মাঠের বাইরে চলে যায়। রেফারি তখন তাদের মাঠে ফিরতে ৩০ মিনিট সময় দেয়।

ভারত রিফিউজ টু প্লে করায় বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনাই উজ্জ্বল ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত কি সিদ্ধান্ত হয় তা দেখতে শীতের রাতে অনেক দর্শকও গ্যালারিতে অপেক্ষা করতে থাকেন। যদিও পুলিশ আস্তে আস্তে দর্শকদের গ্যালারি থেকে বের করে দিতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত দুই দলকে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন দেখেই ঘরে ফেরে দর্শক।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ম্যাচের স্কোর ছিল ১-১। ভারত ৮ মিনিটে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল। ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে গোল করে নাটকীয়ভাবে ফাইনাল টাইব্রেকারে নিয়ে যান সাগরিকা। টাইব্রেকারে দুই দলই ৫ টি করে গোল করলে ভাগ্য নির্ধারণের জন্য শুরু হয় সাডেনডেথ। দুই দলের ১১ জন করে খেলোয়াড়ই গোল করেন। নিয়ম অনুযায়ী টাইব্রেকার চলমান থাকার কথা ছিল। রেফারি সে প্রস্তুতিই নিচ্ছিলেন। হঠাৎ করে সব মাটি করে দেন ম্যাচ কমিশনারের ভুল সিদ্ধান্ত।


আরও খবর
৪ বছরের জন্য ফুটবলে নিষিদ্ধ বিশ্বকাপজয়ী পগবা

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪