আজঃ শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সোমালি দস্যুদের কবল থেকে ২৩ জনকে উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

প্রায় ১২ ঘণ্টার অভিযান শেষে সোমালি জলদস্যুদের কবল থেকে ইরানের পতাকাবাহী মাছ ধরার নৌকা আল-কাম্বার ৭৮৬ উদ্ধার করেছে ভারতীয় নৌবাহিনী। শুক্রবার (২৯ মার্চ) আরব সাগরে চালানো এই অভিযানে নৌকাটিতে থাকা ২৩ জন পাকিস্তানি নাগরিককেও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তার বরাতে বলছে, বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে আরব সাগরের সোকোত্রা লেট থেকে ৯০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে এই নৌকাটি অপহরণ করার উদ্দেশ্যে তাতে উঠে পড়েন নয়জন সশস্ত্র জলদস্যু। অপহরণের খবর পেয়ে ভারতীয় নৌবাহিনীর টহলদারি জাহাজ আইএনএস সুমেধা শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে সেখানে যায় যুদ্ধাজাহাজ আইএনএস ত্রিশূল

প্রায় ১২ ঘণ্টার অভিযানের পর দস্যুদের আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করা হয় জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, জাহাজের ২৩ জন পাকিস্তানি নাগরিককেও উদ্ধার করা হয়েছে। আর নৌকাটিকে ভালো করে পরীক্ষানিরীক্ষার পর তা নিরাপদ স্থানে এনে স্বাভাবিক কাজে ফিরিয়ে দেয়া হবে। এক্সে করা এক পোস্টে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে ইন্ডিয়ান নেভি।

প্রসঙ্গত, আরব সাগরে বিগত কয়েক মাস ধরেই বিভিন্ন জাহাজ এবং নৌকাকে সোমালি জলদস্যুদের হামলার কবলে পড়তে হয়েছে। বেশ  কয়েক বছর পর ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এই দস্যুরা। এর আগে ১৭ মার্চ প্রায় ৪০ ঘণ্টা ধরে অভিযান চালিয়ে সোমালি জলদস্যুদের কবল থেকে মাল্টার পণ্যবাহী জাহাজকে উদ্ধার করে  ইন্ডিয়ান নেভি। জাহাজের দখল নেয়া ৩৫ জলদস্যুকে গ্রেপ্তার করা নেয়া হয় ভারতে। উদ্ধার করা হয় জাহাজের ১৭ সদস্যকেও।


আরও খবর



এফডিসিতে ১৯ সংগঠনের বৈঠক, ‘বয়কট’ হতে পারেন নিপুণ

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

চেনা ছন্দে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)। তবে লাইট-ক্যামেরা অ্যাকশনে নয়, শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে ফের চর্চায় চিরচেনা এফডিসি। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে দুই বছর আগে যে রকম কাদা ছোড়াছুড়ির ঘটনা হয়েছিল, তা চলচ্চিত্র পরিবারের কাছে যেমন অজনা নয়, তেমনি সিনেমাপ্রেমীরাও ভুলে যাননি নিশ্চয়ই।

সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে গত নির্বাচনের মতো এবারও একই রকম ঘটনা ঘটছে এই সমিতিকে ঘিরে। গত ১৯ এপ্রিল অনেকটা আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন। এবার সভাপতি পদে মিশা সওদাগর এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মনোয়ার হোসেন ডিপজল নির্বাচিত হয়েছেন। সবার আগে নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পরাজিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নিপুণ আক্তারই ফুলের শুভেচ্ছা জানান।

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ডিপজলের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েও তার কাছাকাছি ভোট পাওয়ায় মিডিয়ার কাছে বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন নিপুণ। নব-নির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানও সম্পন্ন হয়ে গেছে অনেকদিন আগেই। অথচ বর্তমানে উল্টো পথে হাঁটছেন নিপুণ। তার দাবি, শিল্পী সমিতির নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। নতুন কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন এই অভিনেত্রী। তার রিটের প্রেক্ষিতে সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদটিতে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন আদালত। ফলে আপাতত ডিপজল এই পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে ফুলের মালা পড়ানোর ২৫ দিন পর নিপুণের আদালতে দৌড়ঝাঁপ ভালো চোখে দেখছেন না সিনিয়র-জুনিয়র শিল্পীরা। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র পাড়ায় এ নিয়ে বেশ চর্চা হচ্ছে। নিপুণের কাণ্ডে বৈঠকের ডাক দিয়েছে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৯টি সংগঠন।

বুধবার (২২ মে) বিকেল ৩টায় এফডিসিতে ১৮ সংগঠনের সঙ্গে শিল্পী সমিতির গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানা গেছে। বৈঠকে স্টার সিনেপ্লেক্সের অনিয়মসহ নিপুণের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত আসবে বলে শোনা যাচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, এদিন নিপুণকে বয়কটের সিদ্ধান্ত আসবে! তবে ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

এছাড়াও নিপুণের করা রিট এবং মিশা-ডিপজলকে অশিক্ষিত বলে কটাক্ষ করায় প্রতিবাদ জানিয়ে এই নায়িকার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করবেন শিল্পীরা। এতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে নিপুণ সমর্থিত ১০৩ জন শিল্পীদেরও। সম্প্রতি তারা মিশা-ডিপজল প্যানেলকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আজ দুপুর ১টা থেকে তারা এফডিসিতে অবস্থান নিয়ে নিপুণের বিচার চেয়ে বিক্ষোভ করবেন বলে জানা গেছে।


আরও খবর



অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন পি কে হালদার

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে ১৪ দিনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছেন বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারে অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদার। প্যারোলে (অন্তর্বর্তী জামিন) মুক্তি পাচ্ছেন তার ভাই এবং এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রাণেশ হালদারও।

এই মুহূর্তে তারা কলকাতার প্রেসিডেন্সি কারাগারে বন্দি। সূত্র জানিয়েছে, আজ বুধবার (৫ জুন) সন্ধ্যার দিকে তারা ছাড়া পেতে পারেন।

মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য মানবিক কারণে পি কে হালদার ও প্রাণেশ হালদারের পক্ষে গত সোমবার (৩ জুন) ১৫ দিনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেন তাদের আইনজীবী বিশ্বজিৎ মান্না। এর বিরোধিতা করে মাত্র চারদিনের প্যারোলের দাবি জানান ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী। মঙ্গলবার ফের তার শুনানি ছিল।

এদিন দুপক্ষের আইনজীবীদের কথা শোনার পর কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিশেষ ইডি কোর্ট-১র বিচারক প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় তাদের দুই ভাইকে ১৪ দিনের অন্তর্বর্তী জামিন দেন।

এ প্রসঙ্গে ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী জানান, আদালত জানিয়ে দিয়েছেন, অভিযুক্তরা প্যারোলে মুক্তি পেলেও কলকাতা পুলিশ কমিশনারেট এবং বিধান নগর পুলিশ কমিশনারেটের এখতিয়ারের বাইরে বেরোতে পারবেন না। তারা সারাক্ষণ জেল কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে থাকবেন। ১৪ দিনের প্যারোলের মেয়াদ শেষে আগামী ১৮ জুন আদালতে এসে তাদের আত্মসমর্পণ করতে হবে।

পি কে হালদারের মা প্রয়াত লীলাবতী হালদারের বিরুদ্ধেও দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন রোগে ভোগার পর গত ২৮ মে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় লীলাবতী দেবীর। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট থেকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আপাতত লীলাবতীর মরদেহ সংরকক্ষণ করা রয়েছে কলকাতার পিস ওয়ার্ল্ডে।

কিন্তু তার দুই সন্তান এই মামলার অন্যতম দুই অভিযুক্ত পি কে হালদার এবং প্রাণেশ কুমার হালদার কারাগারে বন্দি থাকায় এখন পর্যন্ত মায়ের সৎকার সম্ভব হয়নি। ফলে হিন্দু ধর্মমতে প্রয়াত মায়ের অন্ত্যেক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আদালতের কাছে অন্তর্বর্তী জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন অভিযুক্তদের আইনজীবী।


আরও খবর



রুমায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কেএনএফের ৩ সদস্য নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বান্দরবান প্রতিনিধি

Image

বান্দরবানের রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএফ) তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু অস্ত্র। রবিবার (১৯ মে) ‍দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, যৌথ অভিযানে রোয়াংছড়ির রোনিন পাড়া ও রুমার পাইক্ষ্যং পাড়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এসময় কেএনএফ সন্ত্রাসীরা সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

পুলিশ আরও জানায়, সেনা সদস্যরাও পাল্টা গুলি করলে কেএনএফ এর তিন সন্ত্রাসী নিহত হন। পরে সেনাবাহিনীর অভিযানে বাকী সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, বেতার যন্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি পাওয়া যায়।

গত ২ ও ৩ এপ্রিল রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতি, অস্ত্র লুট এবং ব্যাংক কর্মকর্তাকে অপহরণ করে কেএনএফ সন্ত্রাসীরা। এরপর থেকে পাহাড়ে সন্ত্রাসবিরোধী যৌথ অভিযান চলছে।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




বিএনপি নেতা ইশরাক কারাগারে

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

নাশকতার অভিযোগে পল্টন থানার মামলায় ঢাকা মহানগর বিএনপির সিনিয়র সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আস-সামছ জগলুল হোসেন রোববার এ আদেশ দেন।

এ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন ইশরাক। এদিন আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন বর্ধিত করার আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে আবেদন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি নাশকতার ১২ মামলায় ইশরাক হোসেন হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পান।

আসামিপক্ষের আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ জানান, ১২ মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন ইশরাক। শুনানি শেষে ১১ মামলায় তার স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। তবে পল্টন থানার একটি মামলায় জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

গত বছরের ২৮ অক্টোবরে বিএনপির ডাকা মহাসমাবেশে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় নাশকতার অভিযোগে ১২টি মামলা করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: বিএনপি আদালত

আরও খবর



আসছে বাজেটে বাড়তে পারে সিগারেটের দাম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি দেশের ১৮তম অর্থমন্ত্রী। আবুল হাসান মাহমুদ আলী অর্থমন্ত্রী হিসেবে এবারই প্রথম বাজেট পেশ করবেন। এটি দেশের ৫৩তম বাজেট। সেই সঙ্গে এটি হবে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট।

প্রতি বছরই তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমানো এবং এ খাত থেকে রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়। করে বেড়ে যায় সিগারেট, জর্দা ও গুলের দাম। এবারও সিগারেটের দাম বাড়ছে বলে জানা গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার বাজেটে তামাকজাত পণ্য, পানির ফিল্টার, এলইডি বাল্ব, কম্পিউটারের দাম বাড়তে পারে। কমতে পারে গুঁড়া দুধ, ল্যাপটপের দাম।

জানা গেছে, প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেটের উৎপাদন পর্যায়ে সম্পূরক শুল্ক ও মূল্যস্তর বাড়ানো হতে পারে। তিন স্তরের সিগারেটে সম্পূরক শুল্ক ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হতে পারে। এতে বাড়তে পারে সব ধরনের সিগারেটের দাম।

আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে এবার বাজেটে খরচের লাগাম টানা হচ্ছে। প্রতি বছর গড়ে ১২ থেকে ১৫ শতাংশ আকার বাড়ানো হলেও এবার মাত্র সাড়ে ৪ শতাংশ বাড়িয়ে বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।

গত জুনে চলতি অর্থবছরের জন্য যে বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছিল তার থেকে এই বাজেট মাত্র ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। আগামী বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। বাকি ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণের অঙ্ক বাড়ানো হচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব বলছে, আয়-ব্যয়ের যে হিসাব বাজেটে দেওয়া হয় তার কোনোটাই লক্ষ্য পূরণ হয় না। প্রতি অর্থবছর শুরুতে যে বাজেট দেওয়া হয়, ৯ মাস শেষে একবার সংশোধন করা হয়। কিন্তু অর্থবছর শেষে দেখা যায়, বাস্তবায়নের হার আরও কম। গত তিন বছর ধরে ঘোষিত বাজেটের চেয়ে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা কম ব্যয় হচ্ছে। অর্থ বিভাগের গত এক দশকের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, প্রতি বারই বাজেট বাস্তবায়ন হচ্ছে গড়ে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ।


আরও খবর