আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

প্রকাশিত:সোমবার ০২ জানুয়ারী 2০২3 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ জানুয়ারী 2০২3 | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

সোমবার (২ জানুয়ারি) সকালে ওই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১ কিলোমিটার। আগামী ৩ দিনের পূর্ভাবাস অনুযায়ী তাপমাত্রা কমতে থাকবে। আগামীকাল বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্বাভাসে দেখা গেছে, তাপমাত্রা কমে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামবে

আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার শ্রীমঙ্গলের আবহাওয়া সহকারী মো. আনিসুর রহমান জানান, সিলেট বিভাগের মাঝে সবচেয়ে বেশি শীত শ্রীমঙ্গলেই রেকর্ড করা হয়। আমাদের রেকর্ড অনুযায়ী, আগামীতে এখানকার শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে। তাপমাত্রা নিচে নামার কারণে শ্রীমঙ্গলে বাড়ছে শীতের তীব্রতা।


আরও খবর



বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার ধসের মামলায় ৮ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাটে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার ধসে ১৩ জনের প্রাণহানির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এতে গাফেলতির মাধ্যমে অবহেলাজনিত মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ৮ কর্মকর্তাকে একই সাজা দেওয়া হয়েছে।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের তৎকালীন প্রকল্প ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনজুরুল ইসলাম, প্রকল্প প্রকৌশলী আব্দুল জলিল, আমিনুর রহমান, আব্দুল হাই, মো. মোশাররফ হোসেন রিয়াজ, মান নিয়ন্ত্রণ প্রকৌশলী শাহজান আলী ও রফিকুল ইসলাম।

২০১০ সালে এম এ মান্নান (বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার) ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ শুরু করেছিল চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। নির্মাণ কাজ শেষে ২০১৭ সালে সেটি চালু করা হয়।

বুধবার (১০ জুলাই) চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞা এ রায় দিয়েছেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারি ওমর ফুয়াদ বলেন, দন্ডবিধির ৩৩৪(এ) ধারায় ৮ আসামিকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত। অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদন্ড ভোগ করতে হবে। এসব জরিমানার টাকা ফ্লাইওভার ধসে হতাহতের পরিবারের কাছে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার জন্য আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন।

এছাড়া একই রায়ে দন্ডবিধির ৩৩৮ ধারায় আসামিকে দুই বছরের কারাদন্ড। পাশাপাশি উভয় সাজায় একটির পর আরেকটি কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে আদালত। রায় ঘোষণার সময় জামিনে থাকা আট আসামিরা আদালতে হাজির ছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট এলাকায় নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের তিনটি গার্ডার ধসে ১৩ জন নিহত, আহত হন অর্ধশতাধিক। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজে তখন চেয়ারম্যান ছিলেন বর্তমান সংসদ সদস্য আবদুচ ছালাম। পরে ২৬ নভেম্বর চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলা করেছিলেন চান্দগাঁও থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ। মামলায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তারা হলেন- প্রকল্প পরিচালক সিডিএর তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান, সহকারি প্রকৌশলী তানজিব হোসেন ও উপসহকারী প্রকৌশলী সালাহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। এছাড়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মীর আক্তার অ্যান্ড পারিশা ট্রেড সিস্টেমসের ১০ জন এবং বেসরকারি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএআরএম অ্যাসোসিয়েটস অ্যান্ড ডিপিএমের ১২ জনকে আসামি করা হয়।

এরপর তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর চান্দগাঁও থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম শহীদুল ইসলাম আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৪ সালের ১৮ জুন অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এস এম মজিবুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। গত ২৫ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এরপর রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।


আরও খবর



দাবি আদায়ে আজও শাহবাগ অবরোধ কোটাবিরোধীদের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের দাবিতে আজও রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যানারে ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। এরপর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন তারা। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে সূর্যসেন হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল, টিএসসি ও রাজু ভাস্কর্য ঘুরে তারা শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন।

এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ছাত্র সারজিস আলম ঘোষণা দেন, আমরা আজকে আধা ঘণ্টার জন্য আসিনি। আমাদের দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত আমরা রাস্তা ছাড়ব না।

গত দুদিনও কোটা বাতিলের দাবি নিয়ে মিছিলের পর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন আন্দোলনরত ঢাবি শিক্ষার্থীরা। মিছিল থেকে কোটা না মেধা, মেধা মেধা, কোটাপ্রথা নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক, বৈষম্যের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন প্রভৃতি স্লোগান দেন তারা।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা প্রচলিত ছিল। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা, ১০ শতাংশ নারী কোটা, অনগ্রসর জেলার বাসিন্দাদের জন্য ১০ শতাংশ কোটা, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল। ওই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটা সংস্কারের দাবিতে বড় বিক্ষোভ হয়। কোটাব্যবস্থার সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ কোটা থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। পরে সে বছরের ৪ অক্টোবর কোটাপদ্ধতি বাতিলবিষয়ক পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এর মাধ্যমে ৪৬ বছর ধরে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে যে কোটাব্যবস্থা ছিল, তা বাতিল হয়ে যায়। পরে ২০২১ সালে সেই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উচ্চ আদালতে রিট করেন। সেই রিটের রায়ে চলতি বছরের ৫ জুন পরিপত্রের ওই অংশ অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এর পর থেকেই চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীরা মাঠে নামছেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যানারে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা পরিপত্র পুনর্বহালের পাশাপাশি আরও কিছু দাবি জানাচ্ছেন। এগুলো হলো, পরবর্তী সময়ে সরকার কোটাব্যবস্থা নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে চাইলে ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিতে সব গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেওয়া, সংবিধান অনুযায়ী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করা, চাকরির নিয়োগের পরীক্ষায় কোটাসুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করার সুযোগ বন্ধ করা ও কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোয় মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া এবং দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।


আরও খবর



পদ্মা সেতু প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠান আজ শুক্রবার (৫ জুলাই)। পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আনুষঙ্গিক সব কাজ শেষ হওয়ায় এর আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ উপলক্ষে আজ বিকেল ৪টায় মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়ায় পদ্মাসেতু উত্তর প্রান্তে সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী।

পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নানা অনিশ্চয়তার মধ্যেই আমাদের কাজটি সম্পন্ন করতে হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকসহ বিভিন্ন সংস্থার সরে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেষ্টায় আমরা সেতুর কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছি। মানুষকে একটি সুন্দর সেতু তৈরি করে দিতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের সবশেষ বরাদ্দ থেকে ১ হাজার ৮৩৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা কম খরচ হয়েছে। আমরা ওই টাকা নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে দেব।

তিনি আরও বলেন, এটি অনেক বড় একটি প্রকল্প। আমাদের কিছু ক্লেইম ছিল। নদীশাসন ও কারিগরি কিছু কাজ বাকি ছিল। বড় কাঠামো তৈরির পর ডিফেক্ট লাইবিলিটি পিরিয়ড থাকে। এই সময়ে অবকাঠামোর ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে (যেমন কোথাও রং উঠে গেছে, কোথাও কিছুটা কাজ বাকি থেকে গেছে ইত্যাদি) তা সংশোধন করা হয়। ঠিকাদারেরও বেশ কিছু ক্লেইম ছিল। যে কারণে বারবার আমাদের মিটিং করতে হয়েছে। অর্থাৎ এই সবগুলো কাজ এই সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ করা হয়েছে। সবমিলিয়ে আমাদের কাজ এখন সম্পূর্ণ। গত ৩০ জুনই সম্পন্ন হয়েছে।

জানা গেছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি উপলক্ষে সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ। বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথি ছাড়াও থাকবেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা আর সর্বাত্মক প্রস্তুতি থাকার কথা জানিয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ৫ জুলাই বিকেলে পদ্মা সেতু প্রকল্পের মাওয়া এলাকায় আসার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। মূলত পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজের মেয়াদ সমাপ্তি উদযাপনে প্রধানমন্ত্রী আসবেন। বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিসহ যারা এই সেতুর কাজে বিভিন্ন সময় অংশ নিয়েছেন, তাদের নিয়ে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সংশ্লিষ্টদের কথা শোনার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন ও সব দপ্তরের অংশগ্রহণে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়ায় প্রথম পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। এরপর নানা প্রতিবন্ধকতায় আর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা শেষে যাত্রা শুরু হয় দেশের আলোচিত প্রকল্পটির মূল কাজ। যার সবশেষ মোট বরাদ্দ ছিল ৩২ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




প্যারিস অলিম্পিকে নতুন যা থাকছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

আর একদিন, এরপর শুরু বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া উৎসব অলিম্পিক গেমস। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে আগামী ২৬ জুলাই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে ৩৩তম আসরের। এরই মধ্যে অলিম্পিক ভিলেজে আগমন ঘটেছে ২০৫ দেশের ১০৫০০ প্রতিযোগী।

৩২টি ইভেন্টে অংশ নেবেন তারা। চার ইভেন্টে বাংলাদেশের প্রতিযোগী পাঁচজন। প্রতিবারের মতো এবার অলিম্পিক গেমস শুরুর আগে সামনে চলে এসেছে একটি প্রশ্ন। এবারের আসরে নতুন কোন কোন খেলা যুক্ত হয়েছে? আর সেগুলো নিয়মই বা কী?

এবারের গেমসে বেশ কিছু ইভেন্টের অভিষেক হবে। এ ছাড়া যে ইভেন্টগুলো জাপানের টোকিও অলিম্পিকে প্রথমবারের মতো ছিল, সেগুলো এবারও থাকছে। কিছু কিছু ইভেন্টের ফরম্যাট পরিবর্তন করা হয়েছে। আর অ্যাথলেটিক্স এবং সাঁতারে থাকা থাকছে নতুনত্বের ছোঁয়া।

ব্রেকিং : নামটি অনেকের মনে বিভ্রান্ত তৈরি করতে পারে। ব্রেকিং শব্দটি মূলত সংবাদের সঙ্গে জড়িত। এ ছাড়া অনেকের কাছে চিরাচরিত ব্রেক ড্যান্সের শর্ট ফর্মও মনে হতে পারে। অনেকটা ব্রেক ড্যান্স বা ব্রেকিং যুক্ত হয়েছে এবারের অলিম্পিকে।

এর আগে ২০১৮ সালে সর্বপ্রথম স্পোর্টস ক্যাটাগরি হিসেবে যুবঅলিম্পিকে অন্তর্ভুক্ত হয়। তবে হয় তো এবারই শেষ। ২০২৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক গেমসে নাও থাকতে পারে এ ইভেন্টটি।

কায়াক ক্রস : প্যারিস অলিম্পিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ইভেন্ট কায়াক ক্রস। তীব্র ঢেউয়ের মধ্যে একে অপরের বিপক্ষে লড়াই করে চার অ্যাথলেট।

এবারের আসরে থাকছে স্কেট বোর্ডিং, সার্ফিং, ক্লাইম্বিং এবং ৩ গুণন ৩ বাস্কেটবলও। টোকিও অলিম্পিক গেমসে অভিষেক হয় এই ইভেন্টগুলোর। প্যারিস থেকে প্রায় ৯ হাজার মাইল দূরে তাহিতিতে হবে সার্ফিং প্রতিযোগিতা। প্যাসিফিক সাগরের এই দ্বীপপুঞ্জটি ফরাসি সরকারের অধীনে। এদিকে ৩ গুণন ৩ বাস্কেটবলে বেড়েছে প্রতিযোগীর সংখ্যাও।

লাকি লুজার : অলিম্পিকের সবচেয়ে আকর্ষনীয় ইভেন্ট হচ্ছে অ্যাথলেটিক্স বা ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড। এই ইভেন্টগুলোর নিয়মে এসেছে বড় পরিবর্তন।

২০০ মিটার থেকে ১৫০০ মিটার দৌড়ে যুক্ত হচ্ছে লাকি লুজার নামে নতুন নিয়ম। যা হার্ডেলসেও থাকবে। এই নিয়মে বলা হয়েছে হিটে হেরে গেলেও, ভালো পারফরম্যান্স (টাইমিং) থাকলে আবারও সুযোগ মিলবে। এতে অনেকে লাকি লুজার হিসেবে সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ থাকবে।

এবারের অলিম্পিক গেমসে প্রথমবার আর্টিস্টিক সুইমিং প্রতিযোগিতায় থাকছে পুরুষরা। বক্সিংয়ের মহিলাদের ইভেন্টে যুক্ত হয়েছে নতুন একটি বিভাগ। আবার পুরুষ বক্সিংয়ে কমেছে আরও একটি বিভাগ। শুটিংয়ে এবার মিক্সড টিম ট্র্যাপ ইভেন্টের পরিবর্তে থাকছে মিক্সড টিম স্কিট ইভেন্ট।


আরও খবর



মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সনদ: সুদে-আসলে টাকা আদায় করবে সরকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জালিয়াতি, প্রতারণা ও অসত্য তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে যাঁরা সরকারি ভাতা নিয়েছেন, তাঁদের সেই ভাতা সুদে-আসলে ফেরত নেবে সরকার। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ারও ঘোষণা এসেছে। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয় বৈঠকে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনে নিরস্ত্র হাতেই শত্রুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন নিরীহ বাঙালি। পাকিস্তানের দোসরদের সহায়তায় নির্মম হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের শিকার হন বাংলার সাধারণ মানুষ। তবে, প্রতিবাদী বাঙালি মাত্র নয় মাসের চেষ্টায় এবং ৩০ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে কাঙ্ক্ষিত সেই স্বাধীনতা অর্জন করে। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর দীর্ঘদিন স্বাধীনতাকামী সূর্যসন্তানেরা অবহেলা ও অনাহারে দিন কাটিয়েছেন। এমনকি সঠিক মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাও করতে পারেনি কোনো সরকার।

পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেওয়া দল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাসহ ভাতা চালু করে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের করা তালিকাতেও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারা ঢুকে পড়ে। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে আসার পর অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দেয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এবার তালিকা থেকে বাদ যাওয়া প্রায় আট হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার।

গত ১২ জুন জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়াসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তরভাবে আলোচনা হয়। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে এসব বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তম। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, গোলাম দস্তগীর গাজী, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও বেগম মাহফুজা সুলতানা। মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সভাপতিসহ কমিটির সদস্যরা বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চান মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাছে।

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী কমিটিকে জানান, ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে আট হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল করা হয়েছে। তারা বিগত দিনগুলোতে যে ভাতা নিয়েছিলেন তা সুদে-আসলে আদায় করা হবে। এ ছাড়া ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে প্রচলিত আইনে মামলা করতে হবে বলে জানান তিনি।

সচিব আরও জানান, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে সংযোজনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা হিসেবে প্রত্যেক উপজেলায় নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে একটি করে ক্যাপসুল লিফট স্থাপনের লক্ষ্যে পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) কামরুন নাহার জানান, প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে মোট ৪৪৬টি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের মধ্যে ৪৩৬টি নির্মাণ করা হয়েছে। বাকি ১০টির জায়গা না পাওয়ায় নির্মাণ করা যাচ্ছে না। পরবর্তীতে জমি পাওয়া গেলে সেগুলো নির্মাণ করা হবে বলে তিনি কমিটিকে অবহিত করেন।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এস এম মাহাবুবুর রহমান বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাকাল এবং ট্রাস্টের জমি ও স্থাপনা যেখানে যে অবস্থায় আছে তার বিবরণ, মোট সম্পত্তির পরিমাণ, ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয় ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত একটি প্রতিবেদন কমিটির কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর তিনি কার্যপত্রের আলোকে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের বছর ভিত্তিক আয় ও ব্যয়ের হিসাব সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করেন।

কল্যাণ ট্রাস্টের অনেক জমি উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৬০টি প্রকল্পের কাজ চলমান আছে। ফলে বছরে ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকা ট্রাস্টের লাভ হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বৈঠকে নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ক্যাপসুল লিফট স্থাপন প্রসঙ্গে কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ- ১ আসনের এমপি গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, কিছুদিন আগে আমার এলাকায় দুজন বীর মুক্তিযোদ্ধা মারা গেছেন। এভাবে সব মুক্তিযোদ্ধা মারা যাবেন। আমিও মারা যাব। তাই মৃত্যুর আগে একটি ভালো কাজ দেখে যেতে চাই। বয়স্ক মুক্তিযোদ্ধারা ওপরে উঠতে পারছেন না। তাই অতিদ্রুত লিফট সরবরাহের অনুরোধ করছি।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ক্র্যাক প্লাটুন ঢাকা শহরে ৭০টি অপারেশন পরিচালনা করেছিল। মুক্তিযুদ্ধে তাদের ভূমিকা ও ইতিহাস ব্যাপক। কমিটির প্রথম বৈঠকে ঢাকায় সরকারি অর্থায়নে ক্র্যাক প্লাটুন সম্পর্কিত স্মৃতিসৌধ বা চলচ্চিত্র/ডকুমেন্টারি তৈরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ ক্ষেত্রে অর্থ দিয়ে হলেও তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ জাতীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে আশা করছি।

কমিটির অপর সদস্য ও চাঁদপুর-২ আসনের এমপি মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, বয়স্ক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কমপ্লেক্সগুলোর দ্বিতীয় ফ্লোরে ওঠাই যেখানে কষ্টকর, সেখানে তাদের জন্য ওপরের ফ্লোর রাখা একেবারেই উচিত হয়নি। কমপ্লেক্সগুলোতে এ ক্ষেত্রে একটি করে ক্যাপসুল লিফট সংযোজনের দ্রুত ব্যবস্থা করার পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রয়োজনে এ বিষয়ে আলোচনা করে অতিদ্রুত লিফট সরবরাহের অনুরোধ জানাচ্ছি।

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও ক্র্যাক প্লাটুন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা ভুয়া সনদ নিয়েছেন তাদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করার আহ্বান জানাচ্ছি। ক্র্যাক প্লাটুন নিয়ে 'স্মৃতিসৌধ' বা চলচ্চিত্র/ডকুমেন্টারি তৈরি করার জন্য মাননীয় সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী যে প্রস্তাব করেছেন, সেই প্রস্তাব আমি সমর্থন করছি। এ ছাড়া তিনি প্রতিটি উপজেলায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচন দ্রুত সম্পন্ন করার পক্ষে মত দেন।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ও কমিটির সদস্য বেগম মাহফুজা সুলতানা বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদগ্রহণকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এখনও অনেকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিচ্ছেন। তারা কীভাবে এ সনদ নিচ্ছেন, তা খতিয়ে দেখার জন্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করছি। এ ছাড়া, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীরাঙ্গনা নারীদের কথা ইতিহাসে থাকলেও মুক্তিযুদ্ধের সময় যে সব সাধারণ ও নিরীহ মা-বোনেরা যুদ্ধ করেছিলেন, তাদের কথা ইতিহাসে নেই। তাই ওই সব নারীর তালিকা তৈরি করার আহ্বান জানান তিনি।

সংরক্ষিত আসনের এ এমপি আরও বলেন, আমার এলাকায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে যে সব অসহায় মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন, তাদের যে ২০ হাজার টাকা সম্মানিভাতা দেওয়া হয় তা দিয়ে বর্তমান অবস্থায় জীবন-যাপন করা খুবই কষ্টকর। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিভাতা বৃদ্ধি করার সুপারিশ করেন তিনি।

টাঙ্গাইল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও কমিটির সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, উপজেলায় নির্মিত কমপ্লেক্সগুলোতে ক্যাপসুল লিফট সরবরাহের জন্য প্রতিটি বৈঠকে বারবার বলা হচ্ছে। কিন্তু তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।

মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় তিন শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধা আছেন। এক শ্রেণি খুবই বিত্তবান, তাদের এ ভাতা না হলেও চলে। আরেক শ্রেণি হলেন মধ্যবিত্ত, তাদেরও চলে। তৃতীয় যে শ্রেণি আছেন তাদের অবস্থা খুবই খারাপ। বর্তমান অবস্থায় সামান্য এ ভাতা দিয়ে জীবন-যাপন করা আসলেই কষ্টকর। তাই সম্মানিভাতা শ্রেণি/ধরন অনুযায়ী ভাগ করে দেওয়া যায় কি না, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে পর্যালোচনা করার আহ্বান জানান তিনি।

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র অপারেশন জ্যাকপট নির্মাণ প্রসঙ্গে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, গত ২৯ এপ্রিল কমিটির সভাপতিসহ অন্যান্য সদস্য এবং জীবিত নৌ-কমান্ডোদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক ইতিহাস ভিত্তিক ডকুমেন্টারি/চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানানো হয়েছে। সেই আলোকে ডকুমেন্টারি তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে।

মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে নথিপত্র সংরক্ষণের বিষয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বেশকিছু উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের কাগজপত্র/নথিপত্র সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সরবরাহ করা হয়েছে। বাকিগুলোতেও যেন সঠিকভাবে সরবরাহ করা হয় সে জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অর্জন, চলমান কার্যক্রম ইত্যাদি সম্পর্কে কমিটিকে জানান মন্ত্রী। এ ছাড়া জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী, মহিলা মুক্তিযোদ্ধা (বীরাঙ্গনা) হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের নাম গেজেটভুক্তির জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

বৈঠকে মোজাম্মেল হক সেবা পদ্ধতি সহজীকরণ, মুজিব কর্নার কাম লাইব্রেরি স্থাপন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ইত্যাদি প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ ছাড়া চলমান কার্যক্রমের মধ্যে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি, মুক্তিযুদ্ধ এবং এসব ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা, দেশ পরিচালনায় বঙ্গবন্ধুর অসামান্য অবদান প্রভৃতি বিষয়ে ১৩টি গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটির সদস্যদের অবহিত করেন। তিনি ১৩টি গবেষণার শিরোনাম, চুক্তিবদ্ধ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নাম ও দলনেতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন বৈঠকে।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪