আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সহযোগিতা করা আমাদের দায়িত্ব: র‍্যাব ডিজি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ জুন ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সহযোগিতা করাকে নিজেদের জন্য প্রধান দায়িত্ব এবং নির্বাচন ঘিরে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঠেকানোকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‍্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন।

তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার থাকে, বিরোধী দল থাকে। নির্ধারিত সময়ে জাতীয় নির্বাচন হয়। নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থাকে নির্বাচন কমিশনের অধীন। সেক্ষেত্রে আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে শেষ করা যায়।

বুধবার (৭ জুন) দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন র‍্যাবের ডিজি খুরশীদ হোসেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (ডিআইজি) ইমতিয়াজ আহমেদ, র‌্যাব-৬ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফিরোজ কবীর, গোপালগঞ্জ সদরের কোম্পানি কমান্ডার বদরুদ্দোজা।

খুরশীদ হোসেন বলেন, নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলন করতে পারে বা করবে। এটা গণতান্ত্রিক অধিকার। আমাদের দায়িত্ব হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা। কেউ যাতে দেশের সম্পদ ধ্বংস করতে না পারে, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটাতে না পারেএসবই আমরা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছি। এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তা কঠিন হস্তে দমন করা হবে।

তিনি বলেন, আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। র‌্যাবকে করা হয় এলিট ফোর্স। র‌্যাব সাতটি বাহিনী নিয়ে কাজ করে। এর বাইরে আমাদের কিছু নির্ধারিত এজেন্ডা রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে জিরো টলারেন্স নীতি। এ দেশ আমাদের, এ দেশের মানুষ আমাদের। এ দেশ ও দেশের মানুষকে অন্যদের চেয়ে আমাদের চিন্তা বেশি।

র‍্যাবপ্রধান বলেন, র‍্যাবের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছিলাম গত বছরের অক্টোবরে। এ বছরের জুনে অবসরে যাওয়ার কথা ছিল। প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর আস্থা রেখে আরও এক বছর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছেন। তাকে ধন্যবাদ জানাই।


আরও খবর



ব্যবসায়ীর কোটি টাকা নিয়ে ভারতে পালিয়েছে কর্মচারী, উদ্ধার ৯৭ লাখ টাকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানার ফলমন্ডি এলাকায় একটি দোকান থেকে এক কোটি ৮ হাজার টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায় আব্দুল কাদের নামে এক কর্মচারী। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে নেমে ৯৬ লাখ টাকা ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

থানা সুত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুন ফলমন্ডির মেসার্স তৈয়্যবিয়া ফার্মের মালিক মো. আলী হোসেন প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন কোতোয়ালী থানায়।

সোমবার আনোয়ারার গহিরা দোভাষী বাজার বেড়িবাধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ম্যানেজারের খালাতো ভাই ও সহযোগী মাসুদুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার বাড়ি থেকে ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত ২৯ তারিখ বাকলিয়া এলাকা থেকে আরও ৫০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম ওবায়দুল হক জানান, ব্যবসায়ীর কোটি টাকা আত্মসাতের বিষয়ে মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্ত কাজ শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারি আসামি ভারতে পালিয়েছে। পরে ফোনে যোগাযোগের সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে সহযোগী মাসুদুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং দুই জায়গা থেকে প্রায় ৯৭ লাখ টাকার মতো উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাকে আদালতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



নীলফামারীতে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জুয়েল বসুনীয়া, নীলফামারী

Image

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বরনা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী বাদশা মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আটক করেছে।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকালে শহরের কাশিরাম বেলপুকুর হাজিরজাট এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বাদশা মিয়ার সঙ্গে বরনার পারিবারিকভাবে দুই বছর আগে বিয়ে হয়। রাতে বরনা তার বাবার সঙ্গে মোবাইলে কথা বলছিলেন, এসময় হঠাৎ কল কেটে যায়। পরে স্বজনরা যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। মধ্যরাতে বরনা আক্তারের প্রতিবেশীর মাধ্যমে তার স্বজনরা জানতে পারেন তিনি মারা গেছেন। পরে তারা ছুটে এসে তার মরদেহে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। সকালে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহা আলম বলেন, এ ঘটনায় বরনার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।


আরও খবর



পুতিনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, নাভালনির স্ত্রীকে গ্রেফতারের নির্দেশ

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

রাশিয়া ভিন্নমত দমন অব্যাহত রেখেছে। এবার প্রয়াত বিরোধী নেতা আলেক্সি নাভালনির বিধবা স্ত্রীকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে। চরমপন্থার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই নির্দেশ দেয় রাশিয়ার আদালত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্কোর একটি আদালত ইউলিয়া নাভালনায়ার বিরুদ্ধে চরমপন্থার অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নাভালনায়া বর্তমানে রাশিয়ার বাইরে রয়েছেন।

তাস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার বাইরে বসবাসরত ইউলিয়া নাভালনায়ার বিরুদ্ধে চরমপন্থি সমাজে অংশগ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, আলেক্সি নাভালনি রাশিয়ার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিরোধী নেতা ছিলেন। আর্কটিক সার্কেলে বন্দী অবস্থায় ফেব্রুয়ারিতে তার মৃত্যু হয়। রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ জানায়, নাভালনি প্রাকৃতিক কারণে মারা গেছেন। তবে তার বিধবা দাবি করেছেন, নাভালনিকে নির্যাতন ও ক্ষুধার্ত রেখে হত্যা করা হয়েছে।

নাভালনি চরমপন্থার অভিযোগে ১৯ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন, যা ব্যাপকভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করা হয়।

নিজের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইউলিয়া নাভালনায়া সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে বলেছেন, ভ্লাদিমির পুতিন একজন খুনি এবং যুদ্ধাপরাধী। তার জায়গা কারাগারে এবং হেগের অন্য কোথাও নয়।

স্বামীর মৃত্যুর পর নাভালনির কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নাভালনায়া। মস্কো আদালত রায় দিয়েছে, তাকে হেফাজতে নেওয়া উচিত এবং এরপরই তাকে ওয়ান্টেড ঘোষণা করা হয়।

মিসেস নাভালনায়া গত মার্চে তার স্বামীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে পারেননি। তবে এরপর তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ পশ্চিমা নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন।

সম্প্রতি তিনি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এটা বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষার জন্য কাজ করে। নাভালনায়া বলেছেন, পুতিনের বিরুদ্ধে তার স্বামী যে লড়াই করেছেন, তা তিনি আরও জোরদার করবেন।


আরও খবর



খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে ফখরুল-রিজভী

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

আজ সোমবার দুপুরে তারা বেগম জিয়ার চিকিৎসার খোঁজ খবর নিতে হাসপাতালে যান।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, লিভার সিরোসিসসহ নানা রোগে আক্রান্ত ৭৯ বছর বয়সি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া রবিবার থেকে পেটের পীড়া জনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। এ কারণে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন তিনি। শারীরিকভাবে পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড হাসপাতালে নেওয়া সিদ্ধান্ত নেন।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে এ্যাম্বুলেন্সে করে ভোর রাতে বেগম জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয় হয়। মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় তত্ত্বাবধায়নে সিসিইউ-সুবিধা সম্বলিত কেবিনে চিকিৎসাধীন আছেন।

দুপুরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যান বলে জানান শায়রুল কবির খান।

এর আগে ২২ জুন গভীর রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে এ্যাম্বুলেন্সে করে বেগম খালেদা জিয়াকে করোনারী কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি করা হয়েছিল। পরদিন তার হৃদপিন্ডে সফলভাবে পেসমেকার বসানো হয়। দুইদিন সিসিইউতে থাকার পর মেডিকেল বোর্ড সিসিইউর সকল সুবিধা নিয়ে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে কয়েকদিন থেকে গত ২ জুলাই মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসা ফিরোজায় ফেরেন বিএনপি চেয়ারপারসন। এর আগে গতবছরের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনজন লিভার বিশেষজ্ঞ এনে তার লিভারে অস্ত্রোপচার করা হয়। ৭৯ বছর বয়সি সাবেক প্রধানমন্ত্রী হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার সিরোসিস, কিডনি, আর্থরাইটিস, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।


আরও খবর
বিএনপির নেতা এ্যানি আটক

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




চার ভারতীয়ের ৯ বছর পর ঘরে ফেরা

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর)

Image

অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ৪ ভারতীয়কে স্বদেশ প্রত্যাবাসন আইনে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। ভারতের দিঘা সমুদ্র পথসহ কয়েকটি সীমান্ত পথে এরা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছিল।

অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ৩ জন মৎস্যজীবী ও একজন সাধারণ ভারতীয় নাগরিক রয়েছে।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুর ২টায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে যশোর কেন্দ্রিয় কারাগার থেকে পুলিশ তাদের ভারতের পেট্রাপোল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। এসময় সেখানে বিজিবি, পুলিশ ও বিএসএফ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফেরত যাওয়া ভারতীয় নাগরীকরা হলেন, বিহারের বিষ্ণুপদ দিলদার, সুধির বাবু, মেদিনীপুরের শেখ জাহাঙ্গীর ও  হুগলির ভানু চরণ

এদের মধ্যে বিষ্ণুপদ দিলদার, সুধির বাবু ও শেখ জাহাঙ্গীর ৩ বছর এবং ভানু চরণ ৯ বছর কারাভোগ করেন।

এদিকে দীর্ঘদিন পর স্বজনদের কাছে ফিরতে পারায় খুশি এসব ভারতীয়। আইনি জটিলতায় তাদের দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে স্বজনদের ছেড়ে জেল দিন পার করতে হয়েছে।

ফেরত যাওয়া ভারতীয় নাগরীকরা জানান, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে তারা আটক হয়। এখন বাড়িতে ফিরছে ভালো লাগছে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার মনির হক আল মামুন জানান, ৪ ভারতীয়কে স্বদেশ প্রত্যাবাসন আইনে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তারা অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছিল।


আরও খবর