আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

সুন্দরবনে বাঘের মুখ থেকে জীবিত ফিরল জেলে

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ এপ্রিল ২০২২ | ১২৩০জন দেখেছেন

Image

মোংলা প্রতিনিধি:

মোংলার সুন্দরবনে মাছ ধরার সময় বাঘের কামড় ও থাবা খেয়েও প্রাণে বেঁচে গেছেন জেলে আবু সালেহ আকন (৪৫)। বাঘের আক্রমনে শরীরে ক্ষত নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সালেহ। এদিকে বাঘের আক্রমনের মুখ থেকে জীবন নিয়ে ফিরে আসা ওই জেলেকে দেখতে হাসপাতালে উৎসুক মানুষের ভিড়ে অনেকটা বেকায়দায় পড়েছেন কর্তৃপক্ষ।

বাঘের আক্রমনের শিকার জেলে আবু সালেহ আকন ও প্রত্যক্ষদর্শী সঙ্গী মোঃ হানিফ জানান, রবিবার সকাল ৭টার দিকে মোংলার সুন্দরবন ইউনিয়নের দক্ষিণ বাজিকরখন্ড গ্রামের জেলে আবু সালেহ আকন ও মোঃ হানিফ সুন্দরবনের জিউধরা এলাকার শুয়ারমারা খালে চরপাটা জাল দিয়ে মাছ ধরছিলেন।

এ সময় হঠাৎ একটি বাঘ আক্রমণ করে সালেহের উপর। পিছন থেকে বাঘটি সালেহের ডান হাতে একটি কামড় ও বাম হাতে, বাম ঘাড়ে ও পিঠে ৬টি থাবা দিয়ে এবং আচড়ে জখম করে। বাঘের সাথে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সালেহ খালে লাফিয়ে পড়ে ডাক চিৎকার শুরু করলে বাঘটি সেখান থেকে বনের গহীনে চলে যায়।

পরে ঘটনাস্থল থেকে দূরে থাকা সালেহের সঙ্গী হানিফ ও সালেহের চাচাতো ভাই আসাদুল সরদার তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ ফয়সাল হোসেন স্বর্ণ বলেন, সালেহের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ৭টি ক্ষত চিহ্ন  রয়েছে। তাকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয় ইউপি মেম্বর (সংরক্ষিত) মাসুমা বেগম বলেন, সালেহ একজন পেশাদার জেলে, তার বাবাও জেলে ছিলেন। বনবিভাগের কাছ থেকে পাস পারমিট নিয়ে সুন্দরবনে চরপাটা জাল দিয়ে মাছ ধরতে গেলে বাঘের আক্রমনের শিকার হন সালেহ। সালেহ খুব সাহসী হওয়ায় বাঘের সাথে ধস্তাধস্তি করে প্রাণে বেঁচে এসেছেন।


আরও খবর



প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২০ -এর লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর প্রথম দফার ২২ জেলার ফল প্রকাশ করে। এতে ৪০ হাজার ৮৬২ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২০ এর প্রথম ধাপ গত ২২ এপ্রিল ২২ জেলার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১৪ জেলার সম্পূর্ণ পরীক্ষা নেওয়া হয়। এসব জেলার মধ্যে ছিল চাপাইনবাবগঞ্জ, মাগুরা, শেরপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার, লালমনিরহাট।

আর ৮ জেলার আংশিক পরীক্ষা পরীক্ষা নেওয়া হয়। জেলারগুলোর মধ্যে রয়েছে সিরাজগঞ্জ, যশোর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা ও নোয়াখালী।

ফলাফলের নির্দেশনায় বলা হয় এই ফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রার্থীরা কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। এ ফল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২০ এর কোনও শূন্য পদে নিয়োগের জন্য কোনও নিশ্চয়তা প্রদান করে না।

প্রকাশিত ফলের যেকোনও পর্যায়ে কোনও প্রকার ভুল-ভ্রান্তি/ত্রুটি-বিচ্যুতি/মুদ্রণজনিত ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে, তা সংশোধন করার বা প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট ফল বাতিল করার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

ফলাফল জানতে ক্লিক করুন: http://www.dpe.gov.bd


আরও খবর



বিলুপ্তির পথে প্রাচীন বাংলার ঐহিত্য বৈশাখ মাসের ‘শুভ হালখাতা’

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৫৬৫জন দেখেছেন

Image

বরগুনা প্রতিনিধি:

পুরোনো হিসাব নিকাশ চুকে নতুন বছরে নতুন খাতায় নাম তোলাই হলো হালখাতা। হালখাতা আবহমান বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতি। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বাংলা সনের প্রথম দিনে দোকানের হিসাব আনুষ্ঠানিক হালনাগাদের এ প্রক্রিয়ায় ভাটা পড়েছে। পয়েলা বৈশাখ থেকে হালখাতা শুরু হয়ে চলে পুরো মাস জুড়ে। ব্যবসায়ীরা তাদের ক্রেতাদের পুরোনো হিসাবের খাতা বন্ধ ও নতুন বছরে নতুন খাতা খোলার আনন্দ-আয়োজন, আনন্দ-উল্লাস, মিষ্টি মুখ ও আনুষ্ঠানিকতা জোড় প্রস্তুতি নিতেন বিগত বছর গুলিতে। কিন্তু বিগত বছরের তুলনায় এ বছর 'হালখাতা' অনেকাংশে কম।

বুড়িরচর ইউনিয়নের এক বৃদ্ধ থেকে জানায়, ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০-১১ মার্চ সম্রাট আকবরের বাংলা সন প্রবর্তনের পর থেকেই হালখাতার প্রচলন হয় তৎকালীন ভারতবর্ষে। পুরনো বছরের হিসাব বন্ধ করে নতুন হিসাব খোলা হয় যে খাতায়, তা-ই হালখাতা নামে পরিচিত। হালখাতা বঙ্গাব্দ বা বাংলা সনের প্রথম দিনে দোকানপাটের হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে হালনাগাদ করার প্রক্রিয়া। বছরের প্রথম দিনে ব্যবসায়ীরা তাদের দেনা-পাওনার হিসাব চুকিয়ে এ দিন হিসাবের নতুন খাতা খোলেন। এজন্য ক্রেতাদের বিনীতভাবে পাওনা শোধ করার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় শুভ হালখাতা কার্ড- এর মাধ্যমে। হালখাতার কার্ডের মাধ্যমে ঐ বিশেষ দিনে দোকানে আসার নিমন্ত্রণ জানানো হয়। এই উপলক্ষে বৈশাখ মাসের মধ্যে যেই যেই দিন ব্যবসায়ীরা তাদের ক্রেতাদের মিষ্টি মুখ করান। ক্রেতা তাদের সামর্থানুসারে পুরোনো দেনা শোধ করে দেন।

আগে বরগুনার জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ সদরের সকল ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জের হাট-বাজারে হালখাতায় অনেক আনন্দ হতো। দোকানে দোকানে প্লেটে করে মিষ্টি বিতরণ করা হতো। ক্রেতারা পুরোনো হিসাব পরিশোধ করতে আসতো। ক্রেতাদের জন্য দোকানে চা, মিষ্টি, সন্দেশসহ নানা আয়োজন থাকতো। মহাজনেরা দোকানে নতুন পণ্য উঠাতো। গদিতে উঠতো নতুন পাটি। পয়েলা বৈশাখে হালখাতা বাঙালি ব্যবসায়ীদের ঐতিহ্যবাহী অংশ হলেও বর্তমানে আধুনিক ছোঁয়ার কারণে হালখাতা আর আগের মতো জমজমাট নেই। তবুও জেলা উপজেলার বিভিন্ন যায়গায় ঘুরে দেখা যায় হাতেগোনা গুটিকয়েক জন ব্যবসায়ী হালখাতার রেওয়াজ ধরে রেখেছেন।

বর্তমান আধুনিক যুগে আদিকালের হালখাতা অনেকটা উঠে গেছে। হালখাতা শব্দটি শুনলেই চোখে ভাসে নতুন সাজে দোকান, মোটা রঙের লালখাতা, মিষ্টিমুখ। দোকানিরা লাল খাতায় লিখে রাখেন পুরো বছরের বাকির হিসেব। বৈশাখের প্রথম দিন দোকানিকে বাকি পরিশোধ করতে গেলে তাদের আপ্যায়ন করাটাই হালখাতার ঐতিহ্য। বেশ কয়েক ধরনের লাল রঙের খাতায় হালখাতা চালু আছে বাজারে। এসব খাতার দামে ও নামে রয়েছে চমক। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে মানুষ আস্তে আস্তে হালখাতা ব্যবহার থেকে সরে আসতে শুরু করেছে। দিন যত যাচ্ছে হালখাতার ভবিষ্যৎ ততই অন্ধকার বলে মনে করছেন বরগুনার অনেক ব্যবসায়ীরা।


আরও খবর



লবণ উৎপাদনে ৬১ বছরের রেকর্ড ভাঙল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি অর্থবছরে দেশে সর্বোচ্চ পরিমাণ লবণ উৎপাদিত হয়েছে। চলতি মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই কক্সবাজার জেলায় ১৮ দশমিক ৩০ লাখ মেট্রিক টন উৎপাদিত হয়েছে। ৬১ বছরের মধ্যে এবারই লবণ রেকর্ড পরিমাণে উৎপাদিত হয়েছে। এর আগে, গত এক দশকের মধ্যে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ১৮ দশমিক ২৪ লাখ মেট্রিক টন লবণ উৎপাদন হয়েছিল। কক্সবাজারে বাণিজ্যিকভাবে লবণ উৎপাদন শুরু হয় ১৯৬০ সালে।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প সংস্থার (বিসিক) বলছে, গত পাঁচ বছরে লবণ চাষের জমি ও চাষির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় রেকর্ড পরিমাণ লবণ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে। এ বছর উৎপাদন আরও বাড়বে, কারণ মৌসুম এখনো শেষ হয়নি। দেশে বর্তমানে লবণের মোট উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ লবণ আসে কক্সবাজার জেলা থেকে। চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বাকি লবণ উৎপাদিত হয়। মাঠের চাষিরাও লবণ উৎপাদন নিয়ে সন্তুষ্ট। চলতি অর্থবছরে প্রতি মণ লবণ ২৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত অর্থবছরে যা ছিল ২০০-২২০ টাকা।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা বিসিক বলছে, দেশে ২০২১-২২ অর্থবছরে লবণের চাহিদা ২৩ দশমিক ৩৫ লাখ মেট্রিক টন। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে লবণ চাষের জমি বৃদ্ধি পেয়েছে আট হাজার ৬৩৭ একর। সেই সাথে লবণ চাষীর সংখ্যা বেড়েছে ৯ হাজার ৫৩৪ জন।

বাংলাদেশ সল্ট ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এইচএম শহীদ উল্লাহ বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় যতটা বেড়েছে সে তুলনায় আমরা দাম পাচ্ছি না। এখন আমরা প্রতি মণ লবণ ৩০০ টাকায় বিক্রি করছি। গত বছর দর ২০০ টাকা ছিল।  বিদেশ থেকে লবণ আমদানি না হওয়ায় আমরা চাষীরা লবণ বিক্রির সুযোগ পাচ্ছি। এটা আমাদের জন্য একটা ভালো দিক।

বিসিক চেয়ারম্যান মাহবুবর রহমান জানান, দেশে এখন লবণের বার্ষিক চাহিদা ২৩ লাখ মেট্রিক টন। এবার রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন হওয়ায় আগামী অর্থবছরে লবণ আমদানির প্রয়োজন পড়বে না।


আরও খবর



ধামরাইয়ে শিয়ালের কামড়ে আহত ৯

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৫৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকার ধামরাই উপজেলায় শিয়ালের কামড়ে শিশুসহ নয় জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। উপজেলার বাড়িগাঁও গ্রামে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঝোঁপঝাড় থেকে লোকালয়ে এসে পড়ে শিয়াল। এরপর থেকে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এদিকে, এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে শিয়াল-আতঙ্ক। এরই মধ্যে একটি শিয়াল ধরে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে গ্রামবাসী। শিয়ালের কামড় থেকে রক্ষায় রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন গ্রামের মানুষেরা।

স্থানীয়রা বলছেন, বেশ কয়েকদিন ধরেই শিয়ালের আতঙ্কে অতিষ্ঠ ছিলেন এলাকাবাসী।

এদিকে, ঘটনার পর আহত শিশুসহ অন্যান্যদের ধামরাই ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও মানিকগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য দুই নারীকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।

ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী শিয়াল-আতঙ্কের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



‘শেখ হাসিনা নির্বাচন-সম্মেলন সামনে রেখে দলকে সংগঠিত করার নির্দেশ দিয়েছেন’

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ২৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং আওয়ামী লীগের আসন্ন জাতীয় সম্মেলন সামনে রেখে দলকে এখন থেকেই সুসংগঠিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। গতকাল শনিবার রাতে গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। এর আগে গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টায় গণভবনে আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বৈঠকে মূলত পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন এবং পরবর্তী জাতীয় সম্মেলন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী জাতীয় সম্মেলন এবং জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করতে হবে সারা দেশে। আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ প্রোগ্রাম জোরদার করতে হবে। দলের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী নির্বাচন এবং জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে সুশৃঙ্খল সুসংগঠিত পার্টি হিসেবে আওয়ামী লীগকে দাঁড় করাতে হবে। পরবর্তী নির্বাচনে বিজয়ের জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতি এমনটি নির্দেশনা দিয়েছেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে দলের নির্দেশ অমান্য করে যাঁরা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন, তাঁদের ব্যাপারে কার্যনির্বাহী সংসদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা বিদ্রোহী দলের পদে আছে, সে সব জায়গায় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি করে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সম্মেলনের কাজ সমাপ্ত করতে বলা হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ সব শাখা বিশেষ করে উপজেলা ও জেলা সম্মেলনগুলোর কাজ শেষ করতে হবে।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আমাদের এরই মধ্যে মধ্যে ৪০টির মতো উপজেলায় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারিত হয়েছে এবং সাতটির মতো জেলায় ১২ তারিখ থেকে শুরু হবে। সাতটির মতো জেলায় সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

বিরোধীদলের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সভাপতি নির্দেশনা তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা তাদের কোনো প্রকার মিছিল-মিটিং সমাবেশে বাধা দেব না। তারা স্বাধীনভাবে করুক। আমাদের তরফ থেকে কোনো প্রকার বাধা সৃষ্টি করার প্রয়োজন নেই। আমরা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুত হচ্ছি। বিরোধী দলও যারা যারা নির্বাচন করবে, তাদের স্বাগতম। নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হবে।

আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ হয়েছে কি না জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন যেভাবে হয়, সেভাবেই হবে। সম্মেলন ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হবে। আমরা মনে করছিনেত্রী যখন তারিখ দেবেন, তখনই হবে। এখন থেকেই গঠনতন্ত্র ঘোষণাপত্রকে আপডেট করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। নির্বাচনি ইশতেহার, ঘোষণাপত্র, গঠনতন্ত্রএগুলো তৈরি করার জন্য তিনি এখন থেকেই সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন।

সহযোগী সংগঠনের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত যাঁরা আছেন, তাঁরা প্রত্যেক বিভাগের সহযোগী সংগঠনগুলো যাঁদের দায়িত্ব রয়েছে, সেগুলোর খোঁজখবর রাখবেন। এ বিষয়টা বলা হয়েছে। সহযোগী সংগঠন হোক আর যেটাই হোক, মেয়াদোত্তীর্ণ সব সংগঠনের সম্মেলন জাতীয় সম্মেলনের আগে হতে হবে।


আরও খবর