আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

সুন্দরগঞ্জে প্রবাসী বন্ধুর স্ত্রীকে নিয়ে পলাতক

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জুয়েল রানা, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

Image

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগ নিয়ে পরকীয়া সর্ম্পকে জড়িয়েছেন স্ত্রী। প্রবাসী স্বামীর বন্ধু প্রেমিকের হাত ধরে  বাবার বাড়ি থেকে পালাতক স্ত্রী। ঘটনার ৫ দিন পেরিয়ে গেলেও ইরাক প্রবাসী সফিউলের স্ত্রীর খোঁজ এখনো মেলেনি। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেরার ছাপরহাটি ইউনিয়নের দক্ষিন মরুয়াদহ গ্রামে। প্রবাসী সফিউল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুল হামিদ আলীর পুত্র।

ঘটনা সূত্রে জানাযায়, ইরাক প্রবাসীর ঘনিষ্ট বন্ধু ওই গ্রামে মৃত. ফরলার রহমানের পুত্র আঙ্গুর মিয়া। সফিউল ইসলাম বিদেশে যাওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন কারণে আঙ্গুর মিয়া তার বাড়িতে আশা যাওয়া করতো। আর আশা যাওয়ার এক পর্যায় প্রবাসীর স্ত্রী তাহমিনা বেগমের সঙ্গে আঙ্গুরের পরকীয়া প্রেমের সর্ম্পকে জড়িয়ে পরেন স্ত্রী। র্দীঘ ১ বছর থেকে পরকীয়া প্রেমের সর্ম্পক প্রবাসী জানতে পারলে স্ত্রীকে ফোনে বুঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু স্বামীর কোনো কথা কানে না নিয়ে বাবার বাড়িতে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে আঙ্গুরের সঙ্গে পালিয়ে যায়। সে সময় শশুর বাড়ির সহযোগিতায় তাহমিনাকে উদ্ধার করে স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন স্ত্রী। আবারও শশুর বাড়িতে ঘুরতে যায় তাহমিনা । তাহমিনা উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের জহরুলের মোড় গ্রামের ফরিজল মিয়া কন্যা। গত ২৬ মে রোজ বৃহস্পতিবার আবারও বাবার বাড়ি থেকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যান তাহমিনা বেগম।

বুধবার (৩১ মে) সকালে তাহমিনা পিতা ফরিজল হক ও সফিউলের পিতা আব্দুল হামিদ থানায় উপস্থিত হয়ে হারানোর অভিযোগ করেন।

ইরাক প্রবাসীর বাবা আব্দুর হামিদ বলেন, আমার পুত্র সফিউল ইসলামের সঙ্গে ১২ বছর পূর্বে তাহমিনার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। তাদের সংসার জীবনে ৬ বছরের একটি কন্যা সন্তান আছে। বিয়ের ৭ বছর পর জীবিকার তাগিদে স্ত্রীকে রেখে আমার ছেলে ইরাক চলে যায়। এরপর করোনা ভাইরাসের কারণে সে ৫ বছর হলো এখনো দেশে আসতে পারেনি। এই সুযোগে তাহমিনা বেগম আমার ছেলের বন্ধু আঙ্গুর মিয়ার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, গত ২৬ রমজান তাহমিনা তার বাবা বাড়ি থেকে আঙ্গুরের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলো আমরা তাহমিনার বাবাকে সাথে নিয়ে তাকে উদ্ধার করে ঘরে তুলে নিয়ে ছিলাম। ঈদের পর তাহমিনা ও তার মেয়েকে নিয়ে বাবা বাড়িতে বেড়াতে যায়। গত বৃহস্পতিবার (২৬ মে) বাবার বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যায়। পরে জানতে পারি সে তার প্রেমিক আঙ্গুরের হাত ধরে আবারও পালিয়ে গেছে। অনেক খোঁজাখুজি করেও তার সন্ধান পাচ্ছি না।

ঘটনার সত্যতা শিকার করে তাহমিনার বাবা ফরিজল হক জানান, এক বছর থেকে এই ঘটনা জানতে পরে আমার মেয়েকে অনেক বুঝিয়েছি এর আগেও একবার আমার বাড়ি থেকে ওই ছেলে সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলো আবারও আমার বাড়ি থেকে সেই ছেলের হাত ধরে পালিয়ে গেলো নিজের সন্তান ফেলে আমি এখন তাদের কি জবাব দিবো।

প্রবাসী সফিউল ইসলামের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি জানান, তার স্ত্রী তাগমিনা বেগম গত দুই বছর পূর্বে জমি কেনার কথা বলে ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা তার কাছ থেকে নিয়েছে। আমার সংসার জীবন ১২ বছরে কখনো ভাবিনি আমার স্ত্রী এমন কাজ করতে পারবে। তবে আঙ্গুর আমার ছোট বেলার বন্ধু হয়ে আমার এতো বড় ক্ষতি করবে আমি তা কখনো ভাবিনি। তারা আমার ও আমার সন্তানে জীবনটা নষ্ট করে দিলো।

আগুরের আগের স্ত্রী ফেনশি বেগম জানান, এবিষয়ে আমার সঙ্গে আমার স্বামীর অনেক ঝগড়া হয়েছে আমি বলতে গেলে আমার গায়ে হাত এবং মারপিট করেন। এখন আমি আমার দুই সন্তান নিয়ে কি করে খাবো।

থানা অফিসার ইনচার্জ কে এম আজমিরুজ্জামান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



সাজেক ছাড়লেন আটকা পড়া ৭০০ পর্যটক

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

মেঘের রাজ্য খ্যাত সাজেক ভ্যালিতে ভ্রমণে গিয়ে আটকা পড়া ৭ শতাধিক পর্যটক খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। বুধবার (৩ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে সাজেক থেকে পর্যটকবাহী ও ব্যক্তিগত গাড়িতে তারা রওনা দেন।

সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে খাগড়াছড়ি-সাজেকের আশাপাশের সড়কগুলো তলিয়ে যায়। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মঙ্গলবার (২ জুলাই) থেকে সাজেকে আটকা পড়েন ৭ শতাধিক পর্যটক।

মতিজয় ত্রিপুরা বলেন, বাঘাইহাট বাজারে পানি কমতে শুরু করায় পর্যটকরা খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। আমরা জানতে পেরেছি, পর্যটকরা গঙ্গারামমুখ পর্যন্ত যাবেন। পরে ডুবে থাকা সড়কের অংশ নৌকায় পার হয়ে খাগড়াছড়ি পৌঁছাবেন।

সাজেক জিপ সমিতির লাইনম্যান ইয়াসিন আরাফাত বলেন, সড়কের পানি কমে যাওয়ায় আটকে থাকা পর্যটকবাহী গাড়িগুলো খাগড়াছড়ির উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। নতুন করে আর বৃষ্টি না হওয়ায় সড়কগুলো যান চলাচলের জন্য স্বাভাবিক হয়ে উঠছে।


আরও খবর



অবশেষে চালু দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

দুই মাস ৮ দিন পর অবশেষে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল (এসএমডব্লিউ-৫) চালু হয়েছে। গত ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসির (বিএসসিপিএলসি) আওতাধীন দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলটি সিঙ্গাপুর হতে পশ্চিম প্রান্তে ইন্দোনেশিয়ার জলসীমায় আকস্মিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই দীর্ঘসময়ের মধ্যে ক্যাবলটির মেরামত সম্পন্ন হয়েছে এবং সার্কিটগুলো চালু করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসির (বিএসসিপিএলসি) মহাব্যবস্থাপক (চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ) সাইদুর রহমান এ তথ্য জানান।

বিএসসিপিএলসি জানায়, গত ১৯ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টায় বিএসসিপিএলসির আওতাধীন দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলটি (এসএমডব্লিউ-৫) সিঙ্গাপুর হতে পশ্চিমপ্রান্তে ইন্দোনেশিয়ার জলসীমায় আকস্মিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে ইন্টারনেট সংযোগে বিঘ্ন ঘটে।

সাইদুর রহমান জানান, এসএমডব্লিউ-৫ কনসোর্টিয়াম শুক্রবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে ক্যাবলটির মেরামত কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে। বিএসসিপিএলসির এসএমডব্লিউ-৫ এর মাধ্যমে সংযোগ করা সার্কিটগুলো চালু করা হয়েছে।

কক্সবাজারে অবস্থিত দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল, কুয়াকাটায় অবস্থিত সাবমেরিন ক্যাবল এবং কয়েকটি আইটিসি বা ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল ক্যাবলের মাধ্যমে দেশে ইন্টারনেট সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সাবমেরিন কেবল এসএমডব্লিউ-৪ এ যুক্ত হয় ২০০৫ সালে, যার মাধ্যমে ২৫০ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া বাংলাদেশ ছয়টি বিকল্প সাবমেরিন ক্যাবলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। যেগুলোর মাধ্যমে ভারত থেকে ব্যান্ডউইথ আমদানি করা হয়।

আর ২০১৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালীর কুয়াকাটার কলাপাড়ায় চালু হয়েছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন। এই ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে সাউথইস্ট এশিয়া-মিডলইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ (এসএমডব্লিউই-৫) আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সাবমেরিন ক্যাবল থেকে সেকেন্ডে ১ হাজার ৫০০ গিগাবাইট (জিবি) গতির ইন্টারনেট পাচ্ছে বাংলাদেশ।


আরও খবর
ইউটিউবে যুক্ত হচ্ছে নতুন মিনি প্লেয়ার

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা।

বাংলা ব্লকেডের অংশ হিসেবে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেলে আন্দোলনে নামে তারা।

এর আগে, বেলা সাড়ে ৩টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। এসময় পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ না করার নির্দেশনা দেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয় তারা।

কিন্তু প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা রাস্তায় নামে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র হল থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে আন্দোলনস্থলে যোগ দেয় এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। তাদের হাতে কোটা বিরোধী নানা প্লাকার্ড ও ব্যানার দেখা যায় এসময়।

এ ব্যাপারে বৈষম্যমূলক কোটা বিরোধী আন্দোলন সমন্বয় কমিটির সদস্য সুজয় শুভ জানান, আমাদের যৌক্তিক দাবি আদায়ে শত বাধা উপেক্ষা করে হলেও আমরা মাঠে থাকবো। যতদিন পর্যন্ত সরকার আমাদের দাবি মেনে না নেবে ততদিন পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা নাঈম উদ্দিন বলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত দিনেও নানা যৌক্তিক সংগ্রাম-আন্দোলন করেছে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু আজ যেভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও পুলিশ সদস্যরা নগ্ন হস্তক্ষেপ করলো তা নজিরবিহীন।

এ ব্যাপারে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আলী আশরাফ ভুঁইয়া বলেন, মহাসড়ক অবরোধ করলে দক্ষিণাঞ্চলের ৫ জেলার হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তির শিকার হন। আমরা জনসাধারণের ভোগান্তি লাঘবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বোঝাতে চেষ্টা করেছিলাম।


আরও খবর



আরও এক বছর আইজিপি থাকবেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল হিসেবে পুনরায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

শুক্রবার (৫ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক শাখার উপ-সচিব ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তার চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানো হয়। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে তার পূর্বের চুক্তির ধারাবাহিকতায় ও অনুরূপ শর্তে আগামী ১২ জুলাই ২০২৪ অথবা যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী ১ বছর মেয়াদে বাংলাদেশ পুলিশ-এর পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে পুনরায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো। এর আগে গত বছরের ৯ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে প্রথম দফায় আইজিপি হিসেবে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের মেয়াদ দেড় বছর বাড়িয়েছিল সরকার। 

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বিসিএস ৮ম ব্যাচের কর্মকর্তা। তিনি ১৯৬৪ সালের ১২ জানুয়ারি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার শ্রীহাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকসহ (সম্মান) স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৯৮৬ ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশের সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট (এএসপি) হিসেবে যোগ দেন। গত বছরের মে মাসে তিনি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পান। এর আগে তিনি ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন।

কর্মজীবনে আবদুল্লাহ আল মামুন পুলিশ সদর দপ্তর, মেট্রোপলিটন পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এবং বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘ শান্তি মিশনে কাজ করার মাধ্যমে তিনি বিশ্ব শান্তিরক্ষার জন্য উজ্জ্বল অবদান রেখেছেন।

তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর সার্কেল এএসপি, সিরাজগঞ্জের রাইগনজ সার্কেল এএসপি, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সার্কেল এএসপি, চাঁদপুরের অতিরিক্ত এসপি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (ডিএমপি), আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের এএসপি, এডিসি (ডিএমপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া নীলফামারী জেলার সুপারিনটেনডেন্ট পুলিশ (ডিপি), ডিএমপির ডেপুটি কমিশনার (ডিসি), এআইজি (এস্টাবলিশমেন্ট) এবং ঢাকা সদর দপ্তরের এআইজি (গোপনীয়) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি ও ডিআইজি হন।

অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) পেয়েছেন।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




শিশু হাসপাতালসহ ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ব্যাপক হামলা, নিহত ৪১

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। এতে কমপক্ষে ৪১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দেড় শতাধিক মানুষ। ইউক্রেনজুড়ে চালানো এই হামলার সময় রাজধানী কিয়েভের প্রধান শিশু হাসপাতালেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ঘটনা ঘটে। গত কয়েক মাসের মধ্যে ইউক্রেনে রাশিয়ার এটিই সবচেয়ে মারাত্মক হামলা বলে মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া সোমবার প্রকাশ্য দিবালোকে কিয়েভের প্রধান শিশু হাসপাতালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে এবং ইউক্রেনজুড়ে অন্যান্য শহরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করেছে। গত কয়েক মাসের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক এই হামলায় কমপক্ষে ৪১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

দিনের বেলা ইউক্রেনে রাশিয়ার এই ধরনের হামলা বেশ বিরল এবং বিমান হামলার পর বাবা-মায়েরা শিশুকে ধরে হাসপাতালের বাইরে রাস্তায় হাঁটছিলেন, তাদের অনেকে হতবাক হয়ে পড়েছিলেন এবং কাঁদছিলেন। হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং কিয়েভের শত শত বাসিন্দা ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করতে সাহায্য করেন।

৩৩ বছর বয়সী স্বিতলানা ক্রাভচেঙ্কো রয়টার্সকে বলেন, হামলাটি ছিল ভীতিজনক। আমি শ্বাস নিতে পারছিলাম না, আমি (আমার শিশুকে) ঢেকে রাখার চেষ্টা করছিলাম। আমি তাকে এই কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করছিলাম যাতে সে শ্বাস নিতে পারে।

প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের জন্য ওয়াশিংটনে যাওয়ার আগে পোল্যান্ডে যাত্রাবিরতি করেন। সেখানে তিনি বলেন, রাশিয়ার এই হামলায় তিন শিশুসহ ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে আহত হয়েছেন আরও ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ।

তবে রয়টার্স বলছে, ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে হামলার স্থান থেকে পাওয়া নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ৪১ জনে দাঁড়িয়েছে।

টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে লেখা এক বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, হামলায় শিশুদের হাসপাতাল এবং কিয়েভের একটি মাতৃত্ব কেন্দ্র, শিশুদের নার্সারি এবং ব্যবসায়িক কেন্দ্র ও বাড়িসহ ১০০ টিরও বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেছেন, রুশ সন্ত্রাসীদের অবশ্যই এর জবাব দিতে হবে। কেবল উদ্বিগ্ন হলেই সন্ত্রাস বন্ধ হয় না। সমবেদনা কোনো অস্ত্র নয়।

ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রিভি রিহ এবং ডিনিপ্রো ও আরও দুটি পূর্বাঞ্চলীয় শহরেও ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে ভয়াবহ এই হামলা ও হতাহতের পর জেলেনস্কির সরকার মঙ্গলবার শোক দিবস ঘোষণা করেছে। সরকার বলেছে, ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে জরুরিভাবে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষার আপগ্রেড প্রয়োজন।

সোমবার ইউক্রেনীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ৩৮টির মধ্যে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে বলে দেশটির বিমানবাহিনী জানিয়েছে।

রয়টার্সের প্রাপ্ত একটি অনলাইন ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি ক্ষেপণাস্ত্র কিয়েভের শিশু হাসপাতালে আঘাত হানছে এবং তারপরই বড় বিস্ফোরণ ঘটে। দৃশ্যমান ল্যান্ডমার্ক থেকে ভিডিওটির অবস্থান যাচাই করা হয়েছে।

ইউক্রেনের সিকিউরিটি সার্ভিস মিসাইলটিকে কেএইচ-১০১ ক্রুজ মিসাইল হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কিয়েভের সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানীতে তিন শিশুসহ ২৭ জন মারা গেছেন এবং হামলায় আরও ৮২ জন আহত হয়েছেন।


আরও খবর