আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সুন্দরবনে অস্ত্রসহ ৩ জলদস্যু গ্রেফতার

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ডিসেম্বর ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মোংলা থেকে মোঃনূর আলম(বাচ্চু),

সুন্দরবন থেকে দেশীয় অস্ত্র-গেলাবারুদসহ জলদস্যু নয়ন বাহিনীর তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক জানান, সোমবার ভোর ৪টা ১০ মিনিটে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের জয়মনির ঘোল গ্রামস্থ মিরাগামারী খালের উত্তর পাড় থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন, বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার খুড়িয়াখালী গ্রামের মৃত মকবুল ফরাজীর ছেলে মো. মাসুম ফরাজী (৩৫), একই গ্রামের মো. আব্বুস কবিরাজের ছেলে মো. হাছান কবিরাজ (৩০) এবং বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ারী গ্রামের মৃত আমির হোসেন হাওলাদারের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন হাওলাদার (৫০)। 

এ সময় বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এ্যান্ড অপস) মো. রাসেরুলুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক এসএম আশরাফুল আলমসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ০১টি দেশীয় তৈরী একনালা বন্দুক, ৩ রাউন্ড কার্তুজ, কাঠের বাটসহ ২টি রামদা, ২টি লোহার রড, ১টি কাঠের পুরাতন ডিঙ্গি নৌকা, ২টি টর্চ লাইট, ২ পুরাতন সুতী চেকের গামছা, হাত-পা বেধে রাখার কয়েক টুকরা লাইলনের রশি, ১টি স্কচ টেপ এবং বিভিন্ন সাইজের ৪টি গরান গাছের লাঠি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক বলেন, সম্প্রতি সুন্দরবন থেকে মাছ ধরার সময় কিছু জেলেদের অপহরণ করে জলদস্যুরা। কৌশলে জেলেদের উদ্ধার করলেও, জলদস্যুরা অধরা ছিল। কিন্তু পুলিশের অভিযান অব্যাহত ছিল। এই ধারাবাহিকতায় মিরাগামারী খালের উত্তর পাড় থেকে অস্ত্রসহ তিন জলদস্যুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মোংলা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে।

এসব জলদস্যুরা আত্মসমর্পণকৃত দস্যু কিনা এমন প্রশ্নে পুলিশ সুপার বলেন, এই দস্যুরা কেউই আত্মসমর্পন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা দস্যু নয়। এরা সবাই এক সময় সুন্দরবনে জেলে হিসেবে মাছ আহরণ করত। কিন্তু হঠাৎ করে তারা দস্যুতা বৃত্তিতে লিপ্ত হয়। এরা নিজেদেরকে নয়ন বাহিনীর লোক বলে পরিচয় দিয়েছেন। মাছুম ফরাজী নয়ন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচয় দিয়েছে। মাছুম ফরাজীর বিরুদ্ধে এই মামলা ছাড়াও সুন্দরবন সংলগ্ন বিভিন্ন অপরাধে তিনটি মামলা রয়েছে। এছাড়াও সুন্দরবনের দস্যুতার সাথে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।

উল্লেখ্য, ১৫ ডিসেম্বর বিকেলে সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের বেড়ির খাল ও হরমল খাল থেকে ১১ জন জেলেকে অপহরণ করে দস্যুরা। পরে জেলেপ্রতি ১০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে দস্যুরা। ২১ ডিসেম্বর অপহৃত ১১ জেলেকে উদ্ধার করা হয়।


আরও খবর



এক মিনিটের ভিডিওতে ঝড় তুললেন মাহি

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

ঢালিউডের আলোচিত নায়িকা মাহিয়া মাহি স্বামী রাকিব সরকারের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নতুন করে অভিনয়ে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১ মিনিট ৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন মাহি। আর সেই ভিডিওতেই যেন ঝড় উঠেছে নেটদুনিয়ায়।

ব্যক্তিজীবনে বিচ্ছেদ, নির্বাচনে হারের পর মাহি নিজেকে নতুনভাবে প্রস্তুত করছেন। নিয়মিত জিমে যাচ্ছেন, বিভিন্ন অনুষ্ঠান-আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি একটি ফটোশুটে অংশ নিয়ে মাত্র ১ মিনিট ৮ সেকেন্ডের নাচের ভিডিও নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। 

ভিডিওটি প্রকাশের ২০ ঘণ্টায় ৫০ লাখের মতো মানুষ দেখেছেন। একইসঙ্গে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রায় দেড় লাখ মানুষ। যারা অধিকাংশই মাহির নতুন লুক, নাচের প্রশংসা করেছেন। 

ভিডিও দেখে নেটিজেনদের অনেকে বলছেন, মাহি ফুরিয়ে যাননি। তিনি আবারও ফিরবেন নতুনভাবে। ভক্তদের এমনসব প্রতিক্রিয়া মাহি নিজেও বেশ উপভোগ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এখন থেকে নিজের প্রতি যত্ন নেবেন তিনি। একইসঙ্গে ভালো প্রজেক্ট পেলেই সিনেমাতে ফিরবেন। বুঝেশুনে কাজ করবেন।

মাহিকে সবশেষ দেখা গেছে শাকিব খানের রাজকুমার সিনেমায়। যেখানে প্রথমবারের মতো পর্দায় শাকিবের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। নায়িকার নতুন এই অবতার দর্শকরাও লুফে নিয়েছে। পাশাপাশি অভিনয়ের প্রশংসা করেছে।

নিউজ ট্যাগ: মাহিয়া মাহি

আরও খবর



মেয়াদ শেষ হচ্ছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চলতি বছর মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তারা দুজনই বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে রয়েছেন।

এর মধ্যে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে শেষ হবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেনের চুক্তির মেয়াদ। আর জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।

মাহবুব হোসেন গত বছরের ৩ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। এর আগে তিনি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং তারও আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১৯৮৬ (অষ্টম) ব্যাচের সদস্য মাহবুব হোসেন ১৯৮৯ সালের ২০ ডিসেম্বর সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন।

চাকরির স্বাভাবিক মেয়াদ শেষ করে গত বছরের ১৩ অক্টোবর থেকে অবসরে যাওয়ার কথা ছিল  মো. মাহবুব হোসেনের। নিয়মানুযায়ী তাকে অবসর দিয়ে ওই বছরের ৩ অক্টোবর প্রজ্ঞাপনও জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এরপর পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপনে ১৪ অক্টোবর থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য তাকে এই পদে চুক্তি ভিত্তিতে নিয়োগের কথা জানানো হয়।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব থাকাকালে ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ পান জ্যেষ্ঠ সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

চাকরির স্বাভাবিক মেয়াদ শেষ করে গত বছরের ৪ জুলাই তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার অবসরে যাওয়ার কথা ছিল। ওই বছরের ২৫ জুন অবসরোত্তর ছুটি ও এ সংক্রান্ত সুবিধা স্থগিতের শর্তে ৫ জুলাই থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য তাকে চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তিনি এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। পঞ্চগড়, কুমিল্লা ও ঢাকার জেলা প্রশাসকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।


আরও খবর



আরও এক হজযাত্রীর মৃত্যু, সৌদি পৌঁছেছেন ৫৮১২১ জন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সৌদি আরবে আরও একজন বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন। গত রবিবার (২ জুন) হজযাত্রী মাকসুদ আহমেদ (৬১) মদিনায় মারা যান। তার বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়ায়। এ নিয়ে সৌদি আরবে ১০ বাংলাদেশি হজযাত্রী মৃত্যুবরণ করেন।

এছাড়া হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৫৮ হাজার ১২১ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। মঙ্গলবার (৪ জুন) হজ পোর্টালে আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার দিনগত রাত ৩টা পর্যন্ত সর্বমোট ৫৮ হাজার ১২১ হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী ৩ হাজার ৭৪৭ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৪ হাজার ৩৭৪ জন। এখন পর্যন্ত সৌদি আরব যাওয়ার ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে ১৪৯টি।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন এবারের হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়ার প্রথম ফ্লাইট গত ৯ মে শুরু হয়। আগামী ১২ জুন পর্যন্ত সৌদি যাওয়ার ফ্লাইট চলবে। হজ শেষে ২০ জুন ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ২২ জুলাই।

এবার সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনা মিলিয়ে মোট ৮৫ হাজার ২৫৭ জন হজ করতে যাবেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬২ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এজেন্সির মাধ্যমে ৮০ হাজার ৬৯৫ জন হজ করতে যাবেন।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ১০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে মারা গেছেন। মৃত্যুবরণ করা ১০ জনই পুরুষ। মক্কায় সাত এবং মদিনায় তিনজন বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন।


আরও খবর



জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে এলআইইউপিসি: আফরোজা কালাম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এলআইইউপিসি গত পাঁচ বছরে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ গরীব পরিবারকে স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশে বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউ হলে এলআইইউপিসি প্রকল্পের উদ্যোগে অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চসিক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আফরোজা কালাম একথা বলেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছালেহ্ আহমদ চৌধুরী, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী (জয়)। বক্তব্য রাখেন- ডিপিএইচই এর সিনিয়র অফিসার ইঞ্জিনিয়ার মো. গোলাম মোরশেদ, কারিতাস চট্টগ্রামের প্রকল্প সমন্বয়ক অজয় ব্রায়েন এন্থনি, কমিউনিটি ডেভেলাপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি কৌহিনুর আক্তার, কমিউনিটি হাউজিং ডেভেলাপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক নিলুফার আক্তার ও ক্লাষ্টার লিডার নুর আক্তার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এলআইইউপিসির টাউন ম্যানেজার মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন খান।

ভারপ্রাপ্ত মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় নগরীর ২২টি ওয়ার্ডে পাঁচ লক্ষ জনগনের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এলআইইউপিসি। বিশেষ করে দরিদ্র নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ৪০ হাজার পরিবারকে বিভিন্ন ধরণের অনুদান প্রদান করা হয়ছে। এর মধ্যদিয়ে গরীব মানুষ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়েছে এবং আমি মনে করি প্রকল্পের এ ধরনের কার্যক্রম মানুষকে দরিদ্র অবস্থা থেকে বের করে আনতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। ইতোমধ্যে তারা স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ গড়ার লক্ষ্যে দরিদ্র বসতি এলাকায় রাস্তা, ড্রেন, ফুটপাত, লেট্রিন, গোলসখানা, ডিপ টিউবওয়েল, সড়কবাতিসহ  অবকাঠামো এবং পরীক্ষামূলকভাবে একটি পানি শোধণ ব্যবস্থা নির্মাণ করেছে। ভারপ্রাপ্ত মেয়র প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধিসহ নগরীর অন্যান্য ওয়ার্ডকে প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত করার পরামর্শ দেন।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ১০৮ বার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১০৮ বার পেছাল। আগামী ৩০ জুন প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল করেনি। এজন্য ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল হকের আদালত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

আদালতের শেরে বাংলা থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা আলমগীর বিষয়টি জানিয়েছেন।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেন বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ।

আসামিদের প্রত্যেককে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও তাদের কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজেদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক এসআই। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেই থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি সংস্থাটি।


আরও খবর